বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:০৪ এম
বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছে ড্রেন।
রক্ষণাবেক্ষণেও ব্যয় হচ্ছে বিপুল অর্থ।
অথচ সামান্য বৃষ্টিতে ডুবছে দেশের প্রথম শ্রেণির পৌরসভা যশোর।
সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবেছে দেশের প্রথম শ্রেণির পৌরসভা যশোর।
জানা যায়, শহরের বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। পরিকল্পনার ঘাটতি, অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ আর খাল-ড্রেন সংযোগের দুর্বলতায় প্রতি বছরই একই ভোগান্তির পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অবশ্য পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দেশের প্রাচীন ও প্রথম শ্রেণির পৌরসভা যশোর। এ পৌরসভার পানি নিষ্কাশনে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ড্রেনের দৈর্ঘ্য ২৫১ দশমিক ৯৬ কিলোমিটার। এসব ড্রেনের প্রায় অর্ধেক শত কোটি টাকা ব্যয়ে পাকা করা হয়েছে।
পাশাপাশি ড্রেন পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বছরে দুই কোটির অধিক বরাদ্দ থাকে। বিপুল পরিমাণ টাকা ব্যয় হলেও স্বস্তিতে নেই যশোর পৌরসভার বাসিন্দারা।
একটু বৃষ্টিতেই শহরের বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় পানি জমে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা।
বিশেষ করে ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা পড়েন চরম ভোগান্তিতে।
ঘরে বাইরে সর্বত্র দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় জীবন বিষিয়ে উঠে তাদের।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও পরিকল্পনার ঘাটতি, অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ, খাল-ড্রেন সংযোগের দুর্বলতায় প্রতি বছর একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
ফলে মানসিক ও অর্থনৈতিক দুইভাবেই ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তারা।
এ বিষয়ে শহরের শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা অপু আহমেদ বলেন, ‘সামান্য বৃষ্টি হলেই আমাদের এলাকায় পানি জমে যায়। পুরো শহরের পানি ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে হরিণার বিলে নামে।
মাঝে দীর্ঘ রেললাইন। ছোট দুটি রেল কালভার্ট আছে। কিন্তু তা দিয়ে পর্যাপ্ত পানি বের হয় না। এরপর মহাসড়ক। সেখানে মাত্র একটি কালভার্ট। ফলে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।
তা ছাড়া পানি নিষ্কাশনের যে ড্রেনগুলো আছে, সেগুলো ঠিকমত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয় না। বছরে দুই থেকে তিনবার যদি ড্রেন পরিষ্কার করা হয় তাহলে জলাবদ্ধতা কম হতো।’
যশোর শহরের বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা।
তিনি আরও বলেন, ‘এখন পানি জমে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বাড়ির ভেতরে ময়লা পানি, বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বাড়ি থেকে বেরোনো যায় না। বাড়ির বাচ্চাসহ সবাই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
পানি নিষ্কাশনের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও পরিকল্পনার অভাবে তা কাজে আসছে না।’
শহরের টিবি ক্লিনিক এলাকার বাসিন্দা শাহিন হোসেন বলেন, ‘আমাদের এলাকাটা অপেক্ষাকৃত নিচু। দুই দশক ধরে আমরা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার শিকার হই।
বৃষ্টি হলেই ড্রেনের পানি উপচে সড়ক ও বাড়ি ঘরে উঠে আসে। সপ্তাহের পর সপ্তাহ ময়লা পানির মধ্য বসবাস করতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘এ জলাবদ্ধতার একটাই কারণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা। শহরের ড্রেনগুলো ভৈরব নদীর দিকে মুখ না করে হরিণার বিলমুখী করা হয়েছে।
বিলের পাশ দিয়ে বাইপাস মহাসড়ক, বিলের ভিতর বাসস্ট্যান্ড, মেডিকেল কলেজ, বসতবাড়ি গড়ে উঠেছে। ড্রেনের পানি গিয়ে বিলে নামতে পারছে না।
তা ছাড়া ড্রেন অপ্রশস্ত ও অগভীর হওয়ায় তা উপচে পানি সড়ক ও বাড়ি ঘরে ঢুকে পড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ না নিয়ে প্রতিবছর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার নামে কোটি টাকা ব্যয় করা হয়।
যা আদৌ কোন কাজে আসছে না। ফলে পৌর কর্তৃপক্ষকে নতুন করে পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে।’
বেজপাড়া আনসার ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা জিল্লুর রহমান ভিটু বলেন, ‘বর্তমানে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অধিকাংশ ঘরে পানি আছে। পানি ড্রেন থেকে ক্লিয়ার হচ্ছে না, ড্রেন জ্যাম।
পানি নিষ্কাশনের জায়গা সৃষ্টি না করে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে ড্রেন তৈরি করা বা ড্রেন পরিষ্কার করা সমস্যার সমাধান নয়।
এটা হচ্ছে সেই ‘গাড়ির আগে ঘোড়াজুড়ে দেয়ার’ মতো অবস্থা। আমরা দেখছি বৃষ্টিতে কী অবস্থা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের শহরের বুকের ওপর দিয়ে একটি নদী এবং আমাদের বগলের তলা দিয়ে আরেকটি নদী ভৈরব ও মুক্তেশ্বরী গেছে। আমাদের পানি ভৈরব-মুক্তেশ্বরীতে গিয়ে পড়বে, সেই যাওয়ার জায়গাটা তৈরি করতে হবে।
নদী দখলদারদের উচ্ছেদ করতে হবে।’
জিল্লুর রহমান ভিটু আরও বলেন, ‘পাশাপাশি আরেকটা কাজ রয়েছে—নাগরিকদের সচেতন করার একটা উদ্যোগ থাকতে হবে।
আমরা দেখি অনেকে ড্রেনের মধ্যে ময়লাটা ফেলে দিচ্ছে। এটা বন্ধ করাতে হবে। এর জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিতে হবে।
এর জন্য যদি অর্থ ব্যয় করতে হয়, অর্থ ব্যয় করে পরিকল্পিতভাবে নাগরিকদের সচেতন করতে হবে। কিন্তু পৌরসভার থেকে কোনো ব্যবস্থাই নিতে পারছে না।’
এ দিকে পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. রফিকুল হাসানের দাবি, পানি নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে পানি নেমে যাবে।
ফলে এ বছর জলাবদ্ধতা কম হবে। তা ছাড়া শহরের যেসব এলাকায় বেশি জলাবদ্ধতা হচ্ছে, সেগুলো এরই মধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। মূলত শহরের পানি হরিণার বিল হয়ে মুক্তেশ্বরী নদীতে যায়।
পৌরসভার সীমানা শেষে জমির মালিকরা তাদের জমিতে পানি প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।
তিনি জানান, অনেক স্থানে মাটি ফেলে উঁচু করা হয়েছে। এ পানি মুক্তেশ্বরী নদীতে নিতে হলে জমি অধিগ্রহণ করা জরুরি।
অথবা মহাসড়কের পাশ দিয়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি করে ভৈরব নদীতে নিতে হবে; যা ব্যয় বহুল।
আমরা বিষয়টি স্থানীয় এমপি ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে অবহিত করেছি।
সরকার থেকে বরাদ্দ পেলে পর্যায়ক্রমে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।
প্রসঙ্গত, ১৪ দশমিক ৭২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের যশোর পৌরসভায় প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের বসবাস। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার এই ত্রুটি দ্রুত দূর করার দাবি নগরবাসীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় মো. ফারুক ওরফে শহীদ (৫০) নামে এক বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার জন্য অভিযুক্ত দুই যুবককে আটক করা হয়েছে এবং গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
নিহত শহীদ ছিলেন উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক এবং তিনি স্থানীয় তেঁতুলতলা বাজারের একজন ব্যবসায়ী। আটককৃতদের মধ্যে একজন হলেন মো. আরশাদ ওরফে আকাশ (২৪), যিনি একই গ্রামের মুন মুন্সিবাড়ির আল আমিনের ছেলে। অন্যজন হলেন মো. সাজ্জাদ হোসেন আকাশ (১৯), যিনি আকবর পুত্রের বাড়ির দুলালের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া। এর আগে, বুধবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা বাজার সংলগ্ন পল্লী বিদ্যুতের সাব-স্টেশনের সামনে মো. ফারুককে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় রাত ২টার দিকে চৌমুহনী চৌরাস্তা এলাকায় তার মৃত্যু ঘটে।
নিহতের বড় ছেলে মো. ইমরান হোসেন বলেন, আকাশ মাঝে মাঝে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাতেন এবং এলাকায় তিনি মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। উপজেলা ছাত্রদল নেতা জহির তার বেপরোয়া মাদকসেবনের প্রতিবাদ করেছিলেন। গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে স্থানীয় তেঁতুলতলা বাজারের একটি দোকানে আকাশের মাদকসেবন নিয়ে আলোচনা হয়। ওই সময় আকাশ বেপরোয়া আচরণ করে ছাত্রদল নেতা জহিরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘তিনি তার মাদকসেবনের প্রতিবাদ করার কে?’ তখন তার বাবা ফারুক বলেন, ‘তুমি কাউকে মানো না।’ একপর্যায়ে আকাশের সঙ্গে তর্কাতর্কির পর তাকে দোকান থেকে বাইরে বের করে দেওয়া হয়।
ইমরান আরও জানান, পরের দিন বুধবার সকালে আকাশ তার বাবাকে হত্যার হুমকি দেন। পরে রাতের বেলায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে তেঁতুলতলা বাজার সংলগ্ন পল্লী বিদ্যুতের সাব-স্টেশনের সামনে আকাশ পেছন থেকে তার বাবার মেরুদণ্ডে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ফারুককে প্রথমে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে চৌমুহনী চৌরাস্তা এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
ওসি রোমেল বড়ুয়া আরও জানান, মাদকসেবনের প্রতিবাদ করার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে আটক দুজন আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলা ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এ তথ্য জানায়।
অন্যদিকে, জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
তাসনিম সংবাদসংস্থার তথ্যমতে, আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, তারা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আন্দিমেশকের আকাশে একটি ‘শত্রু’ এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ইরানি বাহিনীর দাবি, তাদের মহাকাশ বাহিনীর পরিচালিত নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়েছে।
ইরাকে কুর্দি বাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট উত্তরাঞ্চলীয় কুর্দিস্তান অঞ্চলের রাজধানী এরবিলের আকাশে বিস্ফোরকবোঝাই আটটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। সেখানে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিস্ফোরণের শব্দ এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে জুলাই শহীদ দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় শহরের মানরা এলাকায় স্থাপিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক জামিলুর রশীদ খান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ ও জুলাই শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদ-এর বাবা সফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
পরে জেলা প্রশাসক সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
শহীদ সাদের বাবা সফিকুল ইসলাম বলেন, "ফ্যাসিস্ট পতনের শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই। এই জুলাইকে সকলের মনেপ্রাণে ধারণ করতে হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি ট্রাকের ধাক্কায় ৫৫ বছর বয়সী আনোয়ারুল হক নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার, ১৫ জুলাই রাত ৯টার দিকে উত্তরা জসীমউদ্দীন সড়কের ইউ-টার্ন মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের ছেলে ইয়াসিন আরাফাত জানিয়েছেন, আনোয়ারুল হক ব্যবসার কাজে উত্তরায় গাজীপুরের কোনাবাড়িতে তার বাসায় ফিরছিলেন। তখন তিনি ইউ-টার্ন মোড়ে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন, হঠাৎ একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। এ ধরনের ঘটনার ফলে আনোয়ারুল হক গুরুতর আহত হন এবং পরে ছিটকে পড়েন। খবর পাওয়ার পর স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পরিবারের লিখিত আবেদনের পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আনোয়ারুল হক পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার ঘোড়াদহ গ্রামের মৃত আতাহার আলী মণ্ডলের ছেলে ছিলেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কোনাবাড়িতে পরিবার সহ বসবাস করতেন এবং তার নিজস্ব চারটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিল, যা ভাড়ায় চালানো হত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ