শিবচর প্রতিনিধি( মাদারীপুর) মোঃআসাদুজ্জামান
০২:৫০ পি.এম
শিবচর প্রেস ক্লাবের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, এতে জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার শিবচর উপজেলা প্রতিনিধি বিএম হায়দার আলীকে সভাপতি ও বিজয় টিভি শিবচর উপজেলা প্রতিনিধি অপূর্ব জয় সাধারণ সম্পাদক এবং জাগরণী টিভি শিবচর উপজেলা প্রতিনিধি রাজু আহমেদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মনিরুল হাসান, সহ-সভাপতি মামুনুর রহমান বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন (আবুবকর), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান, কোষাধ্যক্ষ ও দপ্তর সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান আসাদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. জালাল খান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহাবুদ্দিন তালুকদার সাইফিন, নারী বিষয়ক সম্পাদক রিমা আক্তার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. অলিউল্লাহ্। কমিটির কার্যকরী সদস্যরা হলেন- মো. কামাল মোল্লা, জাহিদ হোসেন বাবু, সাইদুর রহমান, জহিরুল ইসলাম মাদবর, উজ্জ্বল হোসেন, মো. মারুফ হোসেন বেপারী। নবগঠিত শিবচর প্রেস ক্লাব কমিটিকে সাধুবাদ জানিয়েছে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও রাজনীতিবিদরা। তাদের প্রত্যাশা গণমাধ্যমকর্মীরা জাতির বিবেক এবং তাদের লেখনীর মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল কিছু ফুটে উঠবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জ, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : সদর উপজেলার ৫ নম্বর খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচিল ও ব্রাহ্মণবয়ড়া উত্তর এলাকায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজটি পরিচালনা করবেন তথ্য সংগ্রহকারীরা।
আজ বুধবার সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন খান উদ্বোধন করেন এই কার্যক্রম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সোহেল রানা, জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক ও সাংবাদিক শেখ মো. এনামুল হক, খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান অ্যাড. আব্দুল মান্নান, খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন মেম্বার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার ফিরোজ এবং ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য শেফালি পারভীনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসেসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার মূল্য ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বৃদ্ধি করে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তটি বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রাইসিং এন্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক সভায় গৃহীত হয়। বাজুস জানায়, আজ দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বসম্মতভাবে স্বর্ণ ও রৌপ্যালঙ্কারের ভ্যাটসহ নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৮৫৯ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের সোনার মূল্য ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে সোমবার (২ নভেম্বর) বাজুস সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বৃদ্ধি করেছিল। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। দুই দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বৃদ্ধি করা হলো।
সোনার পাশাপাশি বাজুস রুপার দামও নির্ধারণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ৩০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, সোনা ও রুপার অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে নির্ধারিত মূল্যের ওপর ১২ শতাংশ এবং পুরোনো সোনা কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পুরোনো স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর থাকবে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত বাজুস দেশের বাজারে ১৩১ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছে। এর মধ্যে ৬৩ বার দাম বৃদ্ধি এবং ৬৭ বার দাম কমানো হয়েছে। একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছর ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ৪ নভেম্বর ২০২৬: সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬টি পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করা হয়েছে। এই চেকের মাধ্যমে মোট ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এর উদ্যোগে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে আজ সকালে চেক হস্তান্তর করা হয়।
ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব চেক তুলে দেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি মন্তব্য করেন, "জনগণের গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী সড়ক সম্প্রসারণ, পথচারী ও চালকদের সচেতনতার সমন্বয়ে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে হবে।"
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেন, "টাকা দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতদের ক্ষতির মূল্যায়ন হবে না। অপূরণীয় ক্ষতি টাকা দিয়ে পূরণ হয় না। সড়ক দুর্ঘটনা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে।"
চেক পেয়ে বাবা হারানো রায়হানুল ইসলাম ভূঞা, তন্দ্রা মনি দেবীসহ অন্যান্য উপকারভোগীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
রায়হানুল ইসলাম ভূঞা বলেন, "বাবার সাথে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ একটি গাড়ি চাপা দিলে আমার বাবা মারা যান। পরবর্তীতে আবেদনের প্রেক্ষিতে সহায়তার চেক পেয়ে অনেক উপকৃত হয়েছি।"
বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী আল ফয়সাল জানান, জেলায় ৩১ জন নিহতের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে ১ কোটি ৫৫ লাখ এবং গুরুতর আহত ৫ জনকে ১১ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রট ফাতেমা সুলতানার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর আলী আশরাফ মোল্লা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ফরিদ উদ্দিন খান নয়ন, পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি ও স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন এবং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেকনাফে অভিযান পরিচালনা করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ১১ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ অভিযানে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার গ্রামের আশারঘরপাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসআরবি-১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার মো. মাহমুদুল রহমান এসব তথ্য উপস্থাপন করেন।
ব্রিফিংয়ে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৩ নভেম্বর টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল টেকনাফ থানার সাবরাং বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার সময় মাদক পাচার সংক্রান্ত তথ্য পায়। ওই তথ্যের ভিত্তিতে হ্নীলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভীবাজার গ্রামের আশারঘরপাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয় এবং মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন আব্দুর রহিম এবং মোহাম্মদ আদিম, যারা উভয়েই হ্নীলা এলাকার বাসিন্দা।
এসআরবি প্রধান জানান, গত ৬ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত এক মাসের মধ্যে স্পেশাল রেসপন্স টিম মোট ৫৫টি অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে ১৬ লাখ ৪০ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা, ৪৮ কেজি গাঁজা, একটি একনলা বন্দুক, দুটি ওয়ান শুটার গান, ১০০ রাউন্ড তাজা গুলি এবং শটগানের সাতটি খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়া, এসব অভিযানে সাতজন অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে এসআরবি প্রধান বলেন, মাদক এবং অন্যান্য সামাজিক অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এসআরবি বদ্ধপরিকর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ