বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৪ পি.এম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-শিবির কিংবা আওয়ামী লীগে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিএনপিতেও তাদের অস্তিত্ব রয়েছে।
বগুড়ার মমইন কনভেনশন সেন্টারে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন, যেখানে দেশের ‘বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা, সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জ ও বগুড়াকে আলাদাভাবে দেখতে চান না এবং সরকার দেশের সব অঞ্চলের সমান উন্নয়নে বিশ্বাসী। তাই বগুড়ার উন্নয়নে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না।
দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ায় দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের দুর্গোৎসবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাইরে তিনটি অঞ্চলে দুর্গাপূজা পরিদর্শনে গেছেন, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। বিগত নির্বাচনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিয়েছেন, এবং সেই আস্থার প্রতিফলন হিসেবে সারা দেশে ১ হাজার ২০০টি পূজামণ্ডপ বেড়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশাপাশি প্রশাসনও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেছে।
বগুড়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়া একটি কৃষি ও খাদ্য উদ্বৃত্ত জেলা। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস, এবং প্রধানমন্ত্রী সমতাভিত্তিক উন্নয়নে বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, বগুড়ার জন্য অতিরিক্ত কিছু চাওয়া হচ্ছে না; বরং বিগত সময়ে যে উন্নয়ন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করতে চাওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গত ২০ বছর বগুড়ার মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ফখরুদ্দীন-মঈন উদ্দিনের সরকারও ছিল ভয়াবহ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার উত্তরাঞ্চলের মানুষকে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধোঁকা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বগুড়ার উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ, বিমানবন্দর, সিটি করপোরেশন, স্পোর্টস ভিলেজ, সড়ক উন্নয়ন, পৌরসভার উন্নয়ন, বগুড়া ওয়াসা এবং বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শীর্ষ মানবাধিকার সম্মাননা 'সাখারভ পুরস্কার' অর্জন করেছে, যা মার্কিন নিষেধাজ্ঞাসহ তীব্র চাপের মুখে এসেছে। আইসিসির প্রেসিডেন্ট বিচারপতি তোমোকো আকানে এই পরিস্থিতিকে "নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের সময়" হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে উল্লেখ করেন, এই পুরস্কারটি স্বাধীন বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক আইনকে সমুন্নত রাখতে যারা কাজ করছেন, তাদের গুরুত্ব পুনরায় স্বীকৃতি প্রদান করে। তিনি আরও বলেন, "সংঘাতময় এই বিশ্বে ন্যায়বিচার ছাড়া শান্তি এবং আইন ছাড়া নিরাপত্তা অর্জন সম্ভব নয়।"
এই ঘোষণাটি সাবেক আইসিসি বিচারক নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার মাত্র কয়েক দিন পর আসে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিগুলি সংকটকালে আদালতের প্রতি বৈশ্বিক সমর্থনের একটি বড় বার্তা বহন করে।
এছাড়া, গত ফ্রেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ ছিল যে, আদালত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে "অবৈধ এবং ভিত্তিহীন পদক্ষেপ" গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকেই আন্তর্জাতিক এই আদালতের ওপর মার্কিন চাপ ও নিষেধাজ্ঞা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ৫৯ গ্রাম হেরোইনসহ মো: গোলাম হোসেন (৬০) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৫। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি মুঠোফোন, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ৪ হাজার ৯০০ টাকা।
বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে মোহনপুর উপজেলার পিয়ারপুর গ্রামের ধুরইল বাজার থেকে কালীগঞ্জ বাজারগামী পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে গোলাম হোসেনকে আটক করা হয়।
এসআরবি-৫-এর একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোলাম হোসেন সোহাগপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তাঁর হেফাজতে থাকা ৫৯ গ্রাম হেরোইন, মুঠোফোন, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর গোলাম হোসেনকে উদ্ধারকৃত আলামতসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাগমারায় প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা তুলতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছেন এক ইউপি সদস্য। তার কাছে ১২টি সিম কার্ড পাওয়া গেছে, যেগুলো ব্যবহার করে প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা তোলার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এর মধ্যে ১০টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং ওয়ার্ড কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানা গেছে, বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে ইউনিয়নের মাড়িয়া মোড়ে বিকাশ এজেন্ট এনামুল হকের দোকানে ভাতার টাকা তুলতে যান শহিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি বিভিন্ন অপারেটরের ১০টি সিম কার্ড বিকাশ এজেন্টের কাছে দেন। বাকি দুটি সিম কার্ড তার মোবাইল ফোনে লাগানো ছিল।
একসঙ্গে এতগুলো সিম কার্ড দিয়ে টাকা তোলার চেষ্টা দেখে উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে তাদের সঙ্গে শহিদুলের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে দোকানের বাইরে আনা হয়। এ সময় তার পক্ষের লোকজনও সেখানে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
খবর পেয়ে স্থানীয় হাট গাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।
তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মাকসুদ রুপক বলেন, বিশৃঙ্খলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর উপস্থিত লোকজনের কাছ থেকে ইউপি সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ১২টি সিম কার্ডের মধ্যে ১০টি জব্দ করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে জমা দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম বলেন, তার বাবা, ভাই ও ভাতিজির নামও প্রতিবন্ধী তালিকায় রয়েছে। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান আগে থেকেই জানতেন বলে দাবি করেন তিনি।
শহিদুলের অভিযোগ, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাওয়ায় চেয়ারম্যানের লোকজন তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।
বিকাশ এজেন্ট এনামুল হক জানান, প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা তোলার জন্য ইউপি সদস্য আমার কাছে ১০টি সিম কার্ড জমা দিয়েছিলেন। পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে হাতেনাতে আটক করেন।
গোবিন্দপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, বিগত সরকারের সময় থেকে ওই ইউপি সদস্য প্রায় অর্ধশতাধিক সুস্থ-সবল মানুষকে প্রতিবন্ধী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ভাতার টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সিম কার্ডগুলো তার নিজের ও স্বজনদের নামে নিবন্ধিত। উদ্ধার হওয়া ১০টি সিম কার্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি নিজের হেফাজতে নিয়েছেন।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মতিনুর রহমান বলেন, কিছুদিন আগে এ কার্যালয়ে যোগদানের পর জানতে পারি, ওই ইউপি সদস্য নিজের ও স্বজনদের নামে প্রতিবন্ধী ভাতা নিচ্ছেন। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সিম কার্ডগুলোতে ভাতার টাকা জমা হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কিছু করা সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে ওই ইউপি সদস্য আর ভাতা পাবেন না। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর পুঠিয়ায় মাদক কারবারিদের কার্যকলাপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই উপজেলায় মাঝে মাঝে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের আটক করে জেল জরিমানা করা হচ্ছে। তবে, এখানে কিছু চিহ্নিত বড় মাদক কারবারি ধোঁয়াছোয়ার বাহিরে থেকে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাদক কেনাবেচা করছে। এর ফলে পুঠিয়া এবং বেলপুকুর থানা এলাকা দুইটিতে মাদককারবারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
পুঠিয়া পৌর সদরের ৪নং ওয়ার্ডের আদিবাসি পাড়ায় সাবেক সহকারি কমিশনার (ভূমি) শিবু দাসের নেতৃত্বে মাঝে মাঝে অভিযান চালানো হতো চোলাই মদ তৈরি করার কারখানায়। বর্তমানে চোলাই মদ তৈরির সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা পূর্বের মতো প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার চোলাই মদ উৎপাদন ও বিক্রি করছে। গত কয়েক বছর ধরে নতুন কৌশলে আদিবাসীরা চোলাই মদ বিক্রি করছে। বিভিন্ন স্থানে পরে থাকা পরিত্যক্ত কমল পানির বোতল সংগ্রহ করে তার ভেতরে চোলাই মদ ঢুকিয়ে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দারা একাধিকবার মৌখিক অভিযোগ থানায় দিয়েছেন, কিন্তু কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না। চোলাই মদ খেয়ে অনেকে বেহুশ হয়ে যেখানে সেখানে পড়ে থাকছে। আবার কেউ মদ খেতে এসে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। আদিবাসি পাড়ার থানার দুরত্ব মাত্র প্রায় ৪শত মিটার হবে। রাজশাহী হতে এসআরবি-৫ এসে আদিবাসি পাড়ায় অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু থানা পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য কর্মকর্তা সেখানে নির্বিকার রয়েছেন।
যেসব এলাকায় মাদক কারবারিদের রমরমা কেনাবেচা হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে পুঠিয়া বাজার, মোল্লাপাড়া, কান্দ্রা গুচ্ছুগ্রাম, ধোপাপাড়া, ফুলবাড়ি, নামাজগ্রাম, শিবপুর বাজার, বানেশ্বর হাট, পীরগাছা তালুকদার গুচ্ছগ্রাম, ঝলমলিয়া বাজার, রাজশাহী মেট্রোপলিটন বেলপুকুর থানার জামিরা, ডিসির মোড়, বগারটেকসহ একাধিক স্থানে মাদক কারবারিরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
আদিবাসি পাড়ার স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, প্রতিটি মাদককারবারির সঙ্গে মাদকদ্রব্য কর্মকর্তা এবং পুলিশের কিছু সদস্যের সমঝোতা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মাদক কারবারি জানিয়েছেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক সদস্য এই উপজেলায় কর্মরত রয়েছেন। তাদের সঙ্গে মাদক কারবারিদের সখ্যতা থাকায় তারা নির্দ্বিধায় মাদক কারবারি করতে পারছেন। আদিবাসী পাড়ায় ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন কর্মী নিয়মিত চাঁদা আদায় করছেন।
আদিবাসী পাড়ায় চোলাই মদ তৈরির উপাদান সরবরাহ করছে ক্ষমতাসীন দলের দুইজন কর্মী। তাই, উপজেলা জুড়ে হাত বাড়ালেই ট্যাপেন্টাডল, ফেনসিডিল, ইয়াবা, ইরোইন, গাঁজা ও চোলাই মদ পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট মাদক বিক্রেতারা বলছেন, পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি করে তারা মাদক কারবার করে আসছেন। চুক্তি না করলে একদিনও মাদককারবার করা সম্ভব নয়। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য সদস্যরা মাঝে মাঝে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের আটক করে জেল জরিমানা আদায় করতে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে, উপজেলায় হাতেগোনা বড় কয়েকজন চিহ্নিত মাদক কারবারি ধোঁয়াছোয়ার বাহিরে থেকে মাদক কারবারি চালিয়ে আসছে। তারা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাদক প্রকাশ্যে কেনাবেচা করছে। অথচ জেলা গোয়েন্দ পুলিশ (ডিবি), ডিএসবি এনএসআই প্রশাসনিক ভূমিকা পালন করছেন না। রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল তার দলীয় এবং সরকারি প্রতিটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মাদক কারবার বন্ধ করার জন্য কড়া নির্দেশ দিয়ে আসছেন। মাদকের খারাপ দিকগুলো তুলে ধরছেন। কিন্তু মাদক কেনাবেচা কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে পুঠিয়া মাদকদ্রব্য কর্মকর্তা (রাজশাহী-খ অঞ্চলের সার্কেল পরিদর্শক) হেলাল উদ্দিন বলেছেন, "মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স অবস্থা নিয়েছি। মাদক বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ