০৪:৩৫ পি.এম
পটুয়াখালীর দুমকিতে কাবিখা ও টেস্ট রিলিফ (টিআর) প্রকল্পে অস্তিত্বহীন প্রকল্প এবং নামমাত্র কাজ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পেয়ে গেছে।
মঙ্গলবার, দুদকের একটি দল দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসব অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করে।
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের গাড়ি ধোয়ার র্যাম্পের সামনে মাটি ভরাট না করে নামমাত্র ইট ফেলে বরাদ্দের ২ লাখ ৩৭৪ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের ফুলবাগান ও উপজেলা পরিষদের মাঠে মাটি ভরাটের প্রকল্পের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এছাড়া, শ্রীরামপুর ইউনিয়নে নলকূপ বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তির কোনো অস্তিত্ব দুদক টিম পায়নি। রাস্তা মেরামতের প্রকল্পেও কোনো কাজ হয়নি। লেবুখালী ইউনিয়নে ৩ লাখ টাকা বরাদ্দের রাস্তা সংস্কারে ১০ বছরের পুরোনো কাজ দেখানো হয়েছে। পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেখানো হলেও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানরা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠের কাজেও অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ দুদক পেয়েছে।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তাপস বিশ্বাস জানিয়েছেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট পিআইও ও প্রকল্প সভাপতিদের যোগসাজশে এসব অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। অনুসন্ধান শেষে দ্রুত প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মুঠোফোনে জানান, ‘আমি ছুটিতে আছি। যেহেতু দুদক তদন্তে নেমেছে, সেহেতু এ ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’
এমই
আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন