ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী


সরকার বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সরকার বিনামূল্যে প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সাবধান করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি এই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে ঢাকা অর্থোপেডিক ও আর্থোপ্লাস্টি একাডেমি আয়োজিত ‘দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ঢাকা নী সামিট’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথাগুলি বলেছেন। বিশেষত হাঁটুর নানা জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা, অস্ত্রোপচারের নতুন কৌশল এবং প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে এই সামিটের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাতের প্রসঙ্গ টেনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বড় বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদি দেশের চিকিৎসকরা আরও দক্ষ হন, তবে সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা বাড়বে। এতে রোগীদের আত্মবিশ্বাস যে বাড়বে, তা একদিকে যেমন হবে, অন্যদিকে দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাঁচদিনের ছুটিতে বাড়ির দিকে ছুটছে মানুষ

চিকিৎসাবিজ্ঞানের আধুনিকায়নের কথা উল্লেখ করে ডা. জাহিদ আরও বলেন, বর্তমানে অর্থোপেডিকসের মতো বিষয়গুলো আরও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিশেষায়িত শাখায় বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। তাই আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে চিকিৎসা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৭ বিলিয়ন ডলারের জুয়েলারি রপ্তানির লক্ষ্য বাজুসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৫ পি.এম


২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৭ বিলিয়ন ডলারের জুয়েলারি রপ্তানির লক্ষ্য বাজুসের

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে স্বর্ণ ও হীরার অলংকার রপ্তানি করে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। একই সঙ্গে, সংগঠনটি জুয়েলারি খাতকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত করার জন্য নীতিগত সংস্কার ও দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা প্রস্তাব করেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘বাজুস জুয়েলারি ফ্যাশন কার্নিভাল-২০২৬’-এ এই পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাজুসের প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এনি, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এফসিএমএ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরা।

বাজুসের পক্ষ থেকে জানা যায়, ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বর্তমানে দেশের প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান ও চার লাখ কারিগরের প্রতিনিধিত্ব করছে।

এই খাতের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২৮ লাখ মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর ও ভ্যাটে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাজুস বলেছে, বর্তমানে তাদের প্রধান লক্ষ্য হল দেশীয় জুয়েলারি শিল্পকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও রপ্তানিমুখী খাতে রূপান্তর করা।

বাজুসের মতে, জুয়েলারি শিল্পের অন্যতম প্রধান বাধা হলো নীতিমালার অস্পষ্টতা। বৈষম্যহীন নীতিমালার মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানির পথ সহজ করা গেলে স্থানীয় বাজারে প্রতি ভরি অলংকারের দাম অন্তত ৩০ হাজার টাকা কমানো সম্ভব।

‘স্বর্ণ নীতিমালা-২০১৮ (সংশোধিত)-২০২৬’ বাস্তবায়ন করা হলে, এই খাত থেকে সরকার বছরে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব পেতে পারে।

এ ছাড়া, বাজারে থাকা অপ্রদর্শিত স্বর্ণ এককালীন ফি দিয়ে প্রদর্শনের সুযোগ প্রদানের ফলে সরকার ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করতে পারে বলে বাজুস মনে করে। একই সঙ্গে দেশে থাকা স্বর্ণের মজুদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা সম্ভব হবে।

সংগঠনটি জানায়, দেশীয় দক্ষ কারিগরদের কাজে লাগিয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০টি আধুনিক জুয়েলারি কারখানা স্থাপনের লক্ষ্য রয়েছে। এসব কারখানায় ৫০ হাজার প্রত্যক্ষ এবং এক লাখ পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে।

এতে দেশের জিডিপিতে অতিরিক্ত ০.৫ শতাংশ অবদান রাখার প্রত্যাশা করছে বাজুস।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঢাকার মধ্যে ১০ বিঘা জমির ওপর একটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল ‘স্বর্ণপল্লী’ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সেখানে আধুনিক জুয়েলারি কারখানা ও ডায়মন্ড প্রসেসিং ইউনিট স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বাজুস আরো বলেছে, ২০০৬ সালের অমসৃণ হীরা আমদানি-রপ্তানি (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা যুগোপযোগী করা এবং হীরা আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক কমিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা উচিত। ‘স্বর্ণপল্লী’তে ডায়মন্ড প্রসেসিং ইউনিট স্থাপিত হলে ৫ থেকে ১০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ২০৩১ সালের মধ্যে বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ডায়মন্ড জুয়েলারি রপ্তানি সম্ভব হবে।

বাজুসের পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন ও আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করা গেলে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে মোট ৭ বিলিয়ন ডলারের স্বর্ণ ও হীরার অলংকার রপ্তানি সম্ভব। এর মাধ্যমে জুয়েলারি খাতকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতে পরিণত করার প্রত্যাশা করছে সংগঠনটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঠবাড়িয়ায় এতিমখানার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পিরোজপুর প্রতিনিধি

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৬ পি.এম


মঠবাড়িয়ায় এতিমখানার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায়, কয়েকটি এতিমখানায় নির্ধারিত সংখ্যা অনুযায়ী এতিম শিক্ষার্থী না থাকার পরেও সরকারি বরাদ্দ উত্তোলন এবং দেশি-বিদেশি অনুদানের অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে এলাকার স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা তীব্রভাবে চলমান রয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত করে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ হলো, মঠবাড়িয়া উপজেলায় সরকারি তালিকায় থাকা প্রায় ২৮টি এতিমখানার মধ্যে সাপলেজা এলাকার দুটি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের মধ্যে একটি হলো *সাপলেজা নেছারিয়া হাসান হোসাইন এতিমখানা*, যেখানে বিধি অনুযায়ী ১০০ জন এতিম শিক্ষার্থী থাকার কথা ছিল, কিন্তু বাস্তবে এতিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা নেই। তবে বিভিন্ন নামে শিক্ষার্থী দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ উত্তোলন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখানকার জন্য খুবই কম।

অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যে, ওই প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারি খাত থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা এবং দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে আরও প্রায় ২০ লাখ টাকার অনুদান পাওয়া গেছে। কিন্তু এসব অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হচ্ছে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, *সাপলেজা বায়তুস শরফ লায়লা মালেকিয়া লিল্লাহ বোর্ডিং*-এর সম্পর্কেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এখানে নির্ধারিত সংখ্যা থেকে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক কম। অভিযোগ করা হয়েছে যে, ৬০ জন এতিম শিক্ষার্থী থাকার কথা থাকলেও এখানে বাস্তবে ৭-৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এই প্রতিষ্ঠানটির জন্য বছরে প্রায় ১০-১২ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ আসে ৩২ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে বলেও স্থানীয়রা দাবি করেছেন। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠাতার পক্ষ থেকে ১০-১৫ লাখ টাকার অনুদান দেওয়ার কথাও স্থানীয়ভাবে শোনা যাচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ রয়েছে যে, এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও হাফেজের সংখ্যা নিয়ে যে কাগজপত্রে তথ্য দেখানো হয়, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। নিয়মিত পাঠদান ও শিক্ষাকার্যক্রমের বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য সরকারি নথি, বরাদ্দের হিসাব এবং প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতির তথ্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

এদিকে, মঠবাড়িয়া উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তদারকি নিয়েও স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়মিত এবং কার্যকর পরিদর্শন না হওয়ায় কিছু প্রতিষ্ঠান সরকারি সহায়তা পাওয়ায় অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছে। সমাজসেবা কার্যালয়ে কর্মরত কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক সুবিধা নিয়ে কাগজপত্র অনুমোদনের অভিযোগ ও রয়েছে। তবে এই অভিযোগের প্রমাণস্বরূপ কোনো নথি তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

অপর দিকে, স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেছেন, কিছু প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মিলাদ, কবর জিয়ারত, কোরআন খতম ও বকশিশের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে থাকেন। এসব অর্থের হিসাব ও ব্যবহার নিয়েও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টিতে বিস্তারিত মন্তব্য না করে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে দেখা গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, মঠবাড়িয়ার সব এতিমখানার সরকারি বরাদ্দ, প্রকৃত এতিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা, উপস্থিতি, অনুদান এবং ব্যয়ের হিসাব নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। তাছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকৃত এতিমদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডির পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এতিমখানা কর্তৃপক্ষ ও সমাজসেবা বিভাগের বক্তব্য নেওয়ার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে, তা পরবর্তী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

নতুন দায়িত্ব পাওয়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেনো রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর অর্থবহ চাপ সৃষ্টি করা হয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি) আয়োজিত ‘কনফ্লুয়েন্স ২০২৬ : অংশীদারিত্ব, স্বীকৃতি ও প্রতিশ্রুতির এক সম্মিলন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের স্বদেশে টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে এবং মিয়ানমারের উপর অর্থবহ চাপ প্রয়োগ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন ও রোহিঙ্গাদের জন্য অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের বোঝা বহনে সহায়তা করার জন্যও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে।

হুমায়ুন কবির বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে কোনোভাবেই একটি বিস্তৃত সংকটে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার এই সংকটের সমাধানকে আমাদের বৈদেশিক নীতির একটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, এটি কেবল মানবিক সহায়তার মাধ্যমে পরিচালিত হওয়া উচিত নয়, বরং আমরা রোহিঙ্গা সংকটের এক টেকসই ও স্থায়ী সমাধান অর্জনে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির এশিয়া অঞ্চলের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক হাসিনা রহমান বলেন, এই মানবিক সংকটের নয় বছর কেটে গেছে। গতানুগতিক ধারায় আমরা এই সংকটকে সামনের বছরগুলোতে মোকাবিলা করতে পারব না। মানবিক সহায়তার তহবিল কমে আসছে এবং বিশ্বের মনোযোগ এই সংকট থেকে অন্যদিকে সরে যাচ্ছে। সম্মিলিতভাবে পরিকল্পনা করতে হবে। এই সংকটের টেকসই সমাধান এবং সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের সুরক্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

রোহিঙ্গা মানবাধিকারকর্মী লাকি করিম বলেন, যে কোনো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে মিয়ানমারের রাখাইনে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য। যতদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি না হবে, ততদিন বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও টেকসই জীবিকা অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মানবিক সহায়তার ওপর তাদের নির্ভরশীলতা কমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির মতিঝিল ও মিরপুর মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ৮৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৪ পি.এম


ডিএমপির মতিঝিল ও মিরপুর মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ৮৫

ঢাকা, ২২ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগ এবং মিরপুর মডেল থানার অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৮৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মতিঝিল বিভাগের অভিযানে গ্রেফতারকৃত ৫২ জনের মধ্যে মতিঝিল থানায় ১১ জন, পল্টন থানায় ৪ জন, সবুজবাগ থানায় ৫ জন, খিলগাঁও থানায় ১০ জন, রামপুরা থানায় ১ জন, शाहজাহানপুর থানায় ৯ জন এবং মুগদা থানায় ১২ জন রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার মতিঝিল বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে, ডিএমপির মিরপুর মডেল থানার বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মিরপুর মডেল থানা পুলিশ শুক্রবার থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%