ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
জীবন বাঁচাতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

'আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সোনম ওয়াংচুকের মৃত্যু হতে পারে'


'লাদাখের সমাজকর্মী, শিক্ষা সংস্কারক ও পরিবেশবাদী সোনম ওয়াংচুকের জীবন রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট। তিনি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে ১৯ দিন ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে আমরণ অনশন করছেন।

বুধবার দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানিতে বৃহস্পতিবার আদালত মন্তব্য করেছেন যে, সোনম ওয়াংচুকের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। আদালতের পর্যবেক্ষণ হলো, প্রতিটি নাগরিকের জীবন মূল্যবান এবং তা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ চেষ্টার প্রয়োজন রয়েছে।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ৫৯ বছর বয়সী ওয়াংচুক যদি অনশন না ভাঙেন, তাহলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হতে পারে। অভিযোগ করা হয় যে, সরকার পরিস্থিতির প্রতি যথেষ্ট উদ্বিগ্ন নয়। অনশনের ফলে তার ওজন সাড়ে ৮ কেজি কমে গেছে এবং রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রাও কমেছে।

আরও পড়ুন: এনসিপির কমিটিতে ৩০ বছরের নিচে কাউকে রাখা হবে না

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওয়াংচুককে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন এবং খনিজ, প্রয়োজনে তরল আকারে, সরবরাহ করা উচিত। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা নাগরিকের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে যদি ওয়াংচুক মারা যান, তা দেশের জন্য এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশাল লজ্জার বিষয় হবে।

শুনানিতে আদালত জানতে চান, ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য কেন নিরবচ্ছিন্ন সরকারি তদারকি নেই। সরকারপক্ষের জবাবে বলা হয়, প্রতিদিন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে, কিন্তু সব সময় সরকারি চিকিৎসক উপস্থিত থাকেন না; কখনও বেসরকারি চিকিৎসকরাও দায়িত্ব পালন করেন।

এ সময় আদালত নির্দেশ দেন যে, ওয়াংচুক যেন প্রতিদিন সরকারি চিকিৎসকদের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা পান এবং সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আদালত উল্লেখ করেছে, প্রয়োজন হলে ওষুধও দিতে হবে। প্রতিটি জীবনই মূল্যবান।

আদালতের নির্দেশের কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ওয়াংচুক জানান, অনশনে থাকা সত্ত্বেও তার শারীরিক অবস্থা এখনও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ না আসা পর্যন্ত অনশন ভাঙবেন না বলেও জানান।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলাম: দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে

তিনি বলেন, পরিস্থিতি ততটা খারাপ নয়। দুর্বলতা থাকলেও তিনি এখনও হাঁটতে পারছেন। শুধু অনশন ভাঙার আহ্বানই জানিয়ে শেষ নয়, বরং তিনি ২০ জুলাই বিপুল সংখ্যক মানুষকে যন্তর মন্তরে এসে সরকারের কাছে বার্তা পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদেরও আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

গত ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে গত ২৮ জুন থেকে সোনম ওয়াংচুক আমরণ অনশন শুরু করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া জনপ্রিয় চলচ্চিত্র থ্রি ইডিয়টস-এ আমির খান অভিনীত ফুনশুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি সোনম ওয়াংচুকের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ‘জুলাইয়ের আন্দোলনে শেখ হাসিনা ও জাতীয় মসজিদের খতিব পালিয়ে গেছেন’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সভা করেছেন দেশের সমতল এলাকায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রথম সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নেতারা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন, যেমন পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের দাবি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আইনগতভাবে ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসতি থেকে উচ্ছেদ বন্ধের দাবি জানান।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন। প্রধানমন্ত্রী সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এবং তার সরকার এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান, কাউকে আলাদা মনে করেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর) অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।”

“আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেখতে হবে, আমরা আরও ভালো অবস্থানে কীভাবে থাকতে পারি।”

দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশে এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে আমি এখনো বিস্মিত হই। কেননা, ১৭ annéesে এগুলোর সমাধান হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো সমাধান করা হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।”

“আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপ এসে পড়েছে আমাদের সরকারের ওপর। এই সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।”

দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর কথাও প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর আমাদের সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই এর উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার।”

“অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।”

২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসা-সামগ্রীর ওপর আরোপিত কর হ্রাসের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার পাশাপাশি, জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ সব জুলাই শহীদের স্মৃতি ধারণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন উদ্যোগ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে 'জুলাই শহীদ দিবস' উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, 'জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন জেগেছে, তা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।'

এ সময় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ আজাদ বলেন, 'দীর্ঘদিনের অবহেলিত রংপুর অঞ্চলের শিক্ষা ও উন্নয়নে আঞ্চলিকভিত্তিক বাজেটের মাধ্যমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে।'

আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় কার্যকরে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্মরণসভায় আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশের রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চ্যাম্পিয়নদের পাশে আছি, শেষ লড়াইয়ের অপেক্ষা: পূর্ণিমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


চ্যাম্পিয়নদের পাশে আছি, শেষ লড়াইয়ের অপেক্ষা: পূর্ণিমা

বিশ্বকাপের উত্তেজনাপূর্ণ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ১-২ ব্যবধানে পরাজিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ফাইনালে স্থান করে নিয়েছে। আটলান্টা স্টেডিয়ামে হ্যারি কেইন ও বেলিংহামদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেছে লিওনেল মেসির দল।

আর্জেন্টিনার এই অসাধারণ জয়ে দেশবাসীর পাশাপাশি উচ্ছ্বাসে ভাসছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমাও।

একটি সামাজিকমাধ্যম বার্তায় তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। ম্যাচ শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করে তিনি লিখেছেন, ‘চ্যাম্পিয়নদের পাশে আছি। আর্জেন্টিনা আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে। শেষ আরেকটি লড়াইয়ের অপেক্ষা।’

এর পূর্বে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল আর্জেন্টিনা। সেই জয়ের পরও এই অভিনেত্রী একটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘বিশুদ্ধ আবেগ। বিশুদ্ধ আবেগ। সেমি ফাইনালিস্ট!’

শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচ আগামী ২০ জুলাই বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১টায় স্পেনের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের এই বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে বিদেশে নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দায় শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ আমরা সকলে ভাই ভাই, আমরা সবাই মিলেমিশে থাকি। বছরগুলো ধরে, যুগের পর যুগ আমাদের এভাবেই একত্রে চলা হয়েছে। আগামী প্রজন্মও আমাদের মতোই মিলেমিশে থাকতে হবে।'

শামা ওবায়েদ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, 'নির্বাচনের আগে আমাদের ইশতেহারে রংধনুর কথা উল্লেখ ছিল। সাতটি রং নিয়ে যেমন রংধনু হয়, ঠিক তেমনি আমাদের দেশে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম ও জাতি রয়েছে। আমরা সবাই মিলে এক বাংলাদেশ হয়ে থাকব।'

তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো ধর্ম নিয়ে বিভেদ করে না। আমাদের কাছে সবাই সমান ও কোনো বৈষম্য ও সংখ্যালঘু শব্দে বিশ্বাস করি না। আমাদের বিশ্বাস আমরা একসঙ্গে দেশ গড়ব।'

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না। কেউ যদি এই চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে, সে যেই হোক না কেন।'

তিনি উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সময় দেশের উন্নয়নে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের কথা স্মরণ করে শামা ওবায়েদ বলেন, 'যারা জীবন দিয়ে আজকের এই দিনটিকে এনেছে, তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। আহত জুলাই যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যেকোনো প্রয়োজনে বিদেশে নিয়ে যাওয়া হবে।'

অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি), নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%