ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ থেকে কখন-কিভাবে দেখবেন: মেসির শেষ ম্যাচ


বাংলাদেশ থেকে কখন-কিভাবে দেখবেন: মেসির শেষ ম্যাচ

লিওনেল মেসি, যিনি আঠারো বছর বয়সে প্রথমবারের মতো নীল-সাদা জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন, এখন ৩৯ বছর বয়সে এসে সেটি তুলে রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) আফ্রিকার বেনিনের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করেছে, যাতে আন্তর্জাতিক ফুটবলের এই মহাতারকাকে স্মরণীয় ও জমকালো বিদায় জানানো হবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হতে চলেছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রূপকথার মতো ‘মেসি অধ্যায়’।

বুয়েনস এইরেসের ৮৫ হাজারেরও বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন স্টেডিয়ামটি যে প্রিয় নায়ককে বিদায় জানাতে ভরা থাকবে, তা বলাই বাহুল্য। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপজয়ী দলের যেসব সদস্য ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন, তারাও মাঠের গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে মেসির শেষ নাচের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন।

ম্যাচটি আর্জেন্টাইন সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। তবে ভৌগোলিক সময়ের পার্থক্যের কারণে বাংলাদেশি ভক্ত-সমর্থকদের জন্য মেসির এই ঐতিহাসিক শেষ ম্যাচটি সরাসরি দেখা বেশ কঠিন হবে। তাদের ভোরের আলো ফোটার আগেই জাগতে হবে। বুয়েনস এইরেসে যখন বাঁশি বাজবে, তখন বাংলাদেশের ঘড়ির কাঁটায় সময় হবে বুধবার ভোর ৫টা।

আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চে ব্র্যাককে হারিয়ে সোনারগাঁওয়ের টানা দ্বিতীয় জয়

খেলার সূচি অনুযায়ী খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠলেও বাংলাদেশিদের জন্য ম্যাচটি সরাসরি দেখা একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। কারণ বাংলাদেশের কোনো টিভি চ্যানেল বা স্থানীয় স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে না।

তবে ভারতীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বা মিডিয়া অ্যাপ ‘জি-ফাইভ’-এর সাবস্ক্রিপশন থাকলে সহজেই ম্যাচটি উপভোগ করা সম্ভব হবে, কারণ ভারতীয় উপমহাদেশে কেবল এই অ্যাপেই ম্যাচটি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন থার্ড-পার্টি অ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশি ভক্তরা ম্যাচটি দেখার সুযোগ পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণকে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়া আমাদের লক্ষ্য: খাদ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


জনগণকে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়া আমাদের লক্ষ্য: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের কাছে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়া, এমনটি জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি উল্লেখ করেছেন, সাধারণ মানুষের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সরকারি খাদ্যগুদাম ও বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “সিন্ডিকেট কোনো সরকারই পছন্দ করে না। আমরাও চাই, সিন্ডিকেট বলে যেন কোনো শব্দই না থাকে। কারণ সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব থাকলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

তিনি আরও জানান, বাজার পরিস্থিতি, খাদ্য মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। কোথাও সমস্যা দেখা দিলে তা দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুষ্টিকর চাল উৎপাদন প্রকল্পের বিষয়ে আফরোজা খানম বলেন, প্রকল্পটি চালুর নির্দিষ্ট সময় এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। মঙ্গলবার প্রকল্পটি পরিদর্শন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব এটি চালুর চেষ্টা করা হবে।

এর আগে সকালে ১০টার দিকে ঢাকার পোস্তগোলা সরকারি আধুনিক ময়দা মিল পরিদর্শনের মাধ্যমে খাদ্যমন্ত্রীর দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে দুপুর ১টার দিকে তিনি নারায়ণগঞ্জ সাইলোতে পৌঁছে সাইলো ও এর অভ্যন্তরে থাকা নারায়ণগঞ্জ প্রিমিক্স কার্নেল মিল পরিদর্শন করেন।

এ সময় খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, মজুত সক্ষমতা, মিলের কার্যক্রম ও সার্বিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন খাদ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন খাদ্য সংরক্ষণাগার ও স্থাপনা পরিদর্শন করা হচ্ছে। এসব স্থাপনার অবস্থা, খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং কর্মীদের কাজের পরিবেশ সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিটিএ-৬-এ বদলে যাওয়া ‘আমেরিকান ড্রিম’-এর গল্প তুলে ধরবে রকস্টার গেমস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


জিটিএ-৬-এ বদলে যাওয়া ‘আমেরিকান ড্রিম’-এর গল্প তুলে ধরবে রকস্টার গেমস

‘আমেরিকান ড্রিম’ বা আমেরিকান স্বপ্ন, যা সবাই চেনে, তা কিভাবে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে—এই বিষয়টি নিয়ে নির্মিত হচ্ছে অপেক্ষিত ভিডিও গেম ‘গ্র্যান্ড থেফট অটো ৬’ বা জিটিএ-৬। রকস্টার গেমস, নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, জানিয়েছে যে, বিশাল ভার্চুয়াল জগত এবং অপরাধের উত্তেজনার পাশাপাশি, এই গেমটিতে আধুনিক মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং স্বপ্ন পূরণের গল্প তুলে ধরা হবে।

ব্রিটিশ সাময়িকী ‘লাভ’-এর সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে, রকস্টার গেমসের কর্মকর্তারা জিটিএ ৬-এর ভেতরের গল্প এবং চরিত্রগুলো সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করেছেন।

রকস্টার গেমসের ন্যারেটিভ বিভাগের প্রধান রবার্ট হামফ্রিজ জানিয়েছেন, একসময় ‘আমেরিকান ড্রিম’ বলতে বোঝানো হতো লাগামহীন ধন-সম্পদ অর্জন। কিন্তু বর্তমানে সাধারণ মানুষের কাছে একটি বাড়ি কেনা কিংবা মাথার ওপর থাকা ঋণ পরিশোধ করাই বড় স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজকের সমাজে সেই সাধারণ স্বপ্ন পূরণ করাও কতটা চ্যালেঞ্জিং, তা গেমের গল্পে প্রতিফলিত হবে।

গেমের দুই প্রধান চরিত্র, জেসন ও লুসিয়া, পেশাদার বা পরিচিত অপরাধী নয়। তারা সম্পূর্ণ নতুন এবং অভিজ্ঞতা বিহীন। বেঁচে থাকার তাগিদে অপরাধ জগতে প্রবেশ করা এই দুই তরুণ-তরুণীর সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ কেমন হবে, তা গেমারদের খেলার ওপর নির্ভর করবে।

গেমটিতে শুধু প্রধান দুই চরিত্রের উপর নয়, বরং আশেপাশের সাধারণ পথচারী এবং পার্শ্ব চরিত্রগুলোর উপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফ্লোরিডার মানুষের জীবনযাত্রা এবং সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা করে এই চরিত্রগুলো তৈরি করা হয়েছে। ফলে, প্রতিটি চরিত্রের নিজস্ব গল্প রয়েছে, যা পুরো গেমের পরিবেশকে বাস্তবায়িত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাহাজ নির্মাণ খাতের প্রশাসনিক জট খোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


জাহাজ নির্মাণ খাতের প্রশাসনিক জট খোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ

সরকার আন্তর্জাতিক বাজার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও বৈদেশিক ক্রয়াদেশের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে জাহাজ নির্মাণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ খাতের প্রশাসনিক জট খোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় ফাইল অনুমোদন প্রক্রিয়াকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে স্থানান্তরের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইয়ার্ড ছাড়পত্র পেতে দীর্ঘ ৪৫ থেকে ৬০ দিনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব দূর করা হবে এবং সেন্ট্রাল ‘ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি’ (টিএসডিএফ) স্থাপনে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পসংক্রান্ত আইন, বিধি ও নীতিমালা পর্যালোচনার লক্ষ্যে গঠিত উচ্চপর্যায়ের জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় এসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

চট্টগ্রামে ফাইল অনুমোদন ও ওয়ান স্টপ সার্ভিসের বিষয়ে, প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে শিপ ইয়ার্ডগুলোর ছাড়পত্র পেতে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এই জটিলতা কাটাতে পরিবেশ অধিদপ্তরের সমস্ত ফাইল চট্টগ্রামের স্থানীয় কার্যালয় থেকেই দ্রুত পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য ও শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সভায় জোর দিয়ে বলেন, "আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ পেতে হলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অবসান ঘটানো ছাড়া বিকল্প নেই। নিয়মকানুন এমন হওয়া উচিত যা বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য। যেসব নিয়ম বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়, সেগুলোকে লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে ফেলে রেখে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক খাতকে বাধাগ্রস্ত করার কোনো সুযোগ নেই।"

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (বিডা) যুক্ত করে একটি বিশেষ ওয়ান স্টপ সার্ভিস প্ল্যাটফর্মের ওয়ার্কিং গ্রুপ ইতোমধ্যে তাদের মূল কাজ শুরু করেছে।

টিএসডিএফ এবং হংকং কনভেনশনের পূর্ণ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গে, জাহাজ ভাঙা ও পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ খাতে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরিবেশ সুরক্ষা ও বিপজ্জনক বর্জ্য শোধন। সেন্ট্রাল টিএসডিএফ অবকাঠামো না থাকায় বিশ্বস্ত আন্তর্জাতিক জাহাজ মালিকরা, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) উন্নতমানের শিপিং লাইনগুলো বাংলাদেশে তাদের পুরোনো জাহাজ পাঠাতে ইতস্তত করছেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু সভার সভাপতি হিসেবে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে জানান, বর্জ্য শোধন ও নিরাপদে নিষ্পত্তির জন্য প্রস্তাবিত সেন্ট্রাল টিএসডিএফ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। আন্তর্জাতিক হংকং কনভেনশন (এইচকেসি) অনুযায়ী শিপ-ইয়ার্ডগুলোকে ‘গ্রিন ইয়ার্ড’-এ রূপান্তর করতে না পারলে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে দেশ পিছিয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, "দেশীয় রি-রোলিং ও আবাসন খাতে কাঁচামালের অব্যাহত সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আমাদের আন্তর্জাতিক কনভেনশনগুলো পুরোপুরি মেনে চলতে হবে।"

​ব্যাংক ঋণ ও বাণিজ্য সহজীকরণ

কমিটির আলোচনায় ব্যাংক খাতের পুরনো আটকে থাকা ঋণ এবং বিনিয়োগ ঘাটতির বিষয়টি গুরুত্ব লাভ করে। ব্যাংকগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ না বাড়িয়ে কিংবা পুরনো আইনি জটিলতায় দীর্ঘ সময় নষ্ট না করে, নতুন অর্থনৈতিক কাঠামোর আওতায় উদ্যোক্তাদের সরাসরি সুবিধা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খুব শিগগিরই শিপ-ইয়ার্ড মালিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে একটি সমন্বিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং আইন ও সংসদ বিষয়ক সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা সহ সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হলেন সৌরভ গাঙ্গুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হলেন সৌরভ গাঙ্গুলি

ভারতের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ আইপিএলে সৌরভ গাঙ্গুলিকে আগেও দেখা গেছে নির্দিষ্ট দলের ডাগআউটে। তবে এবার তিনি এক নতুন ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন। ২০২৭ সালের আইপিএল আসরকে সামনে রেখে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি। এর আগে হেমাং বাদানি দুই মৌসুম ধরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রধান কোচের দায়িত্বে ছিলেন।

২০১৯ সাল থেকে দিল্লি ক্যাপিটালসের উপদেষ্টা (পরামর্শক) হিসেবে সৌরভ যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতির মেয়াদ শেষে তিনি পুরুষ ও নারী উভয় ক্যাপিটালস ফ্র্যাঞ্চির ডিরেক্টর অব ক্রিকেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এসএ২০-এ প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের প্রধান কোচের দায়িত্বেও ছিলেন ভারতের সাবেক এই ওপেনার।

দিল্লির প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সৌরভ বলেন, “আইপিএলে প্রধান কোচ হিসেবে এই নতুন দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। দিল্লি ক্যাপিটালস ফ্র্যাঞ্চাইজিটি আমার হৃদয়ের খুব কাছের একটি দল এবং বছরের পর বছর ধরে তাদের সঙ্গে আমার এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।”

সৌরভ আরো বলেন, “মালিক পক্ষ, ব্যবস্থাপনা পর্ষদ, সাপোর্ট স্টাফ ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমি এর আগেও খুব কাছ থেকে কাজ করেছি। ফলে এই চ্যালেঞ্জটি আমার কাছে অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। আমাদের দলে একঝাঁক প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে আমরা চমৎকার ক্রিকেট উপহার দিয়েছি। আমি নতুন মৌসুম শুরুর জন্য মুখিয়ে আছি, লক্ষ্য থাকবে একটি শক্তিশালী ও নির্ভীক দল গড়ে তোলা।”

আইপিএলের শুরু থেকে খেলে আসা পুরোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংস এখনো কোনো শিরোপার মুখ দেখেনি। গাঙ্গুলি দিল্লি ক্যাপিটালসকে তাদের বহুল প্রতিক্ষিত প্রথম আইপিএল ট্রফি এনে দেওয়ার মূল মিশন নিয়েই ডাগআউটে নামবেন।

এর আগে ২০২০ সালে ফাইনাল খেলে শিরোপার সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছেছিল দিল্লি। পরের বছর ২০২১ মৌসুমে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয় তারা। এরপর থেকে তারা আর প্লে-অফে জায়গা করে নিতে পারেনি। সর্বশেষ গত মৌসুমে অক্ষর প্যাটেলের নেতৃত্ব ও হেমাং বাদানির কোচিংয়ে পয়েন্ট তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে থেকে মিশন শেষ করেছিল ক্যাপিটালসরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%