ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট স্কুল ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফাইনালিস্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে


নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট স্কুল ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফাইনালিস্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে

নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ব্রিটিশ কাউন্সিল (এনএইচসিআইএস) পার্টনার স্কুলস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর ‘লিডারশিপ ইন টিচিং’ ক্যাটাগরিতে ফাইনালিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এই ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলটি ঢাকার দিলু রোডে অবস্থিত।

এনএইচসিআইএসকে এই ক্যাটাগরিতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং চূড়ান্ত বিজয়ী সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্কুলটির এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে শিক্ষক উন্নয়ন, কারিকুলাম এবং ইনস্ট্রাকশনাল লিডারশিপের ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

প্রিন্সিপাল মারিয়াম নূর ইউনুসের নেতৃত্বে, স্কুলটি শিক্ষকদেরকে গতানুগতিক ভূমিকা থেকে বের করে আনার জন্য কাজ করছে। শিক্ষকরা যেন কেবল পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নকারী না হয়ে ‘কারিকুলাম ডিজাইনার’ হিসেবে কাজ করতে পারেন—এমন উদ্দেশ্যে তাদের উৎসাহিত ও সহায়তা করা হচ্ছে। শিক্ষকদেরকে বোঝানো হচ্ছে যে, তারা শুধু কী পড়াচ্ছেন তা নয়, বরং কেন পড়াচ্ছেন, শিক্ষার অগ্রগতি কীভাবে হওয়া উচিত এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী পাঠ্যক্রমকে কীভাবে রূপ দেওয়া যায়।

শিক্ষকরা নিয়মিত যৌথ পরিকল্পনা, পেশাগত শিখন সেশন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নিয়ে পর্যালোচনা এবং কারিকুলাম উন্নয়নে অংশগ্রহণ করেন। ফলে শিক্ষাদানকে কেবল একটি নির্ধারিত সিলেবাস শেষ করার কাজ হিসেবে না দেখে একটি পেশাগত দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।

প্রিন্সিপাল মারিয়াম নূর ইউনুস বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, সবচেয়ে শক্তিশালী ক্লাসরুমগুলো গড়ে তোলেন সেই শিক্ষকরা, যাদের শুধু নির্দেশ মেনে চলার বদলে ভাবা, ডিজাইন করা এবং নতুন কিছু সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হয়। শিক্ষকরা যখন কারিকুলামের স্থপতি হন, তখন শিক্ষার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদের গভীর অনুধাবন তৈরি হয়, যা স্বাভাবিকভাবেই শ্রেণিকক্ষে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।”

স্কুলটির এই পদ্ধতি মূলত শিক্ষকদের ‘কারিকুলাম আর্কিটেক্ট’ বা কারিকুলামের স্থপতি হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেয়। তারা পাঠ্যক্রমের উদ্দেশ্য, শিক্ষাদান পদ্ধতি, মূল্যায়ন এবং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত চাহিদার মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে সক্ষম হন। এর মূল লক্ষ্য হলো কারিকুলামের ধারণাগুলো যেন কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ না থেকে শ্রেণিকক্ষে বাস্তব ও অর্থবহ অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়।

আরও পড়ুন: ক্যাবের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম না বাড়ানোর দাবি, বিইআরসির গণশুনানি বৃহস্পতিবার

সুতরাং, নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ব্রিটিশ কাউন্সিল (এনএইচসিআইএস) এর জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিলের এই স্বীকৃতি কেবল ফাইনালিস্ট হওয়ার চেয়েও বেশি কিছু। এটি স্কুলটির সেই পেশাগত সংস্কৃতিরই একটি স্বীকৃতি, যা তারা যত্ন সহকারে গড়ে তুলছে—আরও দক্ষ শিক্ষক, কারিকুলামের ওপর স্বকীয় অধিকার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উদ্দেশ্যপূর্ণ শিখন পরিবেশ।

মারিয়াম নূর ইউনূস আরও যোগ করেন, “এই ক্যাটাগরিতে অন্যান্য শক্তিশালী স্কুলের পাশাপাশি স্বীকৃতি পেয়ে আমরা গর্বিত। তবে আমার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন হলো আমার শিক্ষকদের আত্মবিশ্বাস ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ দেখা। শিক্ষকরা যখন চিন্তাবিদ, ডিজাইনার এবং শিক্ষার স্থপতি হয়ে ওঠেন, তখন তারা এমন ক্লাসরুম তৈরি করতে পারেন যেখানে শিক্ষাদান ও শেখার পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৯ অক্টোবর ঢাকায় শুরু হচ্ছে এআই-নির্ভর বিটিটিএফ মেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


২৯ অক্টোবর ঢাকায় শুরু হচ্ছে এআই-নির্ভর বিটিটিএফ মেলা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং টেকসই পর্যটনকে কেন্দ্র করে আগামী ২৯ অক্টোবর ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬। এই মেলা তিন দিনব্যাপী চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে এ মেলা। বিটিটিএফের ১৪তম আসর হিসেবে এবারের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘এআই পাওয়ার ট্যুরিজম, সাসটেইনেবল ডেস্টিনেশন’।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন টোয়াবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হানিফ।

আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এবারের মেলায় ২০টির বেশি দেশের পর্যটন সংস্থা ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে ভারত, নেপাল, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মেলায় ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল থাকবে। এতে ২২০ জনের বেশি প্রদর্শক এবং ২৫০ জনের বেশি সম্ভাব্য বাণিজ্যিক ক্রেতা অংশগ্রহণ করবেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, মেলায় ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি বাণিজ্যিক দর্শনার্থী এবং ৬০ হাজারের বেশি সাধারণ দর্শনার্থীর সমাগম ঘটবে। চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনীতে ২০০টির বেশি এয়ারলাইনস, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর অংশগ্রহণ করবে।

এবারের মেলার টাইটেল স্পনসর হিসেবে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। আয়োজকদের আশা, এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ হানিফ মন্তব্য করেন, বিটিটিএফের পূর্ববর্তী ১৩টি আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এই মেলা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এবারের আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটনকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার ও নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ ও এফবিসিসিআই।

এবারের মেলার এয়ারলাইনস পার্টনার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, প্ল্যাটিনাম হসপিটালিটি পার্টনার ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট, জিডিএস পার্টনার সেবার, পিআর পার্টনার ইমপ্যাক্ট কমিউনিকেশনস লিমিটেড, টেকনোলজি পার্টনার এম৩৬০আইসিটি, ট্রান্সপোর্ট পার্টনার কনভে সার্ভিস এবং ডিজিটাল পার্টনার মায়েস্ট্রো। অডিওভিজ্যুয়াল পার্টনার হিসেবে রয়েছে প্যানোরামা পিসি ক্রিয়েটরস ও রুচি।

বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরার এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ খাতের যোগাযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কাজ করছে টোয়াব। এবারের বিটিটিএফ থেকে পর্যটন ব্যবসায় নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধার শহীদ মিনারে লাথি-ভাঙচুর, অভিযুক্ত প্রশিক্ষক আহসান হাবিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


গাইবান্ধার শহীদ মিনারে লাথি-ভাঙচুর, অভিযুক্ত প্রশিক্ষক আহসান হাবিব

গাইবান্ধার বাংলাবাজারে অবস্থিত কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (এটিআই) ভেতরে শহীদ মিনারের একটি পিলারের নিচের টাইলস হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রশিক্ষক আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে এই ঘটনা ঘটেছে।

এর আগে, গত ১৮ অক্টোবর একই শহীদ মিনারে লাথি মারার পাশাপাশি আবর্জনা ফেলে গালিগালাজ করেন তিনি। আহসান হাবিব সেই ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।

কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. মাহবুবার রহমান জানান, অভিযুক্ত প্রশিক্ষক মোহাম্মদ আহসান হাবীব ১৮ অক্টোবর ফেসবুক লাইভে এসে শহীদ মিনারের ওপরে উঠে অবমাননাকর বক্তব্য প্রদান করেন এবং লাথি মারেন। এই ঘটনার ভিডিও প্রমাণ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে রয়েছে। এ ঘটনায় দাপ্তরিক পরামর্শ অনুযায়ী একটি অভিযোগপত্র পাঠানো হয়েছে এবং গত ১৯ অক্টোবর গাইবান্ধা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

অধ্যক্ষ আরও জানান, রবিবার থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসে সাক্ষাৎ করার পর, সোমবার সকালে আহসান হাবিব আবারও উগ্র আচরণ করেন এবং ইনস্টিটিউটের শহীদ মিনারের মাঝের একটি পিলারের নিচের বেশ কিছু টাইলস হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, সিলেটের হবিগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে সহকর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগও এই বিসিএস কর্মকর্তার (নন-ক্যাডার) বিরুদ্ধে উঠেছিল। সে সময় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল, পরে ২০২৬ সালে পুনরায় চাকরিতে বহাল করা হয়। কিন্তু তার আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিচালক ও প্রশিক্ষণ উইংয়ের পরিচালককে জানানো হয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান মাহবুবার রহমান।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, জনপ্রিয় হলো কিভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, জনপ্রিয় হলো কিভাবে

শারীরিক চেহারার উন্নতি, ঘুমের মান বৃদ্ধি এবং নিজেকে উন্নত করার বিভিন্ন প্রচেষ্টা বর্তমানে ইন্টারনেটে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই প্রবণতার প্রতিফলন হিসেবে ‘ম্যাক্সিং’ শব্দটিকে ২০২৬ সালের সেরা শব্দ হিসেবে ঘোষণা করেছে ‘ডিকশনারি ডটকম’।

শব্দটি একটি অনলাইন প্রবণতাকে নির্দেশ করে, যেখানে মানুষ জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনের জন্য চেষ্টা করে। এটি শারীরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি, ভালো ঘুম নিশ্চিত করা অথবা জীবনযাপনের মান উন্নত করার মতো বিষয়গুলোর সাথে সম্পর্কিত।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ডিকশনারি ডটকম অনলাইন অনুসন্ধান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা এবং সংবাদমাধ্যমে শব্দটির ব্যবহার বিশ্লেষণ করে এই ঘোষণা দেয়।

‘ম্যাক্সিং’ বলতে কী বোঝায়?

‘ম্যাক্সিং’ শব্দটি এসেছে ইংরেজি ‘ম্যাক্সিমাম’ এবং ‘ম্যাক্সিমাইজিং’ থেকে, যা নির্দেশ করে কোনো কিছুকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ধারণাকে। জীবনের কোনো একটি দিক, অভ্যাস বা কাজকে যতটা সম্ভব উন্নত করার প্রচেষ্টাকেই ‘ম্যাক্সিং’ বলা হয়।

বিবিসি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ডিকশনারি ডটকমের নথিতে শব্দটির ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালের মাসিক গড়ের তুলনায় ২০২৬ সালের আগস্টে ডিজিটাল মাধ্যমে শব্দটির ব্যবহার প্রায় ১৯ গুণ বেড়ে যায়।

শব্দটি এককভাবে ব্যবহারের পাশাপাশি অন্যান্য শব্দের সঙ্গেও যুক্ত হয়। যেমন শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে বলা হয় ‘জিমম্যাক্সিং’, ঘুমের মান উন্নত করার প্রচেষ্টাকে ‘স্লিপম্যাক্সিং’ এবং প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে ‘প্রোটিনম্যাক্সিং’ বলা হয়।

অর্থাৎ, নিজের কোনো একটি দিককে যতটা সম্ভব উন্নত বা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টাই হলো ‘ম্যাক্সিং’।

‘ম্যাক্সিং’ কীভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠল?

এই শব্দটির উৎপত্তি মূলত গেমিং বা ভিডিও গেমের পরিভাষা থেকে এসেছে। গেমিংয়ে ‘মিন-ম্যাক্সিং’ নামে একটি ধারণা বিদ্যমান, যেখানে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে শক্তিশালী করা হয়।

বর্তমানে এর জনপ্রিয়তার সঙ্গে ‘লুকসম্যাক্সিং’-এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এটি এমন একটি অনলাইন প্রবণতা, যা মূলত শারীরিক চেহারার উন্নতির ওপর গুরুত্ব দেয়। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ম্যাক্সিং’ প্রবণতাটি প্রথমে পুরুষ-প্রধান অনলাইন কমিউনিটিগুলোতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং পরে এটি মূলধারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

তবে এই প্রবণতার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, সৌন্দর্য নিয়ে অবাস্তব মানদণ্ড তৈরি হওয়া এবং সব সময় নিজেকে উন্নত করার চাপ মানুষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

‘ম্যাক্সিং’ কেন বেছে নেওয়া হলো?

ডিকশনারি মিডিয়া গ্রুপের অভিধান প্রণয়ন বিভাগের পরিচালক স্টিভ জনসন সিবিএস নিউজকে বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে শব্দটির ব্যাপক ব্যবহারই ‘ম্যাক্সিং’কে ২০২৬ সালের সেরা শব্দ হিসেবে বেছে নেওয়ার অন্যতম কারণ।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘লুকসম্যাক্সিং’ শব্দটির ব্যবহার ১ হাজার শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। শব্দটি মূলত নিজের শারীরিক সৌন্দর্য ও চেহারার আকর্ষণীয়তা বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে নির্দেশ করে।

কর্মক্ষেত্রেও ‘ম্যাক্সিং’ শব্দটির ব্যবহার ছড়িয়ে পড়েছে। এর একটি উদাহরণ হলো ‘টোকেনম্যাক্সিং’। এর মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহার যতটা সম্ভব বাড়ানোর প্রবণতাকে বোঝানো হয়।

ডিকশনারি ডটকমের ২০২৬ সালের সেরা শব্দ নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় রয়েছে ২০২৫ সালের বিজয়ী শব্দ ‘৬৭’। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এই শব্দটি মূলত অদ্ভুত ও অর্থহীন ধরনের হাস্যরসের সঙ্গে যুক্ত।

‘ম্যাক্সিং’ শব্দটিকে বছরের সেরা শব্দ হিসেবে বেছে নেওয়ার মাধ্যমে আধুনিক ইংরেজি ভাষায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এটি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শারীরিক সৌন্দর্য উন্নত করা এবং ব্যক্তিগত জীবনে আরো ভালো করার প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আগ্রহেরও প্রতিফলন ঘটায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদদের রক্তের দায় নিয়ে মাঠে, কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেব না: মামুনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


শহীদদের রক্তের দায় নিয়ে মাঠে, কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেব না: মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘আমরা মাঠে তামাশা করতে বা খেলতে নামিনি। আমাদের দাবি হলো—সংবিধান সংস্কার ও রাষ্ট্র মেরামতের দাবি, হাজার হাজার শহীদের রক্তের দায় নিয়ে মাঠে নেমেছি। তাই আমরা কোনো ষড়যন্ত্র বা চক্রান্তে পা দেব না ইনশাআল্লাহ।’

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমাদের এই ঐক্য শুধুমাত্র ১১ দলের নয়, এটি জনগণের ঐক্য। বাংলাদেশের রূপরেখা ও গতিপথ নির্ধারণ করা, আধিপত্যবাদকে মোকাবিলা ও ফ্যাসিবাদের পথ রুদ্ধ করার যে লড়াই—তাতে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি এবং ধীরে ধীরে এই ঐক্যের পরিসর আরও বাড়বে।’

বৈঠকটি বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১১ দলের শীর্ষ নেতা ও মহাসচিবরা উপস্থিত ছিলেন। মূলত আগামী ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া’ লংমার্চের প্রস্তুতিমূলক আলোচনার জন্য এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লংমার্চের সময় সেখানে হামলার আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা সেই আশঙ্কা করি না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি সজাগ থাকে, তবে এমন কোনো আশঙ্কা নেই। আমরা আমাদের কর্মসূচি স্বাভাবিকভাবেই পালন করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ মাঠে রয়েছেন। আমরা আশা করি গোপালগঞ্জে বিপুলসংখ্যক ইসলামপন্থী ও দেশপ্রেমিক জনগণ রাজপথে থাকবেন। যেকোনো দুর্ভিসন্ধিমূলক অপতৎপরতা বা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রাজপথেই মোকাবিলা করা হবে ইনশাআল্লাহ। গোপালগঞ্জ প্রশাসনকে আমরা বলেছি—তারা যেন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করে; কোনো অনভিপ্রেত পরিস্থিতি তৈরি হলে তার দায় সম্পূর্ণ সরকার ও প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।’

মামুনুল হক বলেন, গণভোটের রায় কার্যকর করার দাবিসহ নাগরিক জীবনের বিভিন্ন সংকট সমাধানের লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে পূর্বে চট্টগ্রাম ও রংপুরে লংমার্চ পালন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত তৃতীয় লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির (তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, সার) মূল্যবৃদ্ধি রোধ, নির্লজ্জ দলীয়করণ বন্ধ, শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ড, জুলাই গণহত্যা ও শাপলা চত্বরের গণহত্যাসহ সব হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জোরালো দাবি তোলা হবে।

মামুনুল হক আরো বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরা আশা করছি, পূর্বের দুটি লংমার্চের মতোই ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই কর্মসূচি সফল হবে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শান্তিপূর্ণ এই কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করবে এবং কোনো পক্ষ থেকে বাধা-বিঘ্ন সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হবে না বলে আশা করি। কোনো অপতৎপরতা দৃষ্টিগোচর হলে তা প্রতিহত করেই লংমার্চ সফল করা হবে ইনশাআল্লাহ।’

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রাণের দাবি আদায়ে ঘোষিত এই লংমার্চে সকল দেশপ্রেমিক নাগরিকে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।’

তিনি জানান, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ হবে। লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে সংবাদ মাধ্যমসহ সবার ইতিবাচক ভূমিকা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

চলমান জাতীয় সংকট প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত সংসদ ও রাজপথে সরকারকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়েই সহনশীল কর্মসূচি দিয়ে আসছি। কিন্তু মনে হচ্ছে, সরকার বিরোধী দলের এই সহযোগিতা গ্রহণে ইচ্ছুক নয় এবং তাদের সেই মানসিকতাও নেই। তাই স্পষ্ট বার্তা—জনগণের অধিকার আদায়ে আমরা প্রয়োজনে আরও কঠোর হব। সরকারকে আহ্বান জানাব—জনগণের যে আমানত নিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন, তাদের মনোভাব অনুধাবন করুন; অন্যথায় পরিণতি ভালো হবে না।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে—এমন আস্থা আমরা রাখতে পারছি না। নির্বাচন কমিশনের সচিব পর্যায়ে দলীয় লোক নিয়োগের মাধ্যমে সরকার যে ভূমিকা পালন করেছে, তা উদ্বেগজনক। ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনেও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা আশঙ্কাজনক। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করুক। ব্যত্যয় ঘটলে আমরা চুপ করে থাকব না, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় কঠোর পদক্ষেপ নেব। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বড় কর্মসূচির দিকে যেতে বাধ্য হব।’

সাম্প্রতিক আইজিপির বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শকের সাম্প্রতিক বক্তব্য অত্যন্ত আতঙ্কজনক ও উদ্বেগের বিষয়। দেশের আইনি ব্যবস্থার সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল পদ থেকে কীভাবে বিচারবহির্ভূত ‘ক্রসফায়ার’-এর মতো বক্তব্য দেওয়া হতে পারে? এতে আমরা স্তম্ভিত ও শঙ্কিত।’

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরের আয়োজন ও সফরসঙ্গীদের তালিকা দেখে দেশের মানুষ হতবাক। এমন ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন, যাদের কোনো প্রতিনিধিত্ব বা রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল নেই। রাষ্ট্রীয় সফরকে বিনোদন ও ঘোরাঘুরির সফরে পরিণত করা হচ্ছে। দেশ কোথায় যাচ্ছে এবং কারা দেশ চালাচ্ছে—তা নিয়ে জাতির মনে সংশয় তৈরি হয়েছে।’

আসন্ন সংসদ অধিবেশন প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, ‘সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ঘনাচ্ছে, যা নিয়ে বিরোধী দলের মধ্যে আশঙ্কা রয়েছে। জাতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সমাধান করার ক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে আমরা সন্দিহান। আসন্ন সংসদ অধিবেশনের প্রাক্কালে বিরোধী দল আবার বৈঠকে বসবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে।’

ভারতের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘যাঁরা এ ধরনের অভিযোগ করছেন, তারা বোধহয় সঙ্গে ছিলেন; তাই তাঁরাই ভালো বলতে পারবেন।’

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান আযাদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%