শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৭ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ সিন্ডিকেটে নতুন তিন সদস্য মনোনীত হয়েছেন। এই তিন সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী, অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম এবং অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভায় তাদের নতুন সদস্য হিসেবে মনোনীত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
কুবি সূত্রে জানা যায়, নতুন তিনজনকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দুটি ক্যাটাগরিতে মনোনীত করা হয়েছে। ডিন ক্যাটাগরিতে মনোনীত হয়েছেন কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী, পাশাপাশি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম।
অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেনকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম জানিয়েছেন, পূর্বে অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক আমজাদ হোসেন সরকার দায়িত্ব পালন করছিলেন। বর্তমানে তিনি উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করায় তার পরিবর্তে অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেনকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ডিন ক্যাটাগরিতে কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দুই শিক্ষককে যৌন নিপীড়ন ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদাবনতি হওয়ার পর পুনরায় তাদের পূর্বের পদে বহাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে, ছাত্রীকে উত্তরসহ প্রশ্নপত্র সরবরাহের অভিযোগে বাধ্যতামূলক ছুটিতে থাকা গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী এম আনিছুল ইসলামের ওপর আরোপিত ক্যাম্পাসে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম।
পদাবনতি থেকে পুনরায় আগের পদে ফিরিয়ে দেওয়া দুই শিক্ষক হলেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদার এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী এম আনিছুল ইসলামের ক্ষেত্রেও।
সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদারকে পুনরায় সহযোগী অধ্যাপক পদে বহাল করা হয়েছে এবং তাকে সতর্ক করা হয়েছে। মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে পুনরায় সহকারী অধ্যাপক পদে বহাল করা হলেও আগামী দুই বছর তার কোনো পদোন্নতি হবে না, আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।
এদিকে, কাজী এম আনিছুল ইসলাম এখন থেকে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে তার বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।
জানা যায়, ২০২৫ সালের ১০৪তম সিন্ডিকেট সভায় যৌন নিপীড়ন ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদারকে এবং যৌন নিপীড়ন ও নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে পদাবনতি দেওয়া হয়েছিল।
এর আগে ২০২০ সালে ইংরেজি বিভাগের তৎকালীন বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী রেজওয়ান তালুকদারের বিরুদ্ধে সান্ধ্যকালীন কোর্সের এক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন এবং বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে। পরে তাকে বিভাগীয় প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন এবং তিন শিক্ষার্থীকে এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে নম্বর দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তদন্তের স্বার্থে ১ অক্টোবর তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১০৪তম সিন্ডিকেট সভায় তাদের পদাবনতি দেওয়া হয়। পরে ২০২৬ সালের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় তাদের অভিযোগ পুনর্বিবেচনার জন্য একটি রিভিউ কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির বিষয়টি বিবেচনা করে এবার তাদের আগের পদে বহাল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের মার্চে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী এম আনিছুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষার্থীকে উত্তরসহ প্রশ্নপত্র সরবরাহের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় বিভাগের একটি সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে।
তদন্ত চলাকালে কাজী এম আনিছুল ইসলামকে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত রেখে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে তাকে ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। ১১১তম সিন্ডিকেট সভায় সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম জানান, ‘আলী রেজওয়ান তালুকদার ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের পুনরায় স্বপদে বহাল করা হয়েছে। তবে আলী রেজওয়ানকে সতর্ক করা হয়েছে এবং জসিম উদ্দিনকে আগামী দুই বছরের মধ্যে পদোন্নতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। এছাড়া কাজী আনিছুল ইসলামের ক্যাম্পাসে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সেটির ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাউকে ছয় মাসের বেশি সময় বাধ্যতামূলক ছুটিতে রাখা যায় না। কিন্তু কাজী আনিছুল ইসলামকে প্রায় দেড় বছর ধরে ক্যাম্পাসের বাইরে রাখা হয়েছে। আগের সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত ছিল, তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়া পর্যন্ত তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে থাকবেন। তবে তদন্ত প্রতিবেদন আমরা আগেই পেয়েছি। এ কারণে তার ক্যাম্পাসে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল শহরের বটতলা এলাকায় একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার বিকালে নগরীর হালিমা খাতুন স্কুলসংলগ্ন একটি ভবন থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশের মতে, শহরের অভ্যন্তরে নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। তবে, এর আগেই গোয়েন্দা পুলিশ সেখানে হানা দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ১২ জনকে গ্রেফতার করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন বৈঠকের খবর পেয়ে থানা পুলিশ এবং নগর গোয়েন্দা শাখার একাধিক দল নিয়ে অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও গ্রেফতারকৃতদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, তবে ডিবি পুলিশের একটি সূত্র জানাচ্ছে, সকলেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তারা আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরকে কেন্দ্র করে একটি বৈঠক করছিলেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেফতার হওয়া সকলের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানি বংশোদ্ভূত শুকি ইতোফুসা বাংলাদেশের হয়ে মাঠে অভিষেক করেছেন। ফিফা আসিয়ান কাপে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে বদলি হিসেবে খেলেছেন এই উইঙ্গার। লাল-সবুজ জার্সি পরে খেলার সুযোগ পেয়ে শুকি উচ্ছ্বসিত। যদিও তিনি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারেন না, তবে ইংরেজি এবং ইশারার মাধ্যমে সতীর্থদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এক সাক্ষাৎকারে ২২ বছর বয়সী এই ফুটবলার নিজের অজানা অনেক বিষয় তুলে ধরেছেন।
প্রশ্ন: গতকাল জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছে, নিজেকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
শুকি ইতোফুসা: ছোটবেলা থেকেই জাতীয় দলের জার্সি পরা এবং সেই জার্সিতে মাঠে খেলা আমার স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। গতকালের ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে বললে, এখনও কিছু জায়গায় আমার উন্নতি করার প্রয়োজন আছে।
আমি আমার ফিটনেস ও কন্ডিশন আরও উন্নত করতে কঠোর পরিশ্রম করতে চাই। পাশাপাশি গোল করা বা অ্যাসিস্ট করার মাধ্যমে দলের জন্য আরও বেশি অবদান রাখতে চাই।
প্রশ্ন: ভেবেছিলেন প্রথম ম্যাচেই লাল সবুজ জার্সি পড়ে মাঠে নামা হবে?
শুকি ইতোফুসা: আমি আসলে কখনও এভাবে ভাবিনি, যে আমার অভিষেক হয়ে যাবে গতকাল, তবে আমি প্রস্তুত ছিলাম দেশের জন্য লড়তে।
লাল-সবুজ জার্সিতে খেলে উচ্ছ্বসিত শুকি, চান গোল করতে।
প্রশ্ন: আপনার সতীর্থরা জাপানিজ বলতে পারে না, তাদের সঙ্গে কীভাবে কমিউনিকেশন করেন?
শুকি ইতোফুসা: আমি জানি যে তারা জাপানিজ বলতে পারে না। তবে আমার সতীর্থরা ইংরেজি বা সহজ কিছু ইশারা-ইঙ্গিত ব্যবহার করে, যতটুকু আমি বুঝতে পারি। এছাড়াও, কিছু সতীর্থ সবসময় আমার খেয়াল রাখে এবং আমার সঙ্গে কথা বলে। তাই এখন আমি মোটামুটি একটা পর্যায় পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি। সময়টা খুব উপভোগও করছি, কোনও সমস্যা হচ্ছে না।
প্রশ্ন: দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাদের মিস করেন? এবার তো মনে হয় সবচেয়ে বেশি সময় পরিবার থেকে দূরে?
শুকি ইতোফুসা: বাংলাদেশের হয়ে খেলা, একজন ফুটবলার হিসেবে আমার স্বপ্ন, আবার এটা আমার পরিবারেরও স্বপ্ন। পরিবার থেকে দূরে থেকে আমি যদি সফল হতে পারি, তাহলে সেটা আমার পরিবার এবং আরও অনেক মানুষের জন্য আনন্দ বয়ে আনে। তাই আমি মনে করি, পরিবার থেকে দূরে থাকাটা কোনও সমস্যা নয়。
প্রশ্ন: বাসায় কেউ বাংলায় কথা বলে?
শুকি ইতোফুসা: শুধু আমার বাবা বাসায় বাংলায় কথা বলে। বাসায় বাকী সদস্যরা, মানে আমরা জাপানিজ ভাষাতেই কথা বলি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬-এর জেলা পর্যায়ের বাছাইয়ে সোনিয়া সরকার নিপা কুমিল্লায় শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বাগিচাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর, কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনছুর আলী চৌধুরী কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে সোনিয়া সরকার নিপাকে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে মনোনীত করা হয়। এর আগে, ২০ সেপ্টেম্বর তিনি আদর্শ সদর উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন তাকে উপজেলা পর্যায়ে মনোনীত করেছিলেন।
সোনিয়া সরকার নিপার জন্মস্থান কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আমপাল গ্রাম। তিনি ওই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের কন্যা। ২০১৩ সালে আমপাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয় এবং পরে ২০১৯ সালে স্বামীর ঠিকানার সূত্রে কুমিল্লা নগরের বাগিচাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি, সোনিয়া সরকার নিপা জেলা ওয়ারেন্ট গাইডার এবং বিভাগীয় পর্যায়ে হলদে পাখি গার্লস গাইডের প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে সোনিয়া সরকার নিপা বলেন, “শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হতে পেরে মহান রবের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। যেকোনো কাজের স্বীকৃতি ও সম্মাননা কাজের গতি আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমি আরো বেশি পেশাদারির সঙ্গে শিক্ষকতাকে উপভোগ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হতে পেরে সত্যিই আজ খুব সম্মানিত ও গর্বিত অনুভব করছি। আমার এই প্রতিযোগিতা বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত। এখন আমার লক্ষ্য কুমিল্লা জেলার প্রতিনিধিত্ব করা। জেলার একজন প্রতিযোগী হিসেবে জেলাকে সম্মানসূচক কিছু এনে দিতে পারি—এ জন্য সবার দোয়া চাই।”
নিজের এই অর্জনের পেছনে বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন সোনিয়া সরকার নিপা। তিনি বলেন, তার প্রিয় কর্মস্থল ও শিক্ষার্থীরাই তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত করেছে। এ জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ