বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৭ এম
দিনাজপুর শহরে ট্রাফিক পুলিশ একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালানোর পর দেশীয় তৈরি একটি ওয়ান শুটার এবং চার রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের হাসপাতাল মোড়ে নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে তাদের আটক করা হয়।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- দিনাজপুর সদর উপজেলার দপ্তরীপাড়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে হারুন (৫৫) এবং ষষ্ঠীতলা এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মো. রতন (২০)। হারুন পিকআপ চালক হিসেবে কাজ করেন এবং রতন একটি পিকআপ গ্যারেজে কর্মরত।
ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লিলির মোড় থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলে করে দুই ব্যক্তি বালুবাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। হাসপাতাল মোড়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট রুপক কুমার ঝা তাদের থামার সংকেত দেন। মোটরসাইকেলটি থামানোর পর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। এসময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে দুজনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, তল্লাশির একপর্যায়ে হারুনের কাছে থাকা একটি লাল প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে দেশীয় তৈরি একটি পাইপগান (ওয়ান শুটার) ও চারটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। তাদের কাছে অস্ত্র ও গুলির বৈধ কোনো কাগজপত্র ছিল না।
অভিযানে ট্রাফিক কনস্টেবল শাহনেওয়াজ ও মেহেদী হাসান অংশগ্রহণ করেন। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) অমৃত সরকারের উপস্থিতিতে তল্লাশি শেষে আটক দুজনকে উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলিসহ কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
ট্রাফিক বিভাগের টিআই (প্রশাসন) রাহিনুর ইসলাম খান বলেন, রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলটি থামিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের সময়ে আরোহীদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক অ্যান্ড এস্টেট) সুমন রঞ্জন সরকার জানান, আটক দুজনকে বুধবার আদালতে হাজির করা হবে। তিনি আরো বলেন, হারুনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় ডাকাতির মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার মধ্যে বৈঠকে বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংক অংশীদারিত্ব জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সাইডলাইনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, বিভিন্ন প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা বৃদ্ধি, এবং জ্বালানি সংকট সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠক শেষে, আমির খসরু সাংবাদিকদের কাছে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই বৈঠকটি বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে যে অংশীদারিত্ব এবং সম্পর্ক রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ আগামী দিনের যেসব প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে, সেগুলোতে বিশ্বব্যাংকের অংশীদারিত্ব কাঠামোর মধ্যে আমরা কীভাবে কাজ করতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আলোচনার মধ্যে উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী যেসব কর্মসূচি নিয়েছেন, যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ইত্যাদি সামাজিক কর্মসূচি, সেগুলো বিশ্বব্যাংকের কাছে প্রশংসিত হয়েছে এবং এগুলোতে বিশ্বব্যাংকের সমর্থন থাকবে।’
‘বিশেষ করে ইয়াং এন্টারপ্রেনারশিপের যেসব প্রোগ্রাম রয়েছে, সেখানে আমরা যে প্রোগ্রামগুলো রোলআউট করেছি, ৫০ শতাংশ গ্র্যান্ট এবং ৫০ শতাংশ কনসেশনাল লোনে আগামী দিনে এই প্রোগ্রামটি কীভাবে বিশ্বব্যাংকের সাথে একত্রে বড় আকারে বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইয়াং এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট ও তরুণদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আমরা একসাথে কাজ করব।’
অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ যে সমস্যা রয়েছে, তার মধ্যে তেল-গ্যাস সংকট উত্তরণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এখানে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশ্বব্যাংক এগিয়ে আসতে রাজি আছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যেসব প্রকল্প গ্রহণ করেছি সেগুলো ঠিক রাখতে হবে, যাতে সাপ্লাই চেইনের কারণে ব্যাহত না হয়। এখানে বিশ্বব্যাংক কাজ করবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি জানাতে চাই, আমরা একসাথে কাজ করতে সম্মত হয়েছি, সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।’
টেকসই প্রকল্পগুলো সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে, অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক খুবই মনোযোগ সহকারে দেখছে। বিশেষ করে ইয়াং এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বিষয়ক যে প্রকল্পগুলো রোলআউট করা হয়েছে, সেটিকে আরও বড় আকারে নেওয়ার ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি।’
সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ লা লিগা সভাপতির সাম্প্রতিক মন্তব্যকে ‘অসহনীয়’ ও ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে উল্লেখ করে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
রিয়াল মাদ্রিদ তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাসের মন্তব্যের জবাব দিয়েছে। ক্লাবটি অভিযোগ করেছে যে, তেবাস তার প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান ব্যবহার করে বারবার রিয়ালকে আক্রমণ করছেন।
বিবৃতিতে রিয়াল উল্লেখ করেছে, ‘লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস মেদরানোর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রিয়াল মাদ্রিদ জানাতে চায়—লা লিগার সভাপতি তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান ব্যবহার করে প্রতিটি প্রকাশ্য বক্তব্যে যেভাবে বারবার রিয়াল মাদ্রিদকে হেয় ও আক্রমণ করেন, সেটিকে আমাদের ক্লাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য মনে করে না।’
রিয়াল মাদ্রিদ তেবাসের কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ‘লা লিগার সব ক্লাবের স্বার্থ প্রতিনিধিত্ব ও সুরক্ষার দায়িত্ব যার, সেই ব্যক্তি কেন রিয়াল মাদ্রিদকে নিয়ে এতটা আবিষ্ট হয়ে থাকেন এবং নিয়মিতভাবে আমাদের ক্লাবকে তাঁর প্রকাশ্য আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বানান—এটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক।’
তেবাসের সর্বশেষ মন্তব্যকে রিয়াল বিশেষভাবে ‘গুরুতর ও বোধগম্য নয়’ বলে উল্লেখ করেছে। ক্লাবটির দাবি, তিনি একটি ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমে স্বাধীন এক সাংবাদিকের লেখা নিবন্ধ নিয়ে মন্তব্য করেছেন এবং সেখান থেকে রিয়ালের ক্রীড়া কৌশল নিয়ে সমালোচনা করেছেন।
রিয়াল বলেছে, ‘একজন দায়িত্বশীল প্রশাসকের জন্য এটি সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। একটি স্বাধীন সাংবাদিকের নিবন্ধ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে আমাদের ক্লাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং আমাদের ক্রীড়া কৌশল নিয়ে সমালোচনা করার স্বাধীনতা নেওয়া একেবারেই অযৌক্তিক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন।’
রিয়াল দাবি করেছে, তেবাসের কর্মকাণ্ড স্প্যানিশ ফুটবলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘লা লিগা সভাপতি তাঁর ব্যক্তিগত সময় ও নিজস্ব যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রকাশ্যে রিয়াল মাদ্রিদকে হেয় করছেন। অথচ তাঁর উচিত প্রতিযোগিতার নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আস্থা তৈরিতে কাজ করা। এভাবে তিনি আমাদের প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বজুড়ে স্প্যানিশ ফুটবলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে চলেছেন।’
শেষ দিকে লা লিগার নেতৃত্ব নিয়ে নিজেদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে রিয়াল। ক্লাবটির ভাষায়, ‘এই ধারাবাহিক ও অনুপযুক্ত আচরণের কারণে আমরা মনে করি, স্পেনের পেশাদার ফুটবলে এমন একজন নেতৃত্বের জরুরি প্রয়োজন, যিনি প্রতিযোগিতাকে পরিচালনা করতে পারবেন, এর পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মুক্ত করতে পারবেন এবং একই সঙ্গে নিরপেক্ষতার মৌলিক দায়িত্ব পালন করবেন।’
বিবৃতিতে তেবাসকে উদ্দেশ করে রিয়াল আরও বলেছে, ‘লা লিগার সভাপতি প্রতিযোগিতার মালিক নন। তিনি সেই ক্লাবগুলোর একজন প্রশাসক, যারা তাঁর ওপর আস্থা রেখে তাঁকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা ক্লাবগুলো এমন একজনকে চাই, যিনি সৎভাবে এই দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে যেকোনো সময়ের তুলনায় সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ইরান সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তির সম্ভাবনা বিদ্যমান।
নিউইয়র্কে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। জাতিসংঘে উপস্থিত প্রতিনিধিদের স্বাগত জানিয়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পুনরুদ্ধার হওয়া শক্তির প্রশংসা করে তিনি তার ভাষণ শুরু করেন। ট্রাম্পের দাবি, অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র আজ আরও শক্তিশালী।
তিনি বলেন, ‘আমেরিকা আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং আমাদের দেশ আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে কি এমন কোনো চুক্তি হবে, যা তাদের ঘুরে দাঁড়াতে এবং আগের চেয়ে আরও ভালো একটি দেশ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে, নাকি আমি ইসলামিক রিপাবলিকে সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দেব?’
তিনি যোগ করেন, ‘আমি কি তাদের নরকে ঠেলে দেব, যেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর আর কোনো সুযোগই থাকবে না? তবে আমার বিশ্বাস, নির্বাচনের পরপরই আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, কারণ তা না করাটা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।’
ট্রাম্প বলেন, আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের জন্য ইরান অপেক্ষা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘তারা যা বুঝতে পারছে না তা হলো, আমি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি না।’ তিনি আরও জানান, তিনি ইতোমধ্যেই বিপুল ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ