ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আর্জেন্টিনার জালে জড়ানো কাবরালের অনিন্দ্য গোলটিই বিশ্বকাপের সেরা


আর্জেন্টিনার জালে জড়ানো কাবরালের অনিন্দ্য গোলটিই বিশ্বকাপের সেরা

মায়ামি স্টেডিয়ামে গোলটি করার পর কেপ ভার্ডের ডিফেন্ডার সিডনি লোপেস কাবরাল নিজের গোলের বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না। আর্জেন্টিনার জালে বলটি জড়ানোর পর তিনি মাথায় দুই হাত দিয়ে অবাক হয়ে যান।

কাবরাল যেন অবিশ্বাসের সুরে জানিয়ে দেন যে, 'আমি কি সত্যিই গোলটি করেছি?' পরে তিনি নিজেই অবিশ্বাসের বিষয়টি স্বীকার করেন।

কাবরালের সেই অসাধারণ গোলটি ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘হুন্দাই গোল অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা অফিসিয়ালি এটি নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

কাবরাল গোলটি করেছেন রাউন্ড অব ৩২-এ। ১০৩ মিনিটে বাঁ প্রান্তের বক্সের মধ্যে কাছ থেকে ডান পায়ের বাঁকানো শটে তিনি গোলটি করেন। ২৩ বছর বয়সী লেফট ব্যাকের গোলে কেপ ভার্ডে ম্যাচে ২-২ সমতায় ফিরেছিল। তবে ১১১ মিনিটে সেন্টার ব্যাক ডিনেই বোর্জেসের আত্মঘাতী গোলে তারা ম্যাচ হারায়।

সেরা গোলের স্বীকৃতি পাওয়ার পথে কাবরালের পেছনে রয়েছে উজবেকিস্তানের এলদর শোমুরোদভ (দ্বিতীয়) এবং হাইতির উইলসন ইসিডরের (তৃতীয়) গোল। গোলটির বিষয়ে কাবরাল বলেছেন, ‘যেই মুহূর্তে আমি প্রতিপক্ষকে (মাক আলিস্তার) কাটিয়ে ফাঁকা জায়গা দেখতে পেলাম তখনই ভাবলাম—একবার চেষ্টা করে দেখি। জায়গাটি দেখে টপ কর্নারের দিকে আমি চোখ দিই। সেদিকে লক্ষ্য স্থির করি এবং খুব দারুণভাবে বলটিতে শট নিই। যখন ওপরে তাকালাম এবং দেখলাম, বলটি টপ কর্নারের দিকে যাচ্ছে, তখন আমার মনে হলো, আমি এটা কী করলাম! আমার নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছিল না। আমি আমার সতীর্থদের দিকে তাকালাম—সবাই আনন্দে চিৎকার করছিল, বিস্ময়ে মাথায় হাত দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিল।’

এটি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় কেপ ভার্ডে। দলের অভিষেকে কাবরাল অবিস্মরণীয় গোলটি করে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিলেন।

আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরবর্তী পরমাণু শক্তিধর হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে কারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৯ এম


পরবর্তী পরমাণু শক্তিধর হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে কারা?

মধ্যপ্রাচ্যের মরুপ্রান্তরে এখন নতুন এক উত্তেজনার ঝড় বইছে। ওয়াশিংটন এবং রিয়াদের মধ্যে গোপন আঁতাত এবং হিসাব-নিকাশ পুরো আঞ্চলিক রাজনীতির মানচিত্র পাল্টে দিচ্ছে। মার্কিন পরমাণু নীতিতে একটি বড়সড় শিথিলতা এনে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরব বহুচর্চিত পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে। এই চুক্তির নাম সেকশন ১২৩, যা মধ্যপ্রাচ্যের বুকে এক নতুন পারমাণবিক শক্তির উত্থানের পথ তৈরি করছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা-কল্পনা।

মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট এবং সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান স্বাক্ষরিত এই চুক্তির পেছনে আমেরিকার বড় স্বার্থ রয়েছে। চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন কোম্পানিগুলো এখন সরাসরি সৌদির পরমাণু প্রকল্পে প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম সরবরাহ করার সুযোগ পাবে। যদিও কাগজে-কলমে এটি কেবল শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয় বলে উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু এর গভীরে রয়েছে অন্য এক চাঞ্চল্যকর ইঙ্গিত। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রায় ৯০ দিনের চূড়ান্ত পর্যালোচনার অপেক্ষায় থাকা এই চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর শঙ্কা দানা বাঁধছে।

এখনও সবচেয়ে ভাবনার বিষয় হলো, এই চুক্তির শর্তগুলো থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে অনেক পুরনো কিছু কড়াকড়ি। আরব আমিরাতের সঙ্গে হওয়া চুক্তির মতো এই ক্ষেত্রে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা পরমাণু জ্বালানি পুনর্ব্যবহার নিষিদ্ধ করার ‘গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড’ মান বজায় রাখা হয়নি। এমনকি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার কঠোর অতিরিক্ত প্রটোকল মানার বাধ্যবাধকতাও এই চুক্তিতে রাখা হয়নি। ফলে যদি সৌদি আরব ভবিষ্যতে নিজেদের অজান্তেই সম্পূর্ণ পারমাণবিক জ্বালানি চক্রের মালিক হয়ে ওঠে, তবে তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পুরনো হুংকার আবারও সামনে আসছে। কয়েক বছর আগে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, ইরান যদি পরমাণু বোমা তৈরি করে, তবে সৌদি আরবও বিশ্রামে থাকবে না; তারা একই পথে হাঁটবে। আজকের এই পরিস্থিতিতে দুইয়ে দুইয়ে চার মিলছে। মার্কিন আগ্রাসনের আবহে সৌদি আরব তাদের নিজস্ব বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অনেক উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাইছে, যা যে কোনো মুহূর্তে সামরিক মোড় নিতে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন এই পদক্ষেপে দ্বিমুখী নীতির গন্ধ আছে। যখন তেহরান একই ধরনের পারমাণবিক কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করেছিল, তখন তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আর সামরিক হুমকি নেমে এসেছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন এখন নিজের ঘনিষ্ঠ মিত্র রিয়াদকে একই পথে হাঁটার আইনি ভিত্তি তৈরি করে দিচ্ছে। ইসরায়েলও এই চুক্তির তীব্র সমালোচনা করে জানিয়েছে যে, এটি মধ্যপ্রাচ্যে এক ভয়ংকর পারমাণবিক প্রতিযোগিতার সূচনা করতে পারে।

সৌদি আরব যদিও এখনই সরাসরি পারমাণবিক বোমা তৈরির ঝুঁকি হয়তো নেবে না। ভিশন ২০৩০-এর আওতায় অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য আনা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জল সংকট নিরসনের মতো উদ্দেশ্য রয়েছে। তবে দেশের ভেতর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অবকাঠামো তৈরি হয়ে গেলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটু এদিক-সেদিক হলেই খেলার নিয়ম পাল্টাতে পারে। কৌশলগত এই অনিশ্চয়তা সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিতে পারে, কিন্তু আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চিরশত্রু ইসরায়েল এই পরিস্থিতি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। সৌদি আরবের সঙ্গে তেল আবিবের কূটনৈতিক সম্পর্ক এখনও স্বাভাবিক নয়, কিন্তু ওয়াশিংটন এই মুহূর্তে পারমাণবিক চুক্তিকে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার শর্ত থেকে আলাদা করে রেখেছে। আঞ্চলিক কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্ব হারানোর ভয়ে ইসরায়েলি নীতিনির্ধারকরা নতুন করে ছক কষতে শুরু করেছেন। সৌদি আরবের হাতে পারমাণবিক প্রযুক্তির চাবিকাঠি চলে যাওয়ার অর্থ হলো পুরো অঞ্চলে এক স্থায়ী বারুদের স্তূপ তৈরি হওয়া।

সব মিলিয়ে, ওয়াশিংটন এবং রিয়াদের এই পরমাণু চুক্তি বিশ্ব রাজনীতিতে এক দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের বীজ বুনে দিল। আমেরিকার মূল উদ্দেশ্য হলো নিজেদের পরমাণু শিল্পকে বাঁচানো এবং রাশিয়া কিংবা চীনের প্রভাব থেকে সৌদি আরবকে দূরে রাখা। তবে এই স্বল্পমেয়াদী ভূরাজনৈতিক ফায়দা তুলতে গিয়ে আমেরিকা যে পারমাণবিক বিস্তার রোধের আন্তর্জাতিক নীতিকে চিরতরে বিপন্ন করে তুলল, তা বলাই বাহুল্য।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালি এড়াতে বানানো সৌদির বিকল্প তেল সরবরাহ লাইনে হুতিদের ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৪ এম


হরমুজ প্রণালি এড়াতে বানানো সৌদির বিকল্প তেল সরবরাহ লাইনে হুতিদের ড্রোন হামলা

হরমুজ প্রণালিতে হামলার ঝুঁকি এড়াতে সৌদি আরব বিকল্প পথে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করছিল। কিন্তু এবার তাদের সেই নিরাপদ রুট, যা লোহিত সাগরমুখী ‘পূর্ব-পশ্চিম তেল সরবরাহ লাইন’ নামে পরিচিত, সেখানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর তেল স্থাপনা এই হামলার শিকার হয়। হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া জানান, ইয়েমেনের আকাশসীমায় সৌদি ড্রোন অনুপ্রবেশের জবাব দিতেই এই সফল অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকো তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে পারেনি।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার পর থেকেই হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য অনিরাপদ হয়ে ওঠে। ফলে বাধ্য হয়ে রিয়াদ বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবু বন্দরকে বেছে নেয়। কিন্তু গত সপ্তাহে সেখানেও অবরোধের হুমকি দেয় হুতিরা।

হুতিদের এমন আস্ফালনের কড়া জবাব দিতে সৌদি আরব দেরি করেনি। তারা নৌ চলাচল নিরাপদ রাখার যুক্তিতে ইয়েমেনের হুদাইদাহ বন্দরে হুতিদের সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সেখানে হস্তক্ষেপ করে আসছে সৌদি জোট। ২০২২ সাল থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে একপ্রকার অস্বস্তিকর যুদ্ধবিরতি চলছে। সম্প্রতি পাল্টাপাল্টি এই হামলা সেই শান্তিকে আবারও হুমকির মুখে ফেলে দিল।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৯ এম


বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। ভাস্কর্যটি পুনঃস্থাপনের দাবিতে শহরের বাস টার্মিনাল সংলগ্ন চত্বরে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা ভাস্কর্যের স্থান পরিদর্শন করেন। এরপর তারা জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ভাস্কর্যটি পুনঃস্থাপন এবং ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে শহরের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ভাস্কর্য চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ভাস্কর্য পুনঃস্থাপনের দাবিতে বক্তব্য দেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের জেলা সমন্বয়ক সেহাল আহম্মেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য মুশতাক হোসেন, সিপিবির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রাগীব আহসান মুন্না, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, জাতীয় গণফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা অজিজুর রহমান জালাল, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান এবং জেলা সিপিবির সভাপতি স্বপন বাগচি। বক্তারা বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আঘাত। তারা অবিলম্বে একই স্থানে ভাস্কর্যটি পুনঃস্থাপন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের প্রতি মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মরণে ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় একটি ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১২ সালে তৎকালীন পৌর মেয়র মো. সাইদুল করিম মিন্টুর উদ্যোগে প্রায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর’ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও দীর্ঘসূত্রতার কারণে কাজ শেষ হয়নি। ২০১৬ সালে আংশিক কাজের পর ভাস্কর্যটি অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকে এবং কখনো উদ্বোধনও করা হয়নি। অন্যদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন বিকেলে একদল লোক ভাস্কর্যটিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে চলতি বছরের ১৫ জুলাই থেকে শ্রমিকরা পুনরায় ভাস্কর্যটি অপসারণের কাজ শুরু করলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সমালোচনার মুখে ১৯ জুলাই থেকে ভাঙার কাজ বন্ধ রাখা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাদশার সঙ্গে সংসারজীবন ‘ঠিকঠাক’ যাচ্ছে না, নীরবতা ভাঙলেন ইশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ এম


বাদশার সঙ্গে সংসারজীবন ‘ঠিকঠাক’ যাচ্ছে না, নীরবতা ভাঙলেন ইশা

ভারতের জনপ্রিয় র‌্যাপার বাদশার সঙ্গে বিচ্ছেদের জোরালো গুঞ্জনের মধ্যে অবশেষে তিনি মুখ খুলেছেন তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী ইশা রিখি। বেশ কিছুদিন ধরে এই তারকা দম্পতির সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং বিচ্ছেদ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে জল্পনা-কল্পনা চলেছে। এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন ও রহস্যময় নোটে ইশা তার ভেতরের ভয়, দীর্ঘদিনের নীরবতা এবং সেই নীরবতা ভেঙে সাহসের সঙ্গে সত্যকে মেনে নেওয়ার কথা বলেছেন, যা তাদের সম্পর্কের সমস্যাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ না করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই নোটে ইশা রিখি জানান যে, তিনি এতদিন নীরবতাকে আত্মরক্ষার উপায় হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ইশা লেখেন, এমন কিছু যুদ্ধ থাকে যা শরীরে দৃশ্যমান কোনো ক্ষতচিহ্ন রেখে যায় না। দীর্ঘদিন ধরে আমি ভয়ে নীরব ছিলাম। আমার স্বামীর প্রভাব, ক্ষমতা ও অঢেল সম্পদের যে ধারণা আমার মধ্যে সৃষ্টি হয়েছিল, তাতে আমি নিজেকে অসহায় অনুভব করতাম। সেই কারণে আমি নিজেকে বুঝিয়েছিলাম যে চুপ থাকা বোধহয় নিরাপদ পথ।

নিজের সেই নীরবতার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইশা স্পষ্ট করেছেন যে, তার এই চুপ থাকাকে যেন কোনোভাবেই তার সায় বা সম্মতি বলে ভুল করা না হয়। তিনি লেখেন, আমার নীরবতা কখনোই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য ছিল না, তা ছিল কেবল টিকে থাকার জন্য লড়াই। আজ আমি ভয়ের চেয়ে সাহসকে বেছে নিচ্ছি। হতে পারে পুরো ঘটনাটি খোলামেলাভাবে তুলে ধরার জন্য আমি এখনো সম্পূর্ণ প্রস্তুত নই, কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক চলছে—এমন অভিনয় করা বন্ধ করার জন্য আমি অবশেষে প্রস্তুত।

এই বিস্ফোরক বার্তার কিছুদিন আগে ইশা নিজের সঙ্গে বাদশার কিছু ছবি ও ভিডিওর কোলাজ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন, যা দেখে নেটিজেনদের মনে প্রথম বিচ্ছেদের সন্দেহ জেগেছে। সেই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিটি ঝড়ই এক একটি শিক্ষা, প্রতিটি প্রার্থনাই আশা।’ এই লেখার পাশে একটি হৃদয় ভাঙার এবং হাতজোড় করার ইমোজিও প্রতিস্থাপন করেছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে ইশার মা পুনম রিখি ইনস্টাগ্রামে বিয়ের কিছু ছবি শেয়ার করার পর বাদশা ও ইশা রিখির বিয়ের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, এক সাধারণ বন্ধুর পার্টিতে তাদের প্রথম দেখা হয়, যা পরবর্তীতে বন্ধুত্ব থেকে গভীর ভালোবাসার সম্পর্কে রূপ নেয়। এটি ছিল বাদশার দ্বিতীয় বিয়ে।

অধ্যাবেশন ২০১২ সালে জেসমিন মসিহের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বাদশা। আট বছর একসঙ্গে সংসার করার পর ২০২০ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। তাদের জেসেমি গ্রেস মসিহ সিং নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে, যাকে তারা যৌথভাবে দেখাশোনা করছেন। প্রথম স্ত্রী সঙ্গে বিচ্ছেদের প্রায় ছয় বছর পর ইশাকে বিয়ে করলেও অল্প সময়ের মধ্যে তাদের এই দাম্পত্যজীবনের ভাঙন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%