মোঃ রাসেল সরকার ( স্টাফ রিপোর্টার)
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:১৬ পি.এম
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ওস্তাদ ঝুনু ও ওস্তাদ কুনুর স্মরণে আয়োজিত আন্তঃস্কুল অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর ফাইনাল খেলায় ইউনিক মডেল স্কুল বিজয়ী হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে শাহজাদপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় সপ্তবর্ণ মডেল স্কুলের মুখোমুখি হয় ইউনিক মডেল স্কুল। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ খেলায় ১-০ গোলে ইউনিক মডেল স্কুল জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
শাহজাদপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এবং এস,কে,এফ ডিজাইন এর সার্বিক সহযোগিতায় ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ, শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল-আমীন হোসেন, এস,কে,এফ ডিজাইনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সোহেল রানা, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব খন্দকার রুবেল প্রমুখ।
এ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার আগ্রহ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মোঃ রাসেল সরকার
শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ
মোবা:০১৭২৯-১৪৮৮৮৪
তারিখ:২৩.১০.২৬ইং
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে মধুপুর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষাবিদ, সুধীজন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজাই প্রিন্স, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম এ রতন হায়দার, সাবেক সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবলু এবং পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্নাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক, সুধীজন ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রাজপথে থাকবে, এমন তথ্য জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য এবং তাদের সকল কর্মসূচিতে তারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে। তবে তিনি পরিষ্কার করেছেন যে, গণভোটের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই জাতীয় ঐক্যে থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসলামি দলগুলোকে নিয়ে পৃথক বৃহত্তর বলয়ে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে তাঁদের।
শুক্রবার এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি দলের অবস্থান তুলে ধরেন। মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বলেন, “যতদিন পর্যন্ত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না হবে, ততদিন আমরা ১১ দলের সাথে আছি এবং থাকব। ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিটি কর্মসূচিতেও আমরা সক্রিয় থাকব। আমাদের প্রধান ও মুখ্য দাবি হলো জুলাই সনদ ও গণভোটের বাস্তবায়ন।”
হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে কওমি ধারার সমমনা সাত দলের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই নিজস্ব দলীয় কর্মপদ্ধতি, রাজনীতি ও সাংগঠনিক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “যেহেতু জামায়াতে ইসলামী ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে এককভাবে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছে, তাই একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও বসে থাকতে পারে না। আমাদেরও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে।”
তিনি জানান, স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কৌশল হিসেবেই হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগের প্রাথমিক পদক্ষেপে সাতটি ইসলামি দল একত্রিত হয়েছে। এই সাত দলসহ অন্যান্য সমমনা ইসলামি দলকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি বৃহত্তর নির্বাচনী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে।
আতাউল্লাহ আমীন জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় পর্যায়ে গণভোট ও জুলাই সনদের মতো মৌলিক দাবিতে ১১ দলীয় জোটে তাদের অবস্থান অটুট রয়েছে, তবে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনি রাজনীতিতে ইসলামি দলগুলোর স্বতন্ত্র ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস জারি থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিপুল বিনিয়োগের জন্য নতুন ধরনের শেয়ার চালুর পরিকল্পনা করেছে। তবে এই পরিকল্পনার একটি বিশেষ দিক হলো, নতুন শেয়ার বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করলেও কোম্পানির ওপর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গের নিয়ন্ত্রণ কমবে না। এজন্য প্রতিষ্ঠানটি ভোটাধিকারহীন ‘ক্লাস সি’ শেয়ার চালু করতে যাচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, বুধবার মেটা জানিয়েছে, নতুন শেয়ার ইস্যু করে এআই খাতে বিনিয়োগ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ এবং কর্মীদের পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে নতুন শেয়ারগুলো কেনাবেচার সুযোগ থাকবে। তবে এসব শেয়ারের মালিকেরা কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ভোট দিতে পারবেন না।
মেটার নতুন শেয়ার পরিকল্পনা কী?
মেটা ‘ক্লাস সি’ নামে নতুন এক ধরনের শেয়ার চালুর পরিকল্পনা করছে। এই পরিকল্পনার আওতায়, বর্তমান ক্লাস এ ও ক্লাস বি শেয়ারের প্রতিটির বিপরীতে একটি করে ক্লাস সি শেয়ার দেওয়া হবে। এর ফলে কার্যত শেয়ারের সংখ্যা দুই গুণ হবে। নতুন শেয়ারগুলো ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে বাজারে লেনদেন শুরু করতে পারে।
কম্পানিটি জানিয়েছে, নতুন শেয়ার থেকে পাওয়া অর্থ এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন, অধিগ্রহণ এবং কর্মীদের পারিশ্রমিকসহ বিভিন্ন করপোরেট কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে নতুন শেয়ারও ইস্যু করতে পারবে মেটা।
এআই খাতে বিনিয়োগের জন্য নতুন শেয়ার ইস্যু করার কারণ হলো, প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ডেটা সেন্টার নির্মাণ, উন্নত চিপ কেনা এবং কম্পিউটিং সক্ষমতা বাড়াতে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে মেটা। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মূলধনি ব্যয় ১৩৫ থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
এত বড় বিনিয়োগের জন্য ঋণ নিলে কম্পানির ঋণের বোঝা বাড়তে পারে এবং ক্রেডিট রেটিং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই ঋণের পরিবর্তে শেয়ার ইস্যু করে অর্থ সংগ্রহের পথ বেছে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
স্টক ট্রেডার নেটওয়ার্কের প্রধান বাজার কৌশলবিদ ডেনিস ডিকের মতে, এআই সম্প্রসারণে অর্থ সংগ্রহের জন্য নতুন শেয়ার ইস্যু করা ঋণ বাড়ানোর তুলনায় ভালো বিকল্প হতে পারে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এআই খাতে বিনিয়োগের জন্য ঋণ নেওয়ায় ওরাকল ও কোরউইভের মতো কোম্পানির শেয়ারের ওপর চাপ তৈরি হতে দেখা গেছে।
কীভাবে ক্ষমতা ধরে রাখবেন জাকারবার্গ?
মেটার নতুন পরিকল্পনার মূল বিষয় হলো, অর্থ সংগ্রহ করলেও জাকারবার্গের ভোটাধিকার কমানো হবে না। বর্তমানে কোম্পানির ক্লাস বি শেয়ারের মাধ্যমে তিনি অন্য শেয়ারধারীদের তুলনায় বেশি ভোট দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। নতুন ক্লাস সি শেয়ারে ভোটাধিকার না থাকায় এসব শেয়ার বিক্রি করলেও কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার নিয়ন্ত্রণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে না।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর পর্যন্ত জাকারবার্গের কাছে প্রায় ৩৪ কোটি ১২ লাখ ক্লাস বি শেয়ার এবং ১২ লাখ ক্লাস এ শেয়ার ছিল। এসব শেয়ারের মাধ্যমে মেটার মোট ভোটক্ষমতার প্রায় ৬০ দশমিক ৬ শতাংশ তাঁর নিয়ন্ত্রণে ছিল। যদিও কোম্পানিতে তার মালিকানার পরিমাণ প্রায় ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদ্যমান শেয়ারগুলোর বিপরীতে তিনি প্রায় ৩৪ কোটি ২৪ লাখ ক্লাস সি শেয়ার পাবেন। তবে প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শেয়ারধারীদের জন্য করা আলাদা চুক্তি অনুযায়ী, এ গ্রুপের পাওয়া ক্লাস সি শেয়ারের মাত্র ২০ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বাকি শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকবে, যাতে ভোটক্ষমতা অক্ষুণ্ন রেখে নিজের শেয়ার থেকে বিপুল অর্থ তুলে নেওয়ার সুযোগ সীমিত থাকে।
আগে কি এমন পরিকল্পনা নিয়েছে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান?
এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট। ২০১২ সালে গুগলও ভোটাধিকারহীন ক্লাস সি শেয়ার চালুর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল। পরে এ নিয়ে শেয়ারধারীদের পক্ষ থেকে আইনি মামলা হয়। ২০১৩ সালে আদালত সমঝোতা অনুমোদন করে।
সমঝোতা অনুযায়ী, প্রথম বছরে ক্লাস সি শেয়ারের দাম ক্লাস এ শেয়ারের তুলনায় ১ শতাংশের বেশি কমে গেলে সংশ্লিষ্ট শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের এপ্রিলে শেয়ারগুলো বিতরণ করা হয়। পরের বছর গুগল নির্ধারণ করে, দামের পার্থক্যের ভিত্তিতে ক্লাস সি শেয়ারধারীদের ৫২২ মিলিয়ন ডলার সমন্বয়মূল্য দিতে হবে।
জাকারবার্গের ব্যক্তিগত স্বার্থের বিষয়টিও কি আছে?
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে বিলিয়নিয়ারদের সম্পদের ওপর প্রস্তাবিত করও এ পরিকল্পনার আলোচনায় এসেছে। ২০২৬ সালের নভেম্বরের ব্যালটে থাকা প্রস্তাবিত এ কর কার্যকর হলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা হিসেবে বিবেচিত বিলিয়নিয়ারদের নিট সম্পদের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ কর আরোপ করা হতে পারে।
মেটার নথি অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই করের কারণে জাকারবার্গ ক্যালিফোর্নিয়া ছেড়ে অন্য কোথাও যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে বিশেষ কমিটিকে জানিয়েছেন। ভোটাধিকারহীন শেয়ার থাকলে তিনি নিজের ভোটক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে না কমিয়েও কিছু শেয়ার বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করতে পারবেন।
তবে মেটার পরিচালনা পর্ষদের বক্তব্য, কম্পানিতে জাকারবার্গের বিদ্যমান মালিকানাই শেয়ারধারীদের সঙ্গে তার স্বার্থের যথেষ্ট সামঞ্জস্য তৈরি করে। তাই তাকে অতিরিক্ত নগদ পারিশ্রমিক বা নতুন ইকুইটি পুরস্কার দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করে পর্ষদ।
মেটার নতুন শেয়ার পরিকল্পনার লক্ষ্য একদিকে এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগের অর্থ সংগ্রহ করা, অন্যদিকে কম্পানির ওপর জাকারবার্গের নিয়ন্ত্রণ অক্ষুণ্ন রাখা। তবে নতুন শেয়ার বাজারে আসার পর বিনিয়োগকারীরা কীভাবে সেগুলো গ্রহণ করেন, তা নির্ভর করবে শেয়ারের চাহিদা, মূল্য এবং কম্পানির ভবিষ্যৎ আর্থিক ফলাফলের ওপর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী রবিবার (২৫ অক্টোবর) থেকে ইউরোপের অধিকাংশ দেশে শীতকালীন সময় কার্যকর হতে যাচ্ছে। ইউরোনিউজের তথ্য অনুযায়ী, এদিন গ্রীষ্মকালীন সময়ের সমাপ্তি ঘটিয়ে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছানো হবে।
পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি এবং স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন রাষ্ট্রে এই পরিবর্তন কার্যকর হবে। প্রচলিত নিয়ম অনুসারে, প্রতি বছর মার্চের শেষ রবিবার গ্রীষ্মকালীন সময় শুরু হয় এবং অক্টোবরের শেষ রবিবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে স্ট্যান্ডার্ড টাইমে ফিরে আসে।
পর্তুগালের মূল ভূখণ্ডের রাজধানী লিসবন, পোর্তো এবং অন্যান্য শহরে স্থানীয় সময় রবিবার রাত ২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১টায় নিয়ে আসা হবে। একই সময়ে মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জেও ঘড়ির কাঁটা পিছানো হবে। তবে আজোরেস দ্বীপপুঞ্জে স্থানীয় সময় রাত ১টায় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে রাত ১২টা করা হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশে গ্রীষ্মকালীন সময় ২৫ অক্টোবর শেষ হবে। এর মধ্যে পর্তুগাল, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড এবং গ্রিসসহ অন্যান্য সদস্য দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ