আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
০১:১১ পি.এম
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে সরকারি হাজী আবদুল বাতেন কলেজে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ এস. এম. আবুল হাশেম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোহাম্মদ সাহেদুর রহমান। এ সময় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউটের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন নূরুল আফছার, মো. মনির, মোহাম্মদ সাহেদুর রহমান, রাসেল শিকদারসহ কলেজের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, আদর্শ, চরিত্র ও মানবতার প্রতি তাঁর শিক্ষা সম্পর্কে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর দেখানো পথ অনুসরণ, তাঁর সুন্নাহ ও আদর্শ অনুযায়ী জীবন পরিচালনার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আলোচনা শেষে মহানবী (সা.)-এর উম্মতের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত সবাই অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৮ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। এ সময় কথিত ইয়াবা, গাঁজা ও কোডিন ফসফেটযুক্ত নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিএমপি মিডিয়া সেলের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিএমপি জানায়, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) গত ২৪ ঘণ্টায় মহানগর পুলিশের চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখার পৃথক বিশেষ আভিযানিক দল নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ৯ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২১ পুরিয়া গাঁজাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ৫৬ বোতল WINCEREX (Codeine Phosphate) নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্যসহ আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তারদের মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত তিনজন, নিয়মিত ও পূর্বের মামলাসহ নয়জন, অন্যান্য আইনে একজন এবং বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশ আইনে একজন রয়েছেন।
সব মিলিয়ে অভিযানে ১৮ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে বুধবার (২৬ আগস্ট) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদ্রাসায় পৃথকভাবে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিনটি পালন উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ইসলামী প্রতিযোগিতা, হামদ-নাত পরিবেশন, বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থী ও মাদ্রাসার ছাত্ররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসব প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ধরায়ে আগমন ও তাঁর জীবনের প্রতিটি আদর্শ মানবজাতির জন্য চিরন্তন দিকনির্দেশনা। শান্তি, সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় নবীজীর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ দোয়ায় দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি এবং শান্তি কামনা করা হয়। পরবর্তীতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও উপস্থিত সকলের মাঝে তাবারক বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘নামাজ ছাড়বেন না এবং অন্যের হক নষ্ট করবেন না’—পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমন আহ্বান জানিয়েছেন আশেকানে গাউছিয়া রহমানিয়া মইনিয়া সহিদীয়া মাইজভান্ডারীয়ার প্রধান পৃষ্ঠপোষক শাহজাদা সৈয়দ সহিদ উদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারী।
তিনি উল্লেখ করেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (দ.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে সত্য, ন্যায়, মানবিকতা ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
মানুষের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি নামাজের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে এবং কোনোভাবেই অন্যের হক নষ্ট করা যাবে না।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শাহজাদা সৈয়দ সহিদ উদ্দিন আহমদ বলেন, মহানবী (দ.)-এর শিক্ষা শুধু ধর্মীয় জীবনের জন্য নয়, বরং মানুষের সামগ্রিক জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রেও অনুসরণীয়। তার আদর্শ ধারণ করতে পারলে সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ দূর হবে।
তিনি আরও বলেন, মহানবী (দ.)-এর পৃথিবীতে আগমন সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত। তিনি সত্য, ন্যায়, ক্ষমা, সহনশীলতা ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার শিক্ষা দিয়েছেন। তার জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
দরুদ পাঠের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, হাশরের মাঠে কোনো আমলনামা কবুল না হলেও দরুদ কবুল হবে।
এ সময় তিনি সবাইকে বেশি বেশি দরুদ পাঠের আহ্বান জানান।
ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মিলাদ আগে, সিরাত পরে।’ শবে বরাতসহ ইসলামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে যারা বিরোধিতা করেন, তাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘তারা ইয়াজিদের ইসলামের পক্ষে, আর আমরা হোসাইনি ও মদিনার ইসলামের পক্ষে।’
তিনি আরো বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) শুধু আনন্দ-উৎসবের বিষয় নয়; মহানবী (দ.)-এর জীবন, কর্ম ও আদর্শ নিজেদের জীবনে ধারণ করারও দিন। তার সুন্নাহ ও মানবিক মূল্যবোধ অনুসরণের মধ্য দিয়েই এ দিনের প্রকৃত শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মুফতি আব্দুল মতিন চাঁদপুরী, মুফতি নজরুল ইসলাম রেজভী ও মাওলানা নজরুল ইসলাম মুন্সীগঞ্জীসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম বক্তব্য দেন। এতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, আশেকান ও ভক্তরা অংশ নেন।
আলোচনা সভা শেষে শাহজাদা সৈয়দ সহিদ উদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারীর নেতৃত্বে জশনে জুলুশ বের করা হয়। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন থেকে শুরু হওয়া জুলুশটি মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও হাইকোর্ট এলাকা প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে ফিরে আসে। পরে জোহরের নামাজ শেষে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কার সোনাল দিনুশা ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে রয়েছেন। গলে দুই ইনিংসে বড় রান করার পর কলম্বো টেস্টেও তিনি সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। কিংবদন্তি জহির আব্বাস ও এভারটন উইকসের পাশে নাম লেখাতে তিনি টানা তিন ইনিংসে ৮০ বা তার বেশি রান করেছেন।
কলম্বোতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে ২৫ বছর বয়সী দিনুশা একপ্রান্ত আগলে রাখেন। ৮টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৬২ বলে তিনি ১০৩ রান করেন।
এর আগে গলে সিরিজের প্রথম টেস্টে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৪ রান করেছিলেন দিনুশা। ভারতের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম তিন ইনিংসে ৮০ বা তার বেশি রান করার কীর্তি গড়েছেন তিনি।
এই কীর্তিতে দিনুশার আগে ছিলেন মাত্র দুজন। ১৯৪৮ সালে ভারতের বিপক্ষে নিজের প্রথম পাঁচ ইনিংসে ৮০-এর বেশি রান করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি এভারটন উইকস। তাঁর পাঁচ ইনিংসে রান ছিল যথাক্রমে ১২৮, ১৯৪, ১৬২, ১০১ ও ৯০। পরবর্তী ইনিংসে তিনি ৫৬ রান করেছিলেন।
এর প্রায় তিন দশক পর ১৯৭৮ সালে ভারতের বিপক্ষে নিজের প্রথম তিন ইনিংসেই ৮০-এর বেশি রান করেছিলেন পাকিস্তানের জহির আব্বাস। তাঁর ইনিংসগুলো ছিল ১৭৬, ৯৬ এবং অপরাজিত ২৩৫ রানের।
প্রায় ৪৮ বছর পর সেই তালিকায় যুক্ত হলেন দিনুশা। তবে তাঁর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিও শ্রীলঙ্কাকে কলম্বো টেস্টে ফলো-অন এড়াতে সাহায্য করতে পারেনি।
ভারতের প্রথম ইনিংসে করা ৫০৩ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা অলআউট হয় ২৯০ রানে। ফলে ফলো-অনে পড়ে চতুর্থ দিনের মধ্যাহ্নবিরতি পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৮৩ রান।
শ্রীলঙ্কার ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে প্রয়োজন আরও ১৩০ রান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ