ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেরপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী ও মাদকবিরোধী ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত


শেরপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী ও মাদকবিরোধী ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শেরপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণী এবং মৎস্যজীবীদের অংশগ্রহণে মাদকবিরোধী ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচিটি মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জেলা প্রশাসন এবং জেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।

এ সময় তিনি বলেন, “সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে ক্রীড়া চর্চার বিকল্প নেই। মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার প্রসার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। জাতীয় মৎস্য পক্ষের মূল চেতনা ধারণ করে মৎস্যজীবী সমাজের কল্যাণের পাশাপাশি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও সুন্দর শেরপুর গড়ার প্রত্যয়ে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব জিন্নত আলীসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল সিটি করপোরেশনের সিইও রেজাউল বারীকে রাজউকের পরিচালক পদে বদলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০২ পি.এম


বরিশাল সিটি করপোরেশনের সিইও রেজাউল বারীকে রাজউকের পরিচালক পদে বদলি

বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রেজাউল বারীকে বদলি করা হয়েছে সরকার দ্বারা। তাঁকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

২০২৪ সালের ৩ মার্চ বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. রেজাউল বারী। দায়িত্বকালীন সময়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম, নিয়োগ-পদায়ন, ভবনের নকশা বা প্ল্যান অনুমোদন এবং কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্পকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধ বিজেপ্র বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এসব বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণ।

বিসিসির একাধিক সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে সিইও রেজাউল বারীর প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। তাঁর দায়িত্বকালে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন, ভবনের প্ল্যান অনুমোদন এবং কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা জানান, রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদন, নিয়োগ ও পদায়নের বিভিন্ন কার্যক্রমে করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী সিইওকে সহযোগিতা করতেন। এসব কার্যক্রমকে ঘিরে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী সক্রিয় ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।

গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী আ. রশিদ নিলু বলেন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে কুয়াকাটায় রিসোর্ট নির্মাণের জন্য জমি কেনার উদ্যোগের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে রিট করেছিলেন। পরে আদালত জমি ক্রয়ের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দেন।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের জনগণের অর্থ ব্যয় করে বিলাসবহুল রিসোর্ট নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়। এ প্রকল্পসহ ভবনের প্ল্যান অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এদিকে বদলির বিষয়ে মো. রেজাউল বারী জানালেন, তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বদলির আদেশ পেয়েছেন। প্রশাসক তাঁকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পরে তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন। তবে কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প এবং ভবনের পরিকল্পনা অনুমোদন নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলির বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বলেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বদলি হয়েছেন—এমন একটি খবর তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে রেজাউল বারীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রেজাউল বারীর বদলির পর কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদন, নিয়োগ-পদায়নসহ তাঁর দায়িত্বকালীন বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা ও নিয়মনীতি অনুসরণের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীবরদীতে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনসামগ্রী জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৩ পি.এম


শ্রীবরদীতে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনসামগ্রী জব্দ

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) -এর অভিযানকালে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস (প্রসাধন সামগ্রী) আটক করা হয়েছে। জব্দকৃত এসব প্রসাধন সামগ্রীর বাজার মূল্য আনুমানিক ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার কাছাকাছি বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।

মঙ্গলবার সকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শ্রীবরদী উপজেলার চান্দাপাড়া সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে বিজিবির একটি টহল দল। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে শ্রীবরদী উপজেলার চান্দাপাড়া সীমান্তে চোরাকারবারিরা ভারত থেকে অবৈধভাবে প্রসাধন সামগ্রী বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র একটি বিশেষ টহল দল তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করলে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধন সামগ্রী জব্দ করে বিজিবি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি’র ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ যেকোনো ধরনের চোরাচালানি মালামাল পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। ভবিষ্যতেও এই কঠোর নজরদারি ও দায়িত্ব পালন অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারগঞ্জে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৪ পি.এম


মাদারগঞ্জে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ

মাদারগঞ্জ উপজেলার ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ে তারা ব্যাপারী নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ইউরিয়া ও বিএডিসি সার অস্বাভাবিক দামে বিক্রির অভিযোগ করেছেন এলাকার কৃষকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারা ব্যাপারী একজন সরকার অনুমোদিত বিএডিসি অথবা বিসিআইসি ডিলার নয়, তবুও তিনি নারায়ণগঞ্জ বা ঘোড়াশাল থেকে ট্রাকে ইউরিয়া সারসহ অন্যান্য পণ্য নিয়ে আসছেন। স্থানীয় কৃষকদের কাছে তিনি এ সারগুলো বেশি দামে বিক্রি করে যাচ্ছেন, যেন দেখার কেউ নেই।

১৭ আগস্ট সরে জমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, তারা ব্যবসায়ী তার দোকানে ইউরিয়া (গুড়াশাল) সার প্রতি বস্তা ১৩শ ৫০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন। বিএডিসি (ডিএপি) সার ১ হাজার ৫০ টাকার স্থলে ১৪’শ ৫০ টাকায় এবং টিএসপি ১৩৫০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ কৃষকদের উপর আর্থিক চাপ ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

অন্যদিকে, তারা ব্যাপারীর কাছ থেকে অন্যান্য খুচরা ব্যবসায়ীরা বেশি দামে ইউরিয়া সার ক্রয় করে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। যখন কৃষকরা তারা ব্যাপারীর দোকান থেকে রশিদ চাইছেন, তখন তাকে বলেন যে তাদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে না।

এভাবে ফুলজুর চৌরাস্তা মোড়ের খুচরা ব্যবসায়ী তারা ব্যাপারী অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করে যাচ্ছেন। ভুক্তভোগী কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় প্রশাসনের সঠিক তদারকি না করার ফলে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা কৃষকদের উপর এইভাবে চাপ প্রয়োগ করে চলেছেন। ফুলজুর গ্রামের কৃষক রাজু মিয়া এবং সজিব মিয়া জানান যে, তারা সার কিনতে হচ্ছে এবং তাদের প্রত্যেককে সংবিধান অনুযায়ী দাম দিতে হচ্ছে, একজন কৃষক মাত্র বস্তায় ১৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে।

এ ছাড়া দোকান থেকে কোনো ক্যাশ মেমো দেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সারের কোনো সংকট নেই। কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, মাদারগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে বিসিআইসির সার ডিলার মোট ৮ জন এবং বিএডিসি ডিলার রয়েছেন ৬ জন। সরকারি অনুমোদিত সার ডিলার মোট ২৬ জন থাকা সত্ত্বেও, কিভাবে একজন অবৈধ ব্যবসায়ী সার নিয়ে আসছেন এ নিয়ে এলাকার ডিলারদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।

কৃষি অফিস জানায়, সরকারি ভর্তুকি মূল্যে কৃষকদের কাছে ইউরিয়া সার প্রতি কেজি ২৭ টাকা, ৫০ কেজির প্রতি বস্তা ১৩শ ৫০ টাকা, বিএডিসি এমওপি ২১ টাকা কেজি দরে প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা এবং টিএসপি ১৩শ ৫০ টাকা খুচরা মূল্যে বিক্রি করার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে।

তবে, সরকারি ভর্তুকি মূল্যে এ নিয়মের তোয়াক্কা না করে তারা ব্যাপারী সরকারি নিয়ম অগ্রাহ্য করে সময়ের পর সময় অপকর্ম করে যাচ্ছেন, যেন দেখার কেউ নেই। তারা ব্যাপারী যে কোনো সরকারি অনুমোদিত সার ডিলার না হয়েও কীভাবে ট্রাকে ট্রাকে সার নিয়ে আসছেন, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সদোত্তর দিতে পারেননি।

মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, সারের কোনো সংকট নেই। যদি কেউ বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকের অভিযোগ পায়, তবে ডিলার বা খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

কৃষক হয়রানি বন্ধের উপায়- বৈধ সার ব্যবসায়ীর সূত্রে জানা গেছে, যেসব অঞ্চলে বর্ষার-শরৎ মৌসুমে ৬ মাস পানিতে নিমজ্জিত থাকে, সেখানে রোপা-আমন, ভোটত্মা, তরিতরকারির চাষাবাদ তেমন হয় না। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের কৃষকদের বর্ষা-শরৎ কালে সারের চাহিদা থাকে না, অথচ ঐসব এলাকার ডিলাররা প্রয়োজনের তুলনায় অধিক সার বরাদ্দ পায়। ফলে তারা তাদের বরাদ্দকৃত সার উত্তোলন করে ট্রাকে-ট্রাকে বিক্রি করে। ইন contrast, জামালপুর জেলায় রোপা-আমন, ভোটত্মা, আঁখ, টাল তরকারি শাকসবজি প্রচুর পরিমাণ চাষাবাদ হয়, তাই বর্ষা ও শরৎ কালে কৃষকদের সার প্রয়োজন অত্যধিক থাকে। সে তুলনায় সার বরাদ্দ অপ্রতুল।

এক্ষেত্রে অবৈধ পথে সার আমদানির ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সারের চাহিদা পূরণের জন্য যেন শুনে দেখেও না দেখার ভান করে নিরবতা পালন করে আছে। এই সুযোগে অসাধু মুনাফালোভী, অবৈধ কালোবাজারী সার পাচারকারি ব্যবসায়ীরা ভিন্নপন্থায় সারের আমদানি করে উচ্চমূল্যে সার বিক্রি করছেন।

শস্য উৎপাদনকারি কৃষকদের বাঁচাতে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রতি কৃষকদের দাবি, যেসব অঞ্চলে বর্ষার-শরৎ মৌসুমে ৬ মাস পানিতে নিমজ্জিত থাকে, রোপা-আমন, ভোটত্মা, তরিতরকারির চাষাবাদ তেমন হয় না, সেসব হাওর অঞ্চলে মনিটরিং করে সার চাহিদামতো বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হলে কৃষকরা সঠিক সময়ে ন্যায্য মূল্যে সার পাবেন, ঠিক তেমনি অধিক মুনাফালোভী, কালোবাজারী ও সার পাচারকারিদের প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি ড্যাবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৫ পি.এম


চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি ড্যাবের

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া, চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি করেছেন সংগঠনটির নেতারা। তারা হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ, সিসিটিভি স্থাপন, জরুরি বিভাগে পুলিশি টহল এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় পৃথক আইন প্রণয়নের আবেদন জানিয়েছেন।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। খবরটি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল উল্লেখ করেন, গত ১৭ আগস্ট রাজধানীর শান্তিনগরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে একদল বহিরাগত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে।

এর আগের দিন ১৫ আগস্ট মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. মোশাররফ হোসেন ও এক ওয়ার্ডবয়কে মারধরি করা হয়।

সংগঠনটি জানায়, চলতি বছর কুমিল্লা, রংপুর, শরীয়তপুর, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ড্যাবের দাবি হলো, জেলা-উপজেলা হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ব্যক্তিগত চেম্বারগুলোতেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা হামলা ও হুমকির শিকার হচ্ছেন নিয়মিত। অনেক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না।

ড্যাব নেতারা বলেন, রোগীর মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তবে যদি কেউ চিকিৎসার বিষয়ে অভিযোগ করেন, তাহলে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে চিকিৎসকের ওপর হামলা চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগের তদন্তের জন্য কার্যকর আইনি কাঠামো থাকা প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

এছাড়া, ড্যাবের পক্ষ থেকে হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করা, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার জন্য পৃথক আইন তৈরি করার দাবিটি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবুল কেনান ও ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীন, ইএনটি হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হাসান জাফর প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%