বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৪ পি.এম
সাকিব আল হাসান দেশের ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সেরা এবং সফল ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার অভিষেকের পর থেকে একের পর এক রেকর্ড গড়ে তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
রাজনীতিতে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রতীকে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য হওয়ার আগে সাকিব ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি নায়ক থেকে খলনায়কে পরিণত হন, যা বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের জন্য একটি নতুন অধ্যায়।
দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নের স্বার্থে সাকিব আল হাসানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের পর এইচপি দলে মেন্টর হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তামিম ইকবাল। সাকিবকেও কোচ বা মেন্টর হিসেবে কাজে লাগানো সম্ভব কি না, এ বিষয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল।
মিরপুর শেরেবাংলায় সিরিজের ধারাভাষ্য দিতে এসে সাকিব সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে বিশপ সরাসরি মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘সাকিব কেন এখানে নেই, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানার মতো অবস্থানে আমি নেই। সংবাদমাধ্যমে যা পড়েছি, তার বাইরে বিষয়টির জটিলতা সম্পর্কে আমার জানা নেই। তাই এ নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’
তবে তিনি নিজ দেশের সাবেক ক্রিকেটারদের উদাহরণ টেনে তাদের কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বিশপ বলেন, ‘ক্যারিবীয় অঞ্চলে ব্রায়ান লারা, কার্টলি অ্যামব্রোস, মাইকেল হোল্ডিং, জোয়েল গার্নার ও গর্ডন গ্রিনিজের মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটার রয়েছেন। ক্যারিবীয় ক্রিকেট যদি কাইরন পোলার্ড, ডোয়াইন ব্রাভো কিংবা ড্যারেন স্যামির মতো ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে, তাহলে আমাদের ক্রিকেট আরও সমৃদ্ধ হবে। তারা জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, আবার স্কুলপর্যায়ের শিশুদেরও শেখাতে পারেন। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেটব্যবস্থাও শক্তিশালী হবে।’
বিশপ আরও উল্লেখ করেন, ‘বছরের পর বছর ধরে যারা অভিজ্ঞতা ও সাফল্য অর্জন করেছেন, তাদের জ্ঞান যেন হারিয়ে না যায়। বাংলাদেশেও এই ধারাটা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। ক্যারিবীয় অঞ্চলেও আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে নতুনভাবে জুতা খুলে প্রবেশের নিয়ম চালু করা হয়েছে। এই নিয়মটি প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কার্যকর রয়েছে এবং এটি নিয়ে সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
কার্যালয়ের ইউনিয়ন সমাজকর্মী রঞ্জিত বিশ্বাস জানান, "শৃঙ্খলা বজায় রাখার অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানেন। সবার ভালোর জন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রুবেল মন্ডল বলেন, "জুতা রাখার জন্য বক্সের ব্যবস্থা করা হবে। অফিসে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই নতুন এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তবে জুতা খুলে প্রবেশ বাধ্যতামূলক, বিষয়টি এমন নয়।"
নতুন নিয়মটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সেবা নিতে আসা কয়েকজন। সেবাগ্রহীতা নাজমা বেগম জানান, "এ ধরনের নিয়ম তিনি কোথাও দেখেননি। পায়ে সমস্যা থাকা সত্ত্বেও তাকে জুতা খুলে অফিসে প্রবেশ করতে হয়েছে।"
উপজেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা ইকরাম মন্তব্য করেন, "সরকারি অফিসে জুতা খুলে প্রবেশের বিষয়টি আজগুবি। এ ক্ষেত্রে কার্যকর ও যুক্তিসংগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।"
হবিগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন এ বিষয়ে বলেন, "বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০০ গ্রাম শুকনো গাঁজাসহ মোঃ বাদল মন্ডল (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় শামীম (৩৮) নামে অপর এক ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর হরিনাথপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ক্রোড়গাছা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় একটি টিনশেড বসতবাড়ির ঘরের ভেতরে মাদকদ্রব্য গাঁজা কেনাবেচার অভিযোগে বাদল মন্ডলকে ৫০০ গ্রাম শুকনো গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় শামীম নামে অপর ব্যক্তি পালিয়ে যান। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে গাঁজা জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার বাদল মন্ডল ক্রোড়গাছা এলাকার মৃত তৈয়ব আলী মন্ডলের ছেলে। অপরদিকে পলাতক শামীম একই এলাকার দুদু হাজীর ছেলে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ও পলাতক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মামলা করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৪৭। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১৯(ক) ও ৪১ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন সমীকরণে পাকিস্তানের সামরিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইসলামাবাদ কতদূর পর্যন্ত রিয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগোবে, বিশেষ করে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করবে কি না—এ নিয়ে আলোচনা চলছে।
‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’-এ প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, সৌদি আরবের প্রতি নিরাপত্তার অঙ্গীকার থাকলেও পাকিস্তান এখনো সরাসরি স্থলযুদ্ধে জড়ানোর পরিবর্তে সহায়ক ভূমিকায় থাকার চেষ্টা করছে।
ঐতিহাসিকভাবে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান। ১৯৬০-এর দশক থেকেই পাকিস্তানি কর্মকর্তারা সৌদি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সামরিক পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
১৯৮২ সালে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়ও পাকিস্তান সৌদি আরবের নিরাপত্তায় সেনা মোতায়েন করেছিল।
তবে সামরিক সহযোগিতা থাকা সত্ত্বেও ইসলামাবাদ সব সংঘাতে সৌদি আরবের পাশে সরাসরি যুদ্ধ করার নীতি অনুসরণ করেনি। ২০১৫ সালে ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের অভিযানে যোগ দেওয়ার প্রশ্নে পাকিস্তানের পার্লামেন্ট নিরপেক্ষ থাকার পক্ষে অবস্থান নেয়। পরে সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন করা হলেও সেগুলোর ভূমিকা মূলত প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রতিরক্ষায় সীমাবদ্ধ ছিল।
নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি, বাড়ছে প্রত্যাশা
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি (এসএমডিএ) স্বাক্ষরের পর দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা নতুন গুরুত্ব পায়। এরপর ২০২৬ সালের আগস্টে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা চুক্তি আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে।
দ্য ডিপ্লোম্যাটের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সৌদি আরবের ওপর হুথিদের হামলা বাড়তে থাকায় গত ৫ অক্টোবর পাকিস্তান ও তুরস্ক সৌদি আরবের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতায় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়। তবে পাকিস্তান সরাসরি শত্রুপক্ষের ভূখণ্ডে অভিযান চালানোর পরিবর্তে সৌদি বাহিনীকে সহায়তা দেওয়ার অবস্থানে রয়েছে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফও বলেছেন, পাকিস্তান ও তুরস্ক সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। গোয়েন্দা নজরদারিসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে পাকিস্তানের সম্পৃক্ততা থাকলেও সরাসরি লড়াই মূলত সৌদি বাহিনীই পরিচালনা করছে।
সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে বাধা কোথায়?
সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষায় পাকিস্তানের অঙ্গীকার থাকলেও সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর ক্ষেত্রে দেশটির সামনে কয়েকটি জটিলতা রয়েছে। প্রথমত, পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্তে ইরানের সঙ্গে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে।
হুথিদের সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠতার কারণে সৌদি নেতৃত্বাধীন কোনো সামরিক অভিযানে পাকিস্তানের সরাসরি অংশগ্রহণ তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও জটিল করতে পারে।
দ্বিতীয়ত, পাকিস্তানের জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিয়া মুসলিম। ফলে ইরানবিরোধী কোনো সামরিক অবস্থান দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি আফগানিস্তান ও ভারতের সঙ্গে সীমান্তসংক্রান্ত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়া ইসলামাবাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে, সৌদি আরবের আর্থিক সহায়তা ও বিনিয়োগ পাকিস্তানের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফলে রিয়াদের নিরাপত্তা চাহিদা উপেক্ষা করাও ইসলামাবাদের জন্য সহজ নয়।
তবে সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও ভবিষ্যতে ভারতের সঙ্গে কোনো সংঘাতে রিয়াদ একই মাত্রায় সামরিক বা কূটনৈতিক সমর্থন দেবে—এমন নিশ্চয়তা নেই বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষায় পাকিস্তানের ভূমিকা বাড়লেও সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে অংশগ্রহণের প্রশ্নটি এখনো জটিল। একদিকে প্রতিরক্ষা চুক্তির বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে নিজস্ব নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও আঞ্চলিক ভারসাম্য—এই তিনের মধ্যে সমন্বয় করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসলামাবাদকে।
ফলে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের যুদ্ধে কতটা সরাসরি জড়াবে, তা নির্ভর করবে সংঘাতের গতিপ্রকৃতি এবং দুই দেশের নিরাপত্তা অঙ্গীকার কীভাবে বাস্তবায়িত হয় তার ওপর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার কলমাকান্দায় দুটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাউদা মনি (৭) নামে এক পথচারী শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের ওমরগাঁও নামাপাড়া মাদ্রাসা-সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাউদা মনি ওই গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের সড়ক দিয়ে হাঁটছিল শিশু সাউদা মনি। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে সড়কের পাশে থাকা শিশুটির ওপর পড়ে। ইজিবাইকের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় সে।
পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ইজিবাইকটি সরিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। গুরুতর অবস্থায় তাকে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ