১১:১৪ এম
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ১৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে পৌলি পর্যন্ত এই যানজট সৃষ্টি হয়। এর ফলে যাত্রীদের যে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, তা বিশেষত নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য খুব কষ্টকর হয়ে উঠেছে।
পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার বিকালের সময় থেকেই যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানবাহনের অতি চাপ বিদ্যমান ছিল। এই কারণে সেতুর পশ্চিমপাড় থেকে ঝাঐল ওভারব্রিজ পার হয়ে মোট ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে মাঝে মধ্যে ধীর গতিতে যানবাহনগুলো চলাচল করছে। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে যমুনা সেতুর ওপরে ৭ নম্বর পিলারের কাছে ঢাকামুখী লেনে একটি বাসের পেছনে আরেকটি বাস ধাক্কা দেয়। এই দুর্ঘটনায় একজন নিহত হন; তখন যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: বি আর বি ক্যাবল, ৪৮ বছর বিশ্বাসের পথে সমৃদ্ধির যাত্রা
এরপর সেতু কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাকবলিত বাস রেকার দিয়ে সরিয়ে নিলেও যানবাহনের চাপ আরও বেড়ে যাওয়ার ফলে আরও যানজট ও ধীর গতির সৃষ্টি হয়। এই যানজট যমুনা সেতুর পূর্বপাড় টাঙ্গাইল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ, যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের পৌলি পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
গাজীপুর থেকে নাটোরগামী এক বাসের চালক রুপচান শেখ জানান, টাঙ্গাইল থেকে যানজটের কারণে মহাসড়কের এলেঙ্গাতে এসে আটকে আছি। গরমের কারণে চরম ভোগান্তি সহ্য করতে হচ্ছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ বলেন, শনিবার প্রায় সব গার্মেন্টসই খুলবে। এ কারণে গতকাল থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।
এ বিষয়ে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, যমুনা সেতুর ওপর প্রায় ১৫ থেকে ১৬টি গাড়ি বিকল হয়েছে এবং সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি সেতুর উপর গাড়ি আটকা পড়ায় লোকজন নেমে যাচ্ছে। যার ফলস্বরূপ, সেতুর দুই পাশেই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তবে আশা করা হচ্ছে, বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে বাস থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন