মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১২ এম
শাড়িকাণ্ড নিয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। ৭৫ হাজার টাকা দামের শাড়ি সংক্রান্ত মামলার পর মামলার বাদীকে মামলা প্রত্যাহারে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার প্রেক্ষাপট এখনও শেষ না হতেই, বাদী সানায়া চৌধুরীর সঙ্গে তিশার একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনায় বিনোদন জগতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পাঠকদের জন্য অডিও রেকর্ডের কথোপকথন হুবহু তুলে ধরা হলো।
তানজিন তিশা: সানায়া আপু, তোমার কোন শাড়ির জন্য আমাকে ফোন দিচ্ছে মানুষজন?
সানায়া চৌধুরী: না, শুধুমাত্র আমার জুটনের ফোন দেওয়ার কথা তোমাকে।
তানজিন তিশা: আচ্ছা, দুইজন দিয়েছে অলরেডি। আচ্ছা কে কে ফোন করছে? কোন শাড়ি বলো তো ওটা?
সানায়া চৌধুরী: ওই যে হোয়াইট কালারের শাড়ি। তুমি যেটা মনে হয় গত বছর, চিটাগাংয়ে পড়ার জন্য নিয়েছিলে ওটা।
তানজিন তিশা: কোনটা বলো তো?
সানায়া চৌধুরী: সাদা শাড়ি, সাদা ব্লাউজ আর সাদা পেটিকোট।
তানজিন তিশা: পাঠানো হয়নি তোমাকে?
সানায়া চৌধুরী: না না না। ওটা তুমি এখনো পাঠাও নাই।
তানজিন তিশা: আমি পাঠাইনি?
সানায়া চৌধুরী: না না।
তানজিন তিশা: আচ্ছা ঠিক আছে, আমি চেক করে দেখব। মানে আমার মনে পড়ছে না কোথায় আছে? যদি এটা বাসায় থেকে থাকে আমার—আমি জানি না কোথায় আছে? কারণ শাড়ি তো এই জীবনে আমি ছুঁয়েও দেখি নাই। বাট, আমার মনে হয় কি সানায়া আপু...
সানায়া চৌধুরী: না না, তুমি ওটা পড়েছ। শোনো, তুমি ওটা পড়েছ।
তানজিন তিশা: আমি পড়েছি, এরপর আমি ধরে দেখিনি, শোনো না। শুনতে পাচ্ছো?
সানায়া চৌধুরী: হ্যাঁ হ্যাঁ, বলো।
তানজিন তিশা: আমি পড়েছি, এরপরে আমি তো ধরেও দেখিনি তোমার শাড়িটা। তাহলে এখন আমি যদি না পড়ি, তাহলে আমার কাছে রেখে তো কোনো লাভ নেই।
সানায়া চৌধুরী: আচ্ছা, সমস্যা নাই। তুমি ওটা বাসায় খুঁজে দেখো।
তানজিন তিশা: আপু, শোনো না। আমি ওটা খুঁজে দেখব।
সানায়া চৌধুরী: খুঁজে তুমি তোমার কনভিনিয়েন্ট টাইমে আমাকে তুমি জানিয়ে দিও।
তানজিন তিশা: আপু শোনো, শোনো, শোনো, শোনো, শোনো, শুনতে পাচ্ছো?
সানায়া চৌধুরী: হ্যাঁ হ্যাঁ, বলো।
তানজিন তিশা: শোনো, আমার সাথে বেশি চালাকি করবা না। কারণ তুমি আমার সাথে যে চালাকিটা করছ, ধরো এখন তো শাড়ির মামলা আসছে, হ্যাঁ? শাড়ির মামলা দেখে তুমি আমাকে শাড়ির জন্য নক দিছো। এখন তুমি সানায়া যদি আমাকে দিয়ে হিট হইতে চাও, তাহলে আমি এমনিতেই তোমাকে হিট বানিয়ে দেব।
সানায়া চৌধুরী: আচ্ছা শোনো না আপু, শোনো না। এগুলো, এগুলো না... আমরা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে না যাই।
তানজিন তিশা: শোনো, কারণ আমি তোমাকে হিট বানিয়ে দিতে পারি।
সানায়া চৌধুরী: আমি তোমাকে পুরা বছর তোমাকে আমি অনেকবার বলেছি। ইভেন আমার ম্যাসেজ... হ্যাঁ, হ্যাঁ, ম্যাসেজ আছে দেখো যে তুমি তখন বলেছ...
তানজিন তিশা: এখন তোমার মতো ১০টা সানায়া আমাকে নক দেয়। এখন আমি কী করতে পারি, আমাকে বলো? মামলা যখন আমি করব, একদম জাইতা ধরব আমিও।
সানায়া চৌধুরী: আচ্ছা, করো। শোনো... ইফ ইউ ওয়ান্ট টু ডু ইট, ইউ ক্যান ডু ইট। না শোনো, আমার তো তোমার সাথে কোনো বিষয় নাই। আমার শাড়িটা তুমি নিয়েছো, ফেরত দিচ্ছো না, আমি ওটা নিয়ে কথা বলছি।
তানজিন তিশা: ফাইজলামি করো না।
সানায়া চৌধুরী: আমি তোমাকে এক বছর, শোনো, তুমি ইভান ভাইকে জিজ্ঞেস করো, শাহরিয়ার...শোনো, শিপন ভাইকে—আমি অনেক মানুষকে বলেছি।
তানজিন তিশা: আমি যদি তোমার পিছনে লাগি, তুমি কিন্তু বাঁচবা না। তোমাকে নিয়ে দরকার হলে আমি ডিভি নিয়ে বসব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ জয়ের বছরের শেষভাগে লামিন ইয়ামাল সুখবর পেয়েছেন। এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড, যিনি টিনএজ জুড়ে আলো ছড়িয়েছেন, পুরুষ বিভাগে টানা তৃতীয়বারের মতো ব্যালন ডি অরের বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ইয়ামালের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হয়, যার অফিসিয়াল নাম ‘কোপা ট্রফি।’
২০১৮ সাল থেকে এই পুরস্কারটি প্রদান করা হচ্ছে। ইয়ামাল ছাড়া আর কেউ একবারের বেশি এই পুরস্কার জিততে পারেননি। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-২১ বছর বয়সীদের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার কোপা ট্রফি অর্জন করেছেন।
বার্সেলোনা ও স্পেনের হয়ে গত বছর জুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন ইয়ামাল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে গত মৌসুমে ক্লাবের হয়ে লা লিগা এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়ে তিনি বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি জিতেছেন। ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে তাঁর পা থেকে এসেছে ২৫টি গোল এবং ২০ অ্যাসিস্ট। মাঠে তাঁর দুর্দান্ত ড্রিবলিং, ক্ষুরধার দূরদর্শিতা এবং বড় ম্যাচে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা তাঁকে বিশ্বের অন্যান্য তরুণ তারকাদের থেকে এগিয়ে রেখেছে।
২০১৮ সালে কোপা ট্রফি চালুর পর থেকে এই পুরস্কারে বার্সেলোনার তরুণদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রয়েছে। গত ৬টি আসরের মধ্যে ৫ বারই এই ট্রফিটি ক্যাম্প ন্যু-এর ডেরায় গেছে। ২০২১ সালে পেদ্রি এবং ২০২২ সালে গাভির পর টানা তিনবার এই পুরস্কার জিতলেন ইয়ামাল, যদিও পুরস্কার জিতে তিনি বিনয়ী ছিলেন।
তিনি মনে করেন, এই পুরস্কারটি পাওয়া উচিত ছিল বিশ্বকাপে সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা তাঁর সতীর্থ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সির। তিনি বলেন, "এখানে উপস্থিত থাকতে পারা এবং এই পুরস্কার গ্রহণ করতে পারা সম্মানের। তৃতীয়বার এই পুরস্কার জিতলাম। আমার ক্লাব এবং আমার জাতীয় দলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার সতীর্থ কুবার্সি এটা জিতলে আমার ভালো লাগত। কারণ, আমি মনে করি এই পুরস্কারটি তার পাওয়া উচিত। সে বেশ অনেক দিন ধরে দারুণ একটি স্তরে খেলছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সঙ্গে একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ইরানের। ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ির সহযোগী আলী বাঘেরি কানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার তেহরানে চার দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের বিষয়ে কানি বলেন, এই আলোচনা একটি স্পষ্ট বার্তা প্রদান করেছে যে সংলাপের মাধ্যমে বিরোধের সমাধান সম্ভব।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
এই বৈঠকটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধ নিরসনের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইরান, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের সেরা কোচ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে, যিনি স্পেন জাতীয় ফুটবল দলের কোচ। এই পুরস্কারটি তাকে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জয় করার স্বীকৃতি হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
এবারের সেরা কোচের পুরস্কারের জন্য মনোনীত ছিলেন আর্সেনালের মিকেল আর্তেতা এবং বায়ার্ন মিউনিখের ভিনসেন্ট কোম্পানি-ও।
লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ৬৫ বছর বয়সী দে লা ফুয়েন্তের হাতে এই পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হয়।
দে লা ফুয়েন্তের কোচিংয়ে গত জুলাইয়ে শেষ হওয়া উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে স্পেন অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়। পুরো টুর্নামেন্টে অবিশ্বাস্য দাপুটে ফুটবল প্রদর্শন করে, আট ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করে চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি। ফাইনালে তারা এতটাই আধিপত্য করে যে, প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা কোনো শটই লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশগুলোকে নিজেদের দায়িত্ব নিতে হবে। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি মন্তব্য করেছেন যে, ইরানকে অন্তর্ভুক্ত না করে কোনো নিরাপত্তা কাঠামো কার্যকর করা সম্ভব নয়।
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো থেকে ইরানকে পরিকল্পিতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা পুরো অঞ্চলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
আল-বুসাইদি বলেন, ‘ইরানকে অন্তর্ভুক্ত না করে গড়ে তোলা যেকোনো উপসাগরীয় নিরাপত্তা কাঠামো স্বভাবগতভাবেই অস্থিতিশীল ও কাঠামোগতভাবে দুর্বল।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিশেষে, উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে।’
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আকস্মিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা হয়েছিল। তখনই দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল বলে ওমান মনে করে।
আল-বুসাইদি আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাইরের দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব যেন সামরিক প্রতিশ্রুতির পরিবর্তে অর্থনৈতিক সহযোগিতার রূপ নেয়, সেটিই তাঁদের প্রত্যাশা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ