আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০২:২৯ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) চাড়ালজানি বন গবেষণা কেন্দ্রে এক বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকালে গবেষণা কেন্দ্র প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের বনজ সম্পদ উন্নয়ন ও গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
“Development of Nursery and Plantation Technique of Sida Jarul, Menda, Bhutum, Buddha Narikeli and Gandhi Gazari” শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের আওতায় এ বনায়ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসময়ে বনগবেষনা কেন্দ্র অফিসার মো: আজিজুল হকের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি জাকির হোসেন সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি এম.রতন হায়দায়, দৈনিক প্রগতির আলো পত্রিকার সম্পাদক আনোয়ার সাদাৎ ইমরান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আ: হামিদ প্রমূখ।
বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে বন গবেষণা কেন্দ্রের অফিসার আজিজুল হক জানান , পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বনজ বৃক্ষের সম্প্রসারণে গবেষণাভিত্তিক বনায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
দেশীয় ও বিলুপ্তপ্রায় বনজ প্রজাতির সংরক্ষণ এবং উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে এ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কর্মসূচির মাধ্যমে বনজ সম্পদ বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ এবং হত্যা মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে জেলার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। এছাড়াও, ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের আদেশ এবং অন্য একটি ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয় আবু তাহেরকে।
দণ্ডিত আসামি আবু তাহের, কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামের রফিউদ্দিনের ছেলে। তিনি বাদুরগাছা গ্রামে ওই শিশুর বাড়ির পাশে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি কালীগঞ্জের বাদুরগাছা গ্রামের ৫ বছর বয়সী শিশু বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে, পাশের একটি বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির পিতা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিনই অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ২৭ ফেব্রুয়ারি আবু তাহের নামের প্রতিবেশী যুবককে কুষ্টিয়া থেকে গ্রেফতার করে এবং আদালতে প্রেরণ করে। হত্যার দায় স্বীকার করে আবু তাহের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
তদন্ত শেষে, পুলিশ ২৬ মে আবু তাহেরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে। মাত্র ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ১৭ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর, ঘটনার ৪ মাসের মধ্যে মামলার রায় প্রদান করা হয়। রায়ে ধর্ষণ ও হত্যার অপরাধে ফাঁসির আদেশসহ ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং লাশ গুমের অপরাধে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম বলেন, "দ্রুত সময়ের মধ্যে মাত্র ৫ কার্যদিবসে বিচার কাজ শেষ হয়েছে। আদালত আসামির সর্বোচ্চ রায় ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। আমরা চাই এই রায় দ্রুত কার্যকর হোক। তবেই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সীমান্তের উপযোগিতা নিয়ে গত ১৬ দিনের মধ্যে ৪ দফায় ৬৪ জন শিশু এবং নারী-পুরুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের উদ্দেশ্যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে, বিএসএফের এসব চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর বাধায় প্রতিটি চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। শেষ পর্যন্ত, বিএসএফকে তাদেরকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।
দফায় দফায় পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার পর, বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক এবং শান্ত রয়েছে। যদিও, জেলার প্রায় ১৮৪ কিলোমিটার সীমান্তে বিজিবি কঠোর নজরদারি, সতর্কতা, ও টহল বাড়িয়েছে। তিনটি ব্যাটালিয়নে জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি, নদী, বিল ও স্থলপথে ড্রোন, বাইনোকুলার এবং রাতের জন্য নাইট ভিশন ক্যামেরা নিয়েও নজরদারি চলছে।
বিজিবির পাশাপাশি, সীমান্তে স্থানীয় বাসিন্দারা লাঠি এবং টর্চলাইট নিয়ে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। কাঁটাতারবিহীন সীমান্তগুলি দিয়ে পুশ-ইনের সম্ভাবনা এড়াতে এই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। পুশইন ঠেকাতে এবং সীমান্ত এলাকায় অপরিচিত লোক দেখলে দ্রুত খবর দেওয়ার জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্তবর্তী গ্রামে গ্রামে মাইকিং এবং মসজিদের মুসল্লিদের সচেতন করা হচ্ছে।
২০ জুন (চৌকা সীমান্ত): গত শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ২০ জন নারী-পুরুষকে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফের সুখদেবপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। বিজিবির বাধার কারণে প্রায় ৬ ঘণ্টা শূন্যরেখায় দাঁড়িয়ে থাকার পর, অবশেষে তাদের ভারত অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই দলে ১১ জন নারী, ৫ জন পুরুষ এবং ৪ জন শিশু ছিল।
১৫ জুন (রোকনপুর সীমান্ত): ওই রাত ১১টার দিকে রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে এক নারীকে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। স্থানীয়রা ওই নারীকে আটক করে বিজিবির হাতে তুলে দেয়, এবং তাকে ভারত ফেরত পাঠানো হয়। অন্যদিকে, ওই নারীকে বাংলাদেশে পুশইনে সহায়তা করার অভিযোগে সীমান্তবর্তী রোকনপুর গ্রামের ৭ জনকে আটক করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিজিবি।
১৩ জুন (রোকনপুর সীমান্ত): দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে, একই সীমান্ত দিয়ে নদীর মাধ্যমে ১৫ জন নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। কিন্তু বিজিবির তাৎক্ষণিক বাধার মুখে রাতে ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএসএফ সদস্যরা ওই ১৫ জনকে সীমান্ত-সংলগ্ন ভবানীপুর এলাকায় দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেয়। এই দলে ২ জন পুরুষ, ৮ জন নারী ও ৫ জন শিশু ছিল।
৪ জুন (বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত): ভোররাতের দিকে বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ২৮ জন নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে, বিজিবি বাধা দিলে শূন্যরেখায় ৩ দিন অবস্থান করতে হয় তাদের। পরে বিএসএফ তাদের ফেরত নেয়। এই দলে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ৬ জন শিশু ছিল।
বিজিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত সুরক্ষায় অন্যায়ভাবে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় জনতাকে নিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের চেষ্টা নস্যাৎ করতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক)-এর উদ্যোগে কুয়াকাটায় কোমলমতি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও ফলদ গাছ বিতরণ করা হয়েছে।
আজ আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ৪০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ব্যাগ, মাম-পট, খাতা ও ফলদ গাছ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক জনাব ইয়াসীন সাদেক।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে কোডেকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে ফলদ গাছ বিতরণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল করে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
এ ধরনের সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত “উন্নত উপকরণ ও জ্বালানি প্রযুক্তি ক্ষেত্রে গবেষণা, প্রকাশনা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং উচ্চশিক্ষা” শীর্ষক একটি সেমিনার ২২ জুন ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের ১২তম তলার কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মুসা মিয়া। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটির বিশিষ্ট গবেষণা অধ্যাপক এবং Research Center for Nano-Materials and Energy Technology (RCNMET)-এর প্রধান অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মাসুম হায়দার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেমিনার কমিটির আহবায়ক ও বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুমল চন্দ্র।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালে মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানি ও শিক্ষা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিলেন। সেই উদ্যোগের সুফল আজও বাংলাদেশ ভোগ করছে।
তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্বে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া কোনো বিশ্ববিদ্যালয় টেকসই উন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারে না। উন্নত উপকরণ ও জ্বালানি প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ক্ষেত্র। এ ধরনের সেমিনার শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জ্ঞানভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “মাভাবিপ্রবিকে একটি গবেষণামুখী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে। শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অধিকতর সম্পৃক্ত হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রকাশনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।”
ভাইস-চ্যান্সেলর আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর অন্তত একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাদের শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের নতুন নতুন বিভাগ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মূল বক্তা অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান গবেষণা প্রকাশনা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উচ্চশিক্ষার সুযোগ এবং উন্নত উপকরণ ও জ্বালানি প্রযুক্তি খাতে চলমান বৈশ্বিক গবেষণা প্রবণতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের গবেষণার প্রতি আগ্রহী হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সেমিনারে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা গবেষণা ও উচ্চশিক্ষা বিষয়ে মূল্যবান দিকনির্দেশনা লাভ করেন বলে মত প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ