ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু


চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু

চাঁদপুরে একটি আধুনিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) শীর্ষ কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) তারা দিনভর জেলার হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের চররাও ও ঈশানবালার বিস্তীর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে বেজার নির্বাহী সদস্য সালেহ আহমদসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনে এই প্রকল্পের সার্বিক সম্ভাবনা ও রূপরেখা তুলে ধরেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ জিয়াউর রহমান। হাইমচরের নীলকমল ইউনিয়নে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠলে নদী ও সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই অগ্রগতির নানা দিক বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন জেলা প্রশাসক।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৬ মে চাঁদপুর সফর করেন। ওই দিন তিনি জেলার দুটি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন এবং পৃথক সমাবেশে যোগ দেন। সফরকালে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক চাঁদপুরের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠার জোর দাবি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

এই এমপির এই দাবির পর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরবাসীকে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই অংশ হিসেবে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সুবিধাজনক স্থানে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় বেজার এই শীর্ষ প্রতিনিধি দল চাঁদপুর পরিদর্শনে আসেন।

এদিকে মেঘনাপাড়ের হাইমচরে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা হতে যাওয়ার খবরে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জেলায় ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, ঘুচবে বেকারত্ব এবং চাঁদপুরের বাণিজ্যিক পরিচিতি দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও পৌঁছে যাবে।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমার কাজ আরও কঠিন করে দিয়েছে’: ট্রাম্পের কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৩ পি.এম


‘আমার কাজ আরও কঠিন করে দিয়েছে’: ট্রাম্পের কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া একটি ‘অসময়ে প্রণীত ও অর্থহীন’ প্রস্তাবের জন্য কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘সুতরাং, যখন আমি ইরানকে কোণঠাসা করে ফেলেছি, পতনের জন্য তারা প্রায় প্রস্তুত, আমাদের প্রায় সবকিছু দিতে রাজি হয়েছে এবং কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার প্রেসিডেন্ট, অর্থাৎ আমাকে, চরমভাবে সম্মান করছে। আর ঠিক তখনই মার্কিন সিনেট একটি অসময়োচিত ও অর্থহীন ‘ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট’ ভোটের সিদ্ধান্ত নেয়, যা বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাস পৃষ্ঠপোষককে বলছে যে, আমি তাদের সাথে যা করছি তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পছন্দ করছে না এবং আমাকে অবশ্যই তা বন্ধ করতে হবে।’

‘চারজন পরাজিত রিপাবলিকান ডেমোক্র্যাটদের সাথে ভোট দিয়েছেন, এবং ইরান আমার লোকজনকে জিজ্ঞেস করেছে, ‘এর মানে কী?’ এই সিনেটররা আমার কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছেন, কিন্তু আমি যেভাবেই হোক এটা সম্পন্ন করব, কারণ আমি সবসময়ই শেষ পর্যন্ত কাজটা করেই ফেলি।’ ট্রাম্প আরও বলেন।

মঙ্গলবার, মার্কিন সিনেট একটি প্রস্তাব পাস করে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হয় ইরানের বিরুদ্ধে তার সামরিক অভিযান বন্ধ করতে, অথবা পরবর্তী যেকোনো পদক্ষেপ নেয়ার আগে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সিনেটে ৫০-৪৮ ভোটে প্রস্তাবটি পাস হয়, যা এই মাসের শুরুতে প্রতিনিধি পরিষদে অনুমোদিত হয়েছিল।

সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও, চারজন রক্ষণশীল সদস্য দলমত পরিবর্তন করে প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছেন।

এই ভোটের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের উভয় কক্ষে যুদ্ধ ক্ষমতা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সফলভাবে পাস হলো। কিন্তু এই প্রচেষ্টাটি মূলত প্রতীকী এবং এটি আইনে পরিণত হবে বলে আশা করা যায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের শর্তে জর্জরিত, তবুও ডিসেম্বরে উদ্বোধনের আশা বিমান প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৭ পি.এম


জাপানি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের শর্তে জর্জরিত, তবুও ডিসেম্বরে উদ্বোধনের আশা বিমান প্রতিমন্ত্রীর

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার ক্ষেত্রে জাপানি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান একের পর এক শর্ত যুক্ত করছে। এর ফলে উদ্বোধন ডিসেম্বর থেকে পিছিয়ে যেতে পারে। তবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, জুলাইয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সই হবে। আর নির্ধারিত সময়েই টার্মিনাল চালু হবে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্যে সরকার আগের মতো এগিয়ে যাচ্ছে আসছে ডিসেম্বরে। কিন্তু জাপানের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের একের পর এক নতুন শর্তে জটিলতা বাড়ছে। সরকার জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আয় ভাগাভাগি নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করেছে। সিভিল এভিয়েশন ইতোমধ্যে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক চুক্তির প্রস্তাব বা আরএফপি দিয়েছে। ৪২ দিনের মধ্যে চুক্তি সই হওয়ার কথা থাকলেও জাপানি প্রতিষ্ঠান নতুন নতুন শর্ত দিচ্ছে। এতে নির্ধারিত সময়ে টার্মিনাল চালু নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। যদিও বিমান প্রতিমন্ত্রী মনে করেন, চুক্তি জুলাইয়ের মাঝামাঝি হবে।

বিমান প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করা হয়েছে, তাদের যেসব সক্ষমতা আছে সেগুলো দিয়ে চেষ্টা করা। চুক্তি সই হলে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জটিল প্রক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকবে। প্রযুক্তিগত সব ফাংশন নভেম্বরের মধ্যেই অপারেশন র‌্যাডিয়্যান্স অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফারের আওতায় টার্মিনাল টু থেকে স্থানান্তর করা দরকার।

বিমান প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেসব কার্যক্রম শেষ হবে, তারা অক্টোবরের মধ্যে বুঝে নিবে। নভেম্বর মাসটি পুরো ট্রায়ালে চলবে, যাতে ডিসেম্বরে উদ্বোধন করা সম্ভব হয়। তিনি আশা করেন, নভেম্বরে তারা বুঝে নিতে পারবে।

যদি থার্ড টার্মিনালের অপারেশন শুরু হয়, তাহলে শাহজালাল বিমানবন্দরে বছরে যাত্রীসেবা ৮০ লাখ থেকে বেড়ে প্রায় ২ কোটিতে উন্নীত হবে। এটি এয়ারলাইন্সের সংখ্যা বাড়াবে এবং ভাড়া কমাবে। পণ্য আমদানি-রফতানি বেড়ে রাজস্বে গতি আসবে। তাই স্থাপনা দ্রুত কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

দ্যা বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেছেন, টার্মিনাল উদ্বোধন হলে যাত্রীরা সাশ্রয় বোধ করবে, তারা এখানে নিরাপত্তা বোধ করবে এটি একটি বড় ব্যাপার। যেসব এয়ারলাইন্স সার্ভিস দেয়, তাদের সার্ভিসেও উন্নতি ঘটবে। নতুন নতুন এয়ারলাইন্সগুলো নিরবচ্ছিন্ন সার্ভিস দিতে পারবে। নতুন এয়ারলাইন্স আসা মানে নতুন রেভিনিউ আসবে এবং চাকরির সম্ভাবনা তৈরি হবে।

বিশ্বমানের সেবা দিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই টার্মিনালে রয়েছে ১১৫টি চেক-ইন, ১২৮টি ইমিগ্রেশন কাউন্টার, ১৬টি লাগেজ বেল্ট, ৪০ হাজার বর্গমিটার বিশাল বহির্গমন লাউঞ্জ এবং ১ হাজার ২০০টি গাড়ি পার্কিং অবকাঠামো। এছাড়া, একসঙ্গে ৩৪টি উড়োজাহাজ পার্কিং করার ব্যবস্থা রয়েছে।

এদিকে এর আগে শনিবার (২০ জুন) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছিলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল আলোচিত থার্ড টার্মিনাল (তৃতীয় টার্মিনাল) আগামী ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১০ পি.এম


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য চালু

এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভিসা নীতি চালু করতে যাচ্ছে। এই নতুন ভিসা নীতির আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৈধভাবে বসবাসের নিয়মে বড় পরিবর্তন আনার অনুমোদন এসেছে। সম্প্রতি, হোয়াইট হাউজ এমন একটি প্রস্তাবিত বিধিমালার অনুমোদন দিয়েছে যা আইনগতভাবে কার্যকর হবে। এতে দীর্ঘদিনের ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস ব্যবস্থা বাতিল করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি হোয়াইট হাউজ যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রস্তাব করা নতুন ভিসা নীতি অনুমোদন করেছে। নতুন ভিসা নীতির আওতায় শিক্ষার্থী, এক্সচেঞ্জ ভিজিটর এবং বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের জন্য উন্মুক্ত মেয়াদের ভিসা বাতিল হবে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির আওতায়, এখন থেকে শিক্ষার্থীরা আর ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস বা খোলা মেয়াদের ভিসায় দেশটিতে অবস্থান করতে পারবেন না। সর্বোচ্চ চার বছরের ভিসা দেয়া হবে তাদের। আর ভিসার মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়নের জন্য ডিএইচএসের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।

এছাড়া দেশটিতে বর্তমানে অবস্থানরত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যদি পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধিত থাকেন এবং নিয়ম অনুযায়ী পড়ালেখা করেন, তাহলে তাদের কোর্স শেষ হওয়া পর্যন্ত সেখানে থাকতে পারবেন। তবে নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন হলে শিক্ষার্থীদের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকতে বৈধতার অনুমোদন প্রদান করা হবে। সময় শেষ হলেও পড়ালেখা চালিয়ে যেতে চাইলে তাদের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য নতুন করে আবেদনের প্রয়োজন হবে। অন্যথায়, তাদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে।

নতুন ভিসা নীতির প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, অধিকাংশ এফ-১ শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ চার বছর থাকার জন্য অনুমতি পাবেন। চার বছরের বেশি সময়ের শিক্ষাক্রমের ক্ষেত্রে (গবেষণাভিত্তিক স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি প্রোগ্রাম) অতিরিক্ত সময়ের জন্য অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হবে।

পড়ালেখার সময় প্রোগ্রাম পরিবর্তন করা যাবে না। একটি স্তর শেষ করার পর তবেই উচ্চতর স্তরে ভর্তি হওয়া যাবে। একই বা নিম্ন স্তরে পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না। পড়ালেখা বা ট্রেনিং শেষ হওয়ার পর নিজ দেশে ফেরার প্রস্তুতির সময় ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যতদিন ভিসার শর্ত পূরণ করেন, ঠিক ততদিন সেখানে অবস্থান করতে পারেন। তবে নতুন নিয়মে নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হলে নবায়ন করতে হবে। এ ব্যাপারে কলেজ ও মেডিকেল সংগঠনগুলো আশঙ্কা করছেন, নতুন এই নিয়মে অতিরিক্ত প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই নতুন নিয়ম শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি সম্পন্ন করা এবং গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদি পড়ালেখার জন্য আসা শিক্ষার্থীদের জন্য বিঘ্ন সৃষ্টি করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের পরিণতি গাজার মতো হতো ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে: পেজেশকিয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৩ পি.এম


ইরানের পরিণতি গাজার মতো হতো ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মঙ্গলবার মন্তব্য করেছেন যে, ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়া তার দেশের পরিণতি ‘গাজার মতোই’ হতো। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তাদের ব্যালিস্টিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আপস চলবে না।

 মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে স্থায়ী অবসান নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান আলোচনা চলাকালে পাকিস্তান সফরের সময় তিনি বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষার ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে গাজার মতোই ধ্বংসস্তূপে পরিণত করত। তখন তারা বৃদ্ধ বা তরুণ, কাউকেই রেহাই দিত না।’

 তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘আমরা আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কোনো অবস্থাতেই, কখনো, কারোর সঙ্গেই আলোচনা করব না।’

 এদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ নিশ্চিত করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারী পক্ষগুলো অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক চুক্তিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কোনো উল্লেখ ছিল না।

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জেরে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইরান তার উপসাগরীয় প্রতিবেশী ও ইসরায়েল দিকে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও হাজার হাজার ড্রোন ছুড়ে ফেলেছে। ১৯৮০ দশকে ইরাকের সঙ্গে যুদ্ধকালে ইরানের দুর্বল বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি পূরণের জন্য প্রাথমিকভাবে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছিল এবং তারপর থেকে এগুলোর পাল্লা ও নির্ভুলতা কেবল বেড়েছে।

 

ইরান থেকে এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার (৯৩০ মাইল) দূরে অবস্থিত ইসরায়েল, দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচিকে একটি অস্তিত্বের সংকট হিসেবে দেখছে।

 

যুদ্ধের পূর্বে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ডের আলোচনা করতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং সশস্ত্র প্রক্সিদের প্রতি তেহরানের সমর্থন অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিল।

 

সাম্প্রতিক দিনে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে তার অবস্থান কিছুটা নরম করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু বলছি, অন্য দেশগুলোর কাছে যদি এসব অস্ত্র থাকে, তাহলে কিছু দেশের কাছে একেবারেই না থাকা কিছুটা অন্যায়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%