ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্পের আইসিইর অভিযানে রেকর্ড গ্রেপ্তার অভিবাসী, অপরাধী নন অর্ধেকের বেশি


ট্রাম্পের আইসিইর অভিযানে রেকর্ড গ্রেপ্তার অভিবাসী, অপরাধী নন অর্ধেকের বেশি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসনবিরোধী অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। নতুন ফেডারেল তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জুলাই মাসে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধে দণ্ড বা বিচারাধীন ফৌজদারি মামলা ছিল না।

জুন মাসেও সংস্থাটি ৪৩ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সময় আইসিইর অভিযানের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এখন শুধু অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের নয়, বৈধ অভিবাসন অবস্থার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া কিংবা প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যক্তিদেরও বেশি হারে আটক করা হচ্ছে।

দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের পর্যালোচনা অনুযায়ী, জুলাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আগে সহিংস অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের হার ৪ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। অর্থাৎ গ্রেপ্তারের বড় একটি অংশই এমন ব্যক্তিদের নিয়ে, যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের পূর্ব রেকর্ড নেই।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

আগের তুলনায় আইসিইর মাঠপর্যায়ের অভিযানও বেড়েছে। কারাগার থেকে অভিবাসীদের হেফাজতে নেওয়ার পাশাপাশি এখন কর্মস্থল, বাড়ি ও সড়কে গাড়ি থামানোর সময় সরাসরি গ্রেপ্তারের ঘটনা বাড়ছে। আমেরিকান অভিবাসন পরিষদের পর্যালোচনা অনুযায়ী, আইসিইর প্রায় ৬৩ শতাংশ গ্রেপ্তার এখন এ ধরনের সরাসরি অভিযানের মাধ্যমে হচ্ছে।

এ ধরনের অভিযানে স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্য পুলিশের অংশগ্রহণও বেড়েছে। ২৮৭(জি) কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফেডারেল অভিবাসন আইন প্রয়োগে সহায়তার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাসনসংক্রান্ত তথ্যভান্ডারের তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচির মাধ্যমে আইসিইর হেফাজতে নেওয়া মানুষের সংখ্যা এখন মোট গ্রেপ্তারের প্রায় ১৪ শতাংশ।

এদিকে অভিবাসন অবস্থার প্রশাসনিক জটিলতায় থাকা ব্যক্তিরাও আইসিইর অভিযানের আওতায় পড়ছেন। ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতিপত্রের প্রক্রিয়া চলার সময় কারও বৈধ অবস্থার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের প্রশাসনগুলোর সময়ে এমন পরিস্থিতিতে থাকা ব্যক্তিদের সাধারণত আটক করা হতো না।

ট্রাম্প প্রশাসন আইসিইর আটক ও নির্বাসন কার্যক্রম বাড়াতেও বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ করেছে। চলতি বছরের শুরুতে আইসিই কর্মকর্তারা কংগ্রেসকে জানিয়েছিলেন, ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে প্রায় ১০ লাখ মানুষকে নির্বাসনের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সময়ে অন্তত ৯৯ হাজার মানুষকে আটক কেন্দ্রে রাখার সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

নির্বাসনসংক্রান্ত উড়োজাহাজ চলাচলও বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ফার্স্টের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে আইসিইর আটক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের জন্য ১ হাজার ৩৬৩টি উড়োজাহাজ পরিচালিত হয়েছে। অন্তত ২০২০ সালের পর এটিই কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ সংখ্যা।

একই মাসে অন্তত ৩২৯টি নির্বাসন উড়োজাহাজ ৩৭টি দেশে পরিচালিত হয়েছে।

তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা ব্যাপক গ্রেপ্তার ও দ্রুত নির্বাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, অপরাধের রেকর্ড না থাকা ব্যক্তিদেরও দ্রুত আটক ও নির্বাসনের আওতায় আনা হলে তাদের আইনি অধিকার ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়।

বিশেষ করে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো অভিবাসীদের নিরাপত্তা এবং পরে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতলব কলিকাপুরে গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন হত্যা নাকি আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মতলব প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ পি.এম


মতলব কলিকাপুরে গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন হত্যা নাকি আত্মহত্যা

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে সুমি আক্তার নামে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন চলছে । স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, সুমি বিষপান করেছিলেন। তবে নিহতের বাবা শহীদ গাজীর দাবি, তার মেয়েকে হত্যা করে পরে মুখে বিষ দেওয়া হয়েছে।

নিহত সুমি আক্তারের বাবার বাড়ি কচুয়া উপজেলার সেঙ্গুয়া গ্রামে। প্রায় ছয় বছর আগে মতলব দক্ষিণ উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের মতিন মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সুমির সঙ্গে তার স্বামীর বিরোধ চলছিল। পরিবারের দাবি, স্বামীর কথিত পরকীয়ার বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করায় সুমির ওপর নির্যাতন করা হতো।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ আগস্ট সকালে কালিকাপুর গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে সুমির ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এদিকে সুমির মৃত্যুর পর স্থানীয়দের মধ্যে বিষপানের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেন, সুমি বিষপান করেছিলেন। তবে এ বক্তব্য মানতে নারাজ নিহতের বাবা শহীদ গাজী। তার অভিযোগ, সুমিকে হত্যা করার পর ঘটনাটি বিষপান হিসেবে দেখানোর জন্য তার মুখে বিষ দেওয়া হয়েছে।

নিহতের বাবা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তার মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সুমির আকস্মিক মৃত্যুতে তার দুই শিশুকন্যাকে নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তবে সুমি আক্তারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। বিষপান নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে—তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেয়া সম্পর্কে যে বার্তা দিল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেয়া সম্পর্কে যে বার্তা দিল পাকিস্তান

পাকিস্তান জানিয়েছে, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নতুন সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত। বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দোরাবি। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন কোনো রাষ্ট্রকে এই চুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার আগে রিয়াদ এবং আঙ্কারার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ প্রসঙ্গও উঠে আসে।

চলতি মাসের শুরুতে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে ঐতিহাসিক ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট’ বা এমজেডিএ স্বাক্ষরিত হয়। আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি সম্পন্ন হয়। গত ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাত বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং তেলের বাজারকে উর্ধ্বমুখী করছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে চুক্তিটি যৌথ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

চুক্তির একটি মূল শর্ত হলো—চুক্তিবদ্ধ তিনটি দেশের মধ্যে যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে, সেটি বাকি দুই দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ আরব নিউজকে একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ঢাকা এখনও এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলমান থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বাংলাদেশ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মুখপাত্র তাহির আন্দোরাবি বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি একটি পরিবর্তনশীল ও ক্রমবিকাশমান নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবে উন্মুক্ত রয়েছে সেসব দেশের জন্য, যারা যৌথ দায়বদ্ধতা এবং সাধারণ নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় নিজেদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে আগ্রহী। তিনি আরও জানান, চুক্তিতে যোগ দেওয়ার জন্য কোনো দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ আসলে তা রিয়াদ ও আঙ্কারায় সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা করে বিবেচনা করা হবে। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই চুক্তির কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

এই সামরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিকে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এটি অঞ্চলের প্রধান তিনটি সামরিক শক্তিকে একত্রিত করেছে। পাকিস্তান বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম সক্রিয় সামরিক বাহিনীর অধিকারী এবং মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ। অন্যদিকে, সৌদি আরবের বিশাল অর্থনৈতিক সামর্থ্য, কৌশলগত আঞ্চলিক প্রভাব এবং আধুনিক প্রতিরক্ষা অবকাঠামো রয়েছে। তুরস্কও সামরিক জোট ন্যাটোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, যার শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও উন্নত প্রতিরক্ষা শিল্প রয়েছে।

সূত্র: আরব নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘যত্নের তানপুরা’ নিয়ে নতুন গান নিয়ে ফিরলেন নাজু আখন্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


‘যত্নের তানপুরা’ নিয়ে নতুন গান নিয়ে ফিরলেন নাজু আখন্দ

অনেক দিন পর শ্রোতাদের সামনে নতুন মৌলিক গান নিয়ে হাজির হয়েছেন সংগীতশিল্পী নাজু আখন্দ। তাঁর নতুন গানের শিরোনাম হলো ‘যত্নের তানপুরা’।

বিচ্ছেদ, হাহাকার ও আবেগের মিশেলে তৈরি এই গানটি ইতিমধ্যে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে।

গানটির আবেগঘন কথাগুলোতে বলা হয়েছে, ‘যত্নের তানপুরাটা ভেঙে ফেলেছি/ আমি আর গান গাইবো না’—এমন ভাবনায় সাজানো হয়েছে গানটি।

গানটির পুরো আয়োজন দুই দেশে সম্পন্ন হয়েছে। যদিও ঢাকায় তৈরি, তবে নিউইয়র্কের পিংক ভয়েস স্টুডিওতে গানটির কণ্ঠ রেকর্ড করেছেন নাজু আখন্দ।

ভিডিও নির্মাণের কাজ করেছেন আল মাসুদ, যেখানে মডেল হিসেবে দেখা গেছে তানহাকে।

‘যত্নের তানপুরা’র কথা লিখেছেন রাজু চৌধুরী এবং সুর দিয়েছেন এহসান রাহী। সংগীত আয়োজন ও প্রোগ্রামিংয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন সবুজ আশীষ, স্টুডিও আলাপ।

মিক্সিং ও মাস্টারিংয়ের কাজটি করেছেন আমজাদ হোসেন বাপ্পী।

নতুন গানটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত নাজু আখন্দ জানিয়েছেন, ‘গান আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। অনেক দিন পর মৌলিক গান নিয়ে এলাম। আমি যে গানগুলোই করেছি, খুব যত্ন নিয়ে করেছি। এটিও তাই।

এটি মেলোডি ধাঁচের গান। কথা-সুর যে কারো ভালো লাগবে। খুব আবেগ দিয়ে গাওয়ার চেষ্টা করেছি।’

শ্রোতাদের ভালোবাসাকেই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মনে করেন এই গায়িকা। তাঁর কথায়, ‘আমরা শিল্পীরা অনেক কষ্ট করে গান বানাই। সেটা যখন শ্রোতাদের ভালো লাগে তখনই পরিশ্রমটা সার্থক হয়। যারা ভালো কথা-সুরের গান শুনতে চান, এটি তাদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।’

গত বুধবার, ২৬ আগস্ট ইউটিউবের ‘শব্দ কারিগর’ চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে ‘যত্নের তানপুরা’।

রাজধানীর সাভারে জন্মগ্রহণ করেন নাজু আখন্দ। স্কুলে পড়ার সময় ২০০০ সালে তাঁর প্রথম অ্যালবাম ‘কাঁচা হলুদের রং’ প্রকাশিত হয়। এরপর ২০০৯ সালে ‘স্বপ্নকন্যা’, ২০১৩ সালে ‘একটু জায়গা দে’ এবং ২০১৫ সালে ‘ফিরিয়ে দাও আমার প্রেম’ নামে একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন তিনি।

২০০১ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুরে ‘মায়ের সম্মান’ গানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের প্লেব্যাকে অভিষেক ঘটে নাজু আখন্দের। গত দুই দশকে সিনেমার প্রায় ২৫০টি গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন।

সংগীতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১০ সালে সেরা গায়িকা বিভাগে সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন নাজু আখন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যানথ্রোপিকের ওপর পেন্টাগনের নিষেধাজ্ঞা বেআইনি: মার্কিন আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১১ পি.এম


অ্যানথ্রোপিকের ওপর পেন্টাগনের নিষেধাজ্ঞা বেআইনি: মার্কিন আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত অ্যানথ্রোপিকের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের ফেব্রুয়ারির নিষেধাজ্ঞাকে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছে। আদালতের এই রায় অনুযায়ী, পেন্টাগনের সমালোচনা করার কারণে প্রকাশ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ৫৯ পৃষ্ঠার রায়ে বিচারক রিটা লিন মন্তব্য করেন, “জাতীয় নিরাপত্তার কথা বলে ফাঁকা যুক্তি দেখিয়ে সরকারি সমালোচকদের শাস্তি বা প্রতিশোধ নেওয়ার অবাধ ক্ষমতা পাওয়া যায় না।”

এএফপি সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিচারক মামলায় বিবাদী হিসেবে থাকা ফেডারেল সংস্থাগুলোকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আদেশ কার্যকর করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। ওই আদেশে অ্যানথ্রোপিকের তৈরি ‘ক্লড’ এআই মডেল ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশনা ছিল।

বিচারক প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের দ্বারা অ্যানথ্রোপিককে ‘সাপ্লাই চেইন ঝুঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করার সিদ্ধান্তও বাতিল করেছেন। এই ধরনের মর্যাদা সাধারণত বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হতো।

বৃহস্পতিবারের রায়টি মার্চে বিচারকের দেওয়া সাময়িক নিষেধাজ্ঞাকে স্থায়ী করেছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ রয়েছে। তবে মার্কিন সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার রাখে।

অ্যানথ্রোপিকের একজন মুখপাত্র বৃহস্পতিবার বলেন, “এই সাপ্লাই চেইন ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত বেআইনি ছিল, আদালতের এমন রায়কে আমরা স্বাগত জানাই।”

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এআইকে কাজে লাগাতে সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার ওপরই আমরা মনোযোগ রাখছি, যাতে সব আমেরিকান এই প্রযুক্তি থেকে উপকৃত হতে পারেন।”

অ্যানথ্রোপিক মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ‘ক্লড’ ব্যবহার করে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় প্রাণঘাতী অস্ত্র পরিচালনা বা আমেরিকান নাগরিকদের ব্যাপক নজরদারির অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিরোধের সূত্রপাত ঘটে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে ট্রাম্প অ্যানথ্রোপিকের প্রতি ক্ষুব্ধ হন। ফেব্রুয়ারিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অ্যানথ্রোপিক-কে ‘চরম বামপন্থী’ এবং ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ বলে আখ্যা দেন।

বিচারক বৃহস্পতিবারের রায়ে বলেন, অ্যানথ্রোপিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য ছিল কোনো প্রকৃত নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলা করা নয়। বরং সরকারের সমালোচনা করায় প্রতিষ্ঠানটির 'ঔদ্ধত্যের' জন্য দৃষ্টান্তমূলকভাবে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

মার্কিন সামরিক বাহিনী বিভিন্ন গোপনীয় ও স্পর্শকাতর ব্যবস্থায় ক্লড ব্যবহার করছিল। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার মার্কিন অভিযানের সময়ও ক্লড ব্যবহার করা হয়েছিল।

মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যানথ্রোপিককে ‘সাপ্লাই চেইন ঝুঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করার পর প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সামরিক চুক্তিগুলো বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে পেন্টাগনের অন্যান্য ঠিকাদারকেও অ্যানথ্রোপিকের প্রযুক্তি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

তবে আদালতের এই রায় অ্যানথ্রোপিকের জন্য পুরোপুরি বিজয় নয়। একই দিনে পেন্টাগন আরেকটি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালার ভিত্তিতে দেওয়া ওই নিষেধাজ্ঞা এখনো কার্যকর রয়েছে। ওয়াশিংটনের আরেকটি আদালতে এ বিষয়ে মামলাটি চলছে এবং এপ্রিল মাসে ওই আদালতের বিচারক নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।

এ ছাড়া অ্যানথ্রোপিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) দারিও আমোদেই এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি, বিশেষ করে কর্মসংস্থানের ওপর এর প্রভাব নিয়ে বারবার সতর্ক করায় হোয়াইট হাউসও তার প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%