ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্ষেপণাস্ত্র শুধু ছোড়ার জন্য, আলোচনার জন্য নয়: ইরান


ক্ষেপণাস্ত্র শুধু ছোড়ার জন্য, আলোচনার জন্য নয়: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের অবসানে একটি কাঠামোগত চুক্তিতে (ফ্রেমওয়ার্ক ডিল) সম্মত হলেও, ভবিষ্যৎ আলোচনার প্রেক্ষাপটে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে ইরান।

বৃহস্পতিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, 'আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনা করা হোক—এটা আমরা মোটেও চাই না। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র নিক্ষেপের জন্য, আলোচনার জন্য নয়। আমাদের দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কোনোভাবেই, কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে না।'

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বৃহস্পতিবার ভোরে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেন। এর মাধ্যমে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান আঞ্চলিক যুদ্ধের অবসান ঘটে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

চুক্তির মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং তেহরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার ভিত্তি তৈরি হলেও, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কোনও উল্লেখ করা হয়নি।

প্রায় ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক হামলার মুখে পড়লেও, তেহরান পুরো সময়জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দিতে থাকে।

যুদ্ধের আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছিলেন, ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়েও আলোচনা করতে হবে। ওয়াশিংটনের মতে, এই কর্মসূচি ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর জন্য একটি ভিন্ন হুমকি। তবে ইরান বরাবরই এ কথা বলে এসেছে, যে তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আলোচনার বিষয় নয়।

এদিকে, বুধবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিছুটা নরম অবস্থান প্রকাশ করে বলেন, 'অন্য দেশগুলোর যদি ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র থাকাটা অন্যায় হবে না। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক অস্ত্র একই বিষয় নয়।'

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


ইসরায়েল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছে!

ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ওপর কড়া নজর রেখে চলছে ইসরায়েল।

সম্প্রতি, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই দাবি করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন এনডিটিভি প্রকাশ করে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে হামাসের প্রভাব বিস্তারের ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রিউভেন আজার বলেছেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকেই বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের কার্যক্রম কড়া নজরদারিতে রেখেছে ইসরায়েল।

এনডিটিভির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ এডিটর আদিত্য রাজ কৌলকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের কূটনীতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন এই ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ইসরায়েল পাকিস্তানকে বিশ্বাস করে না এবং দেশটির কূটনৈতিক অবস্থানকে সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। এক্ষেত্রে শুধু পাকিস্তান নয়, কাতারের ভূমিকাও ইসরায়েলের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ।

সাক্ষাৎকারে হামাসকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেছেন আজার। তার দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকেই বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে ইসরায়েল।

ভারতে নিযুক্ত এই ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের দাবি, এসব তথ্যের কিছু অংশ প্রকাশ্য সূত্র থেকে পাওয়া। তবে, এমনও কিছু কার্যক্রম থাকতে পারে, যা জনসমক্ষে আসেনি।

আজার বলেন, আমরা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে হামাসের কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। অন্যান্য সংগঠনগুলোও ৭ অক্টোবরের হামলাকে অন্যত্র একই ধরনের অভিযান পরিচালনার মডেল হিসেবে দেখার সুযোগ পেতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতি গোটা অঞ্চলের সরকারগুলোকে উদ্বেগের মধ্যে রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে কিয়েভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে কিয়েভ

কিয়েভ, ইউক্রেনের রাজধানীতে বৃহস্পতিবার ভোরে শুরু হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এ সময় সেখানে উপস্থিত এএফপি’র সাংবাদিকরা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সতর্কতা সংকেত ঘোষণা করার পর, সাংবাদিকরা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দকে শোনেন এবং এর পরপরই দুটি বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা যায়। এই সময়ে মানুষের মধ্যে দৃষ্ট হয়, তারা দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটতে শুরু করেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি কিয়েভ থেকে এই খবরটি জানিয়েছে।

কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো নিশ্চিত করেছেন যে, শহরটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে।

যদিও, তিনি জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিকভাবে কোন হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেখা গেছে, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা আরও তীব্র হয়েছে। এই সংঘাতের কারণে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।

এদিকে, ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়ার জন্য এক সময় অনাগ্রহী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে মঙ্গলবার ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, মস্কোর ‘একটি সমঝোতায় পৌঁছানো উচিত।’

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, ওয়াশিংটন রাশিয়ার ওপর পূর্বে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনর্বহাল করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার সব বাস এক কোম্পানির অধীনে চলবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


ঢাকার সব বাস এক কোম্পানির অধীনে চলবে

ঢাকার প্রতিটি রুটে বাস মালিকদের নিয়ে একক কোম্পানি গঠনের মাধ্যমে গণপরিবহন পরিচালনার পরিকল্পনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ মন্ত্রী এ কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বাস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ইলেকট্রিক যানবাহনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে অনেক দূর অগ্রগতি হয়েছে। কোন রুটে কোন কোম্পানি পরিচালনা করবে, তা নির্ধারণেও বাস মালিকরা কাজ করছেন। নির্দিষ্ট রুটে চলবে বাস, নির্ধারিত টার্মিনাল ও স্টপেজে থামবে এবং সেখান থেকেই যাত্রী ওঠানামা করবে। বর্তমানে যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামার যে অনিয়ম চলছে, তা আর চলতে দেওয়া হবে না।

ঢাকায় একই রুটে বিভিন্ন মালিকের বাস আলাদাভাবে পরিচালিত হওয়ায় অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। এতে বাসগুলো নির্দিষ্ট টার্মিনালে না থেমে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা করায় যানজট ও বিশৃঙ্খলা বাড়ে। এ ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা দেখেছি বাস টার্মিনালগুলোতে সারাদিন বাস থাকে। ওখানে ওয়ার্কশপ হয়ে গেছে। একটি বাস আট-দশ দিন ধরে ওখানে রং করছে, ডেন্ট করছে, ইঞ্জিন ডাউন দিয়ে আবার সেটা রিসেট করছে—এ রকম চলছে। এটা ওখানে চলবে না। আমরা ডিপো করার জন্য পরিকল্পনা নিয়েছি, একটা ৩০০ ফিটে। একটা হচ্ছে কাঁচপুরে। কাঁচপুরে যেটা আমরা ডিপো করছি, সেটা টার্মিনালই হয়ে যাবে। সায়েদাবাদ টার্মিনাল আস্তে আস্তে কাঁচপুরে চলে যাবে। ফুলবাড়িয়া টার্মিনালটা চলে যাবে কেরানীগঞ্জে, জেলখানার ঠিক অপজিটে। গাবতলীরটা চলে যাবে হেমায়েতপুরে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এ রকমভাবে টার্মিনাল শিফট হবে, কিন্তু এখনই হচ্ছে না। এখন ডিপো হিসেবে ওখানে ব্যবহার হবে। আর এখান থেকে গাড়ি ছাড়বে, কিন্তু গাড়িগুলো (টার্মিনালে) আসবে আবার কখন? গাড়ি ছাড়ার যে সময় আছে, তার আগে আসবে। আসবে এবং গাড়ি এখান থেকে ছেড়ে যাবে।

তিনি বলেন, গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া বাসের ওই ডিপো হিসেবে ব্যবহার হবে না, টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহার হবে। আলাদা ডিপো করে আমরা ওখানে পর্যায়ক্রমে দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে বাস টার্মিনালগুলো সরিয়ে নেব। গাবতলীরটা হেমায়েতপুর, মহাখালীরটা উত্তরা, আব্দুল্লাহপুরের কাছাকাছি ওখানে ৫০ বিঘা জায়গা অ্যাকোয়ার করতে চলেছি আমরা এরই মধ্যে। তার আগ পর্যন্ত ডিপোটা হবে ৩০০ ফিটে। কাঁচপুরে চলে যাবে সায়েদাবাদ টার্মিনাল। ফুলবাড়িয়ারটা চলে যাবে কেরানীগঞ্জে। অর্থাৎ এভাবে শিফট হচ্ছে ওটাকে বিবেচনায় নিয়ে।

টেম্পোরারি টার্মিনাল গুলোর ব্যাপারে শেখ রবিউল আলম বলেন, আর এটা আমরা এনশিওর করতে চাচ্ছি যে, কলাবাগান, কল্যাণপুর—যে সমস্ত জায়গায় কাউন্টার, এসি কাউন্টারকে বা অনেকগুলো বেসরকারি বাসের কাউন্টারকে কেন্দ্র করে টেম্পোরারি টার্মিনালের মতো হয়েছে, রাস্তার পাশে বাস দাঁড়িয়ে থাকে, তারা কাউন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেবে। আর অবশ্যই কাউন্টারের সামনে বাস এনে যাত্রী উঠাতে পারবে না— আমরা মোটামুটি এই পদক্ষেপ নিয়েছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে "জলবায়ু পরিবর্তন আজকের পদক্ষেপ আগামী নিরাপত্তা " প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে শালিকা বংশাই পরিবেশ উন্নয়ন ফোরাম মডেল ক্লাব ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সোসাইটি ফর সোশ্যাল সার্ভিস (এসএসএস) এবং সহযোগিতা করে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সহকারী পরিচালক সোসাইটি ফর সোশ্যাল সার্ভিস এস এস এস গাজী মো:এনামুল কবির। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জুবায়ের হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্ট ম্যানেজার স্মার্ট এস এস এস প্রদীপ কুমার সরকার, বংশাই পরিবেশ উন্নয়ন ফোরাম মডেল ক্লাবের সভাপতি শামীম আহমেদ, প্রমূখ।

স্থানীয় মডেল ক্লাব প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। আর অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিবেশ কর্মকর্তা স্ন্যট এস এস এস তুষার পাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%