০৯:৪০ এম
২০২৬ বিশ্বকাপ কানাডার ফুটবল ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথ আয়োজক হিসেবে নিজেদের মাটিতে এবারই প্রথম বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন ও খেলার সুযোগ পেয়েছে উত্তর আমেরিকার এই দেশটি।
এর আগে ১৯৮৬ ও ২০২২ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিলেও কখনোই ঘরের মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেনি কানাডা। এবারে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্বকাপের ১৩টি ম্যাচ, যা দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
কানাডা বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপে অবস্থিত। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, কাতার এবং সুইজারল্যান্ড।
আরও পড়ুন: সাভার-আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে ৮৮ কারখানা কর্মমুখর হয়ে উঠছে
স্বাগতিক দর্শকদের সমর্থন নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামছে এই দলটি।
বর্তমান কানাডা দলের প্রতি দেশটির অধিবাসীরা প্রতিবেদন করছেন যে এটি ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রজন্ম। দলের মধ্যে আছেন তারকা ফুটবলার আলফনসো ডেভিস, জোনাথন ডেভিড ও কাইল লেরিন। তাদের নেতৃত্বে ‘লে রুজ’রা বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের জন্য অপেক্ষা করছে।
তবে কানাডার বিশ্বকাপের অতীত সুখকর নয়। ১৯৮৬ ও ২০২২—দুই আসরে মিলিয়ে তারা ছয়টি ম্যাচ খেলেছে কিন্তু কোনো জয় পায়নি। এমনকি ড্র করতেও তাদের সক্ষমতা হয়নি। তবে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে বিশ্বকাপে কানাডার প্রথম গোলের ইতিহাস গড়েছিলেন আলফনসো ডেভিস।
কানাডা বিশ্বকাপে প্রথম জয়, প্রথমবার নকআউট পর্বে প্রবেশ এবং স্বাগতিক হিসেবে স্মরণীয় একটি আসর উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে। আর সেই প্রত্যাশিত যাত্রা শুরু হচ্ছে তাদের ম্যাচ বসনিয়ার বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন: ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের নিন্দা জানালেন এমপি নূরুন্নিসা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন