০৪:৩৬ পি.এম
পাপুয়া নিউগিনিতে ৩২ কেজি ওজনের একটি সন্দেহজনক কামানের গোলা উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। যদিও চীনের তৈরি সামরিক গোলা বলে দাবি করা হচ্ছে, চীন এর বিপরীতে বলছে, এটি আসলে কামানের গোলার আদলে তৈরি একটি মদের বোতল।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চীনা দূতাবাস একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানায়, বস্তুটি কোনো বিপদের সৃষ্টি করবে না। তবে দূতাবাসের এই দাবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।
গত শুক্রবার পাপুয়া নিউগিনির রাজধানী পোর্ট মোরসবির একটি নির্মাণস্থলে বাণিজ্যিক পণ্যবাহী কনটেইনারের ভেতর থেকে ৩২ কেজি ওজনের বস্তুটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের হাতে চার চীনা নাগরিক গ্রেফতার হন।
আরও পড়ুন: আফগান বংশোদ্ভূত আয়েশা ওয়াহাব কংগ্রেস নির্বাচনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
দেশটির কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে বস্তুটি সচল বিস্ফোরক কি না, তা পরীক্ষা করছিল। এ প্রসঙ্গে দেশটির পুলিশ কমিশনার ডেভিড ম্যানিং ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক আবিষ্কার’ হিসেবে বর্ণনা করেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (এবিসি) এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে জানানো হয়, বস্তুটি চীনের তৈরি টাইপ-৫৯ মডেলের ১৩০ মিলিমিটার আর্টিলারি শেল। এতে রাসায়নিক বিস্ফোরক ও ফিউজ রয়েছে। তবে বিবিসি জানিয়েছে, তারা এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
পাপুয়া নিউগিনির পুলিশ এর আগে বস্তুটিকে নিছক নকল বা নিষ্ক্রিয় গোলা বলে ধারণা নাকচ করে দিয়েছিল। দেশটির সংবাদমাধ্যম পোস্ট কুরিয়ার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে চীনা দূতাবাসের দাবি, চীন থেকে এ ধরনের অবৈধ সামরিক অস্ত্র পাপুয়া নিউগিনিতে পাচার হওয়া প্রায় অসম্ভব। দেশটিতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন ও বিধিবিধান রয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: যুদ্ধে ও নির্বাচনে হেরেছেন ট্রাম্প, আরও পরাজয় উপহার দেবে ইরান: বিচার বিভাগীয় প্রধান
তবে চীনের এই ব্যাখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। একজন ব্যবহারকারী প্রশ্ন করেছেন, ৩২ কেজি ওজনের মদের বোতল কেমন হতে পারে? অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, বস্তুটিতে মদের বোতল হিসেবে শনাক্ত করার মতো কোনো লেবেলও ছিল না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন