ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা

‘আমার বাবুল আবার আইবে’


‘আমার বাবুল আবার আইবে’

প্রায় ৬০ বছর বয়সী জাহানারা বেগমের সংসারে তিন সন্তানের মধ্যে এক ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রয়েছে। তার একমাত্র ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুলকে ঘিরেই ছিল তার সমস্ত স্বপ্ন, নির্ভরতা এবং বাঁচার অবলম্বন। যদিও সেই ছেলে বিদেশে অবস্থান করতেন, প্রতিদিনের ফোনে মায়ের খোঁজ নিতেন এবং দেশে ফিরে মায়ের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিতেন।

কিন্তু ইতালির রাজধানী রোমের একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডে বাবুল নিহত হয়েছেন, যেখানে তার স্ত্রী ও পাঁচ বছরের সন্তানও একই পরিণতির শিকার হয়েছেন। অথচ নোয়াখালীর প্রত্যন্ত গ্রামের সেই মায়ের কাছে এখনো পুরো সত্যটি পৌঁছায়নি। তিনি এখনো বিশ্বাস করেন, তার ছেলে বেঁচে আছে এবং সুস্থ হয়ে একদিন ফিরে আসবে।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের বিজয়নগর এলাকায় নিহত কামাল উদ্দিন বাবুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পুরো পরিবার শোকে স্তব্ধ অবস্থায়। ঘরের মধ্যে মা জাহানারা বেগম বসে বিলাপ করছিলেন। চোখের পানি মুছতে মুছতে তিনি বারবার বলছেন, "আমার বাবুল আবার আইবো, আমার বাবুল কিছু হইব না।"

আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত

তার এই আকুতি শোনার পর আশপাশে থাকা আত্মীয় এবং স্বজনরাও কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, মায়ের শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে এখনো তাকে ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, বাবুল গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে জীবিকার সন্ধানে বাবুল তার ফুফাতো বোনের জামাই আমিন উল্যার সহায়তায় ইতালিতে চলে যান। বিদেশে যাওয়ার আগে তিনি পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন একই ইউনিয়নের মমতাজ বেগম আরজুকে। সময়ের সাথে তাদের সংসারে জন্ম নেয় এক ছেলে, অয়ন এবং একটি মেয়ে, আরিশা। প্রবাসজীবনের দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্যে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ইতালিতে একটি সুখী সংসার গড়ে তুলেছিলেন। পরিবারের সদস্যদের আশা ছিল, বেশ কয়েক বছর পরে বাবুল দেশে ফিরে স্থায়ীভাবে বসবাস করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই ভেঙে যায় গত শুক্রবার রাতে।

ইতালির স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ৮টার দিকে রোমের পার্শ্ববর্তী ক্যাসালোত্তির ভিয়া মন্তিলিও এলাকায় এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। নিহত হন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী কন্যা আরোয়া ইসলাম আরিশা। গুরুতর আহত হন তাদের ছেলে অয়ন, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্র ও স্বজনদের দাবি, একই গ্রামের শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে বাবুলের স্ত্রীর একটি সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে থাকাকালীন সময় থেকেই আরজুর সঙ্গে শাহাদাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে পারিবারিক বিরোধ ছিল। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে বাবুল তার স্ত্রী ও সন্তানদের ইতালিতে নিয়ে যান। অন্যদিকে, প্রায় চার বছর আগে শাহাদাত তার পরিবারসহ যুক্তরাজ্যে চলে যান, এবং পরবর্তীতে পারিবারিক বিচ্ছেদের পর তিনি ইতালিতে চলে আসেন।

আরও পড়ুন: রিজভী: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ

স্বজনদের দাবি, ঘটনার দিন পরস্পর বিরোধের সমাধানের জন্য কামাল উদ্দিন, তার স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে শাহাদাতের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের এক পর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে শাহাদাত ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। এর ফলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন কামাল, তার স্ত্রী ও শিশু কন্যা। আহত অয়ন প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

ঘটনার পরে সন্দেহভাজন শাহাদাত হোসেন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে তিনি লেখেন, "একজন মানুষ শুধু নিজে একা মরে না, নিজেও মরে অন্যকেও মরার মতো করে রেখে যায়। তাই মরার সময় প্রিয়জনদেরও সঙ্গে নিয়ে মরা উচিত। তাতে কারও জন্য কাউকে কষ্ট পেতে হয় না।" শনিবার ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শাহাদাতের ছবি প্রকাশ করে তাকে ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করে এবং তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানায়।

শাহাদাতের বড় ভাই সৌদি প্রবাসী ইসমাইল হোসেন হারুন জানান, চার বছর আগে শাহাদাত সব সম্পত্তি বিক্রি করে পরিবারসহ যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেই পর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার তেমন কোনো যোগাযোগ ছিল না। তিনি বলেন, "আমি দুই মাস আগে দেশে এসেছি, এই সময়ের মধ্যে তার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি।" নিহত কামাল উদ্দিনের বাবা সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রায় এক বছর আগে দেশে আসার সময় তার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়ে একটি উড়ো চিঠি পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি মৌখিকভাবে কোম্পানীগঞ্জ থানাকে জানানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, "আমরা তখনও ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু ভাবিনি, আমার ছেলেকে এভাবে হারাতে হবে।"

ইতালীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে পার্ক এলাকা থেকে চিৎকারের শব্দ শুনে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাদের হত্যা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণে ৭৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

চার কাঁকড়ার সেই বাড়িটিতে এখন শুধু কান্না এবং অপেক্ষা। একদিকে প্রিয় সন্তানকে হারানোর কষ্ট, অন্যদিকে পুত্রবধূ এবং নাতনির মৃত্যু—সব মিলিয়ে পরিবারটি গভীর শোকে ভেঙে পড়েছে। তবে সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হয়তো এখনো জানেন না জাহানারা বেগম। তিনি এখনো অপেক্ষায় আছেন যে, তার বাবুল একদিন দরজায় কড়া নাড়বে এবং বলবে, "মা, আমি আইছি।" কিন্তু সেই অপেক্ষার আর কোনো শেষ নেই।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম জানান, তৎকালীন সময়ে ভুক্তভোগী পরিবার মৌখিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছিল। এরপর পুলিশ নিয়মিত টহলের মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি শল্যবিচার করেছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমি প্রথম ‘বলির পাঁঠা’ হতে পারি, কিন্তু শেষ নই: মাহফুজ আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ এম


আমি প্রথম ‘বলির পাঁঠা’ হতে পারি, কিন্তু শেষ নই: মাহফুজ আলম

সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি রহস্যময় পোস্ট শেয়ার করছেন। তিনি তাঁর পোস্টে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত প্রান্তরে সর্বাধিক ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্টে তিনি নিজেকে ‘প্রথম বলির পাঁঠা হবেন’ বলে উল্লেখ করেন। এ সময় তিনি সতর্ক করে বলেন যে একে একে আরও অনেকে লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন।

পোস্টের শুরুতে মাহফুজ আলম লেখেন, ‘আমি প্রথম বলির পাঁঠা বা টার্গেট হতে পারি, কিন্তু শেষ নই। একে একে আপনাদের সবাইকে টার্গেট করা হবে। এর পরিণতি আপনারা সামাল দিতে পারবেন না।’

এরপর তিনি আরও লিখেন, ‘শত্রুর সেবা করে কেউ বলির পাঁঠা হবেন না। বলির পাঁঠাদের শেষ পর্যন্ত উৎসর্গ করা হয়। সব ধরনের ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত এড়িয়ে চলুন। সর্বোচ্চ ঐক্যের লক্ষ্যে কাজ করুন।’

এই পোস্টে মাহফুজ আলম জার্মান-আমেরিকান প্রযুক্তি উদ্যোক্তা পিটার থিয়েলের একটি উদ্ধৃতি উল্লেখ করেন, যেখানে বলা হয়েছে, ‘সম্ভবত প্রতিটি আধুনিক রাজাই এমন এক বলির পাঁঠা, যে কেবল নিজের মৃত্যুদণ্ড কিছু সময়ের জন্য পিছিয়ে দিতে পেরেছে।’ একই সঙ্গে তিনি ফরাসি দার্শনিক রেনে জিরারের বই পড়ার জন্য পরামর্শও দেন।

তবে এই পোস্টে মাহফুজ আলম কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা নির্দিষ্ট ঘটনার নাম উল্লেখ করেননি। তিনি ঠিক কোন প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য করেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেড় বছরে ৭৯ লাখ টাকা চিকিৎসা বিল নেন সাবেক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৫ এম


দেড় বছরে ৭৯ লাখ টাকা চিকিৎসা বিল নেন সাবেক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন

দেড় বছরে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বিদেশে চিকিৎসার জন্য ৭৯ লাখ ৩৮ হাজার ২২৯ টাকার বিল সরকারি কোষাগার থেকে নিয়েছেন। এ খরচ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের বিদেশে চিকিৎসা বাবদ ব্যয়ের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

একই সময়ে সরকারি কোষাগার থেকে বিদেশে চিকিৎসার খরচ নেওয়ার তালিকার শীর্ষে আ ফ ম খালিদ হোসেন রয়েছেন। তিনি একাই ৮১ লাখ ৯১ হাজার ৪৮৮ টাকা বিল নিয়েছেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের মাত্র ১৮ মাসে বিদেশে চিকিৎসা খরচের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে বড় অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন আরও কয়েকজন উপদেষ্টা।

তাদের মধ্যে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৪৪ টাকা; সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ৭ লাখ ১৫ হাজার ৬৪৯ টাকা; সাবেক বিদ্যুৎ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৩৫ টাকা; সাবেক ভূমি উপদেষ্টা হাসান আরিফ ২ লাখ ৬৭ হাজার ২১৬ টাকা; সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা ড. এম আমিনুল ইসলাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭২৯ টাকা এবং সাবেক খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার ১ লাখ ৭০ হাজার ১৩৪ টাকা নিয়েছেন।

জানা গেছে, ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ২০০৫ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেছেন। বিদেশে চিকিৎসা সম্পর্কে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমি খুব সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। একপর্যায়ে শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। দেশে চিহ্নিতই করা যাচ্ছিল না। পরে বাধ্য হয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় সরকারের অনুমোদন নিয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েছি। সেখানে আমি তিনবার চিকিৎসা নিয়েছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির রায় আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ এম


রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির রায় আজ

রামপুরায় নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি চালানোর এবং আরও দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ রবিবার ঘোষণা করা হবে।

গত ১৫ জুন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন, বিচারপতি শফিউল আলম এবং বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

গতকাল শনিবার, প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

এই মামলায় মোট পাঁচজন আসামি রয়েছে, যাদের মধ্যে চারজন পলাতক অবস্থানে রয়েছে। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মশিউর রহমান এবং সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

এছাড়া, গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়েছে পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে। গত ১৫ জুন তাঁকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছিল। সেই দিন মামলায় দ্বিতীয় দফায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়েছিল প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের তরফ থেকে।

এরপর, ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন। আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। তিনি এ ঘটনার জন্য চঞ্চল সরকারের সংশ্লিষ্টতা নেই উল্লেখ করে, মামলার অভিযোগ থেকে তাঁর অব্যাহতি চান। তবে, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম পাঁচ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এর আগে, ১০ জুন পুনরায় সাফাই সাক্ষ্য দেন চঞ্চল চন্দ্র সরকার। পুনর্সাক্ষ্যে তিনি এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখানো ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগ আনেন। এই আসামি চলতি বছর ১৩ জানুয়ারি প্রথম সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি, শিশু বাসিত খান মুসার (৭) মাথা ভেদ করে ও তাঁর দাদি মায়া ইসলামের মৃত্যু এবং মো. নাদিম নামের অন্য এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ৪ মার্চ ধার্য করা হয়েছিল, তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের কারণে সেদিন রায় ঘোষণা করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক এমপি ও আ. লীগ নেতা নূর মোহাম্মদ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ এম


সাবেক এমপি ও আ. লীগ নেতা নূর মোহাম্মদ গ্রেপ্তার

জামালপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদকে রাজধানী গুলশান এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

এই বিষয়টি সম্পর্কে ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ রবিবার বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া নূর মোহাম্মদ জামালপুর জেলায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং তিনি গত ১৮ জুন রাজধানীর মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘটিত মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন আসামি।

গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে, এ কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%