বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৮ পি.এম
ফরিদপুরে হাসান শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, এবং অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও রয়েছে।
এছাড়া, লাশ গুম করার অভিযোগে প্রত্যেককে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাদের ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে বিচারকের নির্দেশ অনুযায়ী উভয় সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে এবং আসামিদের পূর্বের হাজতবাস সাজার মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর), ফরিদপুরের বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক মো. শরীফ উদ্দীন এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—নিহতের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৩৮), ঝাউখোলা গ্রামের শাহজাহান মাতুব্বর (৪৪), ফারুক বিশ্বাস (৪৩) ও চান্দু শেখ (৩০)। রায় ঘোষণার সময় আসামি ফরিদা বেগম পলাতক ছিলেন। বাকি তিন আসামি আদালতে উপস্থিত থাকায় রায় শেষে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৯ মে রাতে শাহজাহান মাতুব্বরের ফোন পেয়ে ফরিদপুর সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়ে আসেন হাসান শেখ। তিনি কৃষিকাজের পাশাপাশি ফরিদপুর শিশু পার্কে অস্থায়ী চাকরি করতেন। রাতের বেলা আর বাড়ি না ফেরায় তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।
নিখোঁজের চার দিন পর ১৩ মে বিকেলে স্থানীয় এক ব্যক্তির আখখেত থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় হাসানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৪ মে নিহতের বাবা ইমান উদ্দিন শেখ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিরাজুর রহমান। মামলার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস এম আজিজুর রহমান বিকু জানান, পারিবারিক বিরোধ ও স্ত্রীর আয়সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে হাসানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল। সাক্ষ্য-প্রমাণে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর শতভাগ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে। রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার লক্ষ্যে একটি বিল মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে এগিয়ে চলেছে। বুধবার এই বিলটির চূড়ান্ত ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে, ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ শিরোনামের বিলটি মঙ্গলবার প্রতিনিধি পরিষদে ২১৪-২১১ ভোটে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ অতিক্রম করে। দুই ডেমোক্র্যাট সদস্য রিপাবলিকানদের সঙ্গে ভোট দেওয়ায় বিলটি এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব পাস হয়। গত মাসে মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিলটি পাস হয়েছিল।
প্রস্তাবিত আইনে রাশিয়ার নেতৃত্ব ও জ্বালানি খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে সহায়তাকারী ‘ছায়া বহর’-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিলটিতে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদের নথিতে জমা দেওয়া একটি সংশোধনীতে ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস বিলটির বিরোধিতা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এতে প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, যা পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অর্থ জোগাতে সহায়তা করছে।
এদিকে, ওয়াশিংটনে ইউক্রেনপন্থি সংগঠনগুলো আইনপ্রণেতাদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে। ইউক্রেন অ্যাকশন সামিটে কিয়েভকে অব্যাহত সমর্থনের পক্ষে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছে প্রচার চালানো হচ্ছে।
প্রতিনিধি পরিষদে পাস হওয়ার পর বিলটি প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে। বৃহস্পতিবার প্রতিনিধি পরিষদের আগাম অবকাশ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেট্রো টাইপ-১ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী; থানার সার্বিক কার্যক্রম ও অবকাঠামো পরিদর্শন বিএমপি কমিশনারের
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা পেতে যাচ্ছে নতুন ভবন। আধুনিক মেট্রো টাইপ-১ থানা ভবন নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের কার্যক্রম।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি বন্দর থানা ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ উপস্থিত ছিলেন।
বিএমপি মিডিয়া সেল জানায়, বন্দর থানা ভবনটি মেট্রো টাইপ-১ নকশা অনুযায়ী নির্মাণ করা হবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর ও বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ বন্দর থানা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে থানার কার্যক্রম পরিচালনার বর্তমান পরিবেশ ও অবকাঠামোগত বিষয়গুলোও পরিদর্শন করা হয়।
নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগের ফলে বন্দর থানার কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও সেবাপ্রত্যাশী মানুষের জন্য থানার পরিবেশ উন্নত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে গড়ে তোলা হয়েছে ‘আকাশ নীড়’, যা ইট-পাথরের ব্যস্ত নগরে পাখিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় ও সবুজের পরশ নিয়ে এসেছে। ছাদটি সাজানো হয়েছে সবুজ গাছপালা, ফুল-ফল, জলাধার, পাখির খাবার ও কৃত্রিম আশ্রয়ের মাধ্যমে।
‘পাখির রাজ্যে স্বাগতম’ স্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা জেলা প্রশাসন এই ছাদ বাগানটি তৈরি করেছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো নগরে কমে আসা পাখি ও জীববৈচিত্র্যের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা, পাশাপাশি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘আকাশ নীড়’ নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম মন্তব্য করেন, "ইট-পাথরের ব্যস্ত নগরে সবুজের জন্য একটু জায়গা, নির্মল বাতাসের জন্য অবকাশ এবং পাখির কিচিরমিচির শোনার মতো পরিবেশ দিন দিন দুর্লভ হয়ে উঠছে। তবে উদ্যোগ, ভালোবাসা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে কংক্রিটের শহরেও সবুজ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।"
তিনি আরও বলেন, ‘আকাশ নীড়’ শুধুমাত্র একটি ছাদ বাগান নয়; এটি নগরজীবনে সবুজ, জীববৈচিত্র্য ও পাখির নিরাপদ আবাস ফিরিয়ে আনার একটি প্রয়াস। এখানে পাখির খাবার, পানি ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা রয়েছে, যাতে তারা নিরাপদে থাকতে ও বিচরণ করতে পারে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ‘আকাশ নীড়ে’ মোট ৪১৮টি গাছ রয়েছে, যার মধ্যে ৫৮ প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত। পাখির খাদ্যের উৎস ও পরাগায়নের জন্য ৩০ প্রজাতির ২২৯টি ফুলের গাছ রয়েছে। এছাড়া ১৪ প্রজাতির ৪১টি ফলের গাছ এবং ১১ প্রজাতির ৪৪টি অর্নামেন্টাল গাছ রয়েছে।
পাখিদের জন্য পদ্ম ও শাপলায় সাজানো জলাধার এবং বার্ডস বাথ রাখা হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বাঁশের কৃত্রিম ঝোপঝাড় ও পাখির ঘর তৈরি করা হয়েছে। বড় ক্যানোপিযুক্ত গাছও রাখা হয়েছে, যা তাদের স্বাভাবিক বিচরণের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে।
শুধু পাখি নয়, স্থানীয় খরগোশ, বানর ও কাঠবিড়ালীর জন্যও নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ফরিদা খানম বলেন, "ঢাকার প্রতিটি ভবনের ছাদ যদি একটু একটু করে সবুজ হয়ে ওঠে এবং মানুষ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী গাছ লাগান, তাহলে শহরটি আরো বাসযোগ্য ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। প্রকৃতি রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, এটি প্রত্যেক নাগরিকেরও দায়িত্ব।"
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা বলেন, "নগরায়ণের কারণে সবুজ এলাকা ও জীববৈচিত্র্যের পরিসর ক্রমেই কমছে। এ অবস্থায় ছাদ বাগান শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয় নয়, নগরের পরিবেশ রক্ষায়ও এটি কার্যকর উদ্যোগ।"
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি ভবনের ছাদে সবুজায়ন করে এবং পাখির জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে, তাহলে সম্মিলিতভাবে নগরের পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
বিভাগীয় কমিশনার আরো বলেন, ‘আকাশ নীড়’ মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক আরো কাছাকাছি আনার পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতন করতে ভূমিকা রাখতে পারে।
‘আকাশ নীড়’ শুধুমাত্র পাখিদের জন্য নয়, নগরবাসীর জন্যও একটি স্বস্তির জায়গা হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। ব্যস্ত নগরজীবন থেকে কিছুটা দূরে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর জন্য এখানে বিশ্রামস্থল তৈরি করা হয়েছে। রয়েছে ছাতা ও কাঠের চেয়ার। ফুলের সুবাস, সবুজ গাছপালা ও পাখির ডাক মিলিয়ে ছাদটি হয়ে উঠেছে ব্যস্ত শহরে একটু প্রশান্তির জায়গা।
ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, ‘আকাশ নীড়’কে শুধু একটি ছাদ বাগান হিসেবে নয়, একটি ধারণা হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়াই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। ঢাকার আরো ভবনের ছাদে এমন সবুজায়ন ও পাখিবান্ধব পরিবেশ তৈরি হলে কংক্রিটের নগরেও বাড়তে পারে সবুজের পরিসর এবং জীববৈচিত্র্যের সুযোগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্সেনাল, কারাবাও কাপের প্রতিযোগিতায় প্রিমিয়ার লিগের প্রতিদ্বন্দ্বী ইপ্সউইচের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল। আর্তেতার দল ৪-২ গোলের জয় নিয়ে পরবর্তী রাউন্ডে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে। তবে, ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের তারকা ডিফেন্ডার জুরিয়েন টিম্বার উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিভিন্ন আলোচনা।
কুঁচকির সমস্যার কারণে কয়েক মাস ধরে মাঠের বাইরে ছিলেন এই তারকা ডিফেন্ডার। যদিও সম্প্রতি তিনি সুস্থ হয়ে ফিরেছেন, কিন্তু দলে তাকে রাখা হয়নি। এ বিষয়ে কোচ মিকেল আর্তেতা জানিয়েছেন, এটি নতুন কোনো সমস্যার কারণে নয়, বরং তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। খবর মিরর।
আর্সেনালের সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়ে আর্তেতা আরও মন্তব্য করেছেন: ‘ইপ্সউইচের বিপক্ষে আমরা যে কিছু করেছি, তার অনেক কিছু নিয়ে আমি সত্যিই খুব সন্তুষ্ট—আমরা ম্যাচটিতে যেভাবে আক্রমণাত্মক খেলেছি, শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে কতটা আধিপত্য, সাবলীল ও আক্রমণাত্মক ছিলাম, যাতে ম্যাচের ফলাফল আমাদের পক্ষে আসে।
আমরা খেলার শুরুতেই দুটি গোল করে একটি দারুণ ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলাম এবং ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজন দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন। ম্যাচে কয়েকজনের অভিষেকও হয়েছে, যা দেখতে খুব ভালো লেগেছে। তাই, এই ম্যাচটি থেকে আমরা অনেক ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছি বলে তিনি যোগ করেন।
টিম্বার না থাকা সত্ত্বেও, আর্তেতা দলে একজনকে ডেকেছিলেন, তিনি হলেন বিশ্বকাপজয়ী মিকেল মেরিনো, যাকে এই মৌসুমে প্রথমবারের মতো প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয়। আর্সেনালের প্রধান কোচ তার পারফরম্যান্সে দারুণভাবে মুগ্ধ হয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ