ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপের ৪ দিনের রিমান্ড


তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপের ৪ দিনের রিমান্ড

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেফতার আহমেদ শাহরিয়ার রেজা, যিনি দীপ নামে পরিচিত, তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, দুপুর সোয়া ২টার দিকে আসামি দীপকে আদালতে হাজির করা হয় এবং সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে শুনানির জন্য এজলাসে তোলা হয়।

আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়া নিয়ে অমিত শাহের বিস্ফোরক মন্তব্য

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা নৌ পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানির সময় দাবি করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পলায়নের ভিডিও প্রকাশ করার কারণে তাহসিফকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে। অন্যদিকে, ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ এবং বিচারকার্য ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কায় আসামিপক্ষ থেকে এদিন কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। শুনানি শেষে আদালত দীপের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, নিহত কে এম তাহসিফ সৌরি তুরাগ থানার ১৮ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। গত ২৭ অক্টোবর আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টার দিকে আসামি দীপ তাকে বাসা থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান। এরপর থেকেই তাহসিফ নিখোঁজ ছিলেন।

পরদিন, ২৮ অক্টোবর বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে উত্তরখান থানার রাজাবাড়ী ঘাট সংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের ট্রাউজারের পকেটে থাকা একটি মুঠোফোনের সূত্র ধরে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে আরও উল্লেখ করেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে, ঘটনার দিন নিহত সৌরিকে নিয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার মাজার বস্তি এলাকায় গিয়েছিলেন আসামি দীপ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দীপ জানিয়েছেন, নিহত সৌরি তার সিনিয়র বড় ভাই ছিলেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র ওলামা লীগ নেতার বিএনপিতে যোগদান নাকি সৌজন্য সাক্ষাৎ?

প্রাথমিক তদন্তে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আসামির সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে আবেদনে দাবি করা হয়। ঘটনার পেছনের কারণ উদ্ঘাটন এবং মূল রহস্য উন্মোচনে আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কোরআন-সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী সাম্যের বাংলাদেশ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


‘কোরআন-সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী সাম্যের বাংলাদেশ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে’

যতদিন আল্লাহর নেজাম, কোরআন-সুন্নাহর বিধান এবং শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত সাম্যের মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হবে, ততদিন রাজপথের এই লড়াই ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে জীবন দেবেন, তবে জাতির অধিকারের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস বা বেইমানি করবেন না।

শনিবার খুলনা মহানগরী বাবরী চত্বরে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা যেসব দাবি তুলে ধরেছি, তা কোনো একক দল কিংবা জোটের দাবি নয়; বরং এটি এ দেশের প্রত্যেকটি মানুষের বাঁচা-মরার দাবি। আজ রাজপথে হাজারো-লাখো নারী-পুরুষের চোখের ভাষা আমাদের বার্তা দিচ্ছে—জনগণ জুলুমবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এই লড়াইয়ে জুলুমবাজদের পতন হবে এবং সাধারণ জনগণের বিজয় নিশ্চিত হবে।’

১১ দলের রাজনৈতিক লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু ১১ দলের বিজয় চাই না, আমরা এ দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের মুক্তি ও বিজয় চাই। নাগরিকদের সেই চূড়ান্ত মুক্তির লক্ষ্যেই আমরা রাজপথে নেমেছি। ইনশাআল্লাহ, জনগণের মৌলিক দাবিগুলো আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’

উপস্থিত জনতার উদ্দেশে জামায়াত আমির প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘কথা দিয়ে যাচ্ছি, জীবন যাবে কিন্তু জাতির সাথে কখনো বেইমানি করব না। আপনারা দোয়া করবেন, জাতির অধিকারের এই লড়াইয়ে আল্লাহ যেন আমাদের শহীদ হিসেবে কবুল করেন। মাঝপথে কোনো আপসের সুযোগ নেই। আমরা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাই না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আল্লাহর নেজাম এবং কোরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতেই এ দেশকে গড়ে তুলতে হবে। যতদিন পর্যন্ত একটি শোষণমুক্ত, বৈষম্যমুক্ত, সাম্যের ও মানবিক বাংলাদেশ গঠিত না হবে, ততদিন আমাদের সংগ্রাম চলবেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবল সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবল সংকট

কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবলসংকট বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে। ৩১ শয্যার জনবল নিয়ে ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটি কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। ২০১৩ সালে হাসপাতালটি ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও জনবলের অভাবে হাওরবাসীর কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যার জন্য অনুমোদিত চিকিৎসক পদের ৬৬ শতাংশ শূন্য রয়েছে। একই সঙ্গে জরুরি সেবাসংশ্লিষ্ট অন্যান্য পদের ৯১ শতাংশও খালি। অথচ হাসপাতালে ভর্তি ও জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সীমিত জনবল নিয়ে এই বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে।

হাওরাঞ্চলের ভৌগোলিক দুর্গমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব এবং জরুরি রোগী পরিবহনের সংকট বিবেচনা করে, হাওরের তিনটি উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় সচেতন মহল মাতৃ ও শিশুসেবা সম্প্রসারণ, ভাসমান নৌ-হাসপাতাল ও ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহ মো. মহিবুল্লাহ জানান, চিকিৎসক ও জনবল সংকটের মধ্যেও হাসপাতালের অন্তর্বিভাগ, জরুরি বিভাগ, পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডের পাশাপাশি শিশু বিভাগে সেবা কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে শিশু বিভাগও চালু করা হয়েছে।

হাসপাতালটিতে বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকের জন্য ৩৩টি পদ অনুমোদিত থাকলেও, কর্মরত আছেন মাত্র ১১ জন, আর শূন্য রয়েছে ২২টি পদ। বিশেষজ্ঞ কনসালট্যান্টের ১১টি পদের একটিতেও কোনো চিকিৎসক নেই। মেডিকেল অফিসার, সহকারী সার্জন ও জরুরি বিভাগের চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পদে তীব্র সংকট বিদ্যমান। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি ৪৮তম বিসিএসের মাধ্যমে আটজন চিকিৎসক নিয়োগ পেলেও, এর আগে ২০২৫-২৬ সালে অন্তর্বিভাগ, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে মাত্র দুজন চিকিৎসক দিয়ে সেবা চালাতে হয়েছে।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি জনবলেও রয়েছে বড় ঘাটতি। ৩০টি পদের বিপরীতে ২১ জন কর্মরত থাকলেও, শূন্য রয়েছে ৯টি পদ। চারজন ধাত্রীর মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র একজন। অন্তর্বিভাগে সকাল, বিকেল ও রাত—প্রতিটি শিফটে ওয়ার্ডগুলোর জন্য নার্সদের দায়িত্ব বণ্টন করতে গিয়ে তাদের সাপ্তাহিক ছুটি দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। এমনকি ছয়জন পুরুষ নার্সকে ২৪ ঘণ্টাই জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

জরুরি সেবাসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ২২টি পদের বিপরীতে কর্মরত মাত্র দুজন, শূন্য রয়েছে ২০টি পদ। ইসিজি পরিচালনার জন্য কার্ডিওগ্রাফার, এক্স-রে টেকনিশিয়ান, অ্যাম্বুলেন্সচালক, জুনিয়র মেকানিক, আয়া, বাবুর্চি, মালি, ওয়ার্ডবয় ও ফার্মাসিস্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ খালি রয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও এমএলএসএস পদেও রয়েছে বড় ঘাটতি। বর্তমানে সাতজন আউটসোর্সিং কর্মীর মাধ্যমে জরুরি সেবা চালু রাখা হয়েছে।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রতি মাসে গড়ে ৫০০ জনের বেশি রোগী ভর্তি হলেও, ২০২৬ সালে তা বেড়ে ৭৫০ থেকে ৮০০ জনে দাঁড়িয়েছে।

দুর্গম এলাকায় মাত্র একজন ধাত্রী এবং বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসকের অভাবে মাতৃস্বাস্থ্যসেবা পরিচালনা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মধ্যরাতে প্রসবকালীন জটিলতা দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানোর ক্ষেত্রে রোগীদের পড়তে হয় চরম বিপাকে।

হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা যায়, ভর্তি রোগীদের চাহিদা মেটাতে শুধু স্যালাইন ও ইনজেকটেবল অ্যান্টিবায়োটিক বাবদ বছরে প্রায় ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকার প্রয়োজন হয়। এর বাইরে অন্যান্য ওষুধ এবং বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগের ওষুধের চাহিদাও রয়েছে।

যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ও দুর্গমতার কারণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এখানে থাকতে চান না। ফলে স্থানীয় মানুষ উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ অবস্থায় দুর্গম এলাকায় কর্মরত চিকিৎসক ও কর্মচারীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা, নিরাপদ আবাসন এবং উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

হাওর বছরের ছয় মাস জলমগ্ন থাকে এবং প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে। এটি বিবেচনায় নিয়ে ভাসমান নৌ-হাসপাতাল চালুর দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মাধ্যমে দুর্গম এলাকার প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

এছাড়া সন্ধ্যার পর ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় রাতে অ্যাম্বুলেন্সে রোগী পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। তাই জরুরি রোগী পরিবহনে ফেরি চলাচল ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা জরুরি। অন্যদিকে স্ট্রোক, ট্রমা (মস্তিষ্কে আঘাত), দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগ ও ক্যানসারের মতো জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য হাওরাঞ্চলে একটি টারশিয়ারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দাবিও উঠেছে।

পরিকল্পিত স্বাস্থ্যব্যবস্থাই হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পর্যাপ্ত জনবল ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা, মাতৃ ও শিশুসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া, জরুরি রোগী পরিবহনে নৌপথ ও ফেরির কার্যকর ব্যবস্থা করা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রণোদনা ও আবাসন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু বলেন, ‘হাওরাঞ্চলে চিকিৎসকদের অনীহা দূর করতে ‘হাওর ভাতা’ বা বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। স্থানীয় পর্যায়ে সিস্টার ও বয় নিয়োগ করা হলে তারা নিজ বাড়িতে থেকেই কাজ করতে পারবেন, ফলে আবাসন সংকট দেখিয়ে চলে যাওয়ার প্রবণতা কমবে। এছাড়া অন্তত পাঁচ বছর মেয়াদে দক্ষ আউটসোর্সিং লোকবল নিয়োগ করা হলে বেকারত্ব হ্রাসের পাশাপাশি হাসপাতালের জনবল সংকটও কাটবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অবহেলিত হাওরাঞ্চলের সব সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ‘স্বতন্ত্র হাওর মন্ত্রণালয়’ গঠনের কোনো বিকল্প নেই।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহ মো. মহিবুল্লাহ বলেন, “এত সংকট সত্ত্বেও আমরা মানবসেবার মানসিকতা নিয়ে শ্রম, মেধা ও আন্তরিকতা দিয়ে হাওরবাসীকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, ‘হাওর অঞ্চলে কর্মকর্তাদের কিছুটা অনীহা রয়েছে, তবে এই সংকট আর থাকবে না। সরকার স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে লোকবল নিয়োগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই উল্লেখযোগ্য সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।’

— এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১ দলের লংমার্চে অনুপস্থিত এনসিপির শীর্ষ নেতারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


১১ দলের লংমার্চে অনুপস্থিত এনসিপির শীর্ষ নেতারা

এনসিপির শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণ ছাড়া ৭ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য খুলনা থেকে কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চ শুরু করেছে। লংমার্চের পথে নারী ও শিশু সহ নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে খুলনার বাবরি মসজিদ চত্বরে লাখো জনতার জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে এবং গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

এর আগে, দলীয় নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বরে পথসভায় জামায়াতের আমির বলেন, বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে জামায়াত কাজ করছে।

লংমার্চ শুরুর আগে সকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী জনসভায় জোটের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। এসময় তারা দাবি আদায়ের জন্য নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে বক্তব্য প্রদান করেন।

জনসভায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কানেক্টিভিটির নামে দেশের সম্পদ ইজারা দেওয়া চলবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোটের রায় না মানার ফলে একটি অনিবার্য বিপ্লব আসন্ন।

একইসঙ্গে, জনস্বার্থে বিরোধীদলের দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান জোটের নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের দরপত্রে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, সিভিল সার্জনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের দরপত্রে সিন্ডিকেটের অভিযোগ, সিভিল সার্জনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

তিনটি আমদানি বিল ও চেম্বারের পাসবই জমার শর্ত নিয়ে বিতর্ক; নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঠিকাদারদের

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি কেনার দরপত্রে তিনটি শর্তকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। দরপত্রে পূর্বে পণ্য আমদানির প্রমাণ হিসেবে তিনটি আমদানি বিল এবং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পাসবই জমা দেওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ঠিকাদার। তাঁদের দাবি, এসব শর্তের মাধ্যমে সাধারণ ঠিকাদারদের অংশগ্রহণ সীমিত করে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জন ও বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. সাইয়েদুর রহমানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী ঠিকাদাররা। তাঁদের দাবি, দরপত্রের শর্ত নির্ধারণ, পণ্যের চাহিদাপত্র ও বাজারদরের তালিকা প্রদর্শন এবং অভিযোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে।

তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। দরপত্রের পূর্ণাঙ্গ নথি, সংশ্লিষ্ট বিধিমালা ও মূল্যায়নপ্রক্রিয়া পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্যের ভিত্তিতেই এসব অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধপত্র ও যন্ত্রপাতি কেনার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ই-টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৯ অক্টোবর।

দরপত্রের শর্তাবলি নিয়ে সম্ভাব্য দরদাতাদের আপত্তির প্রধান তিনটি বিষয় হলো—পূর্বে পণ্য আমদানির অভিজ্ঞতার প্রমাণ হিসেবে তিনটি আমদানি বিল জমা দেওয়ার শর্ত, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পাসবই দাখিল এবং ই-মেইলে কোনো কিছু গ্রহণযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

ঠিকাদারদের প্রশ্ন, চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের সক্ষমতা, পণ্যের মান, আর্থিক সামর্থ্য ও প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা যাচাইয়ের পাশাপাশি এসব শর্ত কেন প্রয়োজন এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় এর ভিত্তি কী?

তাঁদের মতে, সরাসরি আমদানির অভিজ্ঞতা না থাকলেও বৈধ আমদানিকারক বা অনুমোদিত সরবরাহব্যবস্থার মাধ্যমে মানসম্মত চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করতে সক্ষম প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে। তাই কেবল পূর্ববর্তী আমদানি বিলের ভিত্তিতে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হলে সম্ভাব্য সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণ সীমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

দরপত্রের শর্ত নিয়ে আপত্তির পাশাপাশি পণ্যের চাহিদাপত্র ও বাজারদরের তালিকা দেখতে না দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন কয়েকজন ঠিকাদার।

তাঁদের দাবি, তালিকাটি দেখতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি তালিকাটি গায়েব করে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।

তবে তালিকাটি সত্যিই গায়েব হয়েছে কি না, নাকি অন্য কোনো কারণে তা দেখানো সম্ভব হয়নি, তা সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ছাড়া নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

ঠিকাদারদের মতে, সরকারি অর্থে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ, বাজারদরের তথ্য, হাসপাতালের প্রকৃত চাহিদা এবং ক্রয়সংক্রান্ত নথির যথাযথ সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাজারদরের তালিকা প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছেন তাঁরা।

দরপত্রে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে শর্ত আরোপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ঠিকাদার।

তাঁদের দাবি, ASH Prestige Trade, The Professional Business Builders এবং Master Mind Incorporation নামের প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন জেলা সদর হাসপাতালে এককভাবে কাজ পেয়ে আসছে। বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের দরপত্রেও নির্দিষ্ট একটি পক্ষকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা থাকতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

তবে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোনো যোগসাজশ রয়েছে কি না, কিংবা দরপত্রের শর্ত নির্ধারণে কোনো পক্ষকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগকারী ঠিকাদারদের দাবি, বিভিন্ন জেলা সদর হাসপাতালের ক্রয়সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করলে এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

 

দরপত্র মূল্যায়ন ও সংশ্লিষ্ট কমিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কমিটির সঙ্গে ডা. আশিক, ডা. রেহেনা ফেরদাউস ও ডা. বলাই কৃষ্ণ বড়াল সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।

ঠিকাদারদের অভিযোগ, দরপত্রের শর্ত নির্ধারণ, পণ্যের চাহিদাপত্র ও বাজারদরের তালিকা প্রদর্শন এবং সম্ভাব্য দরদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে না।

তাঁদের আশঙ্কা, নির্দিষ্ট একটি পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে শর্তগুলো নির্ধারণ করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে দরপত্র প্রস্তুতের নথি, শর্ত নির্ধারণের যৌক্তিকতা, মূল্যায়নপদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

 

দরপত্রের শর্ত পুনর্বিবেচনা এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিতে মেসার্স মর্ডান স্কয়ার ও Gulf Security Services (Pvt.) Ltd. নামের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করতে চেয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে সাব্বির হোসেনের দাবি, সরকারি ক্রয়বিধির আলোকে যোগ্য নতুন প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের দরপত্রে আরোপিত কয়েকটি শর্ত সাধারণ ঠিকাদারদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, “সরকারি গেজেট ও ক্রয়বিধিমালার আলোকে নতুন প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকার কথা। কিন্তু দরপত্রে এমন কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ ঠিকাদারদের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে। আমরা মনে করছি, পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এসব শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।”

সাব্বির হোসেনের আরও অভিযোগ, এ বিষয়ে সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে চাইলে তাঁকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। লিখিত অভিযোগ গ্রহণে সিভিল সার্জন অনীহা প্রকাশ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

 

অভিযোগের বিষয়ে বরিশালের সিভিল সার্জন ও বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান বলেন, বিশেষ কাউকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে দরপত্রে কোনো শর্ত আরোপ করা হয়নি। তাঁর দাবি, দরপত্রের শর্তগুলো বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) বিধিমালার আওতাভুক্ত।

অন্যদিকে, অভিযোগকারী ঠিকাদারদের দাবি, তাঁরা সংশ্লিষ্ট বিধিমালার গেজেটের কপি দেখিয়ে শর্তগুলোর ভিত্তি জানতে চাইলেও তাঁদের নির্দিষ্ট কোনো বিধি বা ধারা দেখানো হয়নি।

দরপত্রের শর্ত ও অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে সিভিল সার্জন বলেন, “আমি একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হলে পুরো বিষয়টি বলতে পারব। ওই সময় পর্যন্ত আপনারা অপেক্ষা করেন।”

 

অভিযোগকারী ঠিকাদারদের দাবি, দরপত্রের তিনটি শর্তের বিধিগত ভিত্তি প্রকাশ, বাজারদরের তালিকা-সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত এবং ক্রয়প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বর্তমান দরপত্র বাতিল করে বিধিসম্মতভাবে নতুন করে দরপত্র আহ্বানের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।

সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটা সরাসরি জনস্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ ক্ষেত্রে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার, মানসম্মত পণ্য সংগ্রহ এবং যোগ্য সরবরাহকারীদের মধ্যে কার্যকর প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

তাই দরপত্রের শর্ত নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই এবং কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যার মাধ্যমে বিতর্কের অবসান দাবি করছেন সাধারণ ঠিকাদাররা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%