ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সরিয়ে দেওয়া হলো ডিএমপির স্টাফ অফিসার মাসুদ রানাকে


সরিয়ে দেওয়া হলো ডিএমপির স্টাফ অফিসার মাসুদ রানাকে

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারের স্টাফ অফিসার মাসুদ রানাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন), মাসুদ রানাকে ডিএমপির সিটি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগে (আরঅ্যান্ডডি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হিসেবে বদলি করা হয়।

গতকাল ডিএমপির উপকমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন-অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ সারোয়ার আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এই তথ্য জানা যায়।

আরও পড়ুন: আজ ৬ ঘণ্টা টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

পরে আজ শুক্রবার, ডিএমপির কমিশনারের বিশেষ সহকারী এডিসি ফয়েজ ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপেক্ষার অবসান, আবারও ঢাকায় গাইবেন আতিফ আসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


অপেক্ষার অবসান, আবারও ঢাকায় গাইবেন আতিফ আসলাম

বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। নানা জটিলতা কাটিয়ে আবারও ঢাকায় কনসার্ট করতে আসছেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম।

আগামী ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘মেইন স্টেজ শো ফিচারিং আতিফ আসলাম’ অনুষ্ঠানটি। মূলত ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর কনসার্টের আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। টিকিট বিক্রিও শেষ হয়েছিল। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর উদ্ভূত নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে অনুষ্ঠানটি শুরুর মাত্র দুই দিন আগে স্থগিত করা হয়।

তখন আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ ইনকর্পোরেশন আশ্বাস দিয়েছিল যে, সুযোগ হলে একই আয়োজন নতুন করে করা হবে। এবার সেই প্রতিশ্রুতিই তারা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। কনসার্ট স্থগিত হওয়ার পর আতিফ আসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশি ভক্তদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি আবারও ঢাকায় ফিরবেন এবং আগের টিকিট পুনর্নির্ধারিত কনসার্টেও বৈধ থাকবে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, কনসার্ট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সাংস্কৃতিক অনুমোদন, নিরাপত্তা ছাড়পত্রসহ সব প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানের ভেন্যু শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

আগের টিকিটধারীদের জন্য যা জানা জরুরি, ২০২৫ সালের কনসার্টের টিকিট কিনে যারা রিফান্ড নেননি, তাদের নতুন করে টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না। নির্ধারিত Re-Apply প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাদের নামে নতুন টিকিট ইস্যু করা হবে এবং কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই তা পৌঁছে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, যারা রিফান্ডের আবেদন করেছিলেন, তারা সেই আবেদন প্রত্যাহার করে টিকিট পুনর্বহালের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তাদের জন্যও নতুন টিকিট ইস্যু করা হবে এবং বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

নতুন দর্শকদের জন্য সীমিত সংখ্যক টিকিট বিক্রি করা হবে গেট মাই টিকিট ডট লাইভ প্ল্যাটফর্মে। টিকিটের মূল্য, ক্যাটাগরি এবং বিক্রির সময়সূচি শিগগিরই জানানো হবে। মেইন স্টেজ ইনকরপোরেশনের পরিচালক কাজী রাফসান জানান, গত বছরের অসমাপ্ত আয়োজনকে পূর্ণতা দিতেই আবার এই কনসার্টের উদ্যোগ। এটি শুধুমাত্র একটি কনসার্ট নয়, দর্শকদের কাছে দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতি পূরণের আয়োজন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, কনসার্টের ভেন্যু, টিকিট বিক্রির বিস্তারিত সময়সূচি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মরহুম চাচাকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের আবেগঘন পোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


মরহুম চাচাকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের আবেগঘন পোস্ট

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন তার একমাত্র চাচা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) তার ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, 'আমার একমাত্র আপন চাচা, মরহুম আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি, তিনি যেন তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন।'

তিনি জানান, ছোটবেলায় এ চাচাই সব আবদার পূরণের একমাত্র মানুষ ছিলেন। চাচা ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, 'বাবা রাজনৈতিক জীবনে সার্বক্ষণিক ব্যস্ত ছিলেন। কখন তাঁর দেখা পাব, তাঁর কোনো নির্দিষ্ট সময় ছিল না। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী ছিলেন। অধিকাংশ সময় এলাকা, জনগণ ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন শেষে গভীর রাতে বাসায় ফিরতেন। আবার ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বিরোধী দলে থাকার সময় তিনি শহরের আহ্বায়ক বা সভাপতি হিসেবে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফলে বাসায় থাকার সুযোগই খুব কম পেতেন।'

তিনি চাচার কোলে-পিঠে বেড়ে ওঠার কথা উল্লেখ করে জানান, 'খেলতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিন হারিয়ে যাওয়া ক্রিকেটের টেনিস বল এনে দেয়া, আইসক্রিম, কোক কিংবা ফান্টা কিনে দেয়া, দোকান থেকে ভিডিও ক্যাসেট এনে কার্টুন দেখানো—ছোট ছোট আবদার থেকে বড় সব আবদারই তিনি পূরণ করতেন। বাবার অনুপস্থিতি কোনো দিনই অনুভব করতে দেননি। বরং মাঝেমধ্যে নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্কুল থেকে নিয়ে আসতেন, ফেরার পথে যা খেতে চাইতাম তাই কিনে দিতেন। আরও কত শত স্মৃতি!'

তিনি যোগ করেন, 'আমি সব সময় বলি, আমার শৈশবের স্মৃতিতে বাবার চেয়ে একটি বড় অংশ জুড়ে আছেন উজ্জ্বল কাক্কা—যা আজও ভুলতে পারি না।'

ইশরাক হোসেন লিখেছেন, '২০১৯ সালে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে উজ্জ্বল কাক্কাকে, যিনি দুই কিডনি বিকল হয়ে ট্রান্সপ্লান্ট করা একজন গুরুতর অসুস্থ রোগী ছিলেন, শুধু সাদেক হোসেন খোকার ভাই হওয়ার কারণে বিনা কারণে কয়েক মাস কারাগারে বিনা চিকিৎসায় বন্দি করে রাখা হয়। ডায়াবেটিসের কারণে তার দুই চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারিয়ে গিয়েছিল। তারপরও সব মেডিকেল রিপোর্ট ও চিকিৎসকদের মতামত উপেক্ষা করে তাকে কারাগারে পাঠিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার করা হয়।'

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, 'ওই বিচারককে কোনো দিন সামনে পেলে দুই হাত কথা বলবে। আইনমন্ত্রীসহ কত আওয়ামী নেতার বাসায় ডাক্তারের ফাইল নিয়ে ধরনা দিয়েছি। যা চেয়েছে, অর্থ দিয়েছি। কিন্তু তাদের মানবিকতা একবারও জাগ্রত হয়নি।'

তিনি বলেন, 'আমরা ঢাকার সন্তান, ঢাকার পোলা। অন্যায়, অবিচার আর সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বাপ-চাচাদের লড়াই দেখেই বড় হয়েছি। কাক্কার একটি দৃশ্য আজও জ্বলন্ত স্মৃতি হয়ে আছে। দুই পাড়ার স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষ বা বিরোধ হলে সাদা প্যান্ট, সাদা শার্ট, সাদা জুতা পরে হাতে হকি স্টিক নিয়ে দিনের আলোতেই রাস্তায় বেরিয়ে যেতেন। কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয় দেখতেন না; সব সময় মজলুমের পক্ষেই দাঁড়াতেন।'

তিনি আরও লিখেছেন, 'ওনাদের অনুপ্রেরণায় আমরা ছোটরা নীতি-আদর্শ রক্ষায় পাহাড়ের মতো অবিচল ছিলাম। খুনি হাসিনা ক্ষমতায় এসে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, প্রতিবাদী মানুষ এবং নীতিবানদের এমন অসহায় অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল। সেই দিনগুলোর স্মৃতি কোনো দিন ভুলতে পারব না।'

ইশরাক হোসেন জানান, 'নিম্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ডেপুটি জেলার জাহিদ অনেক চেষ্টা করেছিলেন কাক্কা কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে। অথচ অন্ধপ্রায়, দুই কিডনি বিকল, একটি ট্রান্সপ্লান্ট করা কিডনি, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত—সবকিছু স্পষ্ট মেডিক্যাল রিপোর্টে উল্লেখ থাকার পরও তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হয়নি।'

তিনি বলেন, 'জামিনের আশ্বাস দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সেই সময়ের ছোটলোক আইনমন্ত্রী আজ মৃত। তার বিচার মহান আল্লাহ করবেন। আর বিচারকের বেশে থাকা ইমরুল কায়েস নামের সেই জানোয়ারটাকে সামনে পেলে তাকে উচিত শিক্ষা দেয়া হবে। কোনো বড় বিএনপি নেতার সঙ্গ নাকি ঘনিষ্ঠ শুনেছিলাম। ওটাকে শুদ্ধ বাংলা স্টাইল আপ্যায়ন করতে এক সেকেন্ড হাত থামবে না। পরিণতি যাই হোক।'

তিনি বলেন, '২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মাত্র আমি ফ্যাসিস্ট, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত খুনি হাসিনার ভাইয়ের অযোগ্য ছেলে, ভোট ডাকাত তাপসের বিরুদ্ধে মেয়র নির্বাচন করেছি, তার কিছু মাস পর জুনে করোনার করাল থাবা তাকে গ্রাস করে।'

রাজনীতি রাজপথে শিখেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, 'কয় কেজির সঙ্গে কত কেজি মিশালে কয় ডিব্বা হয়, কোন সাইজে কত সাউন্ড হয়—এসব হাতে-কলমে শিখে উঠে আসা রাজনৈতিক কর্মী আমরা। নেতা একজনই; তার বাইরে কাউকে গোনার টাইম নেই। যার যেটা প্রাপ্য, তাকে সেটা বুঝিয়ে দিয়েই পরের হিসাব যা হোক হবে আমরা সেই ভাবে গড়ে উঠেছি।'

তিনি যোগ করেন, 'তারপর কাক্কা করোনায় আক্রান্ত হলেন। ইউনাইটেড হাসপাতালসহ আরও বড় বড় হাসপাতালেও কোভিড আইসিইউ বেড মিলল না। যে হাসপাতাল ভবনটি একসময় মেয়র খোকার বিশেষ সহযোগিতায় চালু হয়েছিল, সেই প্রতিষ্ঠানের কাছেও তার ভাই কোনো গুরুত্ব পেলেন না। ক্ষমতায় থাকার সময় যারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বারান্দায় বসে থেকে কাজ হাসিল করতেন, তারা সবাই বেমালুম ভুলে গেলেন সব কিছু।'

প্রতিমন্ত্রী লিখেন, 'খুনি হাসিনার অনুমতি ছাড়া নাকি আইসিইউ বেডও দেয়া যেত না—এমনটাই শুনতে হয়েছে চরম মিথ্যাবাদী মালিকদের থেকে। সেই সময়ের অসহায়ত্ব কোনো দিন ভোলা যাবে না। এই মনোভাব, এই দৃঢ়তা—ছেলেবেলা থেকে উজ্জ্বল কাক্কাকে দেখেই শিখেছি। আজ মনে হলো, সেই কষ্টভরা অসহায় দিনগুলোর কথা জীবনে অন্তত একবার স্মরণ করা উচিত।'

তিনি শেষ প্যরায় বক্তব্য দিয়ে বলেন, 'সারা দেশে ঘরে ঘরে এমন নির্যাতন সহ্য করে, লড়াই-সংগ্রাম করে আজকের এই দিনে এসে বারবার মনে পড়ে, যাওয়ার শেষ বেলায় কাক্কা বলেছিলেন, 'আমাকে একবার গাড়িতে পতাকা নিয়ে ঘুরাবা না, কাক্কা? হ্যাঁ, মন্ত্রী হয়েছে তো কী হয়েছে? জনগণের কথা বলে যাব, সংগ্রামের ভাষায় বলে যাব। এই শহরের অলিগলিতে আমরা মৃত্যুর পরোয়ানা মাথায় নিয়ে চলি। তোমরা চলো তো?'.

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার দাবি, এক রাতেই ইউক্রেনের ৬৬০টি ড্রোন ভূপাতিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


রাশিয়ার দাবি, এক রাতেই ইউক্রেনের ৬৬০টি ড্রোন ভূপাতিত

এক রাতের মধ্যেই ইউক্রেনের ছোড়া ৬৬০টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ২৬ জুন শুক্রবার, দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানান, যুদ্ধ শুরুর পরের সময়ে এটি ইউক্রেনের অন্যতম বৃহৎ দূরপাল্লার ড্রোন হামলা ঘটেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি, রাশিয়ার অভ্যন্তরে নিরাপত্তা উদ্বেগ ও জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে, উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে, মস্কো মিত্র দেশ বেলারুশকে এই যুদ্ধে আরো সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার চেষ্টা করতে পারে।

সর্বশেষ ড্রোন হামলায় রাশিয়ার ১৩টি অঞ্চলের আকাশে ড্রোন প্রতিহত করার খবর জানিয়েছেন রুশ কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন ক্রিমিয়া উপদ্বীপ, কৃষ্ণ সাগর এবং আজভ সাগরের অঞ্চলগুলো অন্তর্ভুক্ত আছে।

রাশিয়ার তুলা অঞ্চলের গভর্নর দিমিত্রি মিলিয়ায়েভ জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে একটি ‘বৃহৎ’ ড্রোন হামলার ফলে একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেখানে একজন নারী আহত হয়েছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, মস্কো থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণে নোভোমস্কোভস্ক শহরের একটি শিল্পকারখানাও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রুশ সংবাদমাধ্যম অ্যাস্ট্রা জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাটি হল আজোট রাসায়নিক কারখানা। এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই কারখানাটিকে রাশিয়ার বিস্ফোরক উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ইউক্রেন দ্রুত ড্রোন হামলা বৃদ্ধি করেছে। এই হামলাগুলোতে রাশিয়ায় জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
দ্য ন্যাশনের বিশ্লেষণ

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকে চিরতরে বদলে দিয়েছে ফিলিস্তিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকে চিরতরে বদলে দিয়েছে ফিলিস্তিন

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস প্রতি বছর প্রায় কোনো বিরোধিতা ছাড়াই ইসরাইলি সামরিক বাহিনীকে শত শত কোটি ডলার অর্থায়ন করছে। এই দেশে জাতীয় পদে আসীন হতে চাইলে, যেকোনো মূল্যে ইসরাইলকে সমর্থন করাটা প্রায় অপরিহার্য—দীর্ঘদিন ধরে এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য। তবে সেই সমর্থনের কারণে ফিলিস্তিনি ও লেবানিজ আমেরিকানদের আত্মীয়স্বজনসহ লাখ লাখ মানুষ ক্রমাগত হত্যার শিকার, বাস্তুচ্যুতি ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

কিন্তু ইসরাইলের জন্য অবাধ অর্থায়ন ও দায়মুক্তির দিন শেষ হতে চলেছে। এটা আর কখনো ফিরে আসবে না। যদি কেউ এই অকাট্য বাস্তবতা নিয়ে সন্দেহে থাকেন, তাহলে তাদের নিউইয়র্ক সিটির নির্বাচনের দিকে নজর দেওয়া উচিত। নির্বাচনে ফিলিস্তিনপন্থি প্রার্থীরা নিকটবর্তী পাঁচটি বরোতে বিপুল বিজয় অর্জন করেছেন। এই ঐতিহাসিক ফলাফলের মাঝে অনেক কারণে ছিল, কিন্তু একটি বিষয় নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয়েছে, তা হলো ফিলিস্তিনি অধিকারের প্রতি সমর্থন অভূতপূর্ব রাজনৈতিক পরিবর্তন আনছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে কিছুই আগের মতো থাকবে না।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৯টায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরে, খুব শীঘ্রই এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, নিউইয়র্ক সিটির ওপর দিয়ে ফিলিস্তিনপন্থি একটি ঢেউ আছড়ে পড়ছে। এই অপ্রতিরোধ্য স্রোতের ব্যাপকতা প্রথম অনুভব করেন বিদায়ী প্রতিনিধি ড্যান গোল্ডম্যান, যিনি তার বামপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বী নিউইয়র্ক সিটির সাবেক কম্পট্রোলার ব্র্যাড ল্যান্ডারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার চেষ্টা করছিলেন। গোল্ডম্যান তার পুরো রাজনৈতিক জীবনে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের নিপীড়নের একজন সোচ্চার সমর্থক ছিলেন এবং বরাবরের মতো এই প্রচারণার শেষ পর্যন্ত তিনি এই অবস্থানে ছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে ইসরাইল যে ফিলিস্তিনি ভূমি দখল করেছে, তা মেনে নিতে রাজি নন। তিনি গাজায় সংঘটিত গণহত্যাকে অস্বীকার করেন এবং এমনকি স্বীকার করেন যে, গত বছরের সিটি নির্বাচনে তিনি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদের ডেমোক্র্যাটিক মনোনীত প্রার্থী জোহরান মামদানিকে ভোট দেননি, কারণ মামদানি ফিলিস্তিনি অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন।

ইসরাইলকে ‘শর্তহীনভাবে’ লেবানন ছাড়তে বললেন হিজবুল্লাহ প্রধান। যখন গোল্ডম্যানের ভোটাররা ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে মুক্তির দাবি জানাচ্ছিলেন, তখন ওয়াশিংটনে তাদের প্রতিনিধি নির্লজ্জভাবে ইসরাইলের সামরিক বাহিনীকে অর্থায়নের জন্য শত শত কোটি ডলার পাঠাচ্ছিলেন। এমনকি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার থেকে রক্ষা করার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী রিপাবলিকান-নেতৃত্বাধীন আইনের পক্ষে ভোটও দিয়েছিলেন।

বিগত বছরগুলোতে, এই ভোটগুলো হয়তো তার পুনঃনির্বাচনকে সুনিশ্চিত করত। কিন্তু এ বছর সেগুলোই তার বিরুদ্ধে কাল হয়ে দাঁড়ায়, যা কোনো বড় অঙ্কের অনুদান দিয়েও মোকাবিলা করা সম্ভব ছিল না। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার মাত্র চার মিনিটের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। গোল্ডম্যান ল্যান্ডারের কাছে ৩০ পয়েন্টে হেরে যান। তিনি কংগ্রেসের ইতিহাসে প্রথম সদস্য হিসেবে ইসরাইলের প্রতি তার দৃঢ় সমর্থনের কারণে স্পষ্টভাবে পরাজিত হন।

এক ঘণ্টা পর, একই ঘটনা আবার ঘটলো। কয়েক মাস আগে, খুব কম লোকই বিশ্বাস করেছিল যে, ফিলিস্তিনি অধিকারের পক্ষে সোচ্চার কণ্ঠ দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ার তার প্রতিদ্বন্দ্বী আদ্রিয়ানো এস্পাইলাটের মতো পাঁচবারের ক্ষমতাসীন একজনকে পরাজিত করতে পারবেন। আমেরিকান ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি ও তার মিত্ররা এই প্রতিযোগিতায় লাখ লাখ ডলার ঢেলে দিয়েছিল এবং আভিলা শেভালিয়ারের ওপর অবিরাম আক্রমণ চালিয়ে এস্পাইলাটকে জিতানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাদের প্রচেষ্টা বিফলে গেছে। সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনা হচ্ছে আভিলা শেভালিয়ার এস্পাইলাটকে পরাজিত করেন এবং তার বিজয় সমাবেশের সময় জনতা ‘ফিলিস্তিনকে মুক্ত করো!’ ধ্বনিতে উল্লাসে মেতে ওঠে।

এখন এটি স্পষ্ট যে, ইসরাইলের গণহত্যার বিরুদ্ধে আভিলা শেভালিয়ারের স্বচ্ছ নৈতিক অবস্থান তার প্রচারণার জন্য একটি হাতিয়ার ছিল—যদিও এটি যেমন ছিল ল্যান্ডার ও ক্লেয়ার ভালদেজের জন্যও। মাত্র এক রাতের মধ্যে কংগ্রেসের দুজন সদস্য পরাজিত হলেন, যাদের দুজনেরই সবচেয়ে বড় দাতা এআইপিএসি। এর একটি বড় কারণ হলো, তারা সমর্থন পেয়েছিলেন শর্ত সাপেক্ষে: ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের গণহত্যা অস্বীকার করা এবং আমেরিকানরা যখন জীবনধারণের জন্য লড়াই করছে, তখন ইসরাইলকে দেওয়া শত শত কোটি ডলারের পক্ষে ভোট দেওয়া। এই ঘটনা আমাদের দেশের রাজধানীতে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে উভয় দলের কংগ্রেসের অধিকাংশ সদস্য এখনো একই অনুদান গ্রহণ করছেন এবং একই ভোট দিচ্ছেন। একইভাবে, এই ঘটনাটিও আলোড়ন সৃষ্টি করছে যে, ফিলিস্তিনপন্থি মেয়র মামদানি, ডেমোক্র্যাটিক নেতৃত্বের প্রচণ্ড চাপ সত্ত্বেও দ্ব্যার্থহীনভাবে ল্যান্ডার, আভিলা শেভালিয়ার ও ভালদেজকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং ভোটারদের কাছ থেকে বিপুলভাবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন।

ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামতে প্রস্তুত ছিল তুরস্ক, দাবি ট্রাম্পের। তবুও, কিছু মানুষ হয়তো বাস্তবতাকে অগ্রাহ্য করে নিজেদের বোঝাতে পারেন যে শহরগুলো এবং ঐতিহ্যগতভাবে ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত রাজ্যগুলো দেশের প্রতিনিধিত্ব করে না। কিন্তু জনমত জরিপ অন্য কথা বলছে। টেক্সাসের সিনেট নির্বাচনের মার্চ মাসের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে ভোটারদের ওপর চালানো জরিপে দেখা গেছে, ৭৬ শতাংশ ভোটার বিশ্বাস করেন যে ইসরাইল গণহত্যা চালাচ্ছে। এমনকি অ্যারিজোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেটের ৭৬ শতাংশ ডেমোক্র্যাটও একই মত পোষণ করেন। এই পরিসংখ্যানটি, আমাদের জরিপে নিউইয়র্ক স্টেটজুড়ে ৭০ শতাংশ ডেমোক্র্যাটের মতামতের চেয়েও বেশি, যারা বলেছিলেন যে ইসরাইল গণহত্যা চালাচ্ছে।

এতদূর কেবল জনমতের বিষয় নয় বরং ভোটারদের সংগঠিত করা। ফিলিস্তিনি অধিকারের পক্ষে জোরালো অবস্থান গ্রহণ করা আজকের রাজনীতিতে অন্য যেকোনো বিষয়ের চেয়ে বেশি শক্তি যুক্ত করছে। এই পরিবর্তনের জন্য একটি ‘লাইভস্ট্রিম’ করা গণহত্যার প্রয়োজন ছিল। ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের নিপীড়ন ও নৃশংসতার মাত্রা এটি লাখ লাখ ভোটারের জন্য একটি রেড-লাইন ইস্যুতে পরিণত করেছে এবং যারা এই ধরনের ভয়াবহতায় জড়িত কাউকেই সমর্থন করবে না।

যদিও ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্ব তা অস্বীকার করে যেতে পারেন, কিন্তু এটি স্পষ্ট যে, বাস্তবতাকে অগ্রাহ্য করার এই মনোভাবে কমলা হ্যারিস ২০২৪ সালের নির্বাচনে জেতার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ভোট হারিয়েছেন। একই মনোভাব বজায় রাখলে ২০২৮ সালের নির্বাচনে সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি রয়েছে। ভোটারদের দাবি স্পষ্ট:জাতীয়ভাবে, ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে ভোট দিতে ইচ্ছুক ভোটারদের মধ্যে ৭১ শতাংশ চান যে তাদের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ইসরাইলের কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার বিষয়টিকে সমর্থন করবে। এছাড়াও, তারা ইসরাইলি সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিকেও সমর্থন করে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, ইরানের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে ইসরাইলি সরকারের সাথে প্রকাশ্য বিরোধ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যেন মনে হচ্ছে রক্ষণশীল ভোটাররাও ইসরাইলকে সমর্থন করা থেকে সরে এসেছেন। মে মাসে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি জরিপে দেখা গেছে, ৪৫ বছরের কম বয়সী ৬৩ শতাংশ রিপাবলিকান ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা বন্ধ করার পক্ষে। এখনই কিছু বলাটা খুব তাড়াতাড়ি হবে, কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা যে সুযোগটি হাতছাড়া করেছেন, রিপাবলিকানরা তা গ্রহণ করে ‘ইসরাইলের প্রতি কঠোর’ দলের তকমা দাবি করতে পারেন—এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

ভোটাররা যেদিকে ঝুঁকে আছেন, সেদিকে সরে আসা ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বের জন্য কঠিন হওয়া উচিত নয়। ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের কাছে ইসরাইলের সামরিক বাহিনীকে অর্থায়ন চালিয়ে যাওয়া সমকামী বিবাহ নিষিদ্ধ করার চেয়ে কম জনপ্রিয় নয়। যদি নিজেদের অবস্থান দ্রুত সংশোধন করা না হয়, তবে ডেমোক্র্যাটরা দেখতে পাবে যে সরকার গঠনের জন্য তারা নিজেদেরকে নিজেদের সবচেয়ে বড় বাধার সম্মুখীন করছে।

সঠিক ও নৈতিক অবস্থান রাজনৈতিক কৌশলগত অবস্থানের সাথে মিলে যাবে-রাজনীতিতে এটা সবসময় হতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনি অধিকার কর্মীরা, যারা কয়েক দশক ধরে এই কাজ করে আসছেন, জানেন যে অবিশ্বাস্য সাহসিকতার ফলেই তারা আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছেন। ডেমোক্র্যাটদের কাছে এখন সুযোগ রয়েছে তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানোর এবং সেই মূল্যবোধগুলোকে সমুন্নত রাখার, যেগুলোকে তারা সবচেয়ে গভীরভাবে গুরুত্ব দেয় বলে দাবি করে। সঠিক ও চিরকাল সঠিক কী, তা করে দেখানোর এখনই সময়। এখন আর কোনো অজুহাত বাকি নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%