ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশে কোনো ধর্মীয় স্থান ভাঙচুর করতে দেওয়া হবে না : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী


দেশে কোনো ধর্মীয় স্থান ভাঙচুর করতে দেওয়া হবে না : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড়, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, দেশে কোনো মাজার, পীরের তরিকা বা ধর্মীয় স্থান ভাঙচুর করতে দেওয়া হবে না।

আজ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌর সদরের বিজয় চত্বরে আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’য়াত আয়োজিত জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেশের ১২৭টি মাজার ধ্বংসের চেষ্টা করেছিল, মাজারগুলো বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। একজন মুসলমান হয়ে আরেকজন মুসলমান মাজারের খাদেমকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। ভবিষ্যতে কোনো মাজার ধ্বংস করা হলে আমরা ঘরে বসে থাকব না।
 প্রতিমন্ত্রী বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদের দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্যই পৃথিবীতে এসেছিলেন। আমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে চাই না।

আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় ঢাকা জেলা আ.লীগ নেতা আরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার

তিনি বলেন, আমরা নবীর তরিকা ধরে ঐক্যবদ্ধ থাকব। রাসূল (সা.)-এর নবুয়তি জীবন, তাঁর নীতি ও আদর্শ থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। মদিনায় ব্যবসায়ীদের সম্পদ চুরি হলে রাসূল (সা.) ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সে সময় হিলফুল ফুজুল গঠন করা হয়েছিল।

আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’য়াতের দেবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হামিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া, পঞ্চগড় জেলা যুবদলের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপান, দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কাদেরী কিবরিয়া রানা ও দেবীগঞ্জ উপজেলা আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’য়াতের উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান গোলাম মাহবুব জিহাদি প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’য়াতের দেবীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির কার্যকরী সদস্য সফিকুল ইসলাম। এতে দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’য়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন: জামায়াত নেতার কথা শুনে ব্যথিত হয়েছি: ইশরাক হোসেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের লক্ষ্য কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা : কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


সরকারের লক্ষ্য কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা : কৃষিমন্ত্রী

মুন্সীগঞ্জ, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ : বর্তমান সরকারের একমাত্র লক্ষ্য কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন  খরচ কমানো। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এসব কথা জানান।

আজ গজারিয়া উপজেলায় ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার নদী বিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দু’দিনব্যাপী সুফলভোগী প্রশিক্ষণ সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মন্ত্রী।
 
মন্ত্রী  বলেন, বর্তমান সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষক উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবে। সরকারের নিকট উৎপাদিত পণ্যের একটি নির্ভুল পরিসংখ্যান থাকবে। এতে বাজার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে পারবে না।

মন্ত্রী বলেন, সরকার মিনি কোল্ড স্টোরেজগুলো ঠিক মতো চালু করতে পারলে-কৃষক কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবে। বর্তমান সরকার কৃষিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। আগামী দুই থেকে এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ হবে; কৃষিপণ্য রপ্তানিী করবো। এর জন্য আমাদেরকে কাজ করতে হবে। পতিত জলাশয়ে মাছের অভয়াশ্রম গড়ে তুলতে পারলে দেশীয় মাছের চাহিদা পূরণ হবে।

কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের ৭৫ ভাগ মানুষ কৃষির সাথে জড়িত। তাদের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা বলেন, তা করেন। তিনি বলেন-এ দেশ আমাদের,  আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার পবিত্র দায়িত্ব আমাদের। আমরা দায়িত্ব পালন করলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের মাঝে সনদ বিতরণের পর চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায়  চরাঞ্চলের ২৫ জন সুফলভোগীর মাঝে বিনামূল্যে ১ টি করে  বকনা বাছুর ও প্রতিটি পরিবারকে ৫০ কেজি করে পশুখাদ্য প্রদান করা হয়েছে।
 
জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএম, প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আব্দুর রহিম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এম এ জলিল প্রমুখ ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

ঠাকুরগাঁও, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ভূল্লী উপজেলায় আজ মোটরসাইকেল, পিকআপ ভ্যান ও ব্যাটারি-চালিত অটোরিকশার মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষে আনোয়ারা বেগম (৪৫) এবং জীবন অধিকারী (৪০) নামের দুইব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের ভূল্লী উপজেলার কচুবাড়ী পোস্ট অফিস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত অটোরিকশার যাত্রী আনোয়ারা বেগম জেলার ভূল্লী উপজেলার বড় বালিয়া এলাকার শাহজাহান আলীর স্ত্রী। অন্যদিকে, নিহত অটোরিকশার চালক জীবন অধিকারী জেলার সদর উপজেলার শুখান পুকুর এলাকার ছত্রিশ অধিকারীর ছেলে। 
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ঢাকা থেকে পঞ্চগড়ের দিকে যাচ্ছিল একটি মালবাহী পিকআপ ভ্যান। পথিমধ্যে সেটি পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের ভূল্লী উপজেলার কচুবাড়ী পোস্ট অফিস এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনটি যানবাহনই ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০-শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনোয়ারা বেগম ও অটোরিকশার চালক জীবন অধিকারীর মৃত্যু হয়।

এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভূল্লী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, পিকআপ গাড়িটি জব্দ এবং সেটির চালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্বে চীনের দিকে ফিরছে জাপান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্বে চীনের দিকে ফিরছে জাপান?

তাইওয়ান ইস্যুতে তীব্র বিরোধের জেরে চীনের সঙ্গে জাপানের সম্পর্ক যখন কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে, ঠিক তখনই বেইজিং সফরে গেছেন জাপানের একদল রাজনীতিক। পর্যবেক্ষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে সংলাপ পুনরায় শুরু এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলানোর চেষ্টা হিসেবেই এই সফরকে দেখা হচ্ছে।

চলতি সপ্তাহে জাপানের একটি বহুদলীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধিদল চীনে গেছে। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন জাপানের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচির ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) নেতা গাকু হাশিমোতো। এছাড়া বিরোধী দল কোমেইতো এবং সেন্ট্রিস্ট রিফর্ম অ্যালায়েন্সের আইনপ্রণেতারাও এতে রয়েছেন।

তবে এই সফর থেকে বড় কোনও অগ্রগতি অর্জনের প্রত্যাশা কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তত দুই দেশের রাজনৈতিক পর্যায়ে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হওয়াটাই বর্তমান পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ।

যেভাবে শুরু হলো নতুন করে বিরোধ
জাপান-চীন সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের সূত্রপাত গত বছরের নভেম্বরে। সে সময় জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচি বলেছিলেন, চীন যদি তাইওয়ানে হামলা চালায়, তাহলে তা জাপানের জন্য ‘অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ পরিস্থিতি’ তৈরি করতে পারে এবং সেক্ষেত্রে জাপান সামরিক শক্তি ব্যবহারের অধিকার পেতে পারে।

তাকাইচির এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় বেইজিং। পরদিন ওসাকায় নিযুক্ত চীনের কনসাল জেনারেল শুয়ে জিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তাকাইচিকে নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের সঙ্গে আক্রমণাত্মক ভাষায় পোস্ট দেন। 

তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দিকে ইঙ্গিত করে লেখেন, “আমাদের দিকে বাড়িয়ে দেওয়া ওই নোংরা গলা কেটে ফেলা ছাড়া আমাদের আর কোনও উপায় নেই।” পরে পোস্টটি মুছে দেওয়া হয়।

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে টোকিও চীনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করে এবং ওই কূটনীতিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তবে বেইজিং তা প্রত্যাখ্যান করে। বরং জাপান ভ্রমণের বিষয়ে নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করে এবং দেশটির ওপর বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ আরও কঠোর করে।

চলতি বছর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। চীন দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্য ও বিরল মৃত্তিকা (রেয়ার আর্থ) উপাদানের রফতানি সীমিত করে। উচ্চপ্রযুক্তির বিভিন্ন পণ্য—স্মার্টফোন থেকে শুরু করে যুদ্ধবিমান—তৈরিতে এসব উপাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জাপান-চীন সম্পর্কের পুরোনো ক্ষত
সাম্প্রতিক বিরোধের সঙ্গে দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ক্ষোভও জড়িয়ে আছে। এর শিকড় উনিশ শতকের শেষভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত।

১৮৯৫ সালে প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধে জয়ী হয়ে জাপান চীনের কাছ থেকে তাইওয়ান দখল করে নেয়। এরপর ১৯৩১ সালে জাপান মাঞ্চুরিয়া দখল করে এবং ১৯৩৭ সালে চীনে পূর্ণমাত্রার সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের আগ্রাসনে লাখো মানুষ নিহত হয়।

১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে জাপান আত্মসমর্পণ করলে তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণ নেয় চীন প্রজাতন্ত্র বা রিপাবলিক অব চায়না (আরওসি)। পরে ১৯৪৯ সালে চীনের গৃহযুদ্ধে মূল ভূখণ্ডে পরাজিত হয়ে আরওসি সরকার তাইওয়ানের তাইপেতে চলে যায়। এরপর থেকেই তাইওয়ান মূল ভূখণ্ড চীন থেকে পৃথকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে।

বেইজিং এখনও তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। যদিও ১৯৪৯ সালের পর গণপ্রজাতন্ত্রী চীন কখনওই দ্বীপটির ওপর শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।

১৯৭২ সালে জাপান ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীন বেইজিংয়ে যৌথ ইশতেহারে স্বাক্ষর করে। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। একই সঙ্গে জাপান তাইওয়ানের তৎকালীন সরকার বা আরওসির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে জাপানের কোনও সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের আলোচনা বেইজিংয়ের কাছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পূর্ব ও যুদ্ধকালীন জাপানি সামরিকতাবাদের পুনরুত্থানের ইঙ্গিত হিসেবে ধরা পড়তে পারে।

সম্পর্ক কতটা তলানিতে?
তাকাইচির তাইওয়ান-সংক্রান্ত মন্তব্যের পর গত নভেম্বরে জাপানি সামুদ্রিক খাবারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চীন। এরপর জানুয়ারিতে প্রতিরক্ষা ও সামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্য এবং বিরল মৃত্তিকা খনিজের রফতানি সীমিত করে বেইজিং।

ফেব্রুয়ারিতে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৪০টি জাপানি প্রতিষ্ঠানের ওপর দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য পণ্যের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ আরোপ করে। আরও ২০টি জাপানি প্রতিষ্ঠানকে পৃথক পর্যবেক্ষণ তালিকায় রাখা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য চীন থেকে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে পৃথক লাইসেন্স, ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদন এবং সামরিক বা প্রতিরক্ষা কাজে পণ্য ব্যবহার না করার লিখিত অঙ্গীকারের প্রয়োজন হয়।

একই সময়ে জাপান ভ্রমণের বিষয়ে নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক করে চীন। এর ফলে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন খাতে চাপ তৈরির আশঙ্কা দেখা দেয়।

চীনে জাপানের দূতাবাসে আগে দায়িত্ব পালন করা রাজনীতিক শিনিচি ইসার মতে, ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক এখন সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। তার ভাষ্য, অতীতের সংকটপূর্ণ সময়েও দুই দেশের কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। কিন্তু এবার সেই যোগাযোগের পথও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

বেইজিংও পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত শুক্রবার জাপান সরকারকে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে কূটনীতিকদের প্রচেষ্টাকে ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ নেওয়া এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ‘সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডিলান লোহের মতে, দুই দেশের সম্পর্ক সাম্প্রতিক স্মৃতিতে সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে নেমে গেছে। তার ভাষায়, যোগাযোগ প্রায় থেমে গেছে এবং দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যেও অবিশ্বাস বেড়েছে।

চীনকে ছাড়া কতটা চলতে পারবে জাপান?
চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জাপানের উদ্বেগ থাকলেও পর্যটন খাতে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ধাক্কা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) ফেব্রুয়ারির এক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, জাপানে চীনা পর্যটকের সংখ্যা ২০২৫ সালের অক্টোবরে ৭ লাখ ১৫ হাজার ৭০০ থেকে ডিসেম্বরে নেমে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজারে দাঁড়ায়। সাধারণত মূল ভূখণ্ড চীন ও হংকংয়ের পর্যটকেরা জাপানে মোট বিদেশি পর্যটকের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

তবে তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও হংকং থেকে আসা পর্যটকদের ব্যয় চীনা পর্যটকের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রভাব অনেকটাই পুষিয়ে দিয়েছে। ফলে পর্যটন খাতে সামগ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষতি তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল।

তবে রেয়ার আর্থ বা বিরল মৃত্তিকা উপাদান নিয়ে জাপানের উদ্বেগ অনেক বেশি।

জাপানের রেয়ার আর্থ আমদানির প্রায় ৮০ শতাংশই চীন থেকে আসে। ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত জাপানে ডাইসপ্রোসিয়াম ও টার্বিয়াম অক্সাইডের কোনও চালান পাঠায়নি চীন। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন চুম্বক তৈরিতে এসব উপাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য, ফ্লুরোসেন্ট বাতি, পারমাণবিক জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়।

চীনের রফতানি নিয়ন্ত্রণের ফলে নিসান ও সুজুকির মতো জাপানি গাড়ি নির্মাতারাও সরবরাহসংক্রান্ত সমস্যার কথা জানিয়েছে।

ওসাকার সেন্ট অ্যান্ড্রুজ ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের অধ্যাপক মাসাহিরো মাতসুমুরা মনে করেন, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে জাপান বিকল্প সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তুলে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে। তবে দ্রুত এ নির্ভরতা কমানো সহজ হবে না।

জাপান কিছু রেয়ার আর্থ উপাদানের সরবরাহ ইতোমধ্যে বহুমুখীকরণ করেছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপাদানের ক্ষেত্রে এখনও চীনের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। এটি জাপান সরকার ও দেশটির উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন তিনি।

অন্যদিকে, চীন জাপানের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেছে বেছে পদক্ষেপ নিচ্ছে। জাপানি বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ চীন থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিলেও বেইজিং এখনও জাপানি সরাসরি বিনিয়োগকে স্বাগত জানাচ্ছে। এমনকি জাপানি মুদ্রায় অর্থের বহিঃপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও চীন মার্কিন ডলারের মূলধন পাচারের মতো কঠোর অবস্থান নেয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এর মধ্য দিয়ে বেইজিং জাপানের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচিত চাপ প্রয়োগের’ কৌশল অনুসরণ করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও কি পুরোপুরি ভরসা করতে পারছে না জাপান?
চীনের মোকাবিলায় জাপানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র। তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় টোকিও ও এশিয়ার অন্যান্য মার্কিন মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-সংক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদের বড় অংশ ব্যস্ত থাকায় এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কিছু সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে আনা হয়েছে।

গত সপ্তাহে এশিয়ায় মোতায়েন থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ বিমানবাহী রণতরীটিও জাপান থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কিছু অংশ ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য সরিয়ে নেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদ এশিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়ার ফলে এ অঞ্চলে চীনের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের শক্তি প্রদর্শন ও প্রতিরোধক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হতে পারে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের উত্তর-পূর্ব এশিয়া-বিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক উইলিয়াম ইয়াং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পুনর্বিন্যাস এশিয়ায় তার শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতা এবং চীনের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার ক্ষমতাকে কিছুটা কমিয়ে দেয়।

তবে তাইওয়ান ও জাপানের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থের কারণে দেশটির সামরিক উপস্থিতি এবং বিমানবাহী রণতরী শেষ পর্যন্ত আবার এশিয়ায় ফিরে আসবে।

সম্পর্ক কি আবার মেরামত সম্ভব?
বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপান ও চীনের সম্পর্কের বরফ গলতে কতটা সময় লাগবে, তা এখনই বলা কঠিন। তবে চলতি সপ্তাহে জাপানের বহুদলীয় রাজনৈতিক প্রতিনিধিদলের বেইজিং সফরকে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডিলান লোহ বলেন, বড় ধরনের কোনও ফলাফল অর্জনের আশা করা ঠিক হবে না। তবে অন্তত দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপের একটি পথ আবার খুলতে পারা বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ শুরু’ হতে পারে।

তবে অধ্যাপক মাসাহিরো মাতসুমুরা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বেইজিং সফররত রাজনীতিকেরা মূলত সংসদীয় পর্যায়ের কূটনীতির অংশ হিসেবে যাচ্ছেন। ফলে তারা প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির সরকারের নীতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থান নাও নিতে পারেন।

এমনকি ক্ষমতাসীন এলডিপির মধ্যেও চীন নীতিতে মতপার্থক্য রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। দলটির মধ্যে চীনবিরোধী ও যুক্তরাষ্ট্রপন্থী এবং চীনপন্থী ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী—এমন দুটি প্রবণতার মধ্যে নীরব প্রতিযোগিতা রয়েছে।

ফলে বেইজিংয়ে জাপানি প্রতিনিধিদলের এই সফর প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির অবস্থান কতটা বদলেছে, তার চেয়ে টোকিওর রাজনৈতিক অঙ্গনের একটি অংশ যে চীনের সঙ্গে আবার যোগাযোগের পথ খুলতে চাইছে—সেই বার্তাই বেশি স্পষ্ট করছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জাপানের সামনে তাই বড় প্রশ্ন—তাইওয়ান ইস্যুতে নিরাপত্তাগত অবস্থান কঠোর রেখেও কীভাবে চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক সচল রাখা যায়। আর সেই ভারসাম্যই আগামী দিনে টোকিও-বেইজিং সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেড় হাজার কোটি টাকায় মরক্কোর তারকাকে দলে ভেড়াল ম্যানচেস্টার সিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


দেড় হাজার কোটি টাকায় মরক্কোর তারকাকে দলে ভেড়াল ম্যানচেস্টার সিটি

ম্যানচেস্টার সিটি মরক্কোর তরুণ তারকা মিডফিল্ডার আইয়ুব বুয়াদ্দিকে দলে ভিড়িয়েছে। ফ্রান্সের ক্লাব লিল থেকে এই প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে পাঁচ বছরের চুক্তিতে ৮৬ মিলিয়ন পাউন্ড বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ হাজার ৪২৭ কোটি টাকার রেকর্ড দামে ইতিহাদে নিয়ে আসা হয়েছে।

এই চুক্তির মধ্যে ৮৬ মিলিয়ন পাউন্ড (১০০ মিলিয়ন ইউরো) রয়েছে, যার মধ্যে ৮১.৪ মিলিয়ন পাউন্ড নিশ্চিত ফি এবং বাকি ৪.২ মিলিয়ন পাউন্ড অ্যাড-অনস হিসেবে প্রদান করা হবে।

একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার রদ্রিকে বার্সেলোনার কাছে ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে এবং তিজ্জানি রেইন্ডার্সকে আল-কাদসিয়ার কাছে ৫২ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে বিক্রি করার পর এনজো মারেস্কার দল বুয়াদ্দিকে দলে ভেড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

তিনি ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ৫ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন এবং তাকে ৩২ নম্বর জার্সি দেওয়া হয়েছে।

লিগ ওয়ান-এ লিলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার পথে মরক্কোর ছয়টি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই তিনি প্রথম একাদশে ছিলেন।

ইতিহাদে যোগ দেওয়ার পর বুয়াদ্দি বলেন, ‘আজকের দিনটি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুবই বিশেষ।

আমার কাছে ম্যানচেস্টার সিটি বিশ্বের সেরা ক্লাব। এখানে থাকা এবং নিজেকে সিটির খেলোয়াড় বলতে পারাটা একটা স্বপ্নের মতো।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় কঠোর পরিশ্রম করেছি, সেরা খেলোয়াড় হওয়ার এবং খেলার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি।’

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%