সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৩ পি.এম
কিশোরগঞ্জ, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : পাকুন্দিয়া উপজেলায় আজ ৭.২ কিলোমিটার দীর্ঘ পাকুন্দিয়া-পুলেরঘাট সড়কের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হয়েছে।
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ‘ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় এই কাজের জন্য ১২ কোটি ৫৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মো. জালাল উদ্দিন।
এ উপলক্ষে পাকুন্দিয়া মডেল মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন পৌর বিএনপির সভাপতি এস এ এম মিনহাজ উদ্দিন।
সভায় সংসদ সদস্য অ্যাড. মো. জালাল উদ্দিন উল্লেখ করেন, পাকুন্দিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের কর্নার থেকে আদর্শপাড়া-পুলেরঘাট পর্যন্ত সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণ কাজের প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেন যে, নির্ধারিত প্রাক্কলন অনুযায়ী মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে একাধিকবার সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণ করা হলেও কিছুদিনের মধ্যেই বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে সেতুর সংযোগস্থলে বারবার সমস্যা দেখা দিয়েছে। এবার কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করে সড়কটি টেকসই করতে হবে। কাজ চলাকালে কোথাও অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজ চোখে পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী কিংবা তাকে জানানোর জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এ অনুষ্ঠানে পৌর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ উদ্দিন ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম জজ সঞ্চালনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মাসুদ, আবদুস সাত্তার, কিশোরগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী দশরথ চন্দ্র দে, পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল আলম ছোটন এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
কিশোরগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম বাসসকে জানান, সড়কটির ৭.২ কিলোমিটার অংশের রক্ষণাবেক্ষণে সাড়ে ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে আগামী চার বছর সড়কটি ভালো অবস্থায় রাখা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর মন্তব্য করেছেন যে, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও যেকোনো সংকটে জাতিকে পথ দেখাবে গণঅধিকার পরিষদ। তিনি উল্লেখ করেন, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা দলটি রাষ্ট্র সংস্কার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবে। সোমবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত দলটির পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানটি সোমবার সকালে রাজধানীর আল রাজি কমপ্লেক্সে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজন করা হয়।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর আবারও বলেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও যেকোনো সংকটে গণঅধিকার পরিষদ জাতিকে পথ দেখাবে।
তিনি বলেন, “গণঅধিকার পরিষদের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন থেকে রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে গণঅধিকার পরিষদ ও এর নেতাকর্মীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।”
নুরুল হক নুর আরও বলেন, “২০২১ সালে গণঅধিকার পরিষদ প্রতিষ্ঠার সময় ঘোষিত ২১ দফা কর্মসূচিতে রাষ্ট্র সংস্কারের সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছিল। এর মধ্যে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করা এবং একজন ব্যক্তির দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ বন্ধ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ছিল। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার এসব দাবি গণঅধিকার পরিষদ শুরু থেকেই তুলে ধরে আসছে।”
দলটির রাজনৈতিক পথচলার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ হঠাৎ করে কিংবা কোনো কেরামতিতে আজকের রাজনৈতিক অবস্থানে আসেননি। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ, নির্যাতন ও রক্তের বিনিময়ে তাদের এই অবস্থান তৈরি হয়েছে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের মধ্য দিয়েই গণঅধিকার পরিষদ আজকের পর্যায়ে এসেছে।”
জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, “জুলাই-পরবর্তী রাজনীতিতে গণঅধিকার পরিষদকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এসব চেষ্টা সফল হবে না।”
অনুষ্ঠানে গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, “শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা বিলুপ্তির পথ তৈরি হয়। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের হাত ধরেই ২০২১ সালে গণঅধিকার পরিষদের জন্ম।”
তিনি আরও বলেন, “রাজপথে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তি গণঅধিকার পরিষদের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে। রয়েছে মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের ইতিহাসও। আগামী দিনেও সেই ধারা অব্যাহত রেখে গণঅধিকার পরিষদ দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাবে, ইনশা আল্লাহ।”
গণঅধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও দেশের জনগণকে প্রাণঢালা ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানান হাসান আল মামুন।
অনুষ্ঠানটি কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম ফাহিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে দলের সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হাসান, মুখপাত্র আবু হানিফ, মহানগর উত্তরের সভাপতি আব্দুর রহিম, মহানগর দক্ষিণের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি নাদিম হাসান, আইনজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট খালিদ হাসান এবং বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ হক বক্তব্য রাখেন।
গণঅধিকার পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে। এটি ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার একযোগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৮৫ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি করেছে। সোমবার আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এই বদলিসংক্রান্ত আদেশ নিবন্ধন অধিদপ্তরের নিবন্ধন মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়।
আদেশের নির্দেশনা অনুযায়ী, বদলিকৃত সাব-রেজিস্ট্রারদের বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব নিবন্ধন মহাপরিচালক মনোনীত কর্মকর্তার কাছে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে অর্পণ করতে হবে। এরপর তাঁদের অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৬ থেকে জারি করা এই আদেশে উপসচিব (রজিস্ট্রেশন) মো. মাসুদ আলী সই করেছেন। এর আগে গত ৬ অক্টোবর আইন মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকা জেলার ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৮টি সাব-রেজিস্ট্রার পদের জন্য লটারির মাধ্যমে ১৮ জন কর্মকর্তাকে নির্বাচন করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, সাব-রেজিস্ট্রাররা নিবন্ধন অধিদপ্তরের অধীনে মাঠপর্যায়ে দলিল নিবন্ধনের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। জমি, ফ্ল্যাট ও বাড়ি কেনাবেচার দলিল, দানপত্র, বণ্টননামা ও বন্ধকিসহ আইন অনুযায়ী নিবন্ধনযোগ্য বিভিন্ন দলিল যাচাই এবং নিবন্ধন করা তাঁদের অন্যতম প্রধান কাজ। পাশাপাশি নিবন্ধিত দলিলের রেকর্ড সংরক্ষণ, নির্ধারিত ফি ও শুল্ক আদায় এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান অনুসারে সামগ্রিক নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করার দায়িত্বও তাঁরা পালন করেন।
বদলিকৃত ৮৫ সাব-রেজিস্ট্রারের তালিকা
১. মো. ইমরান হোসেন — বর্তমান কর্মস্থল: মিরপুর, ঢাকা; নতুন কর্মস্থল: কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।
২. মোছা. নাজমা আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: সাভার, ঢাকা; নতুন কর্মস্থল: ধামরাই, ঢাকা।
৩. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: গাজীপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: কালীগঞ্জ, গাজীপুর।
৪. মো. রফিকুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: টঙ্গী, গাজীপুর; নতুন কর্মস্থল: কাপাসিয়া, গাজীপুর।
৫. মোছা. শারমিন সুলতানা — বর্তমান কর্মস্থল: নারায়ণগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।
৬. মো. জাহাঙ্গীর আলম — বর্তমান কর্মস্থল: ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ; নতুন কর্মস্থল: রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
৭. মো. মাহবুবুর রহমান — বর্তমান কর্মস্থল: কুমিল্লা সদর; নতুন কর্মস্থল: দাউদকান্দি, কুমিল্লা।
৮. মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন — বর্তমান কর্মস্থল: চট্টগ্রাম সদর; নতুন কর্মস্থল: পটিয়া, চট্টগ্রাম।
৯. মো. আবু তাহের — বর্তমান কর্মস্থল: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম; নতুন কর্মস্থল: রাউজান, চট্টগ্রাম।
১০. মো. সাইফুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: রাজশাহী সদর; নতুন কর্মস্থল: পবা, রাজশাহী।
১১. মোছা. রেহানা পারভীন — বর্তমান কর্মস্থল: নাটোর সদর; নতুন কর্মস্থল: সিংড়া, নাটোর।
১২. মো. কামাল উদ্দিন — বর্তমান কর্মস্থল: বগুড়া সদর; নতুন কর্মস্থল: শেরপুর, বগুড়া।
১৩. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: রংপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: বদরগঞ্জ, রংপুর।
১৪. মোছা. নাসরিন আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: দিনাজপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
১৫. মো. মিজানুর রহমান — বর্তমান কর্মস্থল: সিলেট সদর; নতুন কর্মস্থল: গোলাপগঞ্জ, সিলেট।
১৬. মো. শফিকুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: মৌলভীবাজার সদর; নতুন কর্মস্থল: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
১৭. মোছা. তাসলিমা বেগম — বর্তমান কর্মস্থল: বরিশাল সদর; নতুন কর্মস্থল: গৌরনদী, বরিশাল।
১৮. মো. নুরুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: পটুয়াখালী সদর; নতুন কর্মস্থল: কলাপাড়া, পটুয়াখালী।
১৯. মো. আবদুস সালাম — বর্তমান কর্মস্থল: খুলনা সদর; নতুন কর্মস্থল: ডুমুরিয়া, খুলনা।
২০. মোছা. রোকেয়া খাতুন — বর্তমান কর্মস্থল: যশোর সদর; নতুন কর্মস্থল: ঝিকরগাছা, যশোর।
২১. মো. হাবিবুর রহমান — বর্তমান কর্মস্থল: কুষ্টিয়া সদর; নতুন কর্মস্থল: ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।
২২. মো. আবদুল হালিম — বর্তমান কর্মস্থল: চুয়াডাঙ্গা সদর; নতুন কর্মস্থল: আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা।
২৩. মোছা. নাজমুন নাহার — বর্তমান কর্মস্থল: ময়মনসিংহ সদর; নতুন কর্মস্থল: ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
২৪. মো. আনোয়ার হোসেন — বর্তমান কর্মস্থল: জামালপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: সরিষাবাড়ী, জামালপুর।
২৫. মো. আবদুল্লাহ আল মামুন — বর্তমান কর্মস্থল: শেরপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
২৬. মো. আবদুল আজিজ — বর্তমান কর্মস্থল: নেত্রকোনা সদর; নতুন কর্মস্থল: মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা।
২৭. মোছা. সালমা আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: কিশোরগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: ভৈরব, কিশোরগঞ্জ।
২৮. মো. মনির হোসেন — বর্তমান কর্মস্থল: টাঙ্গাইল সদর; নতুন কর্মস্থল: মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।
২৯. মো. আবদুল বারী — বর্তমান কর্মস্থল: ফরিদপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: ভাঙ্গা, ফরিদপুর।
৩০. মো. শহিদুল ইসলাম — বর্তমান কর্মস্থল: রাজবাড়ী সদর; নতুন কর্মস্থল: পাংশা, রাজবাড়ী।
৩১. মোছা. শিউলি আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: গোপালগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ।
৩২. মো. সাইদুর রহমান — বর্তমান কর্মস্থল: মাদারীপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: শিবচর, মাদারীপুর।
৩৩. মো. আবুল কালাম আজাদ — বর্তমান কর্মস্থল: শরীয়তপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: নড়িয়া, শরীয়তপুর।
৩৪. মোছা. আফরোজা বেগম — বর্তমান কর্মস্থল: মুন্সীগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ।
৩৫. মো. আবদুল মতিন — বর্তমান কর্মস্থল: মানিকগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: সিংগাইর, মানিকগঞ্জ।
৩৬. মো. জসিম উদ্দিন — বর্তমান কর্মস্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর; নতুন কর্মস্থল: সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৩৭. মোছা. নিলুফা ইয়াসমিন — বর্তমান কর্মস্থল: চাঁদপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
৩৮. মো. আবদুল হক — বর্তমান কর্মস্থল: লক্ষ্মীপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।
৩৯. মো. আবদুল মালেক — বর্তমান কর্মস্থল: নোয়াখালী সদর; নতুন কর্মস্থল: বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।
৪০. মোছা. সেলিনা আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: ফেনী সদর; নতুন কর্মস্থল: ছাগলনাইয়া, ফেনী।
৪১. মো. গোলাম মোস্তফা — বর্তমান কর্মস্থল: কক্সবাজার সদর; নতুন কর্মস্থল: চকরিয়া, কক্সবাজার।
৪২. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: বান্দরবান সদর; নতুন কর্মস্থল: লামা, বান্দরবান।
৪৩. মো. আবদুস সাত্তার — বর্তমান কর্মস্থল: খাগড়াছড়ি সদর; নতুন কর্মস্থল: দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি।
৪৪. মো. নাছির উদ্দিন — বর্তমান কর্মস্থল: রাঙামাটি সদর; নতুন কর্মস্থল: কাপ্তাই, রাঙামাটি।
৪৫. মোছা. শামসুন্নাহার — বর্তমান কর্মস্থল: পিরোজপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
৪৬. মো. আবদুল কাইয়ুম — বর্তমান কর্মস্থল: ঝালকাঠি সদর; নতুন কর্মস্থল: নলছিটি, ঝালকাঠি।
৪৭. মো. সোহরাব হোসেন — বর্তমান কর্মস্থল: বরগুনা সদর; নতুন কর্মস্থল: আমতলী, বরগুনা।
৪৮. মো. আবদুল জলিল — বর্তমান কর্মস্থল: ভোলা সদর; নতুন কর্মস্থল: বোরহানউদ্দিন, ভোলা।
৪৯. মো. আবদুল হাই — বর্তমান কর্মস্থল: লালমনিরহাট সদর; নতুন কর্মস্থল: হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট।
৫০. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: কুড়িগ্রাম সদর; নতুন কর্মস্থল: উলিপুর, কুড়িগ্রাম।
৫১. মোছা. রাশিদা বেগম — বর্তমান কর্মস্থল: গাইবান্ধা সদর; নতুন কর্মস্থল: গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।
৫২. মো. আবদুল হান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: নীলফামারী সদর; নতুন কর্মস্থল: সৈয়দপুর, নীলফামারী।
৫৩. মো. আবদুল কুদ্দুস — বর্তমান কর্মস্থল: পঞ্চগড় সদর; নতুন কর্মস্থল: দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।
৫৪. মো. আবদুল ওয়াহাব — বর্তমান কর্মস্থল: ঠাকুরগাঁও সদর; নতুন কর্মস্থল: পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও।
৫৫. মোছা. নাজমা খাতুন — বর্তমান কর্মস্থল: জয়পুরহাট সদর; নতুন কর্মস্থল: আক্কেলপুর, জয়পুরহাট।
৫৬. মো. আবদুল লতিফ — বর্তমান কর্মস্থল: নওগাঁ সদর; নতুন কর্মস্থল: মান্দা, নওগাঁ।
৫৭. মো. আবদুল হাই — বর্তমান কর্মস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
৫৮. মো. আবদুল বারেক — বর্তমান কর্মস্থল: পাবনা সদর; নতুন কর্মস্থল: ঈশ্বরদী, পাবনা।
৫৯. মোছা. শারমিন আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: সিরাজগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।
৬০. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: নাটোর সদর; নতুন কর্মস্থল: বড়াইগ্রাম, নাটোর।
৬১. মো. আবদুল হাকিম — বর্তমান কর্মস্থল: ঝিনাইদহ সদর; নতুন কর্মস্থল: কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।
৬২. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: মাগুরা সদর; নতুন কর্মস্থল: শ্রীপুর, মাগুরা।
৬৩. মো. আবদুল করিম — বর্তমান কর্মস্থল: নড়াইল সদর; নতুন কর্মস্থল: লোহাগড়া, নড়াইল।
৬৪. মো. আবদুল জলিল — বর্তমান কর্মস্থল: সাতক্ষীরা সদর; নতুন কর্মস্থল: কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
৬৫. মো. আবদুল গফুর — বর্তমান কর্মস্থল: বাগেরহাট সদর; নতুন কর্মস্থল: মোংলা, বাগেরহাট।
৬৬. মোছা. পারভীন আক্তার — বর্তমান কর্মস্থল: হবিগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: মাধবপুর, হবিগঞ্জ।
৬৭. মো. আবদুল হক — বর্তমান কর্মস্থল: সুনামগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: ছাতক, সুনামগঞ্জ।
৬৮. মো. আবদুল মজিদ — বর্তমান কর্মস্থল: কিশোরগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জ।
৬৯. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর; নতুন কর্মস্থল: নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৭০. মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন — বর্তমান কর্মস্থল: কুমিল্লা সদর; নতুন কর্মস্থল: লাকসাম, কুমিল্লা।
৭১. মো. আবদুল হালিম — বর্তমান কর্মস্থল: চট্টগ্রাম সদর; নতুন কর্মস্থল: হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।
৭২. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: ফেনী সদর; নতুন কর্মস্থল: পরশুরাম, ফেনী।
৭৩. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: নোয়াখালী সদর; নতুন কর্মস্থল: চাটখিল, নোয়াখালী।
৭৪. মো. আবদুল হাই — বর্তমান কর্মস্থল: লক্ষ্মীপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: কমলনগর, লক্ষ্মীপুর।
৭৫. মো. আবদুল জলিল — বর্তমান কর্মস্থল: বরিশাল সদর; নতুন কর্মস্থল: বাকেরগঞ্জ, বরিশাল।
৭৬. মো. আবদুল করিম — বর্তমান কর্মস্থল: পটুয়াখালী সদর; নতুন কর্মস্থল: বাউফল, পটুয়াখালী।
৭৭. মো. আবদুল কুদ্দুস — বর্তমান কর্মস্থল: খুলনা সদর; নতুন কর্মস্থল: পাইকগাছা, খুলনা।
৭৮. মো. আবদুল বারী — বর্তমান কর্মস্থল: যশোর সদর; নতুন কর্মস্থল: কেশবপুর, যশোর।
৭৯. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: কুষ্টিয়া সদর; নতুন কর্মস্থল: কুমারখালী, কুষ্টিয়া।
৮০. মো. আবদুল হালিম — বর্তমান কর্মস্থল: ময়মনসিংহ সদর; নতুন কর্মস্থল: ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ।
৮১. মো. আবদুল কাদের — বর্তমান কর্মস্থল: টাঙ্গাইল সদর; নতুন কর্মস্থল: কালিহাতী, টাঙ্গাইল।
৮২. মো. আবদুল হক — বর্তমান কর্মস্থল: ফরিদপুর সদর; নতুন কর্মস্থল: নগরকান্দা, ফরিদপুর।
৮৩. মো. আবদুল জলিল — বর্তমান কর্মস্থল: গোপালগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
৮৪. মো. আবদুল করিম — বর্তমান কর্মস্থল: মুন্সীগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ।
৮৫. মো. আবদুল মান্নান — বর্তমান কর্মস্থল: মানিকগঞ্জ সদর; নতুন কর্মস্থল: হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ব্যাংকে এমডি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বেসরকারি খাতের ব্যাংক থেকে। একই সঙ্গে, সোনালী ব্যাংকের এমডি শওকত আলী খানের অপসারণ আদেশ সরকার বাতিল করেছে।
সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত পৃথক নির্দেশনা জারি হয়েছে।
জনতা ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বেসরকারি খাতের সাউথইস্ট ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা (চিফ রিস্ক অফিসার) মাহবুব আলম। অগ্রণী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন যমুনা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) নূর মোহাম্মদ। আর বেসিক ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনতা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরুল হুদা। তাদের সকলকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমডি পদে বেসরকারি খাতের ব্যাংক থেকে নিয়োগ দেওয়ার নজির অতীতে ছিল। অগ্রণী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদের ক্ষেত্রেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তিনি একসময় সাউথইস্ট ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকের এমডি ছিলেন এবং ২০০৪ সালে তাকে অগ্রণী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া চলতি বছরের জুনে রাষ্ট্রায়ত্ত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পান ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার।
এর আগে, দুই দফায় রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিন বছরের চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া এমডি ও সিইওদের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে সরকার। প্রথম দফায়, গত ২ সেপ্টেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের এমডি মো. আনোয়ারুল ইসলাম, বেসিক ব্যাংকের এমডি মো. কামরুজ্জামান খান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির (বিডিবিএল) এমডি মো. জসিম উদ্দিনের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়। দ্বিতীয় দফায়, গত ১৯ অক্টোবর একইভাবে সোনালী ব্যাংকের এমডি মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের এমডি মো. মজিবুর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের এমডি কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় তাইজুল সরদার হত্যার পর ভয়াবহ সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রতিপক্ষের সদস্যরা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অন্তত অর্ধশতাধিক বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে।
সোমবার সকালে কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ও টুমচর এলাকায় এই তাণ্ডব সংঘটিত হয়।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের ফলস্বরূপ গত ২২ অক্টোবর সকালে তাইজুল সরদার নামের এক ব্যক্তি খুন হন। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজমান ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে প্রতিপক্ষের সদস্যরা দেশি অস্ত্র নিয়ে কালিনগর ও টুমচর এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিলন সরদারের বাড়িসহ বিভিন্ন বাড়িতে হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় তারা নির্বিচারে অর্ধশতাধিক বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পরবর্তীতে বাড়িগুলোতে অগ্নিসংযোগ করা হলে মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ সুপারের সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তাইজুল সরদার হত্যাকাণ্ডের জের ধরে প্রতিপক্ষ এই হামলা চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বর্তমানে কোনো মামলা না হলেও আমাদের নিজস্ব তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ