ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘যমজ শিশু’ বলে কটাক্ষ ইরানের জেনারেলের


ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘যমজ শিশু’ বলে কটাক্ষ ইরানের জেনারেলের

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবোলফজল শেখারচি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘যমজ শিশু’ বলে উল্লেখ করেছেন।

এ তথ্যটি আলজাজিরা জানায়, যা ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজের সূত্রে এসেছে।

শেখারচি সতর্ক করে বলেন, ‘আপনারা পতনের পথে রয়েছেন। বড় বড় কথা ও হুমকি দিয়ে যে মৃত্যুর ফাঁদে আটকা পড়েছেন, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন না।’

আরও পড়ুন: ৮৭ বছর বয়সে চলে গেলেন ভারতের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে খড়বোঝাই গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে খড়বোঝাই গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড

পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিকটবর্তী মহাসড়কে একটি খড়বোঝাই ভটভটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে রূপপুর প্রকল্পের পাশে অবস্থিত ঈশ্বরদী-কুষ্টিয়া মহাসড়কের রেলওয়ে গোরস্থান এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তবে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি মহাসড়কে ঘটেছে এবং প্রকল্পের ওপর কোনো প্রভাব না পড়লেও রূপপুর প্রকল্পের কেপিআই জোনে এটি ঘটায় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে প্রকল্পে কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক জানিয়েছেন, ঘটনার সময় খড়বোঝাই ভটভটিটি রূপপুর মোড়ের দিক থেকে ভেড়ামারার দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ করেই ঘটনাস্থলে খড়বোঝাই গাড়িতে আগুন জ্বলে ওঠে। ধারণা করা হচ্ছে, চালকের অসাবধানতাবশত সিগারেটের আগুন থেকেই খড়ে আগুন লেগেছে।

আগুনের শিখা দেখে প্রকল্পের শ্রমিকরা সড়কে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশ ও প্রকল্পের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেনাদের দ্রুত খবর দেন। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে, চালক গাড়িটি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীতে কালীবাড়ি ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলে বিস্ফোরণে ৫ জন দগ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


নরসিংদীতে কালীবাড়ি ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলে বিস্ফোরণে ৫ জন দগ্ধ

নরসিংদীর মাধবদীতে কালীবাড়ি ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলে একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা বয়লার বিকল হয়ে যাওয়ার পর সংঘটিত হয়। এই ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হওয়া ৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

বিস্তারিৎ আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনজেকশনের ভয় দূর করতে অভিনব 'স্টিকি প্যাচ' উদ্ভাবন, ২৫ হাজার ডলার জয় ক্ষুদে ছাত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


ইনজেকশনের ভয় দূর করতে অভিনব

ইনজেকশনের নাম শুনলেই ছোটদের মধ্যে ভয়ের অনুভূতি তৈরি হয়। চিকিৎসকের চেম্বারে যাওয়ার কথা বললেই শিশুরা কান্নাকাটি শুরু করে। তবে, এই চিরচেনা ভীতি দূর করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যারোলিনার কলোম্বিয়ার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী কাইলিন ব্রাউন একটি যুগান্তকারী এবং চমৎকার উপায় উদ্ভাবন করেছে। সে তৈরি করেছে বিশেষ একটি 'স্টিকি প্যাচ' যা ইনজেকশনের ভয়কে একটি মজার অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করে।

কাইলিনের মাথায় এই অভিনব আইডিয়াটি আসে যখন সে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ছিল। সে নিজেও একসময় ইনজেকশন নিতে ভীষণ ভয় পেত। সেই ভয়ের অভিজ্ঞতা থেকেই সে ভাবতে শুরু করে, কীভাবে এই ভীতি থেকে শুধু সে নিজে নয়, বরং অন্য শিশুরাও মুক্তি পেতে পারে। এই চিন্তাভাবনার ফলস্বরূপ জন্ম নেয় 'স্টিকি পালস উইথ ম্যাজিক মেডিসিন' (Sticky Pals with Magic Medicine) নামের রঙিন স্টিকি প্যাচ।

এই প্যাচগুলো ইউনিকর্ন, ডাইনোসরসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় কার্টুন চরিত্রের আদলে তৈরি করা হয়েছে। সম্প্রতি, চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ার সময় 'মট মিলিয়ন ডলার চ্যালেঞ্জ' প্রতিযোগিতায় কাইলিন তার এই ধারণাটি উপস্থাপন করে। বিচারকদের নজর কাড়ার কারণে সে ২৫ হাজার ডলারের পুরস্কার জিতে নেয়।

কাইলিন এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছে, এই প্যাচটি কীভাবে কাজ করবে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, শিশুদের মন অন্যদিকে সরিয়ে নিতে এবং ইনজেকশনের ভয় কাটাতে এই স্টিকি প্যাচ রোগীর ইনজেকশন দেওয়ার নির্দিষ্ট স্থানে লাগাতে হবে। এরপর ওই কার্টুন চরিত্রের মুখের নির্দিষ্ট ছিদ্রের মধ্য দিয়ে সিরিঞ্জ দিয়ে ইনজেকশন পুশ করা হবে। যদিও চিকিৎসাক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা এখনও পরীক্ষিত হয়নি, তবে কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এই সৃজনশীল ভাবনা ইতোমধ্যে দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরাকান আর্মির হাতে রোহিঙ্গাদের দাস বানিয়ে শোষণ, জমি দখল ও জাতিগত নিধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


আরাকান আর্মির হাতে রোহিঙ্গাদের দাস বানিয়ে শোষণ, জমি দখল ও জাতিগত নিধন

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন বিষয়ক সাময়িকী ওপিনিয়ন জুরিস-এ প্রকাশিত একটি নিবন্ধে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাশলে এস. কিনসেথ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর 'আরাকান আর্মি' (এএ)-র দ্বারা পরিচালিত অমানবিক নির্যাতন ও প্রশাসনিক শোষণের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেছেন।

নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নির্মমতার পর বর্তমানে রাখাইনে জাতিগত রাখাইন সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি নতুন অত্যাচারী শাসক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তারা রোহিঙ্গাদের দাস বানিয়ে শোষণ, জমি দখল, জোরপূর্বক শ্রম এবং এলাকা খালি করার মতো গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্ত রয়েছে।

​

চলাচল ও জীবনযাত্রার ওপর অতিরিক্ত কর এবং বিধিনিষেধের চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, উত্তর রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে বা অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য রোহিঙ্গাদের ৩০০ থেকে ৫০০ ডলার পর্যন্ত পারমিট ফি দিতে হচ্ছে। এই অর্থ চোরাকারবারি, স্থানীয় গ্রাম প্রশাসক কিংবা সরাসরি আরাকান আর্মির পকেটে চলে যাচ্ছে।

এলাকা ছাড়ার ক্ষেত্রে শুধু নয়, নিজ ভিটেমাটিতে বসবাসের খরচও বহুগুণ বেড়ে গেছে। পাশের গ্রামে একদিনের জন্য যাওয়ার অনুমতিপত্র পেতে প্রায় ৫,০০০ কিয়াত (প্রায় ২.৪০ ডলার) খরচ হচ্ছে এবং এর জন্য প্রয়োজন দুটি পৃথক স্বাক্ষর। ঘরে বসে থাকলেও রেহাই নেই; রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ঘরবাড়ি, দোকানপাট, নৌকা, মাছ ধরার জাল, গবাদিপশু এবং ধানের জমির ওপর নতুন করে ট্যাক্স বা কর ধার্য করা হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর একে "একচেটিয়াভাবে রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে আরোপিত অন্যায্য কর ব্যবস্থা ও পদ্ধতিগত চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা" হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর 'ক্লিয়ারেন্স অপারেশন'-এর আগে যেমন চলাচলের জন্য সামরিক অনুমতির প্রয়োজন হতো, ২০২৪ সালে রাজ্যটির সিংহভাগ দখল করার পর এখন সেই অনুমতিপত্রের মূল স্বাক্ষরকারীদের একজন হলো 'আরাকান আর্মি'। তারা আগের প্রশাসনিক বিধিনিষেধের সঙ্গে যোগ করেছে জোরপূর্বক শ্রমের কোটা এবং রোহিঙ্গা জমি বাজেয়াপ্তকরণ।

প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সুপরিকল্পিত নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা আরাকান আর্মির এই কর্মকাণ্ডকে সাধারণত 'যুদ্ধাপরাধ' হিসেবে চিহ্নিত করলেও, নিবন্ধে বলা হয় এটি কেবল যুদ্ধাপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে রোহিঙ্গাদের দমন করতে বুলেট ও অস্ত্রের পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে করের তালিকা, পারমিট কাউন্টার, বাধ্যতামূলক শ্রমের রোস্টার এবং জমি বন্টনের মতো প্রশাসনিক হাতিয়ার।

এই আপাতদৃষ্টে আইনি বা প্রশাসনিক কাঠামোটি মূলত এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে রোহিঙ্গা হওয়ার কারণে তাদের ওপর সবচেয়ে বেশি নিপীড়ন ও বৈষম্য চালানো যায়। আইনি দৃষ্টিতে এটি স্পষ্টতই 'মানবতাবিরোধী অপরাধ', যার বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) পূর্ণ এখতিয়ার রয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন ও নথিপত্রে অপরাধের প্রমাণ

১. হুইয়ার সিসি হত্যাকাণ্ড ও 'নাসাওর পারা' ক্যাম্প: ২০২৪ সালের মে মাসে 'হিউম্যান রাইটস ওয়াচ'-এর তথ্য অনুযায়ী, 'হইয়ার সিসি' গ্রামে আরাকান আর্মির গুলিতে অন্তত ৯০টি শিশুসহ ১৭০ জনের বেশি রোহিঙ্গা নিহত বা নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই হামলায় বেঁচে যাওয়াদের 'নাসাওর পারা' নামক একটি রুদ্ধদ্বার ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয়। সেখান থেকে অনুমতি ছাড়া কারও বের হওয়া নিষেধ এবং তাদের দিয়ে অবৈতনিক নির্মাণকাজ ও লুট করা গবাদিপশু চড়ানোর কাজ করানো হচ্ছে।

২. জমি দখল ও অ-রোহিঙ্গা পুনর্বাসন: ২০২৬ সালের আগস্টে জাতিসংঘের 'ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার'-এর বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সালের সামরিক অভিযানের মতোই আরাকান আর্মি পুরো রোহিঙ্গা এলাকা খালি করে দিচ্ছে। এরপর মসজিদ ধ্বংস করে এবং প্রায় ২,০০০ একর জমি বাজেয়াপ্ত করে সেখানে অ-রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন করা হচ্ছে। ২০১৭ সালে খালি হওয়া অন্তত ১১টি সাবেক রোহিঙ্গা গ্রামে নতুনদের এনে বসানো হয়েছে এবং রোহিঙ্গা গ্রামগুলোর নাম পরিবর্তনের গুরুতর চেষ্টা চলছে।

৩. শিশু ও বয়স্কদের জোরপূর্বক শ্রম: জাতিসংঘের সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর রাখাইনে গ্রামভিত্তিক বাধ্যতামূলক শ্রমের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রামকে প্রতি সপ্তাহে বা মাসে নির্দিষ্ট সংখ্যক শ্রমিক পাঠাতে হয়। কেবল ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসেই ২,৩৫৩টি এমন ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে অন্তত ৭৫টি ক্ষেত্রে শিশুদের ব্যবহার করা হয়েছে। ৬ বছরের মতো ছোট শিশুদের দিয়ে জঙ্গল পরিষ্কার, ভবন নির্মাণ এবং রাখাইন পরিবারগুলোর গৃহস্থালি কাজ করানো হচ্ছে।

কেন এটি 'যুদ্ধাপরাধ' নয়, বরং 'মানবতাবিরোধী অপরাধ'?

নিবন্ধকার উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে অনেক মানবাধিকার সংস্থা আরাকান আর্মির এই আচরণকে 'যুদ্ধাপরাধ' হিসেবে ব্যাখ্যা করছে, কিন্তু এতে তাদের মূল অপরাধ আড়াল হয়ে যায়। রোম সংবিধির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধের মধ্যে 'দাসত্ব' বা 'জোরপূর্বক শ্রম'-এর সুনির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। কিন্তু অনুচ্ছেদ ৭(১)(সি) অনুযায়ী, যখন কোনো মানুষের ওপর মালিকানাসূলভ অধিকার প্রয়োগ করে জোরপূর্বক শ্রম দিতে বাধ্য করা হয়, তখন তা 'মানবতাবিরোধী অপরাধ'-এর অন্তর্ভুক্ত 'দাসত্ব' হিসেবে গণ্য হয়।

তাছাড়া, ভবিষ্যতে মিয়ানমার সেনা ও আরাকান আর্মির মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তি বা যুদ্ধবিরতি হলে 'যুদ্ধাপরাধ'-এর ধারায় তাদের বিচার করা আইনিভাবে জটিল হয়ে পড়তে পারে (যেমনটি আইসিসির সাইদ মামলায় দেখা গেছে)। কিন্তু 'মানবতাবিরোধী অপরাধ'-এর ক্ষেত্রে কোনো যুদ্ধ চালু থাকার শর্ত নেই; বরং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর কোনো সংস্থাগত নীতির অধীনে পরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্ট আক্রমণ চালানো হয়েছে কি না—তা প্রমাণ করাই যথেষ্ট।

আরাকান আর্মি নিজেই দিচ্ছে নিজেদের অপরাধের প্রমাণ

কোনো অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে "সংগঠনিক নীতি" প্রমাণ করা কঠিন হলেও, আরাকান আর্মির নিজস্ব প্রশাসনিক দাবিগুলোই তাদের অপরাধের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

আরাকান আর্মি নিজেদের একটি সরকার বা 'আরাকান পিপলস রেভোলিউশনারি গভর্নমেন্ট' হিসেবে দাবি করে, যারা ৮টি জেলা, ১০টিরও বেশি বিভাগ এবং ৩ স্তরের বিচার ব্যবস্থা পরিচালনা করছে। অর্থাৎ, তাদের এমন একটি সুসংগঠিত প্রশাসনিক কাঠামো রয়েছে যা দিয়ে তারা রোহিঙ্গাদের ওপর কোটা, পারমিট, জোরপূর্বক শ্রম ও জমি দখলের মতো পরিকল্পিত আক্রমণ পরিচালনা করতে সক্ষম বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাশলে এস. কিনসেথ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%