ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় বাংলাদেশ গড়তে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী


জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় বাংলাদেশ গড়তে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ার জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছেন, জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

তিনি বুধবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটি’র সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা উল্লেখ করেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা বাস্তবায়নের জন্য শহীদ পরিবারগুলোর উপযুক্ত পুনর্বাসন এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের সুচিকিৎসা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে সরকার পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এই মন্ত্রণালয় এবং নবগঠিত জুলাই অধিদফতরের মাধ্যমে প্রতিটি শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধার কল্যাণে কাজ করা হবে; এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ থাকবে না।

আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। এই অঙ্গীকার থেকে আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদফতরকে সক্রিয় করে এর মাধ্যমে আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের জন্য কাজ করব। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাফল্য কোনো একক দলের নয়, এটি সম্পূর্ণ জাতির। শহীদ পরিবার ও আহতদের পরিচর্যা এবং সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৪৫-এর সংসদ সদস্য ও জুলাই শহীদ জাবিরের মাতা রোকেয়া বেগম।

অন্যান্য উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, অর্থ বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পরিকল্পনা বিভাগ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা; সরকার মনোনীত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের একজন প্রতিনিধি এবং জুলাই যোদ্ধাদের একজন প্রতিনিধি।

আরও পড়ুন: শহীদদের রক্তের দায় নিয়ে মাঠে, কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেব না: মামুনুল হক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, কারখানা মালিককে লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন, কারখানা মালিককে লাখ টাকা জরিমানা

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি করার অভিযোগে মন্ত্রণালয় কর্তৃক বগুড়ায় প্রিন্স সুপার আইসক্রিম নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এটি করা হয়েছে নিষিদ্ধ রাসায়নিক ও ক্ষতিকর রং ব্যবহার করে আইসক্রিম তৈরির অপরাধে। একই সময় ওই প্রতিষ্ঠানের ফ্রিজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ভেজাল আইসক্রিম জব্দ করে জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয়।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত শেরপুর উপজেলার বাগড়া কলোনি ও কুসুম্বি এলাকায় জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে অভিযানে অংশগ্রহণ করে।

এ বিষয়ে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি একটি দীর্ঘ সময় ধরে অনিবন্ধিত অবস্থায় শিশুখাদ্য আইসক্রিম প্রস্তুতি করছিল প্রিন্স সুপার আইসক্রিম। অভিযানে দেখা যায়, কারখানাটিতে আইসক্রিম তৈরিতে নিষিদ্ধ রাসায়নিক ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) ও ক্ষতিকর টেক্সটাইল রং ব্যবহার করা হচ্ছিল। তাছাড়া, ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিমের কোন কাপ প্রস্তুত করার প্রমাণও পায়।

অপরাধ স্বীকার করায় নিরাপদ খাদ্য আইনে কারখানার স্বত্বাধিকারী মো. শিহাব উদ্দিনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিক আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেন।

অপর দিকে, অভিযানে বগুড়া জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল এবং শেরপুর উপজেলার দায়িত্বে থাকা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক তাহমিনা আক্তারসহ আরও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বগুড়া জেলা পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

এ প্রসঙ্গে বগুড়া জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে সব সরকারি আইন ও বিধি মেনে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযানের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুমতীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বাজার-বসতভিটা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


মধুমতীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বাজার-বসতভিটা

৭০ বছর বয়সী বিজলী বিশ্বাস জীবনের শেষ বয়সে এসে সরকারের কাছে একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই চান।

তার দাবি, সরকার উদ্যোগ নিলে বেড়িবাঁধ বা অন্য কোনো উপায়ে এ ভাঙন রোধ করা সম্ভব।

বৃদ্ধা রূপা রানী দাস বিয়ের পর সাচিয়া বাজার এলাকায় স্বামীর সংসারে এসেছিলেন।

নদীভাঙনের কারণে তার স্বামীর সমাধির শেষ চিহ্নটুকুও আজ আর নেই; হারিয়েছেন সাতটি ভিটা।

নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বর্তমানে অন্যের ভাড়া বাসায় থাকা রূপা রানী।

এক সময়ের বড় ব্যবসায়ী কৃপা বিশ্বাস মধুমতীর গ্রাসে আজ নিঃস্ব।

তার মতে, শত বছরের সাচিয়া বাজার টিকে থাকলে শত শত মানুষ জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে, তাই দ্রুত ভাঙন রোধ করা জরুরি।

এমন নিঃস্ব হওয়ার গল্পের শেষ নেই নদীপাড়ের মানুষের।

প্রতিবছরই ভাঙছে। জনপদ গিলে খাচ্ছে মধুমতী নদী।

এভাবে চলে আসছে প্রায় চার দশক ধরে।

গত ১০ আগস্ট নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে হারিয়ে গেছে অন্তত সাতটি দোকান ও বসতঘর।

শুধু সাত দোকান-বসতভিটা নিয়েই ক্ষ্যান্ত হওয়ার লক্ষণ নেই পিরোজপুরের নাজিরপুরের মধুমতী নদীর।

শতবর্ষী সাচিয়া বাজার ও এর আশপাশের এলাকার বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে নদীটির ভাঙনে।

সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মধুমতীর তীব্র স্রোতে এরই মধ্যে হারিয়ে গেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন।

এছাড়া সাচিয়া বাজারের মসজিদ ও মন্দিরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এখন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

যেকোনো সময় এসব স্থাপনা নদীতে বিলীন হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

এলাকাবাসী জানায়, ভাঙনের ফলে এলাকার অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

সহায়-সম্বলসহ ভিটেমাটি হারিয়ে অনেকে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

কিছু পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে ভাড়া বাসায় উঠেছে।

নদীপারের মানুষের হাহাকার ও আতঙ্কে পুরো এলাকায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয়দের দাবী, অস্থায়ী জিও ব্যাগ ফেলে এই ভয়াবহ নদীভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়।

মধুমতী নদীর হাত থেকে সাচিয়া বাজার, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং বসতভিটা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে হবে।

পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবু জাফর মো. রাশেদ খান জানান, আমাদের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের ভিত্তিতে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

তবে ব্লক বা বেড়িবাঁধের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ।

আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া সবার দায়িত্ব: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া সবার দায়িত্ব: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমমর্যাদা দেওয়া এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া সবার দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, "কেউ স্বেচ্ছায় প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মায় না।"

কামাল আরও বলেন, শিক্ষার্থী ও ব্যক্তিদের প্রতি সম্মান দেখানোর মাধ্যমে আমাদের সকলের উচিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আমাদের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। সংসদ সদস্যদের অন্যতম পবিত্র দায়িত্ব হল মানুষকে মর্যাদা দেওয়া।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সংসদ সচিবালয়ে এক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ব্লাইন্ড এডুকেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (বার্ডো) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. সাইদুল হকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।

সাক্ষাতে বৈশ্বিক পরিসরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের যথাযথ সুরক্ষা, শিক্ষার অধিকার এবং মানুষ হিসেবে সমতার অধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে মতবিনিময় হয়। এ সময় রাজনৈতিক দলগুলোতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের অধিকার ও সুরক্ষায় সংসদীয় ককাস গঠনের আহ্বান জানানো হয়।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য যথাযথ আইনি সুরক্ষা ও মানসম্মত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাদের শিক্ষা, পুনর্বাসন ও স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উদ্যোগ আরো জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

উল্লেখ্য, বার্ডো মূলত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীসহ অন্যান্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, পুনর্বাসন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. সাইদুল হক বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা ও পুনর্বাসনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’-এ ভূষিত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ : সিইসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ : সিইসি

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পূর্ণ সুন্দর ও সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমাদের যতরকম প্রস্তুতির প্রয়োজন, তা আমরা সম্পন্ন করেছি। আমাদের প্রস্তুতির মধ্যে কোনো ঘাটতি নেই। এই নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা পাচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস, সুন্দর একটা নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে এখন বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে। সুতরাং এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি আমার জন্য এক ধরনের ভাগ্যের কথা।

সিইসি বলেন, দেশবাসী, পুরা জাতি এবং বিশ্ববাসী জানে, আমাদের একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। আপনারা সবাই জানেন, ১৯৯১ সালে প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। এর পর আর হয়নি। এ কারণে আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা অভ্যস্ত নই। সংসদ সচিবালয় যেখানে গভীরভাবে ইনভলভ থাকে, তারা এই ধরনের কার্যক্রমে অভ্যস্ত না। তবে, আমরা যত রকমের কাজ করা সম্ভব এবং প্রয়োজন, তা করেছি। যাতে করে আমাদের পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে কোনো গ্যাপ না থাকে।

তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের আইনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা রয়েছে। আইন এবং বিধিমালার আলোকে আমরা নিশ্চিত করেছি যে কয়েকটি স্তরে এই কার্যক্রমটাকে ভাগ করা যায়। প্রথমত, যদি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে থাকে তাহলে এক ধরনের ব্যবস্থা। আর যদি অধিবেশনে না থাকে, তবে আরেক ধরনের ব্যবস্থা। এখন আমাদের জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছে না। অধিবেশন ডাকতে হবে, এমনও নয়। নির্বাচনের জন্য একটি বৈঠক আহ্বান করলেই চলবে। আইন অনুযায়ী এটি নির্বাচনী কর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া আছে। তিনি একটি বৈঠক আহ্বান করবেন। সংসদ সদস্যগণ ভোট দেবেন।

তিনি আরও জানান, আমরা এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছি। আমাদের ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৩৪৯ জন। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে। এখানে আমাদের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধী দলীয় নেতা সবই ভোটার।

সিইসি জানান, প্রথমে যখন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার এবং বিরোধী দলের নেতা ভোট দেবেন, তখন তা লাইভ টেলিকাস্ট হবে। এরপর ৫টার সময় ভোট গণনা শুরু হলে, আবারও লাইভ টেলিকাস্ট হবে। সংসদ সদস্যরা যেহেতু ভোটার, তারা ভোট দিয়েই চলে যাবেন, এমন নয়, তারা উপস্থিত থাকতে পারবেন। তারা ভোট গণনার সময়ও থাকতে পারবেন। এটি খুব স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্যে হবে। তাই এখানে কারো কোনো আপত্তির কথা হওয়ার কথা নয়।

কোন প্রার্থী কতটি ভোট পেল, কতটি ভোট বাতিল বা নষ্ট হলো, এসব সংখ্যা বিস্তারিত আমি ঘোষণা করব। যিনি বিজয়ী হবেন অথবা যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাবেন, তার নাম ঘোষণা করে দিব। এর পর গেজেট প্রকাশ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%