ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রংপুরে পল্লী উন্নয়ন দিবসে গাছের চারা বিতরণ


রংপুরে পল্লী উন্নয়ন দিবসে গাছের চারা বিতরণ

জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে রংপুরে র‌্যালি, আলোচনা সভা, ঋণের চেক ও গাছের চারা উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সকালে রংপুর জেলা প্রশাসক অফিসের প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিআরডিবি’র যুগ্ম পরিচালক সহিদুর রহমান সুমন এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআরডিবি রংপুর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নুরেলা আক্তার।

আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে খড়বোঝাই গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড

সভায় বক্তারা জানান, বিআরডিবি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র বিতরণসহ নানা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফলে তৃণমূলের নারীরা স্বাবলম্বী হচ্ছে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও বিআরডিবি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিআরডিবি’র সদস্যদের মাঝে ঋণের চেক, গাছের চারা বিতরণসহ শিক্ষার্থীদের মাঝে নানা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়া চেম্বার’র নির্বাচনে বিএনপির জয়জয়কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


বগুড়া চেম্বার’র নির্বাচনে বিএনপির জয়জয়কার

প্রায় দুই দশক পর বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হলো ব্যালটের মাধ্যমে, যা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনে সভাপতি, সহসভাপতি সহ কার্যনির্বাহী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে জয় লাভ করেছে বিএনপি-সমর্থিত বাদল-হিরু প্যানেল।

রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগরীর শহীদ টিটু মিলনায়তনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চেম্বারের ১ হাজার ৭৭ জন ভোটারের মধ্যে ৯৩০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ভোট গণনা শেষে রাত ১০টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে গোলাপ প্রতীক নিয়ে ৬৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাদল-হিরু প্যানেলের আতিকুর রহমান বাদল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-সমর্থিত সেলিম-এরশাদ প্যানেলের মো. সেলিম রেজা ছাতা প্রতীকে ২২৭ ভোট পেয়েছেন। এই পদে ৬টি ভোট বাতিল হয়েছে।

সহসভাপতি পদে আনারস প্রতীক নিয়ে সর্বোচ্চ ৭২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। অপর সহসভাপতি হিসেবে খেজুর গাছ প্রতীকে ৫৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. মামদুদুর রহমান শিপন।

কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচালক পদে নির্বাচিত ৯ জন হলেন—শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস (ফুটবল, ৫৯৬), খন্দকার মেজবাহুল হক রন্টু (দোয়েল পাখি, ৬১২), মো. আজিজার রহমান মিল্টন (উড়োজাহাজ, ৫৭৯), শাহিনুর ইসলাম সবুজ (কাপ-পিরিচ, ৫৬৯), এস এম নূর-ই আলম সিদ্দিকী পল্লব (হরিণ, ৫৫৭), মো. রাসেদুল ইসলাম (মই, ৫৫৩), মো. শফিকুল ইসলাম খোকন (দোয়াত-কলম, ৫৩২), শামসুল হক বেনু (চেয়ার, ৫১২) এবং মো. মতিউর রহমান (চশমা, ৪৬৬)।

নির্বাচনের দিন, সকাল থেকেই শহীদ টিটু মিলনায়তন এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ভোটাররা সুশৃঙ্খলভাবে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এবারের নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির ১২টি পদের বিপরীতে দুটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এর আগে সর্বশেষ ২০০৭ সালে বগুড়া চেম্বারে সরাসরি ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় বিনা ভোটে বা নির্বাচনের পরিবর্তে মনোনয়নের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হওয়ার কারণে সাধারণ ব্যবসায়ীরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের মাধ্যমে এবার ভোটের আয়োজন করা হয়।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আছিয়া খাতুন বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা সম্পন্ন হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাদের পছন্দের নেতৃত্ব নির্বাচন করেছেন। নবনির্বাচিত নেতৃত্ব আগামী দিনে বগুড়ার ব্যবসায়ী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিস্ট সরকারের ‘ভুল নীতির’ কারণেই বিদ্যুৎ খাতে বর্তমান সংকট: প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


ফ্যাসিস্ট সরকারের ‘ভুল নীতির’ কারণেই বিদ্যুৎ খাতে বর্তমান সংকট: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সংকটের জন্য সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের ভুল নীতিই দায়ী। বর্তমান সরকার সেই সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। এখন সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সোমবার রাজধানীতে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ খাতের অগ্রাধিকার, জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ, মিটার ভাড়া এবং জুন ২০২৬ সালের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এস এম জিয়া-উল-আজিম উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার মাত্র সাড়ে চার মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আগের সরকারের ভুল নীতির প্রভাব মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বাবলম্বী হওয়া, পরনির্ভরতা কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে অন্তত ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।

গত সরকারের ভুল নীতির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট হলেও উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াটের বেশি করা হয়েছে। ফলে প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট অতিরিক্ত সক্ষমতার জন্য প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে, যা অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে করা কয়েকটি চুক্তিতে রাষ্ট্রের স্বার্থ যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়নি। এসব চুক্তি বর্তমান সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার যেমন চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনার চেষ্টা করেছে, বর্তমান সরকারও একই প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

চুক্তিগুলো সংশোধনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় চুক্তি পরিবর্তন করা সহজ নয়। আইনি ও চুক্তিগত নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ধাপে ধাপে ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে। গত মাসেও কয়েকটি ক্ষেত্রে ট্যারিফ সংশোধন করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্য প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো অভিযোগ বা তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার বক্তব্য নেওয়া হলে বিভ্রান্তি কমবে। এটি কোনো ধরনের হুমকি নয়, বরং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারি বর্ষণ, কক্সবাজারে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষ সরানোর নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


ভারি বর্ষণ, কক্সবাজারে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষ সরানোর নির্দেশনা

কক্সবাজার জেলা জুড়ে টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং সম্ভাব্য দুর্যোগের মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। জেলার প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে জোরদার করা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবিলার কার্যক্রম। বিশেষত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষকে তাড়াতাড়ি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভায় অতীতের এই তথ্যগুলো জানান জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এবং চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেদের মতামত ও ধারণাগুলোকে তুলে ধরেন। পাশাপাশি জেলার অনেক উপজেলায় উপজেলা ও ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

জরুরি সভায় জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, 'কক্সবাজার জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং আগামী তিন দিন আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা আয়োজন করা হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ফায়ার সার্ভিসের সতর্কতা নম্বর সম্পর্কে জানলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খুব শিগগির একটি কন্ট্রোল রুমের জরুরি নম্বর প্রকাশ করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় স্বেচ্ছাসেবকরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করেও শুকনো খাবার, পুষ্টিকর খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।'

জেলা প্রশাসক জানান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হচ্ছে। জেলার যেকোনো প্রান্ত থেকে জরুরি পরিস্থিতির খবর পাওয়া গেলে এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে দ্রুত সমন্বয় করে সর্বনিম্ন সময়ে প্রয়োজনীয় সাড়া দেওয়া হবে।

এ পর্যন্ত জেলায় কোথাও পানিবন্দি হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, 'প্রশাসন সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার সদর পৌরসভায় একজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।'

তিনি আরও বলেন, 'আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়ার পর তিন দিন আগে থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য নিয়মিত প্রচার ও অনুরোধ জানানো হচ্ছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকৃবির কৃষি অনুষদের ১২ শিক্ষার্থী পেলেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


বাকৃবির কৃষি অনুষদের ১২ শিক্ষার্থী পেলেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড
 
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অনুষদের ১২ জন কৃতি শিক্ষার্থী ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন। একইসঙ্গে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া কৃষি অনুষদের নবীন শিক্ষার্থীদের ‘ওরিয়েন্টেশন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে নবীনবরণ ও ডিনস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কৃষি অনুষদ।
 
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক।
 
কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান। তিনি কৃষি অনুষদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিক্ষা কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ সময় কৃষি অনুষদের ওপর একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, অধ্যাপক ড. মাহফুজা জাহানসহ অনুষদের অন্যান্য শিক্ষক।
অনুষ্ঠানে কৃষি অনুষদে নবীন ৩২০ জন শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক, অনুষদের শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
 
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান। অনুষদের মেধাতালিকায় অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ ১২ জন শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা মেডেল ও সনদ তুলে দেন উপাচার্য ও কৃষি অনুষদের ডিন।
 
এ সময় নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দুইজন শিক্ষার্থী নিজেদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। পরে বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং তাদের পক্ষ থেকে নবাগতদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেওয়া হয়।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের কৃষি শিক্ষার অগ্রদূত এবং কৃষি বিপ্লবের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। নবীন শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে দেশ ও বিশ্বের কৃষি উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে।
 
তিনি আরও বলেন, বাকৃবির শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে নিজেদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধি করতে হবে। একই সঙ্গে ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে অন্যদেরও লেখাপড়ায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%