ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পানিশূন্যতার ঝুঁকিতে মার্কিন শহরটি


পানিশূন্যতার ঝুঁকিতে মার্কিন শহরটি

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি উপকূলীয় শহর বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ পানি সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

সেখানে তিন লাখের বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত করপাস ক্রিস্টি শহরটি বিশ্বের প্রথম কোনো আধুনিক মার্কিন শহর হিসেবে সম্পূর্ণ পানিহীন হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা তীব্র খরা, ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা এবং নতুন উৎস তৈরির কাজে ধারাবাহিক বিলম্বের ফলে এই মারাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

শহরটির পানি সরবরাহের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে সেখানকার দ্রুত বিকাশমান শিল্প খাত। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ পানির প্রয়োজন হয় এমন পেট্রোকেমিক্যাল প্লান্ট এবং একটি প্লাস্টিক কেমিক্যাল কারখানার কারণে এই সংকট আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে তালেবানের হামলায় ১ নিহত, ৫ আহত

জানা গেছে, ২০২২ সালে নির্মিত ওই প্লাস্টিক কারাখানাটি প্রতিদিন ঠিক তত পরিমাণ পানি শীতলীকরণের কাজে ব্যবহার করে, যা করপাস ক্রিস্টি শহরের সমস্ত বাসিন্দার দৈনিক খরচের সমান। এই সংকট মোকাবিলায় সামুদ্রিক লবণাক্ত পানিকে ব্যবহারযোগ্য মিষ্টি পানিতে রূপান্তর করতে একটি ডিস্যালিনেশন প্লান্ট তৈরির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছিল।

তবে তহবিল সংকট, কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং নানা মহলের বিরোধিতার কারণে প্রকল্পটির কাজ আটকে আছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে টেক্সাসে একের পর এক খরা দেখা দেওয়ায় শহরের প্রধান জলাধারগুলোর পানির স্তর বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে গেছে।

সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করপাস ক্রিস্টি আমেরিকার অন্য যেকোনো শহরের তুলনায় সম্পূর্ণ পানিহীন হয়ে পড়ার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। সাম্প্রতিক কিছু বৃষ্টিপাত সামান্য স্বস্তি দিলেও শহরের হাতে এখনো মাত্র এক বছরের মতো পানি জমা রয়েছে, যা বিশেষজ্ঞদের মতে একটি জরুরি অবস্থার সমতুল্য।

পার্থক্যটি সামাল দিতে গভীর নলকূপ খনন এবং শিল্প কারখানার প্রয়োজনে বর্জ্য পানি পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তবে নতুন সমুদ্রজল শোধনাগার নির্মাণ করতে কয়েক বছর সময় ও বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে। ইতিমধ্যে শহরের বাসিন্দাদের বাগান পরিচর্যা ও গাড়ি ধোয়ার মতো কাজে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: রিজভী: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার

পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে ভবিষ্যতে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে সাময়িক পানি সরবরাহ বন্ধ অথবা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তা সীমিত করার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও ক্রমহ্রাসমান পানির উৎসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শহরগুলোর টিকে থাকার লড়াইয়ে এই সংকটকে একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় পিকআপের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারালো রাব্বি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ এম


নকলায় পিকআপের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারালো রাব্বি

শেরপুরের নকলা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুল ইসলাম রাব্বী (৪৫) নামে দক্ষ এক ইলেকট্রিক মিস্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে| শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নকলা-নালিতাবাড়ী মহাসড়কের নিউমার্কেট মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে| নিহত রফিকুল ইসলাম রাব্বী উপজেলার ধনাকুশা ইউনিয়নের বাঁশকান্দা গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে| তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইলেকট্রিক মিস্ত্রী হিসেবে কর্মরত ছিলেন| সে এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক|

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, রাব্বী মোটরসাইকেলে করে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন| নকলা পৌরশহরের ব্যস্ততম নিউমার্কেট মোড় এলাকায় রাস্তার ওপরে দাঁড়িয়ে থাকা অনিয়ন্ত্রিত একটি অটোরিক্সাকে পাশকাটিয়ে যাওয়ার সময় পিছন থেকে আসা জামালপুর থেকে সুনামগঞ্জগামী দ্রুতগামী একটি মিনিপিকআপ (ঢাকা মেট্রো-ন-১৩-১৮২১) তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে সে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যায়| এমতাবস্থায় চালক তার পিকআপ থামানোর আগেই পিকআপের চাকায় পিষ্ট হয়ে রাব্বীর মাথা থেতলে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়|

খবর পেয়ে নকলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাব্বীর নিথরদেহ উদ্ধার করে নকলা উপজেলা ¯ কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়| সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. হাবিবুল হক পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন|

দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট মিনিপিকআপটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে| একই সঙ্গে পিকআপটির চালক সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার বাহুটিয়াকান্দা গ্রামের নুর মোহাম্মদ (২৬)-কে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে| নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, ঘটনাটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে|

এদিকে, যেকোন শহরের ব্যস্ততম মোড় গুলোতে অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিক্সা, সিএনজি চালিত অটো রিক্সা, ভ্যান, লড়ির মতো লাইসেন্স বিহীন ও অনভিজ্ঞ চালকদের অঘোষিত স্টেশন উচ্ছেদ করা এখন সময়ের দাবি| নতুবা একের পর এক নির্বিচারে প্রাণ হারাতে হতে পারে অনেক পথিকের এমন আশঙ্কা করছেন সর্বসাধারণ|

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে এক দিনে সরানো হলো ১৩৫ টন বর্জ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ এম


চট্টগ্রামে এক দিনে সরানো হলো ১৩৫ টন বর্জ্য

চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন, সুস্থ ও নান্দনিক জেলায় রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে শুরু হওয়া মাসব্যাপী অভিযানের প্রথম দিনেই ১৩৫ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার নেতৃত্বে শনিবার একযোগে পরিচালিত এই অভিযানে জেলার বিভিন্ন স্তরের প্রায় ৬ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন।

‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আজ সকালে সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুভ সূচনা ঘটে। এই শোভাযাত্রা কাজীর দেউড়ি ও রেডিসন ব্লু এলাকা প্রদক্ষিণ করে। কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীসহ প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানের আওতায় জেলাজুড়ে সরকারি দফতর, আবাসন, উপজেলা ভবন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ মোট ৩ হাজার ২২৫টি স্থাপনায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ভবনগুলোর ছাদ, আঙিনা ও আশপাশে জমানো আবর্জনা সরানোর পাশাপাশি প্রথম দিনেই এত বিপুল পরিমাণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিশাল অঙ্কের বর্জ্য অপসারণের নতুন নজির সৃষ্টি হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান কেবল এক দিনে সীমাবদ্ধ থাকবে না; পুরো মাসজুড়ে প্রতি শনিবার এই তদারকি চলবে। ভবনগুলোর পরিবর্তনের চিত্র মূল্যায়নে পরিচ্ছন্নতার আগের ও পরের ছবি সংরক্ষণ করা হবে।

প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি না করে পরিচ্ছন্নতাকে মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, একটি সুস্থ জাতি ও মানবিক সমাজ গঠনে সুস্থ পরিবেশের কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ব মানচিত্রে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর বাংলাদেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরতেই স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে এই দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কিক’ ছবিতে নওয়াজউদ্দিনের কুখ্যাত হাসির পেছনের আসল অনুপ্রেরণা কে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ এম


‘কিক’ ছবিতে নওয়াজউদ্দিনের কুখ্যাত হাসির পেছনের আসল অনুপ্রেরণা কে

বলিউডে খলনায়কের চরিত্রকে স্বাভাবিক ধারনা থেকে বের করে এক মনস্তাত্ত্বিক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর তুলনা মেলা কঠিন। ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সাড়া জাগানো অ্যাকশন-কমেডি ছবি ‘কিক’ এর মুক্তির এক যুগ পেরিয়ে গেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ১২ বছর পূর্ণ হয়েছে সালমান খান অভিনীত এই বড় মাপের চলচ্চিত্রটির। তবে এক যুগ অতিবাহিত হওয়ার পরেও, ছবিতে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর অভিনীত খলচরিত্র ‘শিব গজরা’ আজও দর্শকদের মনে অমলিন রয়েছে। বিশেষ করে চরিত্রটির জিব দিয়ে শব্দ করার সিগনেচার স্টাইল, সংলাপ বলার ধরন, এবং মেরুদণ্ড হিম করা সেই তীক্ষ্ণ হাসি হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম ভীতিপ্রদ দৃশ্য হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা নিজেই তার সেই বিখ্যাত হাসির পেছনের মূল অনুপ্রেরণা এবং রহস্যময় উৎস প্রকাশ করেছেন।

‘বলিউড বাবল’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে, নিজের এই কালজয়ী চরিত্র নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, চরিত্রটির মানসিক অস্থিরতা ও অন্ধকার রসিকতা ফুটিয়ে তুলতে তিনি তার থিয়েটার জীবনের অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য দক্ষ অভিনেতার অভিনয়কে কাজে লাগিয়েছিলেন। নিজের অভিনয় কৌশল নিয়ে নওয়াজউদ্দিন উল্লেখ করেন, জিব নিয়ে টিক-টিক শব্দ করার বিষয়টি মূলত একটি সূক্ষ্ম ধরন যা থিয়েটারে তার অভিনয় অধিকাংশ সময়ে ব্যবহার করা হতো। এছাড়া, ‘কিক’ ছবিতে যে ভয়াবহ বা কুটিল হাসিটি দেখা গেছে, সেটি আসলে ‘অক্স’ ছবিতে মনোজ বাজপেয়ীর অভিনীত চরিত্র ও তার অভিনয় থেকে অনুপ্রাণিত।

মনোজ বাজপেয়ীর প্রতি তার মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করেও নওয়াজউদ্দিন উল্লেখ করেন, সেই অনবদ্য অভিনয় থেকে অনুপ্রাণিত হলেও, তিনি নিজের স্বতন্ত্র প্রতিভা ও সৃজনশীলতার স্পর্শ যোগ করেছেন, যাতে চরিত্রটি দর্শকদের কাছে আরও বেশি জীবন্ত, অনন্য, এবং উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা পরিচালিত ও প্রযোজিত ‘কিক’ মূলত ২০০৯ সালের একই নামের একটি সুপারহিট তেলেগু চলচ্চিত্রের অফিশিয়াল রিমেক ছিল। চলচ্চিত্রে সালমান খান ও নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব এবং রসায়ন ছিল মূল আকর্ষণ। এর পাশাপাশি এই তারকাখচিত চলচ্চিত্রে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, রণদীপ হুডা, মিথুন চক্রবর্তী, অর্চনা পূরণ সিং, সৌরভ শুক্লা, সুমনা চক্রবর্তী, এবং বিপুল শর্মার মতো বিখ্যাত শিল্পীরা। তাদের সবার নিখুঁত অভিনয় ছবিটিকে হিন্দি বাণিজ্যিক ধারার চলচ্চিত্রে অন্য একটি মাত্রা এনে দিয়েছে।

নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছে নেটফ্লিক্সের অপরাধধর্মী ছবি ‘রাত অকেলি হ্যায়: দ্য বংশাল মার্ডারস’-এ, যেখানে তিনি ইন্সপেক্টর জটিল যাদবের চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে প্রচুর প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন। বর্তমানে এই শক্তিশালী অভিনেতার ঝুলিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি ভিন্নধর্মী ও প্রতিশ্রুতিশীল প্রজেক্ট। এর মধ্যে ‘সেকশন ১০৮’ এবং ‘নূরানী চেহারা’ সিনেমা দুটি চলতি বছরেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। পাশাপাশি একটি আন্তর্জাতিক হাইস্ট থ্রিলার সিনেমা ‘দ্য গ্রেট এস্কেপ ফারার’-এও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে এই বহুমুখী প্রতিভাবান অভিনেতাকে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরে এসেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৭ এম


তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরে এসেছেন সেনাবাহিনী প্রধান

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরে এলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফেরেন। সফরের সময় তিনি তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবির-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সফরের সময় তিনি তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী Yaşar Güler, Chief of the Turkish General Staff General Selçuk Bayraktaroğlu, Commander of the Turkish Land Forces General Metin Tokel এবং Director of Istanbul Naval Shipyard Rear Admiral Recep Erdinç Yetkin-এর সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এছাড়াও, তিনি তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সি (SSB)-এর প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন। Turkish Land Forces Headquarters পরিদর্শনকালে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।

উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ASISGUARD, TUSAŞ (Turkish Aerospace Industries), MKE (Makine ve Kimya Endüstrisi A.Ş.), SARSILMAZ, STM (Savunma Teknolojileri Mühendislik ve Ticaret A.Ş.), ROKETSAN (Rocket Industry and Trade Inc.), ASELSAN (Askerî Elektronik Sanayi) এবং BAYKAR (Baykar Teknoloji) অন্তর্ভুক্ত।

পরিদর্শনকালে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D), অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়েও আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%