শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৭ পি.এম
বরিশাল, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন মন্তব্য করেছেন যে, সাংবাদিকতা শুধুমাত্র নিষ্ঠা ও পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এখানে নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবপ্রেমের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আজ তিনি গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরের সম্পাদনায় প্রকাশিতব্য গৌরনদীর প্রথম সরকারি ডিক্লারেশনপ্রাপ্ত সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘গৌরনদী পরিক্রমা’র প্রকাশনা উৎসব উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।
তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান ও দায়িত্বশীল পেশা। সাংবাদিকদের সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। পাশাপাশি পেশাগত সততা, নৈতিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
সাংবাদিকদের লেখনীতে দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খা, সমস্যা ও সম্ভাবনার প্রতিফলন ঘটাতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে একটি সচেতন, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একটি পত্রিকা শুধুমাত্র সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, বরং এটি সমাজের দর্পণ এবং মানুষের আশা-আকাঙ্খা, অধিকার ও সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি। বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজের অসংগতি, অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরার পাশাপাশি উন্নয়ন, অগ্রগতি ও ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
গৌরনদীর প্রথম সরকারি ডিক্লারেশনপ্রাপ্ত সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘গৌরনদী পরিক্রমা’র যাত্রা এ অঞ্চলের সংবাদপত্রের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। পত্রিকাটি স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা, সম্ভাবনা, শিক্ষা-সংস্কৃতি, উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহির এর সভাপতিত্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব এবং গৌরনদী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মিয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) তাদের পূর্বঘোষিত ইসলামাবাদমুখী ‘লং মার্চ’ এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর এই লং মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা এখন ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
দলটির একজন জ্যেষ্ঠ নেতার উদ্ধৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ডন’ জানিয়েছে, রাজনৈতিক কৌশলগত আলোচনা ও সার্বিক প্রস্তুতির মূল্যায়নের পর এই কর্মসূচি পেছানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, ৪ অক্টোবর পেশোয়ার থেকে লং মার্চ শুরু হয়ে রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে অগ্রসর হবে।
পিটিআই, দলটির প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের মুক্তি, সংবিধানের সুরক্ষা এবং সম্প্রতি নেতাকর্মীদের ওপর চলমান দমন-পীড়নের প্রতিবাদে দেশব্যাপী এই লং মার্চ ও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল। সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই লং মার্চের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে এবং রাজধানীতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন ও ব্যারিকেড তৈরির নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের কঠোর অবস্থান এবং নিজেদের অভ্যন্তরীণ কৌশলগত সমন্বয়ের স্বার্থে পিটিআই নেতৃত্ব কর্মসূচির তারিখ পুনঃনির্ধারণ করেছে। নতুন তারিখে আন্দোলন কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে দলীয় উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনা চলছে। সূত্র: ডন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানার পুলিশ পৃথক বিশেষ অভিযানে ডাকাতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি সহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিনভর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে সাজাপ্রাপ্ত আসামি, ওয়ারেন্টভুক্ত ডাকাতি মামলার আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া আসামি এবং সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে মাদকসেবী আসামিরা।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, শুক্রবার ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোঃ বাবুল হোসেন (২৯) কে গ্রেপ্তার করে। অন্য একটি অভিযানে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রতন কুমার মল্লিক সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ আশরাফুল (২৮) কে আটক করেন।
এছাড়া, এএসআই মোঃ সাইফুল আলম সিদ্দিকী গঙ্গানগর এলাকা থেকে একই ব্যক্তির নামে দুটি জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ ফারুক আহম্মেদ ওরফে রকেল (৩৯) এবং এএসআই মোঃ নুর আল-আহসান অপর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ ফরিদ (৬৫) কে গ্রেপ্তার করেন।
পৃথক একটি বিশেষ অভিযানে এসআই রূপম কুমার সরকার পেনাল কোডের ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার (মামলা নং-১৮, তারিখ-২৪/০৪/২০২৬) তদন্তে পলাতক আসামি মোঃ বাবুল হোসেন (২৯) কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। অন্যদিকে, এসআই মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন একটি নিয়মিত মামলার (মামলা নং-৪১, তারিখ-২৫/০৯/২০২৬) এজাহারনামীয় আসামি মোঃ আবুল হোসেন (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেন।
একই দিনে পরিচালিত অপর একটি অভিযানে এসআই মোঃ রফিকুল ইসলাম, এসআই মোঃ শামীম হোসেন, এসআই রূপম কুমার সরকার, এএসআই লিংকন কুমার নাথ ও এএসআই রতন কুমার মল্লিকের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ টিম মাদক সেবনের অপরাধে ৫ জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন— মোঃ জালাল (৫০), মোঃ ইসমাইল (২২), মোঃ মোশারফ হোসেন (২১), আল-আমিন (৩৮) এবং মোঃ মনির হোসেন (৩৮)। তাঁদের সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফারুক হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবারভিত্তিক অভিবাসনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্বজনদের আনতে এবং গ্রিন কার্ডের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য স্পনসরদের নতুন সর্বনিম্ন আয়সীমা ২০২৬ সালের জন্য ঘোষণা করেছে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)। মূলত, ফর্ম আই-৮৬৪ বা ‘অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট’-এর আওতায় ফেডারেল দারিদ্র্যসীমার অন্তত ১২৫ শতাংশ আয় প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা থেকে এই নতুন আয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ৪৮টি স্টেট, ওয়াশিংটন ডিসি, পুয়ের্তো রিকো, গুয়াম এবং নর্দার্ন মারিয়ানা আইল্যান্ডসের জন্য দুই সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে স্পনসরের ন্যূনতম বার্ষিক আয় ২৭ হাজার ৫০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে, পরিবারের সদস্যসংখ্যা তিনজন হলে আয় হতে হবে ৩৪ হাজার ১৫০ ডলার, চারজন হলে ৪১ হাজার ২৫০ ডলার এবং পাঁচজনের পরিবারের জন্য ৪৮ হাজার ৩৫০ ডলার দেখাতে হবে।
এছাড়া, ৬, ৭ ও ৮ সদস্যের পরিবারের জন্য স্পনসরের বাৎসরিক আয় যথাক্রমে ৫৫ হাজার ৪৫০, ৬২ হাজার ৫৫০ এবং ৬৯ হাজার ৬৫০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যসংখ্যা যদি আটজনের বেশি হয়, তাহলে প্রতি অতিরিক্ত সদস্যের জন্য ৭ হাজার ১০০ ডলার করে বাড়তি আয় যোগ করতে হবে।
হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে অন্যান্য স্টেটের তুলনায় এই আয়সীমা কিছুটা বেশি রাখা হয়েছে। সেখানে দুই সদস্যের পরিবারের জন্য ন্যূনতম আয় ৩১ হাজার ১১৩ ডলার এবং আট সদস্যের পরিবারের জন্য ৮০ হাজার ৮৮ ডলার আয় দেখাতে হবে। এই অঞ্চলে আটজনের পর প্রতি অতিরিক্ত সদস্যের জন্য ৮ হাজার ১৬৩ ডলার করে যুক্ত হবে।
ইউএসসিআইএস আরও জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর সক্রিয় সদস্য যারা নিজেদের স্বামী বা স্ত্রী অথবা অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের স্পনসর করবেন, তাদের জন্য সাধারণ ১২৫ শতাংশের বদলে ১০০ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার আয় প্রযোজ্য হবে। তাছাড়া, মূল স্পনসরের প্রয়োজনীয় আয় না থাকলে নির্দিষ্ট নিয়মে জয়েন্ট স্পনসর যুক্ত করা কিংবা নিজস্ব সম্পদ দেখিয়েও গ্রিন কার্ডের আবেদন সম্পন্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ