ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১০ জনের লিভারপুলকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটি


১০ জনের লিভারপুলকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটি

অ্যানফিল্ডে শুরুতে লড়াই জমলেও, শেষ পর্যন্ত লিভারপুল ম্যানচেস্টার সিটির সামনে দাঁড়াতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে রায়ান গ্রাহানবাচের লাল কার্ড দেখার পর পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় সিটি। একের পর এক তিনটি গোল করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মারেস্কার দল।

রোববার (১১ অক্টোবর) লিভারপুলের মাঠে সিটিজেনরা ৩-০ গোলে জয় লাভ করেছে। এই জয়ের ফলে তারা লিগে টানা ছয় ম্যাচে ছয় জয় নিয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছে।

প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরিতে ভুগছিল। বিরতির পর লিভারপুলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের বিপক্ষে সিটির দু'টি ভালো সুযোগ থাকলেও তারা গোল করতে পারেনি। অন্যদিকে, দোনারুম্মার দুর্দান্ত ডাবল সেভে লিভারপুল গোলবঞ্চিত হয়।

আরও পড়ুন: বেটিং কেলেঙ্কারিতে তুরস্কে ১৪৭ ক্লাব কর্মকর্তা নিষিদ্ধ

৬২তম মিনিটে গ্রাহানবাচ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। এরপরই ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। ৬৫তম মিনিটে আর্লিং হলান্ড গোল করে সিটিকে এগিয়ে দেন। তিন মিনিট পর জেরেমি ডোকু ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ৭৮তম মিনিটে রায়ান চেরকির গোলে সফরকারীদের জয় নিশ্চিত হয়।

ছয় ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সিটি শীর্ষে রয়েছে। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে আর্সেনাল দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ৯ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে অবস্থান করছে লিভারপুল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ পুলিশের ১৪৯ কর্মকর্তা পরিদর্শক পদে পদোন্নতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ এম


বাংলাদেশ পুলিশের ১৪৯ কর্মকর্তা পরিদর্শক পদে পদোন্নতি

বাংলাদেশ পুলিশের ১৪৯ কর্মকর্তাকে পরিদর্শক পদে উন্নীত করার প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) পুলিশ সদর দফতর থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পদোন্নতির বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, উপ-পরিদর্শক পদ থেকে পরিদর্শক পদে উন্নীত হয়েছেন ১৪০ জন। অপরদিকে, সার্জেন্ট পদ থেকে পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেছেন আরও ৯ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিবুতি উপকূলে নৌকাডুবিতে ১৩৯ অভিবাসীর মৃত্যু, ৮৪ জন নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ এম


জিবুতি উপকূলে নৌকাডুবিতে ১৩৯ অভিবাসীর মৃত্যু, ৮৪ জন নিখোঁজ

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : ইয়েমেনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে জিবুতির উপকূলে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৩৯ অভিবাসীর মৃত্যু ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে ১৫টি শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাতিসংঘের একটি সংস্থা রোববার জানায়, এ ঘটনায় আরও ৮৪ জন নিখোঁজ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) এক বিবৃতির মাধ্যমে নাইরোবি থেকে এএফপি জানায়, ৩০৫ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি গত ৮-৯ অক্টোবর রাতে জিবুতির ওবক শহরের উত্তরে উল্টে যায়। যাত্রীদের অধিকাংশই ইথিওপীয় নাগরিক ছিলেন।

আইওএমের মিশনপ্রধান আলেক্সান্দ্রে কোয়িসাক এএফপিকে বলেন, ‘বেঁচে ফেরা ব্যক্তিরা আমাকে জানিয়েছেন, নৌকায় ওঠার পরপরই সেটি পেছনের দিকে ডুবতে শুরু করে।’

তিনি এর আগে বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি প্রাণহানির এক ভয়াবহ ঘটনা।’

কোয়িসাক আরও বলেন, ‘যারা বেঁচে ফিরেছেন এবং যারা স্বজন হারিয়েছেন কিংবা এখনও তাদের স্বজনদের কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না, তাদের সবার প্রতি আমাদের সমবেদনা।’

আইওএম প্রথমে ১০৯ জনের মৃত্যু ও ১১৬ জন নিখোঁজ থাকার তথ্য দিয়েছিল। পরে আরও মরদেহ উদ্ধারের পর সংস্থাটি সংশোধিত বিবৃতিতে জানায়, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৯ এবং নিখোঁজের সংখ্যা কমে ৮৪ হয়েছে।

কোয়িসাক বলেন, জরুরি সহায়তা দিতে আইওএমের দল জিবুতির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘অর্থনৈতিক সুযোগের সন্ধানে বাব আল-মান্দেব প্রণালি পেরিয়ে ইয়েমেনে এবং সেখান থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে গিয়ে এই অভিবাসনপথে মানুষ কী ধরনের বিপদের মুখোমুখি হন, এ মর্মান্তিক ঘটনা তারই নির্মম স্মারক।’

কোয়িসাক জানান, নৌকাডুবিতে বেঁচে যাওয়া একজনের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। ওই ব্যক্তি উত্তর ইথিওপিয়ার টাইগ্রে অঞ্চলের বাসিন্দা। সেখানে সাম্প্রতিক সহিংসতা বৃদ্ধির মধ্যে বিদ্রোহীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের লড়াই চলছে।

বিপজ্জনক ইয়েমেন রুট

আইওএমের প্রাথমিক বিবৃতি অনুযায়ী, এর আগে উদ্ধার করা ১০৯টি মরদেহের মধ্যে ৫২ জন পুরুষ, ৪২ জন নারী ও ১৫টি শিশু ছিল। শিশুদের মধ্যে নয়জন মেয়ে ও ছয়জন ছেলে।

সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী, নৌকাডুবিতে বেঁচে যাওয়া ৮২ জনই ইথিওপীয় নাগরিক।

আইওএম বলেছে, ‘দারিদ্র্য, নিরাপত্তাহীনতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব অনেক মানুষকে এই বিপজ্জনক যাত্রায় নামতে বাধ্য করছে, যদিও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিতিশীলতা বাড়ছে।’

সংস্থাটি জানায়, ওবকের একটি অভিবাসী কেন্দ্রে ৬৪ জন বেঁচে ফেরা ব্যক্তিকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নিখোঁজ ব্যক্তিদের নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় জিবুতির কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।’

আইওএম এই ঘটনাকে ওই অভিবাসনপথে নথিভুক্ত ‘সবচেয়ে প্রাণঘাতী নৌকাডুবির ঘটনাগুলোর একটি’ বলে উল্লেখ করেছে।

আইওএমের মুখপাত্র কেনেডি ওমোন্দি ওকোথ এ সপ্তাহে এএফপিকে বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ইথিওপিয়া থেকে ১ লাখ ৭৮ হাজার মানুষ জিবুতিতে পৌঁছেছেন।

তিনি জানান, ইয়েমেনে সংঘাত বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ইথিওপিয়া থেকে জিবুতিতে ২০ হাজারের বেশি মানুষের সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনা শনাক্ত করেছে আইওএম।

সৌদি আরব-সমর্থিত সরকার ও ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে লড়াইয়ে ইয়েমেন বিপর্যস্ত। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চলমান আঞ্চলিক সংঘাতেও হুতিরা যোগ দিয়েছে।

কোয়িসাক বলেন, জিবুতির উপকূলে ডুবে যাওয়া নৌকাটির ১৫০ জন যাত্রীকে এর আগে ইয়েমেন থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপরও তারা আবার সমুদ্রপথে যাত্রার চেষ্টা করেন।

ইথিওপীয় ও সোমালীয় অভিবাসী

আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইয়েমেন যাওয়ার সমুদ্রপথে ৯০০ জনের বেশি অভিবাসীর মৃত্যু হয় অথবা তারা নিখোঁজ হন। ওই বছর এ পথে যাত্রার চেষ্টাও ১৮ শতাংশ বেড়েছিল।

২০২৬ সালের মার্চে আরেকটি নৌকাডুবিতে নয়জনের মৃত্যু হয় এবং ৪৫ জন নিখোঁজ হন।

ওকোথ বলেন, এ পথে যাত্রার চেষ্টাকারীদের অধিকাংশই ইথিওপিয়া অথবা সোমালিয়ার নাগরিক।

তিনি বলেন, তাদের অনেকেই শেষ পর্যন্ত জিবুতিতে ‘আটকে পড়ছেন’।

আইওএমের মহাপরিচালক অ্যামি পোপ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘কেউই এমন নৌকায় ওঠেন না, যদি না তিনি বিশ্বাস করেন যে নিরাপদে যাওয়ার আর কোনো পথ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই মৃত্যুগুলোকে আর স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করতে পারি না। নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসনপথ মানুষের জীবন বাঁচায়। পরবর্তী নৌকাটি ডুবে যাওয়ার আগেই আমি সরকার ও দাতাদের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

আইওএম জিবুতির অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান এবং জীবন রক্ষাকারী সহায়তাসহ দেশটির কার্যক্রমে সহায়তা বাড়াতে ‘দাতা সংস্থা ও অংশীদারদের’ প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক কেফায়েত উল্লাহ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ এম


মুন্সীগঞ্জে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক কেফায়েত উল্লাহ গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ কেফায়েত উল্লাহ (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার মুক্তারপুর এলাকায় নির্মাণাধীন টোল প্লাজার নতুন অফিসের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে পাকা সড়ক থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া কেফায়েত উল্লাহ কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পুরান পল্লান পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. সেলিম।

মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমের নির্দেশে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুক্তারপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে কেফায়েত উল্লাহর কাছ থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ কামরুল হাসান পিপিএম।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ আরও জানিয়েছে, জেলায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং অপরাধ দমনে এসব অভিযানকে আরও জোরদার করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ে ২৩৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, নিরাপত্তায় বিশেষ নজর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ এম


ধামরাইয়ে ২৩৪ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, নিরাপত্তায় বিশেষ নজর

শরতের নীল আকাশ, সাদা কাশফুল এবং সোনালি রোদের আবহে দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তা প্রকৃতির মাঝে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মহালয়ার মাধ্যমে দেবীপক্ষের সূচনা উপলক্ষে পূজার প্রস্তুতিতে শিল্পী ও আয়োজকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলার বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করে দেখা যায়, প্রতিমা তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে চলছে রং ও সাজসজ্জার শেষ মুহূর্তের কাজ। কোথাও দেবী দুর্গার প্রতিমায় তুলির শেষ আঁচড় দিচ্ছেন শিল্পীরা, কোথাও মণ্ডপ সাজাতে ব্যস্ত আয়োজকেরা। ঢাকার ধামরাইয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি নিয়ে এই ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উৎসবের প্রস্তুতির পাশাপাশি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সব প্রস্তুতি শেষে দুর্গোৎসব আনন্দমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদ্‌যাপিত হবে।

এবার ধামরাই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ২৩৪টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হচ্ছে। পূজার সময় ঘনিয়ে আসার কারণে প্রতিমা নির্মাণের শেষ ধাপের কাজ সারতে কারিগরেরা ব্যস্ত রয়েছেন। একই সঙ্গে উৎসব নির্বিঘ্ন করতে মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজ

ধামরাইয়ে প্রতিমা নির্মাণের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মাটির অবয়ব তৈরির পর দেবী দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, গণেশসহ বিভিন্ন দেবদেবীর প্রতিমায় রং ও কারুকাজ করছেন শিল্পীরা। পূজার সময় যত ঘনিয়ে আসছে, তাঁদের ব্যস্ততাও তত বাড়ছে। পাশাপাশি বাদ্যযন্ত্রের দোকানগুলোতেও চলছে প্রস্তুতি।

ধামরাইয়ের গাংগুটিয়া ইউনিয়নের বারবাড়িয়া এলাকায় ঐতিহ্যবাহী ঠাকুর বাড়িতে প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন শ্রমিক স্বপন পাল। কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, "চার দিন আগে আমাদের মাটির কাজ শেষ হয়েছে। এরপর থেকে রং করার কাজ শুরু করেছি।"

তবে প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম বৃদ্ধি পেলেও সে অনুযায়ী পারিশ্রমিক বাড়েনি বলে জানিয়েছেন কারিগরেরা। ধামরাই পৌরসভা এলাকার একটি মণ্ডপে কাজ করা শ্রমিক শ্যামল পাল বলেন, "রঙের দাম অনেক বেড়ে গেছে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের কাজের মূল্য সেই হারে পাওয়া যায় না।"

ধামরাইয়ের একটি মণ্ডপের পূজা আয়োজক জানান, "শিল্পীদের কাজ এখনো চলছে। আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এরপর কাজ শেষ হয়ে যাবে।"

মণ্ডপের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা

দুর্গাপূজার আয়োজন নির্বিঘ্ন রাখতে ধামরাইয়ে মন্দিরগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবক দল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ধামরাই উপজেলা মন্দির কমিটির সদস্যসচিব রণজিৎ পাল বলেন, "প্রতিটি মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতিটি মন্দিরে স্বেচ্ছাসেবক দল থাকবে।"

পূজার সময় শব্দযন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন। বিশেষ করে নামাজ ও আজানের সময় শব্দযন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে আশপাশের মানুষের ধর্মীয় কার্যক্রমে বিঘ্ন না ঘটে।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, "বিশেষ করে নামাজ ও আজানের সময় সব পূজামণ্ডপে শব্দযন্ত্রের ব্যবহার অবশ্যই সীমিত রাখতে হবে, যাতে আশপাশের কারও অসুবিধা না হয়। সাধারণত নামাজ ও আজানের সময় শব্দযন্ত্র বন্ধ রাখা হয়। এবারও সেটি চালু থাকবে। এ বিষয়ে সবাইকে বলে দেওয়া হয়েছে।"

২৩৪ মণ্ডপে পূজার আয়োজন

এবার ধামরাই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভাজুড়ে ২৩৪টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ধামরাই পৌরসভা এলাকায় রয়েছে ৪৬টি মণ্ডপ। প্রতিমা নির্মাণের কাজ শেষ করার পাশাপাশি মণ্ডপ সাজানো, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আয়োজকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি দুর্গোৎসব বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও মিলনের উপলক্ষ হয়ে ওঠে। তাই উৎসবের আনন্দের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রতিমা নির্মাণ ও মণ্ডপ সাজানোর কাজ যথাসময়ে শেষ হবে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মন্দির কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত উদ্যোগে ধামরাইয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদ্‌যাপিত হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%