সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৭ এম
অস্কারের ৯৯তম আসরের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের জন্য পাঁচটি সিনেমা জমা পড়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে, বাংলাদেশের অস্কার কমিটি এই চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে থেকে একটি সিনেমা অস্কারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে।
এবারের প্রতিযোগিতায় জমা পড়া সিনেমাগুলো হলো, নূরুল আলম আতিক পরিচালিত ‘মানুষের বাগান’, মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’, রেদওয়ান রনির ‘দম’, মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের ‘দেলুপি’ এবং মনিরুল আকাশ হক পরিচালিত ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’৷ ২০ আগস্ট, অস্কারের এই বিভাগে বাংলাদেশের সিনেমা পাঠানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন আহ্বান করে অস্কার বাংলাদেশ কমিটি।
সিনেমা জমা দেয়ার শেষ সময় ছিল ১৬ সেপ্টেম্বর। জমা পড়া পাঁচটি সিনেমার মূল্যায়নের জন্য ইতোমধ্যে ৭ সদস্যের একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বিচারকদের যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়নের পর, একটি সিনেমাকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৯৯তম অস্কারে পাঠানোর জন্য চূড়ান্ত করা হবে। অস্কার বাংলাদেশ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে কোন সিনেমাটি অস্কারের ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইলের আদালতে হাজিরা দিতে এসে আইনজীবীর চেম্বার থেকে ১১ জনকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনা ঘটে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১২টি দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ধারালো রামদা, দা এবং চাপাতি। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চরকান্দিপাড়া গ্রামের এস্কেন্দার শেখ (৪৫), আমিনুর শিকদার (৫৬), হাফেজ শেখ (২৫), তৈয়েবুর রহমান (৫৫), সেকেন্দার আলী (৫৮), হাসানুর রহমান (৫৫), রিয়াজুল শিকদার (২৭), আরিফুল শেখ (২২), তারেক শেখ (৩২), জুলফিকার রহমান (৪০) এবং শরিফুল মোল্যা (৪০)। তারা রোববার দুপুরে একটি মারামারির মামলায় হাজিরা দিতে নড়াইল আদালতে আসেন। এ সময় তারা আদালত চত্বরের একজন আইনজীবীর চেম্বারে অবস্থান করছিলেন।
খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায় এবং তাদের আটক করে। পুলিশ তদন্ত করছে, কী উদ্দেশ্যে তারা আদালত চত্বরে ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় আদালত চত্বরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, তারা প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালানোর জন্য ধারালো অস্ত্রগুলো নিয়ে এসেছিল। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সরোয়ার জানিয়েছেন, ১১ জনকে দেশি অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ" "অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে অংশ নিন" এই স্লোগানকে সামনে রেখে শৈলকুপা ওপেন হাউজ ডে ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেলে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে এই ওপেন হাউজ ডে ও সুধী সমাবেশের আয়োজন করে শৈলকুপা থানা।
শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: হুমায়ুন কবির মোল্লার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন্ হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড, হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, পৌর বিএনপির সভাপতি আবু তালেব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা ঠান্ডু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসাইন মোল্লা, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সাইদুর রহমান মিঠু, সদস্য সচিব আলামিন হোসাইনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সম্রাট হোসেন -এর হস্তক্ষেপে অষ্টম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার ইউএনও'র এই মহৎ উদ্যোগের জন্য এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গায়েহলুদে বসা ওই ছাত্রী অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কোমল চন্দ্র বিশ্বাস জানিয়েছেন, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সম্রাট হোসেন স্যারের নির্দেশনায় খাটুয়াডাংগা গ্রামে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, খাটুয়াডাংগা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রীর গায়েহলুদ অনুষ্ঠানের কার্যক্রম চলছে। বিষয়টি নিয়ে ছাত্রীর অভিভাবক, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে ইউএনও স্যারের নির্দেশনা ও বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। এক পর্যায়ে গায়েহলুদ দেওয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক ওই ছাত্রীর বাবা-মা সাদা কাগজে লিখিত অঙ্গীকারবদ্ধ হন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, মেয়েকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত না করে এবং আঠারো বছর বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দিবেন না।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হযরত আলী জানিয়েছেন, সকালে বিদ্যালয়ে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় মোবাইলে তাকে জানান, আপনার প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন গ্রামে এক ছাত্রীর বিবাহ হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ঘটনাটি সঠিক। এ সময় নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী ইউপি সচিব কোমল চন্দ্র বিশ্বাসকে নিয়ে ছাত্রীর বাবা-মায়ের সাথে কথা বলে গায়েহলুদ অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রধান শিক্ষক আরও জানান, মেয়েটি তার বিদ্যালয় থেকে এবার অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে এবং সে খুব মেধাবী ছাত্রী। খাটুয়াডাংগা গ্রামের মাওলানা আজিজুর রহমান, আবু সাইদ, রুস্তম আলী, রমজান আলী, জিয়াউর রহমানসহ একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজ একজন মেধাবী ছাত্রীর ভবিষ্যৎ জীবন রক্ষা করেছেন। বর্তমান ইউএনও'র এমন বাল্যবিবাহ রোধের জন্য এলাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সম্রাট হোসেন বলেছেন, এলাকাবাসীর খবর পেয়ে মেধাবী ছাত্রীর বাল্যবিবাহটি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এসব নিয়ে একাধিকবার উপজেলার পৌরসভা এবং পাড়া-মহল্লায় সচেতনতামূলক সেমিনার করা হয়েছে। তবে, শতভাগ নির্মূল করতে হলে সকলকে আরও বেশি আন্তরিক ও সচেতন হতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার একেএম জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন, পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে শৃঙ্খলা, আন্তরিকতা ও জনবান্ধব আচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, সুযোগ-সুবিধা এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয় এবং তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ২০২৩ ও ২০২৬ সালের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগস্ট ২০২৬ মাসে জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
এর মধ্যে অধিকতর চোরাচালান বিরোধী অভিযানে সাহসিকতা ও সফল নেতৃত্ব প্রদর্শনের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই (নিরস্ত্র) মাহমুদুল হাসানকে শ্রেষ্ঠ চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরে প্রধান অতিথি সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন এবং জেলা পুলিশ সুপার একেএম জাকির হোসেন তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
এ বিষয়ে এসআই মাহমুদুল হাসান জানান,এই স্বীকৃতি কেবল আমার একার নয়, এটি আমাদের পুরো জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের দলগত প্রচেষ্টার ফসল। বিশেষ করে আমাদের পুলিশ সুপার স্যারের দিকনির্দেশনা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়মিত উৎসাহ আমাদের কাজের স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। চোরাচালান ও যেকোনো অপরাধ দমনে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জনসেবা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আমি সবসময় আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সর্বোচ্চ সততা, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে যেতে বদ্ধপরিকর।
এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি ও কল্যাণে নেওয়া পদক্ষেপগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ