ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আসামে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৬১


আসামে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৬১

ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬১ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে শুক্রবার (২৪ জুলাই) একসাথেই ১৪ জন মারা গেছেন। এই ভয়াবহ বন্যার কারণে রাজ্যের ২ হাজারেরও বেশি গ্রামের ১১ লাখেরও বেশি মানুষ দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিমানবাহিনীও সহায়তা করছে।

বন্যা পরিস্থিতির বিষয়ে শনিবার (২৫ জুলাই) আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে ফোনালাপে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফোনে কথা বলার সময় তিনি বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি এবং চলমান উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে জানতে চান।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, বন্যাকবলিত মানুষের সহায়তার জন্য ১৬২টি ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। এসব শিবিরে বর্তমানে ৪১ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত্রের কাজে মন্ত্রীরা সরাসরি ত্রাণ কার্যক্রম তদারক করছেন।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে সাড়ে ৭৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, ত্রাণ কার্যক্রম এবং মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই সময় মোদী প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ, পুনর্বাসন এবং পুনর্গঠনে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আসাম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এএসডিএমএ) জানায়, শুক্রবার চরাইদেও জেলায় সাতজন, শিবসাগরে ছয়জন এবং জোরহাটে একজন মারা গেছেন। নতুন করে ছয়জনের মৃত্যুর পর শিবসাগরে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে পৌঁছেছে। জেলাটিতে এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার তালিকার মধ্যে শিবসাগর স্বরূপ, যেখানে প্রায় ৩ লাখ ৪৮ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়া চরাইদেওতে ১ লাখ ৮৮ হাজার এবং জোরহাটে ১ লাখ ২৬ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: হরমুজে ৭ তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি ইরানের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচই ছিল আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির শেষ ম্যাচ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচই ছিল আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির শেষ ম্যাচ!

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে কি না এ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। দলের মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস দাবি করেছেন, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালই ছিল জাতীয় দলের হয়ে মেসির শেষ ম্যাচ। এদিকে, ৩৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দেননি।

কোপা সুদামেরিকানায় বোকা জুনিয়র্সের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পারেদেস বলেছেন, "আমার মনে হয়, বিশ্বকাপের ফাইনালই ছিল জাতীয় দলের হয়ে মেসির শেষ ম্যাচ। আগে থেকেই সে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে আমি চাই, সেটি সত্যি না হোক। আমি আশা করি, সে আরও খেলবে। শেষ সিদ্ধান্ত তারই। যে সিদ্ধান্ত তাকে আনন্দ দেবে, সেটিই আমাদেরও খুশি করবে।" ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ও গ্লোবো এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

বিশ্বকাপের ফাইনালের আগেই বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মেসি। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে তিনি এমন একটি বুট পরে খেলেন, যাতে লেখা ছিল "The Last Tango" (বাংলায়: "শেষ ট্যাঙ্গো")। অনেকেই এই বার্তাকে তার বিদায়ের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে স্পেনের ফেরান তোরেসের গোলে ১-০ ব্যবধানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে মেসি অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়েন, যা তার সম্ভাব্য বিদায়ের গুঞ্জনকে আরও জোরালো করে তোলে।

এখনো আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি মেসি। বর্তমানে তিনি ইন্টার মায়ামির সঙ্গে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ। ২০২৬ বিশ্বকাপে আট গোল ও চার অ্যাসিস্ট করে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন তিনি। তবে পুরো টুর্নামেন্টে কেবল ফাইনালেই কোনো গোল বা অ্যাসিস্টে সরাসরি অবদান রাখতে পারেননি।

এদিকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বেইন স্পোর্টস জানিয়েছে, মেসির বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে একটি বিশেষ বিদায়ী ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। এর মাধ্যমে ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ফুটবলারকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ছিল উত্থান-পতনের এক অনন্য গল্প। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল ও টানা কয়েকটি কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরাজয়ের পর সমালোচনার মুখে পড়ে একবার অবসরও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তবে সিদ্ধান্ত বদলে ফিরে এসে আর্জেন্টিনাকে উপহার দেন সাফল্যের স্বর্ণযুগ।

তার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা জয় করে ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালের ফিনালিসিমা, ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ বিশ্বকাপেও দলকে ফাইনালে তুললেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জেতাতে পারেননি।

তবে পারেদেসের মন্তব্য সত্ত্বেও, মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন কি না সে প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর এখনো দেননি স্বয়ং লিওনেল মেসি। তাই ভক্তদের অপেক্ষা এখন তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে নালা থেকে বিপুল সংখ্যক ‘বুলেট’ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


চট্টগ্রামে নালা থেকে বিপুল সংখ্যক ‘বুলেট’ উদ্ধার

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ বাংলা বাজার এলাকায় একটি নালা থেকে পুলিশ বস্তাবন্দি অবস্থায় প্রায় দেড় হাজার বুলেট উদ্ধার করেছে। এই উদ্ধার হওয়া বুলেটগুলোর মধ্যে ১২০টি বড় আকারের এবং ১ হাজার ২০০টির বেশি ছোট আকারের বুলেট রয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ২টার একটু পরে বাংলা বাজার এলাকায় বিএসআরএম কারখানার ৫ নম্বর গেটসংলগ্ন নালা থেকে এসব বুলেট উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া বড় বুলেটগুলো যাহা একে-৪৭সহ ভারী অস্ত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, এমনটি প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই বুলেটগুলোর ধরন ও উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নালা পরিষ্কার করার সময় একটি বস্তা দেখতে পান। পরে বস্তাটি খুলে বিপুল পরিমাণ বুলেট দেখতে পেয়ে তারা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ খবর পেয়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি বুলেটগুলো জব্দ করে।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শেরশাহ বাংলা বাজারের বিএসআরএম কারখানার পাশে অবস্থিত নালা থেকে বস্তাবন্দি বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২০টি বড় এবং ১ হাজার ২০০টির বেশি ছোট বুলেট রয়েছে।

তিনি আরও জানান, কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এসব বুলেট সেখানে রেখে গেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খেলাফত মজলিসের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


খেলাফত মজলিসের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

খেলাফত মজলিস জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী সেপ্টেম্বরে বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরে গণসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যথাসম্ভব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে। পাশাপাশি তারা জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন দলটির আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের অধিবেশন পরিচালনা করেন।

অধিবেশন শেষে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের মাধ্যমে প্রদত্ত গণরায় ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যথাসম্ভব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইবে খেলাফত মজলিস।

অধিবেশনে নেতারা অভিযোগ করেছেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের পূর্ণাঙ্গ রায়কে পাশ কাটিয়ে সরকার সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তারা দাবি করেছেন, গণরায় বাস্তবায়নের জন্য সংসদে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে বিডিআর হত্যাকাণ্ড, শাপলা ও জুলাই গণহত্যাসহ ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়েছে।

১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য প্রসঙ্গে অধিবেশনে বলা হয়, এই ঐক্য মূলত নির্বাচনী সমঝোতা ছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ার কারণে ওই সমঝোতার কার্যকারিতা শেষ হয়েছে। তাই এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের সব কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকবে। তবে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে বৃহত্তর ঐক্য গঠনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সেই সঙ্গে সংসদে দলের সংসদ সদস্য বিরোধী দলের ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবেন বলেও জানানো হয়েছে।

অধিবেশনে শোক প্রস্তাবসহ মোট চারটি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। অন্যান্য প্রস্তাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, মাদক, সামাজিক অবক্ষয়, স্বাস্থ্য খাতের সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত ও মুসলিম নির্যাতনসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হয়।

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, মুফতি আবদুল হামিদ, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, মুফতি আবুল হাসান এমপি সহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ প্রস্তাব অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ প্রস্তাব অনুমোদন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। 

বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের গতি নিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। উক্ত প্রস্তাবটি সাধারণ পরিষদের এক বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।

প্রস্তাবটি উপস্থাপনকালে রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সহনশীল সমাজ গড়ে তোলার জন্য অব্যাহত সংলাপ, পারস্পরিক বোঝাপড়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এছাড়া বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য।

তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি প্রস্তাবটির সঙ্গে গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ও ব্যাপক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভাজনের পরিবর্তে সংলাপ এবং সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতা এবং অসহিষ্ণুতার পরিবর্তে পারস্পরিক বোঝাপড়াকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের উদ্যোগে ১৯৯৯ সালে প্রথম গৃহীত এই প্রস্তাবটি গত প্রায় আড়াই দশক ধরে জাতিসংঘে ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ এজেন্ডা প্রসারের প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে।

বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সংহতি এবং অহিংসার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখা ছাড়াও এটি সংঘাত প্রতিরোধ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%