কাঠালিয়া সংবাদদাতা ফাতিমা আক্তার মিম
০৮:৫৪ পি.এম
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন।
দিবসটি উপলক্ষে সকালে স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় এবং দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালালুর রহমান আকনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন নিজাম মিরবহরের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জয়নাল আবেদিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র সুরক্ষা পেয়েছিল। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই ঐতিহাসিক দিনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়, যা উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এ সময় কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে মাঝ আকাশে সংঘর্ষের ফলে দুই স্কাইডাইভার নিহত হয়েছেন। শুক্রবারের এই দুর্ঘটনা অবতরণের সময় ঘটে।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, লেক এলসিনোরের এলাকায় অবতরণের সময় ভূমি থেকে প্রায় ৪৫ মিটার (১৪৮ ফুট) উচ্চতায় সংঘর্ষ ঘটে দুই স্কাইডাইভারের মধ্যে। এই সংঘর্ষের ফলে তাঁদের প্যারাস্যুট দুটি একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর দুজনই গুরুতর আহত অবস্থায় ছিলেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু ঘটে। তবে নিহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
স্কাইডাইভ এলসিনোরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির আয়োজনে নারীদের জন্য পরিচালিত একটি প্রশিক্ষণ শিবির চলাকালীন ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য এখন আর জটিল প্রক্রিয়ার কারণে উদ্বেগের প্রয়োজন নেই। নির্ধারিত নিয়ম মেনে মাত্র দুটি ধাপে সম্পন্ন করা যাবে আবেদন প্রক্রিয়া। প্রথমে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স নিতে হবে, এরপর প্রশিক্ষণ ও নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।
কোন ধাপে কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন, আবেদন করতে কত টাকা ফি দিতে হবে- এসব বিষয় বিস্তারিত জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ফি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছে সংস্থাটি।
বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম ধাপ হলো শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স সংগ্রহ করা। এজন্য প্রথমে বিআরটিএর সেবা পোর্টাল (বিএসপি)-এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে অনলাইনে শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।
আবেদন করার সময় চিকিৎসা সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে।
এক্ষেত্রে এক ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ফি ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ৭৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পর আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে।
চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন ও ফি
দ্বিতীয় ধাপে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্যও বিআরটিএর সেবা পোর্টালের (বিএসপি) মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
বিআরটিএর নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ৪ হাজার ৬২৮ টাকা এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৮৩২ টাকা জমা দিতে হবে।
যদিও পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীদের আবেদনের সঙ্গে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারী ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন। এছাড়া অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাঠালিয়া ও রাজাপুর উপজেলার মাটি ও মানুষের অতি পরিচিত মুখ, সাবেক তুখড় ছাত্রনেতা এবং নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মো. হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে দেশবাসী এবং বিশেষ করে ঝালকাঠির কাঠালিয়া ও রাজাপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এক বাণীতে তিনি বলেন, "শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান—একটি নাম, এক সাহসী ইতিহাস, এক অদম্য দেশপ্রেমের প্রতীক। দেশপ্রেম শুধু মুখের স্লোগান নয়, দেশপ্রেম হলো দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মর্যাদা ও মানুষের অধিকার রক্ষায় নিজেকে উৎসর্গ করার অঙ্গীকার।"
মো. হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে জাতীয় সংকটে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হয়। শহিদ জিয়ার জীবনের সাহসী অধ্যায় আমাদের মনে করিয়ে দেয়—দেশ সবার আগে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে। ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থ বড়, ক্ষমতার চেয়ে দেশের মর্যাদা বড়, আর সবকিছুর ঊর্ধ্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব।
প্রবাসীর হৃদয়ে থেকেও দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে সবসময় নিবেদিত এই জননেতা বলেন, "আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না, অন্যায়ের কাছে আপস করবে না, দেশকে ভালোবাসবে হৃদয়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে।"
ইতিহাসের শিক্ষা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, "দেশপ্রেম কখনো মরে না, সত্যিকারের দেশপ্রেমিকের আদর্শ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বেঁচে থাকে।" ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তিনি ইতিহাসের মহানায়ক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং দলের সকল নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে দেশ গঠনে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
তাঁর কণ্ঠেও প্রতিধ্বনিত হয়েছে সেই চিরন্তন স্লোগান—"সবার আগে বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনের ঠিক আগের দিন, ২৭ অক্টোবর, দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান রোমান গফম্যান ইরানে একটি গোপন সামরিক অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে দাবি করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল ১২’। তবে একটি ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তার ভুলের কারণে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি আগেভাগেই জানতে পারে এবং ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
ইসরায়েলি সামরিক সেন্সরশিপের বিধিনিষেধ মেনে প্রকাশিত ওই খবরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রস্তাবিত অভিযানের পক্ষে ছিলেন না ইসরায়েলের অন্যান্য শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। তাদের উদ্বেগ ছিল যে, নির্বাচনের ঠিক আগে এমন পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে এবং নির্ধারিত দিনে নির্বাচন অনুষ্ঠান অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। সামরিক বাহিনীর আপত্তি থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পনা এগোচ্ছিল, কিন্তু এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার অসাবধানতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য পৌঁছে যায় এবং হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে এটি ভেস্তে দেয়।
নেতানিয়াহুর দপ্তর (পিএমও) এই দাবি সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, "প্রধানমন্ত্রী রিয়েল-টাইমেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে নির্বাচনের আগে ইরানে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা ছিল না।"
খবরে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে সামরিক বাহিনী ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে নজিরবিহীন মানসিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। আইডিএফ প্রধান সেনাপতি ইয়াল জামির নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের প্রস্তাবে তীব্র আপত্তি জানান এবং কোনো সামরিক পদক্ষেপের জন্য আইনি অনুমোদন ও লিখিত নির্দেশ দাবি করেন। সেনাপ্রধানের উদ্বেগ ছিল যে, নির্বাচনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতেই এই সামরিক উস্কানির ছক কষা হয়েছিল।
অন্য বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যস্থতাকারী আলোচনা চলাকালীন সময়ে ইসরায়েলের এই ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের জানান যে তারা ইরানের সাথে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সেখানে সামরিক সংঘাত এড়াতে কাজ করছেন। সূত্র: চ্যানেল ১২।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ