ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্ধ কারখানার ভাগ্য নির্ধারণে সক্ষমতা বিবেচনায় করা হচ্ছে তালিকা


বন্ধ কারখানার ভাগ্য নির্ধারণে সক্ষমতা বিবেচনায় করা হচ্ছে তালিকা

কোন প্রকার বন্ধ শিল্পকারখানা আবার চালু করা হবে, সেজন্য এক মাসের মধ্যে একটি তালিকা প্রস্তুত করে সরকারের হাতে দেবেন বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর সংগৃহীত তথ্য ও কলকারখানার সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা হবে। তবে, শুধু ঋণ সহায়তার কথা নয়, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা যে খুবই জরুরি, তা মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে বিবেচনায় নিয়ে যদি আর্থিক বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তবে কর্মসংস্থানের বাজারও সম্প্রসারিত হবে।

যেখানে এক সময় শত শত শ্রমিক কাজ করতেন, সেই জায়গায় এখন গড়ে উঠেছে মাছের ঘের ও কৃষিজমি। কারখানার ভেতরের যন্ত্রপাতিও বিক্রি করে দেওয়ার বাধ্যবাধকতায় পড়েছেন মালিকরা। এ কারণে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। একটি কারখানা, যেখানে প্রায় ৪ হাজার শ্রমিক কাজ করতেন, সেই কারখানার কার্যক্রম বর্তমানে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

কোভিডের পর মোশারফ হোসেনের জন্য ব্যাংক ৫০ লাখ টাকার বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু সেই টাকা তিনি এখনও হাতে পাননি। বরং, সুদের বোঝা বেড়ে গিয়ে তার প্রতিষ্ঠানটি আজ ধ্বংসের মুখে। তিনি বলেন, "ব্যাংকই আমার সঙ্গে জালিয়াতি করেছে। টাকা না দিয়েও সুদ সমন্বয় করে নেয়া হয়েছে। যদি ব্যাংক সহায়তা করতো তবে আমি আবার দাঁড়াতে পারতাম। ব্যবসা বুঝি, কাজ জানি, এবং পুনরায় ঘুড়ে দাঁড়ানোর সক্ষমতাও ছিল। কিন্তু বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকার কোন অংশই আমার কাছে পৌঁছায়নি।"

আরও পড়ুন: শাহজালালের রানওয়ে-অ্যাপ্রোন এলাকায় যানবাহনের অবাধ চলাচল

শ্রম হারানোর কাহিনীও কম নয়। অনেকে মোবাইলের ক্ষুদে বার্তায় চাকরি হারানোর খবর পেয়ে থাকেন। ২০ বছরের চাকরি হারানো মোতালিব হোসেন জানান, "সহকর্মীরা এখন কেউ অটো চালাচ্ছেন, কেউ গ্রামের দিকে ফিরে কৃষিকাজ করছেন।" দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের মধ্যে কেউ কেউ চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণও করেছেন।

সাভারের একই সড়কে পরপর দুটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, যেখানে প্রায় ৯ হাজার ও ৪ হাজার শ্রমিক কাজ করতেন। অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের ১১ হাজার কর্মীও এখন চাকরি হারানোর পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। এই পরিস্থিতিতে বন্ধ কারখানা চালুর সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণের জন্য ব্যাংকগুলোর কাছে তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, "কেউ রফতানির উপর নির্ভরশীল ছিলেন কিন্তু বৈশ্বিক বাজার হারিয়ে ফেলেছেন, আবার কেউ দীর্ঘমেয়াদি ঋণের চাপের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। বিভিন্ন ধরনের কারণে কারখানাগুলো বন্ধ হয়েছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করে নির্ধারণ করা হবে কোন কারখানার কী প্রয়োজন। পরে সরকারকে জানিয়ে নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা নিতে হবে। সব ধরনের সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে বন্ধ কারখানাগুলো আবার সচল করা যায়।"

বন্ধ কারখানা সচল করার জন্য শুধু ঋণের কথাই নয়, ব্যবসায়িক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনেও জোর দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা। বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী মনে করেন, "শুধু সরকার নয়, উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। তবে, এর আগে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন, নাহলে উদ্যোক্তারা আস্থা হারাবেন।"

আরও পড়ুন: বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর তাগিদ বিজিএমইএর উপদেষ্টার

বিগত রাজনৈতিক অসংগতির বা দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা রুগ্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা নীতি প্রয়োজন বলেও মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা মনে করছেন, বন্ধ ও রুগ্ন শিল্পকে আলাদা করে চিহ্নিত করে ঋণ ও সহায়তা দেওয়ার ফলে আর্থিক অপচয় কমবে এবং উৎপাদনশীল খাত পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানে পাঁচ বছরে জনসংখ্যা কমেছে প্রায় ৩১ লাখ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


জাপানে পাঁচ বছরে জনসংখ্যা কমেছে প্রায় ৩১ লাখ!

জাপানে জনসংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমছে। ২০২৫ সালের আদমশুমারি তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরের মধ্যে দেশটির জনসংখ্যা কমেছে প্রায় ৩১ লাখ। জনসংখ্যা হ্রাসের এই ধারাটি টানা তৃতীয়বারের মতো রেকর্ড করেছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটি রোবোটিক্স এবং বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে।

জাপান বর্তমানে জনসংখ্যার এক নীরব সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের পহেলা অক্টোবর পর্যন্ত জাপানের জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৩০ লাখ ৪৯ হাজার ৫২৪ জন, যা ২০২০ সালের তুলনায় ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৫ জন কম।

১১৯ বছরের আদমশুমারির ইতিহাসে এত বড় পরিবর্তন আর কখনো দেখা যায়নি।

জাপানে জনসংখ্যা কমার প্রবণতা নতুন নয়, তবে বর্তমানে এই হ্রাসের গতি সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ২০০৮ সালের পর থেকেই জনসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমে চলেছে। তবে ২০১৫ সালে দেশটিতে জনসংখ্যা কমার হার স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। এরপর ২০২৫ সালে টানা তৃতীয়বারের মতো জনসংখ্যা কমে গেছে জাপানে।

জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্মহার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়া এবং কর্মক্ষম জনগণের সংখ্যা হ্রাসই এই সংকটের মূল কারণ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই আদমশুমারির চূড়ান্ত ও বিস্তারিত পরিসংখ্যান প্রকাশ করবে।

যদি এই প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে বৈশ্বিক জনসংখ্যার শীর্ষ তালিকায় অবস্থান হারানোর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে জাপানের জন্য।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই নীরব বিপর্যয় আগামী বছরগুলিতে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়াতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটি রোবোটিক্স এবং বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, ১২টি ঘর পুড়ে গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, ১২টি ঘর পুড়ে গেছে

চট্টগ্রামের হালিশহরে বল্লাদেও বস্তির আগুন বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এতে অন্তত ১২টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে, হালিশহরের আই ব্লকের ৪ নম্বর লেইনে ওই বস্তিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে, ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট চেষ্টা চালিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

স্থানীয়রা জানান, আগুনের সূত্রপাত ঘটার সময় সকাল পৌনে ১০টা হয়েছিল। এই খবরের পরে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে দেয়। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণের আগেই, প্রায় ১০ থেকে ১২টি বসতঘর পুড়ে গেছে।

এই আগুন সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আলমগীর জানিয়েছেন, ১২ থেকে ১৩টি বসতবাড়ি পুড়ে গেছে। তবে ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে গিয়ে দেখা যায়, এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাসে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জন্য অশুভ বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫১ পি.এম


সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাসে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জন্য অশুভ বার্তা

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রাক্কালে অপটা সুপারকম্পিউটার ১০,০০০টি বিস্তৃত সিমুলেশন চালিয়ে টুর্নামেন্টের পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। এই পূর্বাভাস ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের সমর্থকদের জন্য হতাশার বার্তাই দিচ্ছে।

বিশদ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্পেন জাতীয় দল আসন্ন বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের সবচেয়ে বড় ফেবারিট হিসেবে উঠে এসেছে। লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল ১৬.১% সিমুলেশনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যা তালিকায় শীর্ষ স্থান নিশ্চিত করেছে।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গত দুই আসরের ফাইনালিস্ট ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও তার সতীর্থরা ১৩% সম্ভাবনা নিয়ে দ্বিতীয় ফেবারিট হিসেবে অবস্থান করছে। এরপর ইংল্যান্ড এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে; উভয় দলই ১০%-এর বেশি সিমুলেশনে শিরোপা জিতেছে।

শীর্ষ চারটি দল অন্য সব প্রতিযোগীর তুলনায় স্পষ্টভাবে এগিয়ে রয়েছে, যা দেখায় যে ঐতিহাসিক সাফল্য এবং বর্তমান স্কোয়াড শক্তি তাদেরকে পরিসংখ্যানগতভাবে বড় সুবিধা দিচ্ছে।

পঞ্চম স্থানে রয়েছে পর্তুগাল। এরপর বিশ্বকাপের সফলতম দল ব্রাজিল এবং জার্মানি যথাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে অবস্থান করছে। নেদারল্যান্ডস রয়েছে অষ্টম স্থানে।

অন্যদিকে, আয়োজক দেশগুলোর জন্য পূর্বাভাস খুবই হতাশাজনক। মডেল অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডার পক্ষে নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা 'প্রায় অসম্ভব' হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড়, ডাক্তারদের ফি না নেয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ পি.এম


বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৮০ শতাংশ ছাড়, ডাক্তারদের ফি না নেয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন একাধিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে নিজ দফতরে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক সভা শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে এবং রোগীদের জন্য ১০ শতাংশ বেড সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ ফি সম্পূর্ণভাবে মওকুফের নির্দেশও প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে, মন্ত্রী ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে বলেন, যে কোন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এখনো ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন পায়নি। এই কারণে দেশে বর্তমানে ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন কার্যক্রম চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%