ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেরপুরে ডপস ক্যাডেট মেসের নবীনবরণ ও পাঠ্যপুস্তক বিতরণ


শেরপুরে ডপস ক্যাডেট মেসের নবীনবরণ ও পাঠ্যপুস্তক বিতরণ

শেরপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান পটেনশিয়াল সাসটেইনেবিলিটি (ডপস) পরিচালিত ক্যাডেট মেসের ২য় ব্যাচ শিক্ষার্থীদের জন্য নবীনবরণ এবং পাঠ্যপুস্তক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) রাতে, উৎসবমুখর পরিবেশে, শহরের গৌরীপুরস্থ ডপস ক্যাডেট মেস মিলনায়তনে প্রকাশ করা হয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং শেরপুর ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি রাজিয়া সামাদ ডালিয়া।

অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডপসের প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক শাহীন মিয়া, বিএসপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে শেরপুর সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আকরাম হোসাইন, ডিএসকের এমসিজিএল প্রজেক্টের কো-অর্ডিনেটর ডা. পারভীন আক্তার মিলি, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, বিশিষ্ট কবি এবং লেখক হাসান শরাফত, ডপসের সভাপতি সার্জেন্ট শহিদুর রহমান (অব.) এবং শিক্ষক রবিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরের অফিসপাড়ায় পাখির কলতানে সজীব পরিবেশ, প্রশাসনের সংরক্ষণ উদ্যোগ

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের সততা, শৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ এবং জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

ডপসের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ শাহিন মিয়া নবীন শিক্ষার্থীদের ডপস পরিবারে আন্তরিক স্বাগত জানিয়ে বলেন, “ঘর ছেড়ে আসা শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে সহায়তা করা এবং তাদের সুশৃঙ্খল, দায়িত্বশীল এবং আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই ডপসের মূল লক্ষ্য।”

এ সময় তিনি ডপসের দীর্ঘ পথচলার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং দুঃসময়ে পাশে থাকা শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সম্মানিত অতিথিবৃন্দ নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক তুলে দেন।

আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজায় সাদাপাথরে পর্যটকদের ভিড়, পাহাড়, স্বচ্ছ পানি ও পাথরের মিতালি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরও ৩ দেশে রপ্তানি সম্প্রসারিত করলো ভিশন ইলেকট্রনিকস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


আরও ৩ দেশে রপ্তানি সম্প্রসারিত করলো ভিশন ইলেকট্রনিকস

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আরএফএল ইলেকট্রনিকস লিমিটেড সম্প্রতি তাদের ভিশন ব্র্যান্ডের রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার (এসি) এবং অন্যান্য গৃহস্থালি পণ্য নতুনভাবে তিনটি দেশে রপ্তানি শুরু করেছে, সেসব দেশ হল নেপাল, আমেরিকান সামোয়া ও সেনেগাল।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানিকে আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি এসব নতুন বাজারে ভিশন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, এসি এবং অন্যান্য গৃহস্থালি পণ্যের চালান পাঠিয়েছে।

বর্তমানে এশিয়া, আফ্রিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২৫টিরও বেশি আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়মিতভাবে ভিশন পণ্য রপ্তানি করা হচ্ছে। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, এসব দেশে ভিশনের রেফ্রিজারেটর, এসি, ওয়াটার পিউরিফায়ার এবং মাইক্রোওয়েভ ওভেনের চাহিদা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্য পৌঁছে দেওয়া এবং দেশের রপ্তানি বাজারকে আরও বহুমুখী করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, ‘নেপাল, আমেরিকান সামোয়া ও সেনেগালের মতো নতুন বাজারে ভিশন পণ্যের প্রবেশ আমাদের বৈশ্বিক সম্প্রসারণ কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’

এছাড়া, আরএফএল ইলেকট্রনিকস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী মো. নুর আলম জানিয়েছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিশন ব্র্যান্ডের রেফ্রিজারেটর ও এসি তৈরি করা হয়, যা জ্বালানি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব। তিনি বলেন, ‘উন্নত ইনভার্টার প্রযুক্তি এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় নির্ভরযোগ্য কর্মক্ষমতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ভিশন পণ্য দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


শেরপুরে গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রশিক্ষণ

নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় শেরপুর সদর উপজেলার প্রাক প্রাথমিক স্তরের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য ২ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকালে সদর উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন, শেরপুরের উপ-পরিচালক এস এম মোহাই মোনুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা বিনতে রফিক। তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিকাশে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতী খলিলুর রহমান, আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান এবং আমিরুল ইসলাম।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নৈতিকতা, ধর্মীয় শিক্ষা ও সামাজিক মূল্যবোধ বিষয়ক বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক গুণাবলি, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিকাশে কার্যকর ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলামসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জ্বালানি খাতে বাড়ছে ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২১ পি.এম


ইরান যুদ্ধের প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জ্বালানি খাতে বাড়ছে ঝুঁকি

টানা কয়েক মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধের ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য একটি বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ)। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংস্থাটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি দ্রুত জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য না আনা হয়, তবে এ অঞ্চলে শত শত কোটি ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত তেল ও গ্যাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এর ফলে এ অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এটি একটি ‘কঠোর সতর্কবার্তা’ হিসেবে কাজ করছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্রমবর্ধমান বিক্রি, পারমাণবিক শক্তির প্রতি নতুন আগ্রহ এবং ছাদের ওপর সৌর ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি স্থাপনের ব্যাপক প্রসারের ফলে প্রমাণিত হয়েছে যে, ইরান যুদ্ধ পরিবর্তনের প্রেরণা যোগাচ্ছে। এখানে আরও সংস্কার প্রয়োজন।

অন্যথায় উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জ্বালানি আমদানির বিল ২০৩৪ সালে ৮০ বিলিয়ন ডলার থেকে তিনগুণ বেড়ে ২০৩৫ সালের মধ্যে ২৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

আইইএ-র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল বলেন, জ্বালানির উৎস ও সরবরাহ পথের বৈচিত্র্য আনা এখন একটি প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জ্বালানি সংকট মোকাবেলার এক কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে, যা জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি উত্থাপন করেছে।

আইইএ বলেছে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমানোর প্রচেষ্টার জন্য এটি একটি সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা এবং এই সংঘাত জ্বালানি সংকটের সময়ে কয়লার ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরদার করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পারমাণবিক শক্তির পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তবে এর নির্মাণ ও নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া এখনও বহু বছরের। ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম এবং ফিলিপাইন পারমাণবিক শক্তির পরিকল্পনায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে, কিন্তু তাদের সময়সীমা অনিশ্চিত।

সিঙ্গাপুরে অবস্থিত আইইএ আঞ্চলিক সহযোগিতা কেন্দ্রের প্রধান সু-আর্ন ট্যান বলেন, এই জ্বালানি সংকট কেবল স্বল্পমেয়াদী প্রতিক্রিয়াই নয়, বরং সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার এবং বিনিয়োগ কৌশলের একটি গভীর পুনর্মূল্যায়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল অ্যানালাইসিস-এর স্যাম রেনল্ডস বলেন, আইইএ-এর প্রতিবেদনটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে যে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। রেনল্ডস বলেন, যদি ইরান যুদ্ধ শেষ করার জন্য অস্থায়ী চুক্তি হয়, তবে সম্ভবত জীবাশ্ম জ্বালানির দাম বেশিই থাকবে, যার অর্থ হলো আমরা আরও উচ্চাভিলাষী পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহারের দিকে একটি প্রবণতা দেখতে পাব।

আইইএ বলেছে, নিজেদের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির সামগ্রিক চাহিদা কমাতে হবে। একই সঙ্গে জাতীয় গ্রিডগুলোকে আরও কার্যকর করতে এবং সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ ও ভূতাপীয় শক্তির মতো সব ধরনের নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আইইএ ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস পাওয়ার গ্রিড’-এর মতো আঞ্চলিক জ্বালানি ভাগাভাগির উদ্যোগগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ারও সুপারিশ করেছে। বিরোল বলেন, এই জ্বালানি সংকট থেকে পাওয়া সতর্কবার্তা প্রতিবেশী দেশগুলোকে রাজনৈতিক বাধাগুলো কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে যা এই প্রকল্পটিকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতটি একদিকে যেমন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বর্তমান জ্বালানি ব্যবস্থার একটি কঠিন পরীক্ষা, তেমনি এটি কাঠামোগত পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করার একটি অনুঘটকও।

সূত্র: এএফপি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনার ভাঙ্গনে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ী, আতঙ্কে ভাঙ্গন এলাকার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২১ পি.এম


যমুনার ভাঙ্গনে বিলীন শতাধিক বসতবাড়ী, আতঙ্কে ভাঙ্গন এলাকার মানুষ

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার মন্নিয়ারচর পানিবৃদ্ধির সাথে সাখে যমুনা নদীতে প্রবল ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে শতাধিক বসতভিটা ও কয়েক শত বিঘা ফসলি জমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, ফসলি জমি। এছাড়া ৮ কোটি টাকার ব্যায়ে সোলার প্যানেল, গুরুত্বপূর্ন সড়কসহ সরকারি-বেসরকারি নানা স্থাপনা। ভাঙন কবলিত এলাকায় ভাঙন রোধে কোনো সমাধান না পেয়ে স্থানীয়রা নিজেদের ব্যবস্থাপনায় বাঁশ ব্যবহার করে প্রতিরোধের চেষ্টা করছেন।

গত বছর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের চর মন্নিয়া গ্রামটি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এবার অসময়ে ভাঙনে পূর্ব মন্নিয়া গ্রামটির সিদ্দিক শেখ, আজিল্লা মাঝি, নিদেনু শেখ, জয়নাল হাওয়াদার, নহরুদ্দিন, লালমিয়া, আব্দুস সামাদ দোকানদার, হাজের আলী, আসাদ আলী, মুছা শেখ, কছির মন্ডল, হকমিয়া পরিবার সহ প্রায় শতাধিক বাড়িঘর ইতিমধ্যেই নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে তীব্র আকারে ভাঙন চলছে। নদীপাড়ের মানুষ নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে না পারলে ৭০ বছরের পুরোনো দ্বীপচর মন্নিয়ার গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। এলাকাবাসী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

স্থানীয়রা বলেন, রাক্ষসী যমুনার ভাঙনে বিগত দিনে চর মন্নিয়া গ্রাম বিলীন হয়ে গিয়েছে। অনেকেই নিঃস্ব হয়ে গ্রাম ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। আগ্রাসী যমুনা কয়েকদিন আগেও অনেক দূরে ছিল। এবার ভাঙতে ভাঙতে শতাধিক বাড়ীঘর বিলীন হয়ে গিয়েছে। বিগত দিনে কয়েক গ্রামের মানুষ ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে মানববন্ধন করেও কোনো প্রতিকার পাইনি। তাই এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে টাকা তুলে বাঁশের বাঁধ দিচ্ছি।

মন্নিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন বলেন, যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে, তাতে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা না নিলে কয়েক দিনের মধ্যেই বিলীন হয়ে যেতে পারে মুন্নিয়া ঐতিহ্যবাহী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানটি। আমাদের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি রক্ষা না হলে এ অঞ্চলে শিক্ষার মান পিছিয়ে যাবে। দক্ষিণ মন্নিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুন্নাহার খানাম বলেন, আমার স্কুল থেকে কয়েকশত গজ দূরে নদীর অবস্থান। এই স্কুলে শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চাই।

সাবেক ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম বলেন, যে ভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে, তাতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ফসলি জমিসহ অসংখ্য বসতঘর নদীতে চলে যাবে। আমরা আতঙ্কে রয়েছি। সরকার যদি দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়, তবে এ অঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ উপকৃত হবে। বেলগাছা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক আকন্দ বলেন, অসময়ে নদীভাঙন আমাদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে গেছে। ভাঙন ঠেকাতে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আমরা এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে বাঁশের বাঁধ দেব। তারপরেও স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠুফোন রিসিভ করেননি। জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নকিবুজ্জামান বলেন, যমুনার চর বিশাল একটি জায়গা। এখানে অল্প ডাম্পিং ভাঙন প্রতিরোধ হবে না। বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। সমীক্ষা করে প্রতিবেদন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%