সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:০৮ পি.এম
শান্তিনগর-কাকরাইল মোড়ে অবস্থিত কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি একসময় রাজধানীর অভিজাত শপিং মলগুলোর মধ্যে একটি ছিল। ১৯৯৮ সালে যাত্রা শুরু করা এই বিপণিবিতানে নামী ব্র্যান্ডের শোরুম, পোশাক, জুতা, প্রসাধনী ও উপহারসামগ্রীর দোকান ছিল। এখানে ফুড কোর্ট এবং বাগানও ছিল।
কিন্তু ক্রমশ ক্রেতার সংখ্যা কমে যাওয়ায় একের পর এক দোকান বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে টানা লোকসান এবং পরিচালন ব্যয় সামাল দিতে না পেরে কর্তৃপক্ষ চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি এক দশকের বেশি সময় ধরে ব্যবসায়িক গুরুত্ব হারাতে শুরু করেছে। শান্তিনগর ফ্লাইওভার নির্মাণের সময় যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন, করোনাকালে ব্যবসায়িক মন্দা, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের অন্যত্র চলে যাওয়া এবং ক্রেতাদের আস্থার সংকট—এসব কারণে বিপণিবিতানটি পিছিয়ে পড়ে। অনলাইন কেনাকাটার প্রসার এবং বড় শপিং মলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারার বিষয়টিও এতে যুক্ত হয়েছে।
কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির ২০ তলা ভবনের নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছিল। উপরের তলাগুলো আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। চালুর সময় বিপণিবিতানটিতে ১৯৮টি দোকান ছিল, কিন্তু বন্ধ ঘোষণার সময় মাত্র ১৭টি দোকান চালু ছিল। ক্রেতাসংকটে অধিকাংশ দোকান আগেই বন্ধ হয়ে যায়।
কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি দোকান মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাকী বিল্লাহ ওসমানী বলেন, "ফ্লাইওভার নির্মাণের সময় থেকেই বিপণিবিতানটির ব্যবসায়িক পতন শুরু হয়।" তিনি জানান, ২০১৬-১৭ সালের দিকে নির্মাণকাজের কারণে আশপাশের সড়কে যানজট, ধুলাবালি ও চলাচলে ভোগান্তি তৈরি হয়। তখন বেশ কয়েকজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী অন্য মার্কেটে চলে যান এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও তারা আর ফিরে আসেননি।
তিনি আরও বলেন, "করোনাকালে ব্যবসায় বড় ধস নামে।" অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে দেন। অনলাইনে কেনাকাটা বাড়ার কারণে ক্রেতারা আগের মতো মার্কেটে আসছেন না। এছাড়া, এই বিপণিবিতানে পণ্যের বৈচিত্র্যও কম ছিল। ফলে ক্রেতাদের আগ্রহ কমতে থাকে।
বাকী বিল্লাহ ওসমানী জানান, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি চালু রাখতে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয় হতো। তিনি বলেন, "গত ছয় মাসে সার্ভিস চার্জ বাবদ মাসে এক থেকে দেড় লাখ টাকার বেশি পাওয়া যায়নি।" এই অবস্থায় সমিতির কর্মকর্তা ও কয়েকজন দোকানমালিক ঋণ নিয়ে ছয় থেকে আট মাস বিপণিবিতানটি চালু রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিদ্যুৎ বিলসহ অন্যান্য খরচের বকেয়া বাড়তে থাকায় শেষ পর্যন্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
তথ্য অনুযায়ী, বিপণিবিতানটির বিদ্যুৎ বিল ৬০ লাখ টাকার বেশি বকেয়া রয়েছে। দীর্ঘদিনের লোকসান ও পরিচালন ব্যয় সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ায় দোকানমালিকদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।
ব্যবসায়িক পতনের পেছনে পণ্যের মান ও বিশ্বাসযোগ্যতার সংকটকেও দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিম্নমানের পণ্য বিদেশি বা নামী ব্র্যান্ডের বলে বিক্রি করতেন। এতে বিপণিবিতানটির প্রতি ক্রেতাদের আস্থা কমে যায়।
অন্যদিকে, ই-কমার্স ও ফেসবুকভিত্তিক কেনাকাটার বিস্তার এবং বসুন্ধরা সিটি ও যমুনা ফিউচার পার্কের মতো বড় শপিং মলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা ব্যবসায়িক সংকট আরো বাড়িয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারাও বিপণিবিতানটির পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ হলেও ভবনটির ওপরের তলাগুলোর আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টগুলো চালু রয়েছে। বন্ধের সিদ্ধান্ত শুধু বিপণিবিতানের বাণিজ্যিক অংশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
কর্ণফুলী গ্রুপের উদ্যোগে নির্মিত এই বিপণিবিতানের অধিকাংশ দোকান আগেই ব্যক্তিমালিকানায় নিবন্ধন করে বিক্রি করা হয়েছিল। বর্তমানে ভবনটি বিক্রি অথবা একক কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন মালিকেরা। গত দুই বছর ধরে উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান খোঁজার চেষ্টা করেও সফল হননি তারা।
একসময় রাজধানীর অভিজাত কেনাকাটার অন্যতম গন্তব্য হিসেবে পরিচিত কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির বন্ধ হয়ে যাওয়া নগরীর পরিবর্তিত ব্যবসায়িক বাস্তবতারও প্রতিফলন। ক্রেতাদের রুচি ও চাহিদার পরিবর্তন, অনলাইন কেনাকাটার বিস্তার, প্রতিযোগিতা এবং পরিচালন ব্যয়ের চাপের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলে প্রতিষ্ঠিত বিপণিবিতানও যে টিকে থাকার সক্ষমতা হারাতে পারে, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির পরিণতি তারই উদাহরণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর রায়পুরায় যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে ১৪০ রাউন্ড সিসা গুলিসহ স্বপ্না আক্তার (৪২) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এসব গুলি পরিবহন করছিলেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক ৪টা ২০ মিনিটে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রায়পুরার মাহমুদাবাদ এলাকায় সিলেট থেকে ঢাকাগামী এনা পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১৪০ রাউন্ড সিসা গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাসটিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক স্বপ্না আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাদুঘর এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের স্ত্রী।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এলাকার দুই পক্ষের সংঘর্ষে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এসব গুলি পরিবহন করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় রায়পুরা থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধ মেটাতে থানায় এসে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত দুজন আহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পাঁচজনকে আটক করেছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন, মো.আলা উদ্দিন ওরফে সহেল, ইমতিয়াজ চৌধুরী, মো.আজগর আলী, জাহিদুল ইসলাম সাব্বির ও মাইন উদ্দিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর ছোটধলী গ্রামের দুবাই প্রবাসী মো. আলাউদ্দিন ওরফে সোহেল প্রায় এক বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লামছি প্রসাদ গ্রামের মাশরুপা আক্তারকে (১৯) বিয়ে করেন। প্রায় তিন মাস আগে সহেল প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন। এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ ঘটনায় একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা থানায় আসেন। অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জয়দাস গুপ্ত বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য উভয় পক্ষকে পরামর্শ দেন। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে উভয় পক্ষ থানার বাইরে যাওয়ার সময় থানার গেটসংলগ্ন সড়কে দুই পক্ষের লোকজন বাকবিতন্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষের পাঁচজনকে আটক করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, একটি পারিবারিক বৈঠক শেষে চলে যাওয়ার পথে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাথে সাথে উভয় পক্ষের পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলায় আটকদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ বা বিচারবহির্ভূত হত্যা চালুর বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
দলটির মতে, পুলিশের প্রধানের এ ধরনের বক্তব্য কেবল আইনশাসন ও সংবিধানের পরিপন্থী নয়; বরং এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো ঘৃণ্য অপরাধকে পুনরায় বৈধতা দেওয়ার এক বিপজ্জনক পরিকল্পনা।
সম্প্রতি আইজিপি মন্তব্য করেছেন, “সরকারের অনুমতি পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনে পুলিশ ‘ক্রসফায়ার’ করবে”। জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি স্পষ্টভাবে জানায়—সরকারের অনুমোদন বা অনুমতি দিয়েও কখনো কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া যায় না। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি তাদের রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখার ১৪ নম্বর দফায় বলেছিল, “গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অবসান ঘটানো হবে”। কিন্তু তাদের সরকারের আমলে নিয়োগকৃত আইজিপির এ ধরনের বক্তব্য স্পষ্টতই তাদের নিজেদের অঙ্গীকারের সঙ্গে দ্বিচারিতা এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে অযোগ্য লোক নিয়োগের একটি নজির।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘ ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের যে ভয়ংকর সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, চব্বিশের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থান তার অবসানের জন্যই সংঘটিত হয়েছিল। তৎকালীন বিরোধী দলগুলোর শত শত নেতাকর্মীর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ক্ষত এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অপরাধমূলক ক্ষমতার অপব্যবহারের ইতিহাস এখনো দেশবাসীর চোখের সামনে স্পষ্ট। বিগত স্বৈরাচারের আমল থেকে শিক্ষা না নিয়ে, বর্তমান সময়ে এসে পুলিশের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ ধরনের উসকানিমূলক ও বেআইনি বক্তব্য দেওয়া চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যর্থতা ঢাকতে ‘ক্রসফায়ার’-এর ভয় দেখানো এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক দেউলিয়াত্ব। এ ধরনের বক্তব্য মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বেআইনি বলপ্রয়োগের প্ররোচনা দেবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নতুন পথ উন্মুক্ত করবে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি অবিলম্বে আইজিপিকে অপসারণের দাবি জানাচ্ছে। সরকারের বেআইনি নির্দেশ পালনে পুলিশ প্রশাসন বাধ্য নয়, বাংলাদেশের পেনাল কোড ও পুলিশ আইনে পরিষ্কারভাবে তা উল্লেখ রয়েছে। রাষ্ট্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় পুলিশ বাহিনীকে সব ধরনের বেআইনি চর্চা থেকে মুক্ত করে একটি জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধনে জুলাই সনদে বর্ণিত পথে অবিলম্বে ‘পুলিশ কমিশন’ গঠন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ