ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামায়াত আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: পীর সাহেব চরমোনাই


জামায়াত আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও পীর চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল করীম মন্তব্য করেছেন, স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শাসনের ফলে লাখ লাখ মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বারবার বিশ্বে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। এ বিষয়টি জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও দুঃখজনক।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের আশা ছিল। বৈষম্য, অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ছিল। তবে সেই প্রত্যাশা এখনো পূর্ণ হয়নি।

রোববার (৪ অক্টোবর) কক্সবাজার ঈদগাহ ময়দানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা শাখা আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

পীর চরমোনাই আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করে একটি স্বাধীন দেশ ও লাল-সবুজের পতাকা অর্জন করেছিল। কিন্তু স্বাধীনতার পর যারা দেশ শাসন করেছেন, তাদের আমলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরে আমরা আশা করেছিলাম, এবার একটি সোনার বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। এখানে বৈষম্য, অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি থাকবে না। মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু আমরা এখনো সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ পাইনি।’

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘আমরা যখন একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম, তখন জামায়াতে ইসলামীর একটি ভূমিকা আমাদের দুঃখ দিয়েছে। তারা আমাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর মেহেরবানিতে তা সম্ভব হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করতে চাই না। আমরা চাই এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিটি নাগরিক মানবিক মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে।’

আরও পড়ুন: রাজউকের ১২৬৯ ভবনের মালিককে চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা

পীর চরমোনাই বলেন, ‘আমরা তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে বাংলাদেশ গড়তে চাই—মানবিক মর্যাদা, সহমর্মিতা ও ইনসাফ। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ইনসাফপূর্ণ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

কক্সবাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ জেলায় অনেক বড় বড় আলেম-ওলামা রয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতি অসংখ্য মানুষের সমর্থন রয়েছে। তাদের অংশগ্রহণ ও সমর্থনের কারণেই কক্সবাজারের এ সমাবেশ ব্যাপক জনসমাগমে পরিণত হয়েছে।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। এ সময় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শিল্পে এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বোর্ড গেজেট প্রকাশের ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূর্বাচল ৩০০ ফিটে রাজউক-ডিএমপির অভিযানে ১৫ অনুমোদনহীন বিলবোর্ড উচ্ছেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


পূর্বাচল ৩০০ ফিটে রাজউক-ডিএমপির অভিযানে ১৫ অনুমোদনহীন বিলবোর্ড উচ্ছেদ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগের যৌথ অভিযানে পূর্বাচল ৩০০ ফিট ও জলসিঁড়ি আবাসিক এলাকা থেকে কাঞ্চন ব্রিজ সড়কের উভয় পাশে রাজউকের অনুমোদনহীন ১৫টি বিলবোর্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে।

এই অভিযান রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত পঞ্চম দিনের মতো পরিচালিত হয়।

অভিযানের সময় রাজউকের অনুমোদন না থাকা মোট ১৫টি অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণ করা হয়। অভিযানে ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপনগর পরিকল্পনাবিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজউক এবং ডিএমপি জানায়, সড়কের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় অনুমোদনহীন বিলবোর্ডের বিরুদ্ধে এ ধরনের যৌথ উচ্ছেদ অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিআইইউ ইংলিশ ক্লাবের সভাপতি রনি, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


ডিআইইউ ইংলিশ ক্লাবের সভাপতি রনি, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ইংলিশ ক্লাবের জুলাই থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদের নতুন নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মেহেদী হাসান রনি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এস. এম. মাহমুদুল আলম নিয়োগ পেয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এসটিসিতে আয়োজিত ‘দ্য ইংলিশ ক্লাব এক্সিকিউটিভ কমিটি রিভিল ২০২৬ ও কালচারাল ইভিনিং’ অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এবং সব হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুবুর রহমান সরকার, অধ্যাপক ও রেজিস্ট্রার মো. রফিকুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অফিসের পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর মো. আতিউর রহমান মামুন এবং ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক আরিফ আহমাদ।

অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন অনুষ্ঠানে অতিথিদের ব্যস্ততার মধ্যেও উপস্থিত হওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে ইংলিশ ক্লাবকে ঐক্য ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, ক্লাবে কোনো ধরনের বিভেদ বা দ্বন্দ্ব থাকা উচিত নয়। সকলকে ঐক্য ও একতার সঙ্গে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। অধ্যাপক ড. গোনেট সান্দ্রা সাহাসারের পরামর্শ অনুসরণ করে সংঘাত বা বিভেদ সৃষ্টি না করে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ক্লাবকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

নতুন কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান রনি বলেন, ‘ডিআইইউ ইংলিশ ক্লাবকে আরও সক্রিয়, সৃজনশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক চর্চা ও নেতৃত্ব বিকাশে আমরা নিয়মিত কার্যক্রম আয়োজন করব। নতুন কমিটির প্রতিটি সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

নতুন কমিটিতে মেহেদী হাসান রনি সভাপতি, মো. মমরেজ হোসাইন মাহি সহসভাপতি, এস. এম. মাহমুদুল আলম সাধারণ সম্পাদক, তানজিমুল ইসলাম তামিম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মাইনুল হক সিয়াম সাংগঠনিক সম্পাদক, তাসফিয়া লাবিয়া হোসাইন যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক, শেখ সাদ হোসাইন কোষাধ্যক্ষ, সায়মা হক শশী সহকারী কোষাধ্যক্ষ, শামসিন আরেফিন নাবিহা দপ্তর সম্পাদক এবং নাজনীন আক্তার বৈশাখী যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

এছাড়া কমিটিতে মো. ফাহিম সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মো. তাসদিদ ইফতিয়ার যুগ্ম সাংস্কৃতিক সম্পাদক, সাদিয়া মোস্তফা মৌশি মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক, ইফরাত জাহান মাইশা যুগ্ম মিডিয়া সম্পাদক, মাহিলা জন্নাতুল জাসিকা বিতর্ক সম্পাদক, কোলি আক্তার রুমি যুগ্ম বিতর্ক সম্পাদক, আশরাফুল ইসলাম আকাশ ক্রীড়া সম্পাদক এবং শাফায়েত হোসাইন রায়ান যুগ্ম ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. জাহিরুল আলম, নূর আলম, লাজিনা ইসলাম, মাইমুনা ইয়াসমিন মুনা ও তোমালিকা টুলি।

অনুষ্ঠানের শেষদিকে নতুন কমিটির সদস্যদের আগামী দিনের কার্যক্রমে সফলতা কামনা করা হয়। একই সঙ্গে ইংলিশ ক্লাবকে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা, সাংস্কৃতিক চর্চা, বিতর্ক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে আরও সক্রিয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযোদ্ধার দুই ছেলেকে মাদক মামলায় জড়ানোর অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


মুক্তিযোদ্ধার দুই ছেলেকে মাদক মামলায় জড়ানোর অভিযোগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ৬ কেজি ৭৫১ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দীনের দুই ছেলেকে মাদক মামলায় জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের সদস্য ও উপজেলার অর্ধশতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ ঘটনাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউসি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ ও দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দীন, তার পরিবারের সদস্য এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মফিজ উদ্দীন অভিযোগ করেন, স্থানীয় একটি সোর্সের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র করে তার দুই ছেলেকে মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া মাদকের সঙ্গে তার দুই ছেলে কিংবা পরিবারের কোনো সদস্যের সম্পৃক্ততা নেই।

লিখিত বক্তব্যে মফিজ উদ্দীন উল্লেখ করেন, তার ছোট ছেলে মো. মেহেদী হাসান স্বাস্থ্য বিভাগে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত। অপর ছেলে মো. আল-মামুন পুলিশের সাবেক এএসআই। তিনি জানান, মেহেদী হাসানকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আল-মামুনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে, তবে তাদের কেউই মাদকের সঙ্গে জড়িত নয়।

মামলায় স্থানীয় একটি সোর্সের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ করেন মফিজ উদ্দীন। তিনি বলেন, ওই সোর্সের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র করে তার দুই ছেলেকে মামলায় জড়ানো হয়েছে, ফলে পরিবারটি সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসআরবি-৫ জানায়, ওই দিন ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৫, রাজশাহীর সদর কোম্পানির একটি টহল অপারেশন দল শিবগঞ্জের উমরপুর হঠাৎপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. মেহেদী হাসানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বসতবাড়ির সামনে খড়ি রাখার ঘরের ভেতর থেকে ৬ কেজি ৭৫১ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মো. আল-মামুনকে (৪০) পলাতক আসামি করে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়।

এসআরবি-৫-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেহেদী হাসান হেরোইন বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।

তবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মফিজ উদ্দীন তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে শিবগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ইউনিট কমান্ডার ও দুলভপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রশীদ সনু বলেন, মফিজ উদ্দীনের পরিবারের পাশে রয়েছেন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনার দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, তদন্তে কেউ নিরপরাধ প্রমাণিত হলে যেন হয়রানির শিকার না হন এবং প্রকৃতভাবে কেউ দায়ী হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বালাদুল, সাত্তার, সেরাজুল, আনিসুর, হান্নানসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অর্ধশতাধিক মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। মফিজ উদ্দীনের স্ত্রী শেফালী বেগম, মেয়ে রিনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজনও উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা তাদের দুই ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারাও ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজার শিক্ষা খাতে ‘গণহত্যার’ শিকার, ৮ শতাধিক শিক্ষকের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


গাজার শিক্ষা খাতে ‘গণহত্যার’ শিকার, ৮ শতাধিক শিক্ষকের প্রাণহানি

গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলের হামলায় ৮ শতাধিক ফিলিস্তিনি শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময়ে ৩ হাজার ৩০০-এর বেশি শিক্ষক আহত হয়েছেন। এই তথ্যটি ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের এক দিন আগে, মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে শিক্ষকেরা শিক্ষার অধিকার রক্ষায় বেঁচে থাকার জন্য একটি সত্যিকারের লড়াই করছেন। তাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে।’

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজা ও পশ্চিম তীরের শিক্ষা খাত ‘ব্যাপক গণহত্যার’ শিকার হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এখনও ১৭০ জনের বেশি শিক্ষক আটক আছেন এবং তাদের ‘কঠোর পরিস্থিতির’ মধ্যে রাখা হয়েছে।

শত শত চেকপয়েন্টে চলাচলে বিধিনিষেধ ও হয়রানি শিক্ষকদের দৈনন্দিন দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে হেবরনের দক্ষিণে মাসাফের ইয়াত্তা, মধ্য পশ্চিম তীরের আল-মুঘাইয়ির গ্রাম, জর্ডান উপত্যকা এবং এরিয়া সি হিসেবে চিহ্নিত এলাকায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে, এমনটি জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

১৯৯৫ সালের অন্তর্বর্তীকালীন অসলো-২ চুক্তির অধীনে পশ্চিম তীরকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে: এ, বি ও সি। এরিয়া এ’তে বেসামরিক ও নিরাপত্তা ফিলিস্তিনিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরিয়া বি ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রশাসন এবং ইসরায়েলি নিরাপত্তার আওতায় রয়েছে। আর পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ নিয়ে গঠিত এরিয়া সি পুরোপুরি ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

শিক্ষা খাতে আর্থিক সংকট

ফিলিস্তিনি শিক্ষকদের ওপর নিপীড়নের পাশাপাশি তীব্র আর্থিক সংকট তাদের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। ইসরায়েল ফিলিস্তিনের করের অর্থ আটকে রাখায় শিক্ষকদের আর্থিক ও মানসিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অর্থ ‘ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ’ নামে পরিচিত। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হয়ে আমদানি করা পণ্যের ওপর কর সংগ্রহ করে তা ইসরায়েল হস্তান্তর করে। ১৯৯৪ সালের প্যারিস প্রটোকলের অধীনে এ ব্যবস্থা চালু হয়।

২০১৯ সাল থেকে ইসরায়েল এসব রাজস্ব থেকে অর্থ কেটে নেওয়া শুরু করে এবং পরে অর্থ হস্তান্তর বন্ধ করে দেয়। এর ফলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আর্থিক সংকট আরও বেড়ে যায় এবং সরকারি কর্মীদের পুরো বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফিলিস্তিনের মোট সরকারি রাজস্বের প্রায় ৫৬ শতাংশই এই ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ থেকে আসে। ফলে এসব অর্থ আটকে রাখা সরকারি কর্মীদের বেতন প্রদান, জনসেবা চালানো এবং সরকারের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফিলিস্তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষা খাতের কর্মীদের বিরুদ্ধে এসব লঙ্ঘন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং শিক্ষা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া, আটক শিক্ষকদের মুক্তি এবং আটকে থাকা আর্থিক পাওনা পরিশোধের জন্য বিশ্বজুড়ে শিক্ষক ও কর্মীদের সংগঠনগুলোর প্রতি চাপ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে শিক্ষকরা মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%