০৪:৩৮ পি.এম
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মানবতাবাদী দর্শন নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ে সৃজনশীল নৃত্য প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মিলনায়তনে নৃত্যকলা বিভাগের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। দিনের কর্মসূচি শুরু হয় সকাল ১১টায় নৃত্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। পুরস্কার বিতরণী ও বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান বিকেল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রবিন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ লোকসংস্কৃতি সংসদের সভাপতি, গবেষক ও নৃত্যপরিচালক মিনা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী টিটো মুন্সি এবং নাট্যকার মাসুম রেজা।
আরও পড়ুন: ৫৫ মাদ্রাসাপ্রধানকে শোকজ, লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ নভেম্বর
নৃত্য প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও নৃত্যব্যক্তিত্ব ড. সোমা মুমতাজ, রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. সাইদুর রহমান লিপন এবং সংগীত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. আরিফুর রহমান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ট্রেজারার এ. কে. এম. দেলোয়ার হোসেন, এফসিএমএ, রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম রিন্টু, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান শিকদার মো. আনোয়ার ইসলাম, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক এ. কে. এম. মশিউর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রবিন খান উল্লেখ করেন, ‘কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিকর্ম বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অমূল্য সম্পদ। তাঁর সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয় এ ধরনের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের রিসোর্স পারসন সাজু আহমেদ আয়োজন সম্পর্কে বলেন, নজরুলের সৃষ্টিকর্মের নান্দনিকতা, মানবতাবাদী চেতনা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য নৃত্যের মাধ্যমে উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি জাতীয় কবির শিল্পভাবনার সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পরিচয় আরও নিবিড় করার সুযোগ সৃষ্টি করবে।
আরও পড়ুন: ৩৭৬ শিক্ষক-কর্মচারী নতুন এমপিওভুক্ত, ১,৫৯৪ জন পেলেন বিএড স্কেল
উল্লেখ্য, জাতীয় কবির সাহিত্য, সংগীত, জীবনদর্শন ও বহুমাত্রিক সৃজনকর্ম সম্পর্কে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের নিবিড় পাঠ ও চর্চার সুযোগ করে দিতে গত আগস্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান-কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘নজরুল কর্নার’ স্থাপন করা হয়। কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন