ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এফএও’র সহায়তায় নিরাপদ খাদ্য ও নারীদের উদ্যোগে ৪.৪৭ লাখ ডলার অনুদান


এফএও’র সহায়তায় নিরাপদ খাদ্য ও নারীদের উদ্যোগে ৪.৪৭ লাখ ডলার অনুদান

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : নিরাপদ কীটনাশক ব্যবস্থাপনা এবং গ্রামীণ নারীদের পরিবেশবান্ধব ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রসারে ৪ লাখ ৪৭ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান সহায়তা পেতে দুটি প্রকল্পের নথিতে সই করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।

রোববার ঢাকায় ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে এফএওর প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নথিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইআরডির জাতিসংঘ অনুবিভাগের উইং প্রধান এ কে এম সোহেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইআরডির জাতিসংঘ অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

ইআরডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কীটনাশকের নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় ২ লাখ ডলার কীটনাশকের জীবনচক্রভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা জোরদার’ শীর্ষক চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটি এফএও-চীন দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এতে অর্থায়ন করছে চীনের কৃষি ও পল্লী বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ পাবে ২ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ছাড়াও ইথিওপিয়া, ঘানা, জর্ডান ও কিরগিজস্তানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্পটির মাধ্যমে কীটনাশক ব্যবহারের হালনাগাদ বিধিমালা প্রণয়ন, ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু এবং আইন প্রয়োগ জোরদারে সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষায় পরীক্ষাগারগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো এবং নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহার সম্পর্কে কৃষকদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী

প্রকল্পের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে ৩০ শতাংশের বেশি সবজিতে অতিরিক্ত মাত্রায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

২০২৬ সালের ১০ জুন ইআরডিতে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার পর এফএও প্রকল্পের নথি সংশোধন করে। সংশোধিত নথি অনুযায়ী, কৃষি মন্ত্রণালয় প্রকল্প টাস্কফোর্সের নেতৃত্ব দেবে। বাস্তবায়নে যুক্ত থাকবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)। জাতীয় প্রকল্প সমন্বয়কের কর্মস্থল হবে বাংলাদেশে। পাশাপাশি প্রকল্পের বাজেটও যৌক্তিকভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নারী-নেতৃত্বাধীন সবুজ উদ্যোগে ২ লাখ ৪৭ হাজার ডলার:

দ্বিতীয় প্রকল্পের নথিতে ‘গ্রিন রুটস উইমেনস ফার্ম ল্যাবস’ শীর্ষক ২৪ মাসের একটি উপ-কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ও উগান্ডায় পরীক্ষামূলকভাবে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ ২ লাখ ৪৭ হাজার মার্কিন ডলার।

আরও পড়ুন: ভোটের পাঁচ দিন আগে বাইশিমাস নির্বাচন স্থগিত, প্রার্থীদের প্রতিবাদ

এফএওর কৃষক মাঠ স্কুল পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে কর্মসূচিটি নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় গ্রামীণ নারীদের পরিবেশবান্ধব ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণে সহায়তা প্রদান করা হবে। এ জন্য তাদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ, উপযোগী প্রযুক্তি এবং অর্থায়ন ও বাজারের সঙ্গে সংযোগের সুযোগ তৈরি করা হবে।

এ কর্মসূচির জাতীয় পর্যায়ের অংশীদার হলো কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং দেশের কৃষক সমাজ। ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী মন্তব্য করেন, ‘প্রকল্প দুটি নিরাপদ খাদ্য, জলবায়ু সহনশীল জীবিকা এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে আমাদের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন। কৃষক ও গ্রামীণ নারীদের জন্য এসব উদ্যোগের সুফল নিশ্চিত করতে ইআরডি সমন্বয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’

বাংলাদেশে এফএওর প্রতিনিধি ড. জিয়াওকুন শি বলেন, নিরাপদ কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং গ্রামীণ নারীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টিতে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা করতে পেরে এফএও আনন্দিত।

আরও পড়ুন: হায় সেলুকাস, আমাদের এই বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি

অনুষ্ঠানে ইআরডির জাতিসংঘ অনুবিভাগের প্রধান এ কে এম সোহেল বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে সংস্থাটি ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি'র নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে লিফলেট বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


বিএনপি

১৮ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রোজ রবিবার, সকাল ১১ ঘটিকায়, নারায়ণগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক থানা ওয়ার্ড কমিটির উদ্যোগে,
গ্যাস খাতের সংকট উৎস থেকে উত্তরণের পথে সরকার,
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার দুর্নীতি অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার, ইরান যুদ্ধ এবং প্রাকৃতিক বৈরিতা ভাসমান এনজি টার্মিনালের উপর নির্ভরতা, অতিরিক্ত গ্যাস উত্তোলনের ফলে সৃষ্টির সংকট,
বাপে ক্স কে নিষ্ক্রিয় রেখে বিদেশি ঠিকাদারদের অগ্রধিকার, তাইমুক্ত অধ্যাদেশ ২০১০ চালু করে, দরপত্র ছাড়াই আমদানি বাণিজ্য প্রাধান্য দেওয়া হয় যা করার ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দিতা ও জবাবদিহি দুটোই বন্দ করে দেয়, সিস্টেম লস এর নামে বছরে চার হাজার কোটি টাকার গ্যাস অপচয়, এল এনজি আমদানি চুক্তি বাতিল, সাগরে বৈরী আবহাওয়ায় এল এন জি খালাস ব্যাহত, অতিরিক্ত গ্যাস উত্তোলনের ফলে সৃষ্টির সংকট, এর কারণে বিগত সরকার এর আমলে, বিভিন্ন সময় গ্যাসের মূল্য বিদ্যুতের মূল্য অকটেন ডিজেলের দাম বাড়াইতে বাধ্য হয়েছে, এই সকল বিষয়ে জনগণের মাঝে তুলে দেয়ার জন্য আজ, নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক থানা ওয়ার্ড কমিটির পক্ষ থেকে লিফলেট বিতরণ করেন, বিভিন্ন এলাকায় ও মহাসড়কে,
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক, সাখাওয়াত ইসলাম রানা, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোঃ হারুন, মোঃ জুলহাস, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মিজানুর রহমান রনি মল্লিক, মাহফুজ রহমান সহ আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে রামলীলা মন্দির সিলগালা, প্রতিবাদ হিন্দু সম্প্রদায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


পাকিস্তানে রামলীলা মন্দির সিলগালা, প্রতিবাদ হিন্দু সম্প্রদায়ের

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ডেরা ইসমাইল খানে ঐতিহাসিক রামলীলা মন্দির সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নাগরিক সমাজ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা মন্দিরটি ভেঙে সেখানে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডন সূত্রে জানানো হয়েছে, শনিবার রহিম বাজার এলাকায় অবস্থিত মন্দিরটি তালাবদ্ধ করে সিলগালা করা হয়। এর আগে জনসাধারণের প্রতিবাদের মুখে সহকারী কমিশনার হামিদ সিদ্দিক ভবনটি সিলগালা করে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বাণিজ্যিক প্লাজা নির্মাণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি যৌথ বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা প্রস্তাবিত নির্মাণকাজের নিন্দা জানান এবং বিষয়টি জাতীয় পরিষদে উত্থাপনের জন্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানান।

সোহেল আহমেদ আজমির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সাবেক প্রাদেশিক আইনপ্রণেতা ও হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি কিশোর কুমার, সমাজকর্মী মুহাম্মদ নওমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা জানান, ডেরা ইসমাইল খানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত প্রায় ৪০০টি ভবনের মধ্যে রামলীলা মন্দিরও অন্তর্ভুক্ত। তাঁরা এসব ভবন উচ্ছেদ বা ধ্বংসের যেকোনো উদ্যোগ প্রতিহত করার ঘোষণা দেন। নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী, লেখক ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ কর্মীদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, বাণিজ্যিক প্লাজা নির্মাণের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেখানে নির্মাণকাজের অনুমতি দিয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে তদন্তের দাবি জানান এবং জেলা প্রশাসন, জাতীয় পরিষদের স্পিকার, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্তরে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে।

তিনি রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বক্তব্য তুলে ধরেন।

রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, হাসনাত আবদুল্লাহকে সমন্বয়করা হাসিনার আবদুল্লাহ ডাকার সূত্রপাত ঘটে, ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আবু সাইদ, ওয়াসিম আকরামসহ ৬ জন শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদ একটি প্রতিবাদলিপি লিখে হাসনাত আবদুল্লাহকে চেক করার জন্য দায়িত্ব দেন।

তিনি আরো লেখেন, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে হাসনাত আবদুল্লাহ সেই প্রতিবাদলিপির শেষের দিকে যুক্ত করে দেয় যে, 'আলোচনার দরজা খোলা আছে'। এমনকি সমন্বয়কদের কারও সাথে আলোচনা না করেই সেটি আবার ফেসবুকে পোস্টও করে দেয়। এনিয়ে সমন্বয়কদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ স্বীকার করেন যে, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে তিনি এই লাইন যুক্ত করেছেন।

এছাড়া, ১০ জুলাই কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করার জন্য ঢাবির তৎকালীন সহকারী প্রক্টর, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহিম স্যারের সাথে বসে ডিজিএফআইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রেস নোটও হাসনাত-সারজিস লিখে ফেলেছিলো। কিন্তু শাহবাগে হাসনাত-সারজিস উপস্থিত হওয়ার পর অন্যান্য সমন্বয়করা রাজি না হওয়ায় আন্দোলন স্থগিত ঘোষণার মতো সাহস দেখাতে পারেনি এই দুই জুলাই গাদ্দার।

শেষে তিনি লেখেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্তরে এভাবে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে। ১৯ জুলাই শহীদের রক্ত মারিয়ে আ.লীগের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক কিংবা নাহিদ-আসিফ গুম হওয়ার পরে ডিজিএফআইয়ের গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো ও ডিবি হেফাজতে পুকুরপাড়ে বসে জুস খাওয়া সেই হাসিনার আবদুল্লাহ যখন ৬১ দিন গুম ও দীর্ঘদিন নির্বাসিত থাকা জনাব সালাউদ্দিন আহমেদকে শুধুমাত্র 'সালাউদ্দিন সম্বোধন করে, ' বিএনপিই কিছুদিন পর সালাউদ্দিনের বিচার করবে ' বলে গালমন্দ করে, তখন বলতেই হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতি ও শেখ হাসিনার পতনের ক্ষোভ থেকেই শেখ হাসিনার দ্বারা গুম হওয়া একজন নেতা সম্পর্কে ওরা এই আক্রোশ লালন করতেই পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দায়িত্ব পেলে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে চান কাওসার খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রতিবেদক মোঃ সাকিব আহমেদ ঢাকা

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


দায়িত্ব পেলে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে চান কাওসার খান

আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ও গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীদের গুম, খুন এবং জুলাই-আগস্টে শত শত লোকের হত্যাকারী খুনি হাসিনার বিচার কার্যকরের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মোঃ কাওছার খান, সাবেক ১নং সহ-সভাপতি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল—ঢাকা মহানগর পশ্চিম।”

রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সাবেক ১ নম্বর সহ-সভাপতি মো. কাওসার খান। দায়িত্ব পেলে এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদ এবং বিগত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন, গুম-খুনের অভিযোগ ও জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের একটি ব্যানারে কাওসার খানের নাম উঠে আসে। ব্যানারে এসব ঘটনার বিচার কার্যকরের দাবি জানানো হয়।

ছাত্ররাজনীতিতে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকা কাওসার খানকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও ছিনতাইয়ের মতো সমস্যার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা সামনে আসছে।

রাজধানীর অন্যতম জনবহুল এলাকা মোহাম্মদপুরে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এলাকার বাসিন্দারা যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন, ব্যবসায়ীরা যেন নিরাপদে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং তরুণ সমাজ যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত হয়—এমন পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।

এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কাওসার খানের প্রত্যাশা, দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে মোহাম্মদপুরের মানুষের পাশে থেকে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করবেন। সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানেও ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

তবে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাসমুক্ত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা, অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%