শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৪ পি.এম
চলতি শীত মৌসুমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) তীব্র জ্বালানিসংকট ও সর্বকালের রেকর্ড জ্বালানি মূল্যের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের শক্তি ও আবাসন বিষয়ক কমিশনার ড্যান ইয়োর্গেনসেন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ২০২২ সালের পর এবারই অঞ্চলটি সবচেয়ে কঠিন শীত পার করতে পারে।
কমিশনার ড্যান ইয়োর্গেনসেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহ যেন যথাসম্ভব বাধাহীন থাকে, সে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।" তিনি উল্লেখ করেন যে, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি প্রবাহ নিশ্চিত রাখা যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ উভয় পক্ষের স্বার্থের জন্যই অনুকূল। তবে তিনি সতর্ক করেন যে, যদিও আমেরিকার সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে, ইউরোপকে একটি কঠিন শীতকাল সহ্য করতে হতে পারে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, ইউরোপজুড়ে ডিজেলের দাম ইতোমধ্যেই সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, ইইউতে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ২.২৩ ইউরো পর্যন্ত ছুঁয়েছে। এদিকে মার্কিন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দেওয়ায় ইউরোপীয় বাজারগুলোতে নতুন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের ব্যবসায়ীদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়িত হলে ইউরোপের অর্থনীতি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।
জ্বালানির মূল্য কমানোর জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইউরোপীয় কমিশন নানা পদক্ষেপ নিয়ে ভাবছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সম্প্রতি মিথেন আমদানি নীতি কঠোর করার প্রস্তাব স্থগিত করার এবং জ্বালানি পরিশোধনের নিয়ম শিথিল করার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কমিশনার ইয়োর্গেনসেন ইইউ সদস্য দেশগুলোকে বিদ্যুতের ওপর কর কমানো এবং নবায়নযোগ্য সবুজ শক্তিতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল পূর্বেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইইউ-এর রাশিয়া নীতি এবং মজুতাগারে গ্যাসের কম ঘাটতির কারণে আগামী শীতে ইউরোপ মারাত্মক সংকটে পড়বে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খেলাধুলার সময় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ৪৭ বছর। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আশরাফুল আফসারের শেষ মুহূর্তের একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি রাতে একটি স্টেডিয়ামে খেলাধুলা করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। সেই সময় তিনি হাঁটু গেড়ে বসার মুহূর্তে উপুড় হয়ে যান। এরপর সেখানে উপস্থিত অন্যরা তাঁকে ধরে বুকে চাপ ও পানি দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর কোনো নড়াচড়া না দেখে সবাই মিলে তাঁকে নিয়ে যায়।
উপসচিব আশরাফুল আফসারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। স্থানীয় সরকার বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা হৃদয় মাহমুদ চয়নের মাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় মন্ত্রী এই শোক জানান। শোকবার্তায় তিনি মরহুম মোহাম্মদ আশরাফুল আফসারের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
মন্ত্রী বলেন, "মোহাম্মদ আশরাফুল আফসারের মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার বিভাগ একজন দক্ষ, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে হারিয়েছে। সরকারি দায়িত্ব পালনে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।"
ড. আবদুল মঈন খান মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোক সহ্য করার শক্তি দান করতে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
জানা যায়, আশরাফুল আফসার বিসিএস ২৫ তম ব্যাচের একজন ক্যাডার ছিলেন। তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন নবীনগর উপজেলার শিবচর ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যায় বাজার, বাজারের সড়ক ও গলিপথ। ভারী বৃষ্টির ফলে কোথাও সেই পানি কোমরসমান হয়ে যায়। ময়লা-আবর্জনায় বন্ধ হয়ে যাওয়া সরু নালা দিয়ে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হয়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের চলাচল করতে হয় দোকানের সামনে জমে থাকা নোংরা পানির মধ্য দিয়ে।
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের জনবহুল মোসলেমগঞ্জ বাজারে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর)-ও ভারী বৃষ্টির কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের মতে, প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার মোসলেমগঞ্জ বাজারে হাট বসে। হাটের দিন মানুষের ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। তারা জানান, কার্যকর ও পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বাজারের বিভিন্ন সড়ক, গলি ও দোকানের সামনে হাঁটুসমান পানি জমে যায়।
কোথাও পানি কোমর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। কাঁচাবাজার এবং মুদিদোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ে। ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হয়, বাজার-সদাই করতে গিয়ে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, বাজারটিতে দুই শতাধিক দোকান রয়েছে। প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ সেখানে কেনাকাটা করতে আসে। হাটের দিন ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি হয়ে যায়। কিন্তু বৃষ্টি হলে বাজারের প্রধান গলি, কাঁচাবাজার ও বিভিন্ন দোকানের সামনে পানি জমে যাওয়ায় কেনাবেচা কঠিন হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে ড্রেন নির্মাণ করা হলেও সেগুলো অত্যন্ত সরু এবং অনেক জায়গায় ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত সরতে পারে না। নালা উপচে ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি বাজারে উঠে আসে। ভারি বৃষ্টির সময় সেই পানি দোকানের ভেতরেও ঢুকে পড়ে। এতে ব্যবসায়ীদের পণ্য নষ্ট হয়, অন্যদিকে ক্রেতাদেরও বাজারে ঢুকতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
মুদিদোকানদার সাইফুল ইসলাম বলেন, "বৃষ্টি হলেই দোকানের সামনে পানি জমে যায়। ভারি বৃষ্টি হলে পানি দোকানের ভেতরেও ঢুকে পড়ে। মালামাল উঁচু করে রাখতে হয়, তবুও সব সময় রক্ষা করা যায় না। পানি জমে থাকায় ক্রেতারাও দোকানে আসতে চান না। দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চললেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।"
ব্যবসায়ী ওয়াসিম আহম্মেদ বলেন, "বাজারে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তা কোনো কাজে আসছে না। নালা খুবই সরু এবং ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। এ কারণে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। নালার ময়লা-আবর্জনা বৃষ্টির পানির সঙ্গে বাজার ও সড়কে উঠে আসে। মুষলধারে বৃষ্টি হলে নালার নোংরা পানি পাশের দোকানগুলোতেও ঢুকে পড়ে। তখন সাধারণ মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।"
আরেক ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, "বছরের পর বছর ধরে আমরা এমন দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। বাজারের ড্রেন সংস্কারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। বাজারে পানি জমে থাকলে ব্যবসা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। ক্রেতারা পানির কারণে দোকানে আসতে চান না, ফলে বেচাকেনাও কমে যায়।"
ক্রেতা জুবায়ের হোসেন জানান, "বাজারে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে এসে পানির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। কোথায় সড়ক, আর কোথায় পানি জমে আছে- বোঝা কঠিন। বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের নিয়ে বাজারে আসা খুবই কষ্টকর। বাজারের পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা দরকার।"
ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাজারের পুরনো নালা ও ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় কোথাও ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে, কোথাও নালা সরু হওয়ায় ভারি বৃষ্টির পানি ধারণ করতে পারে না। এর সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর আউটলেট না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত বের হতে না পেরে সড়ক ও দোকানের সামনে জমে থাকে।
উদয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নূরনবী বলেন, "দীর্ঘদিন ধরেই ড্রেন সংস্কার ও সম্প্রসারণের দাবি জানানো হলেও স্থায়ী কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই একই পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থায়ী ড্রেন নির্মাণ প্রয়োজন।"
এ ব্যাপারে মোসলেমগঞ্জ বাজারের হাট ইজারাদার মো. মাজারুল ইসলাম বলেন, "মোসলেমগঞ্জ বাজারে এখনও সরকারি বরাদ্দ হয়নি। আর্থিক সংকটের কারণে বাজারের ড্রেন সংস্কার বা নির্মাণ করতে সময় লাগছে। এখন কোনো কাজ করলে তা নিজস্ব তহবিল থেকে করতে হবে। তবে চেষ্টা করব, যেন কিছুটা সংস্কার করে মানুষের ভোগান্তি দূর করা যায়।"
কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বলেন, "মোসলেমগঞ্জ বাজারের জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সরেজমিন দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীনে অনুষ্ঠিত এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন (এপেক) সম্মেলনে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই সফরটি সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।
পুতিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, "আমি এ কাজের অংশ হতে আগ্রহী। তবে আবারও স্পষ্ট করে বলছি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার ভেতরের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।"
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই শীর্ষ সম্মেলন ক্রেমলিন প্রধানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সুযোগ হতে পারে। তবে, নিজ দেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনা করেই সফরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চোখের সামনেই মুহূর্তের মধ্যে শেষ হয়ে গেল একটি জীবন। আমড়া পারতে গাছে উঠেছিলেন স্বামী আর নিচে দাঁড়িয়ে কুড়িয়ে নিচ্ছিলেন স্ত্রী। কিন্তু এক নিমেষেই সব আনন্দ ও ব্যস্ততা বিষাদে রূপ নিল। গাছ থেকে নিচে পড়ে স্ত্রীর চোখের সামনেই মৃত্যুবরণ করলেন স্বামী।
শনিবার সকালে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। নিহত যুবক গারুড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ হাওলাদারের ছেলে তৈয়ব আলী হাওলাদার (৩৫)।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দৈনন্দিন কাজের অংশ হিসেবে তৈয়ব আলী বাড়ির পাশে একটি আমড়া গাছে ওঠেন। নিচে অবস্থান করছিলেন তাঁর স্ত্রী।আকস্মিকভাবে হাত পা পিছলে তিনি গাছ থেকে মাটিতে পড়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্ত্রী স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
চোখের সামনে প্রিয় মানুষের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও মর্মান্তিক বিদায় মেনে নিতে পারছেন না স্ত্রী। তাঁর হৃদয়বিদারক আহাজারি ও বিলাপে ভারী হয়ে যায় আকাশ। এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মুহূর্তের মধ্যেই নিহতের পরিবারে তৈরি হলো অপূরণীয় শূন্যতা।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন জানান, গাছ থেকে পড়ে তৈয়ব আলী নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর সংবাদ শুনেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ