ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাতৃত্বের অনুভূতির কথা জানালেন সামান্থা, দিলেন বিশেষ বার্তাও


মাতৃত্বের অনুভূতির কথা জানালেন সামান্থা, দিলেন বিশেষ বার্তাও

ভারতের দক্ষিণী জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর জীবন এখন একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মাতৃত্বের অনুভূতি তার প্রতিদিনের জীবনযাপনকে পরিবর্তন করেছে। এই বিশেষ অধ্যায়টি তিনি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করছেন। পাশাপাশি, নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়ার ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট সচেতন হয়ে উঠেছেন।

সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শরীরচর্চার কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন সামান্থা। সেখানে কখনো তিনি মনোযোগ দিয়ে ব্যায়াম করতে দেখা গিয়েছে, আবার কখনো ক্লান্ত হয়ে মেঝেতে শুয়ে হাসিমুখে পোজ দিয়েছেন। মজার ছলে তিনি উল্লেখ করেছেন, এখন এমন অনেক দিনও আসছে, যেদিন শরীরচর্চার বড় একটি অংশ মেঝেতে শুয়ে বিশ্রাম নিয়ে কাটছে।

শুধু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেই তিনি থেমে থাকেননি। মাতৃত্বের এই সময়ের উপলব্ধি নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। একটি ছবির সঙ্গে দেওয়া বার্তায় অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এখন তিনি নিজের শরীরের সংকেতগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনতে শিখেছেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তবে, অন্য কেউ যেন তার শরীরচর্চার ছবি দেখে একইভাবে ব্যায়াম শুরু না করেন, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক করেছেন। সামান্থা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের শরীরচর্চার অভ্যাসের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই তিনি এই সময়েও ব্যায়াম করছেন। তার প্রশিক্ষকও গর্ভবতী নারীদের শরীরচর্চায় বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত।

সামান্থার মতে, প্রতিটি নারীর গর্ভাবস্থার অভিজ্ঞতা ভিন্ন। কারো জন্য যে ধরনের ব্যায়াম নিরাপদ, অন্যের জন্য সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই, তার প্রকাশিত ছবি বা ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের মতো করে শরীরচর্চা শুরু না করার জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন। গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম করার আগে অবশ্যই চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন।

এর আগে, স্বামী রাজের সঙ্গে একান্ত সময় কাটানোর কিছু মুহূর্তও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাগ করেছেন সামান্থা। ‘বেবিমুন’-এর সেই স্মৃতিগুলো ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।

সূত্র :

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

টাইমস অব ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নারীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নারীর

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকালে তার মৃত্যু হয়।

 

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিদিনের ডেঙ্গু তথ্য থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নিহত নারীর নাম ছুইদা বানু (৬৫) এবং তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলায় বাস করতেন। বুধবার দুপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।

 

পরে বিকালে তার মৃত্যু হয়।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল সূত্রে আরও জানা যায়, চলতি বছরে হাসপাতালটিতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। আজ ২৭ আগস্ট চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১০৭ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ পি.এম


পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১৪ জন কর্মকর্তাকে বদলি ও নতুন পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে, পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত তাদের বিভিন্ন ইউনিট ও জেলায় নতুন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আদেশ জারি করা হয়। ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।

প্রথম প্রজ্ঞাপনে সাত কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামানকে বরগুনায় এবং মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ শিবলী সাদিককে গাজীপুরে বদলি করা হয়েছে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন সুমনকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া, ডিএম হাসিবুল বেনজীরকে সিলেট থেকে গাইবান্ধায়, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলামকে এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টার, খাগড়াছড়িতে এবং বান্দরবান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দেকে এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে।

সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানকে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সার্কেলে বদলি করা হয়েছে।

দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনে আরও সাত কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজা সারোয়ারকে সাতক্ষীরায় এবং পিটিসি, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাকসুদা লিমাকে পুলিশ স্টাফ কলেজ, ঢাকায় বদলি করা হয়েছে।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমানকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় এবং রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জোনাঈদ আফ্রিদকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সার্কেলে বদলি করা হয়েছে।

এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাহমিদা সুলতানা নেলিকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার ইসফাকুল কবির সরকারকে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সার্কেলে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার জনি লাল দেবকে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে সিলেট মহানগর পুলিশে (এসএমপি) পদায়ন করা হয়েছে।

দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৯ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপনে র্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার এইচএম গোলাম রব্বিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির যে আদেশ দেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্বভার হস্তান্তর না করলে ৬ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হয়রানিমূলক ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাস খালাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


হয়রানিমূলক ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাস খালাস

বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাসকে খালাস প্রদান করেছেন আদালত।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এই রায় প্রদান করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা দুর্নীতির অভিযোগে মির্জা আব্বাসসহ মোট ২১ জনকে আসামি করে পৃথক ১৫টি মামলা দায়ের করে দুদক। এর মধ্যে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে প্রত্যেক মামলায় আসামি করা হয়েছে।

অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. শহীদ আলম।

এছাড়া, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দুই মামলায়, আহমেদ আকবর সোবহানকে দুই মামলায়, মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ, আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়েছে। সকলেই এসব মামলায় খালাস পেয়েছেন।

২০০৭ সালের ২৯ মার্চ এই মামলা দায়ের করে সংস্থাটি। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর, ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলাগুলোর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিত্যক্ত বাড়ি নম্বর এনডব্লিউ (আই)-৬, রোড নম্বর-৫৩, গুলশান, ঢাকায় নিলাম দরপত্র আহ্বান করা হয়। বাড়ি নম্বর কে-৬, সড়ক নম্বর-৮৯, গুলশান, বাড়ি নম্বর সিএনজি-১৬, সড়ক-১১৩, গুলশান, বাড়ি নম্বর বি-৫, সড়ক নম্বর-১১৩, গুলশান, বাড়ি নম্বর-১২০, সড়ক-২, পুরাতন ধানমন্ডি, বাড়ি নম্বর-১৩৯, সড়ক নম্বর-২, ধানমন্ডি, বাড়ি নম্বর-৫৪০/এ (পুরাতন), সড়ক নম্বর-১২, ধানমন্ডি, বাড়ি নম্বর-৫৪০/বি (পুরাতন), সড়ক নম্বর-১২ (পুরাতন), বাড়ি নম্বর-৭২৩/এ (পুরাতন), সড়ক নম্বর-১৪ (পুরাতন), বাড়ি নম্বর-৭২৩/বি, সড়ক নম্বর-১৪ ধানমন্ডি, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ১৭ নম্বর ও ১৮ নম্বর কলেজ স্ট্রিট, বাড়ি নম্বর-৭/১, নওরতন কলোনি, শান্তিনগরসহ মোট ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি রাজউক কর্তৃক সাজানো দরপত্রে কারচুপি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের বাড়িগুলো পাইয়ে দিয়ে প্রকারান্তরে লাভবান হয়ে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকার অর্থের ক্ষতি সাধন করেছেন।

সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে দ্য বাংলাদেশ অ্যাবানডন্ড প্রপার্টি (কন্ট্রোল, ম্যানেজমেন্ট ও ডিসপোজাল) অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী উল্লিখিত ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির ব্যবস্থা না করে লাভবান ও অন্যান্য প্রভাবশালীদের লাভবান করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের দর বেশি হওয়া সত্ত্বেও তা আমলে না নিয়ে রাজউক কর্তৃক সাজানো কম মূল্যের দরপত্রের মাধ্যমে মূল্যায়ন না করে বিক্রির অনুমোদন করেন। আসামি মির্জা আব্বাসসহ অন্যান্য আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৯, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ৫(২) ধারাসহ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যন্ত্রাংশের নামে আনা হলো ৪ বিলাসবহুল গাড়ি, শনাক্ত করলো কাস্টমস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


যন্ত্রাংশের নামে আনা হলো ৪ বিলাসবহুল গাড়ি, শনাক্ত করলো কাস্টমস

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) মোংলা বন্দরে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে আনা চারটি বিলাসবহুল গাড়ির চালান শনাক্ত করেছে। এই গাড়িগুলো তিন থেকে চারটি বড় খণ্ডে কেটে আনা হয়েছে। সংস্থাটির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব খণ্ডে গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য অংশ বিদ্যমান রয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। এতে উল্লেখ করা হয়, যদিও পৃথক গাড়ির যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, পরীক্ষায় পাওয়া অংশগুলো পুনরায় সংযোজন করলে গাড়ির মূল কাঠামো ও বৈশিষ্ট্য পুনর্গঠন করা সম্ভব। ফলে চালানটি সাধারণ ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ নয়, বরং আংশিক সংযোজিত অবস্থায় মোটরযান আমদানির চেষ্টা হতে পারে।

চালানটিতে থাকা চারটি গাড়ির বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা তারও বেশি। কিন্তু পুরো চালানটি ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা করে ইনভয়েস মূল্য মাত্র ৭ হাজার ৯৩৫ মার্কিন ডলার দেখানো হয়েছে। শুল্কায়নযোগ্য মূল্য প্রায় ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৭ টাকা এবং শুল্ক-করসহ পরিশোধযোগ্য অর্থ ৬ লাখ ১০ হাজার ৩০ টাকা।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চালানটির বিল অব এন্ট্রি নম্বর সি-৬৯০৪। আমদানিকারক হলো ঢাকার গেন্ডারিয়ার ক্রাউন অটো মোবাইল সার্ভিসেস এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট খুলনার এসটি ইন্টারন্যাশনাল। পণ্যগুলো জাপানের মাহি কার পোর্ট থেকে আনা হয়েছে।

এনবিআর জানায়, চালানটিতে ১৪ ধরনের পণ্যের মোট ১৬৪টি প্যাকেজ ছিল। ঘোষিত পণ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল ব্যবহৃত দরজা, ২০০০ সিসি পেট্রোল ইঞ্জিনসহ গিয়ার অ্যাসেম্বল, সাসপেনশন শক অ্যাবসরবার, নোজ কাট, হেড লাইট, টেইল লাইট, ফেন্ডার, কেবিন, স্টিরিং হুইল, বাম্পার ইত্যাদি।

এনবিআর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয় এবং মোংলা সার্কেল চালানটির খালাস কার্যক্রম স্থগিত করে। এরপর গত ১৯ জুলাই চালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষার সময় বিআরটিএ ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) বিশেষজ্ঞদের কারিগরি সহায়তা নেওয়া হয়। গাড়ির বিভিন্ন অংশে থাকা স্টিকার, লেবেল, চিহ্ন ও নম্বর বিশ্লেষণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সহায়তায় গাড়িগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

পরীক্ষায় ঘোষিত আলাদা গাড়ির যন্ত্রাংশের বিপরীতে বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ ব্যবস্থা, সংবেদক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ সংযুক্ত অবস্থায় সামনের কাটা অংশ, সম্পূর্ণ পেছনের কাটা অংশ, সামনের ও পেছনের অংশ কাটা ও ছাদ কাটা প্যানেল এসেম্বল পাওয়া যায়। কাস্টমস গোয়েন্দার অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে যে, সাধারণ খুচরা যন্ত্রাংশের মতো সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন না করে গাড়িগুলোকে কয়েকটি বড় অংশে কেটে আমদানি করা হয়েছে।

শনাক্ত চারটি গাড়ির মধ্যে রয়েছে—২০১৭ মডেলের রেঞ্জ রোভার ভোগ, ২০১০ মডেলের বিএমডাব্লিউ ৬৫০ আই, ২০১৬ মডেলের লেক্সাস এলএক্স৫৭০ এবং টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট। রেঞ্জ রোভারের বাংলাদেশি বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, বিএমডাব্লিউর ৬০ থেকে ৯০ লাখ টাকা, লেক্সাসের ২ কোটি থেকে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার বেশি এবং টয়োটা ক্রাউনের ৩০ থেকে ৪৫ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দার হিসাবে, চারটি গাড়ির সম্ভাব্য বাজারমূল্য ৪ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। তবে এগুলো আনুমানিক বাজারমূল্য; চূড়ান্ত মূল্যায়ন ও শুল্ক-কর নির্ধারণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের শুল্কায়নের মাধ্যমে হবে।

এনবিআর জানায়, চালানটির ইনভয়েস মূল্য ৭ হাজার ৯৩৫ মার্কিন ডলার। ঘোষণায় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ১২২.৭৪৩৩ টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় ১৯ হাজার ৫৭৭ টাকা ধরে শুল্কায়নযোগ্য মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৭ টাকা। এর ওপর শুল্ক-কর দেখানো হয় ৬ লাখ ৭ হাজার ৩৯৬ টাকা এবং অন্যান্য অর্থসহ মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ ৬ লাখ ১০ হাজার ৩০ টাকা।

তবে গাড়িগুলোকে পৃথক ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ হিসেবে না দেখিয়ে জিআরআই আইন অনুযায়ী আংশিক সংযোজিত অবস্থায় সম্পূর্ণ মোটরযান হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস করা হলে কত শুল্ক-কর প্রযোজ্য হতো, তা এখন নির্ধারণ করা হচ্ছে। গাড়ির প্রকৃত মূল্য, ইঞ্জিনের ক্ষমতা, বয়স, অবচয় এবং প্রযোজ্য শুল্ক-করসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে রাজস্ব ফাঁকির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।

আইন অনুযায়ী কোনো পণ্য অসম্পূর্ণ, অসমাপ্ত বা খণ্ডিত অবস্থায় থাকলেও তাতে যদি সম্পূর্ণ পণ্যের ‘এসেনশিয়াল ক্যারেক্টার’ বিদ্যমান থাকে, তাহলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সেটিকে সম্পূর্ণ পণ্য হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস করা যায়। পরীক্ষায় পাওয়া অংশগুলোর ধরন ও বিন্যাস বিবেচনায় এসব গাড়ির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ মোটরযানের এসেনশিয়াল ক্যারেক্টার বিদ্যমান বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%