এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০২:২৫ পি.এম
বয়সসীমা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাজস্ব খাতে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) ২১ জেলার অস্থায়ী লাইন সাহায্যকারী (গ্যাটিস) শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার ফরিদপুর সার্কেলের আওতাধীন গোয়ালচামট এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন ওজোপাডিকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের অস্থায়ী লাইন সাহায্যকারী শ্রমিকরা।
কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দিন-রাত দায়িত্ব পালন করলেও এখনো তাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন কাজ করার পরও চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
শ্রমিকরা বলেন, কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার কাজে তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন। মানুষের ঘরে বিদ্যুতের আলো ফিরিয়ে দিতে কাজ করলেও তাদের নিজেদের পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাতে হচ্ছে।
তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের কর্মঅভিজ্ঞতা ও দায়িত্ব পালনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বয়সসীমা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করতে হবে। একই সঙ্গে অস্থায়ী লাইন সাহায্যকারীদের রাজস্ব খাতে চাকরি স্থায়ী করার কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
কর্মবিরতিতে শ্রমিকরা তাদের এক দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। দাবি পূরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়ার কথাও জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইমামুল ইসলাম রকি, সাহায্যকারী মো. ফারুকুর রহমান, লাইন সাহায্যকারী আব্দুল বারেক মোল্লা,মো. সাগর আহাম্মেদ খসরু, নিজাম হোসেন, মোহাম্মদ আদেল শেখ ও মো. মেজবাহসহ অন্য শ্রমিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার তেজগাঁও থানা শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. আবুল কাশেম পাটোয়ারী, যিনি ‘হাতকাটা কাশেম’ নামে পরিচিত, তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ অগাস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশটি প্রদান করা হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক আবদুল হান্নান গত ২০ আগস্ট এই আবেদনটি করেন। আদালত আজ আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করে। এর আগে, গত ১৮ অগাস্ট মঙ্গলবার, তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ১৭ আগস্ট রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসাইন সুমন রিমান্ড বাতিলের জন্য শুনানি করেন। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ প্রদান করে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে কারওয়ান বাজারের বাপেক্স ভবন, পল্লী ভবন, পরিবার পরিকল্পনা অফিস ও কাব্যকস সুপার মার্কেটের সামনে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ওই সময় আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। হামলার ফলে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং সিএসএফের নিরাপত্তাকর্মীসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন।
পুলিশ জানায়, তদন্তের একপর্যায়ে বিশ্বস্ত সোর্সের মাধ্যমে কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে আবুল কাশেম পাটোয়ারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনায় তার সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তার, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং তদন্তের স্বার্থে আবুল কাশেমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আবেদন করা হয়। পরে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউএনডিপি বাংলাদেশের আইনি ও বিচারিক সংস্কার, সংবিধান সংশোধনসহ সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতার বিষয়টি উল্লেখ করেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সাংবিধানিক সংস্কার, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা, পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গুজব ও অপতথ্য রোধে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রস্তাবিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে ইউএনডিপি'র আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, "আমরা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য, অগ্রাধিকার ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে চাই।" তিনি মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, "আপনি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন জেনে আমরা আনন্দিত। আপনি চাইলে আমরা এ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে আগ্রহী।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউএনডিপির ধারাবাহিক সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জন্য ইউএনডিপি'র সহায়তার কথা উল্লেখ করে আবাসিক প্রতিনিধি জানান, ক্যাম্প এলাকায় পরিবেশ সুরক্ষা (যেমন- পাহাড় ধস প্রতিরোধ) এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইউএনডিপি কাজ করে যাচ্ছে। এসময় মন্ত্রী বলেন, "আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্তমান অবকাঠামোর যথোপযুক্ত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন চাই, তবে বৃহত্তর স্বার্থে সেখানে নতুন করে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করতে চাই না।"
আবাসিক প্রতিনিধি জানান, ইউএনডিপি বাংলাদেশ পুলিশের পেশাগত দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ, সংঘাত ও বিরোধ নিষ্পত্তি-সহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। মন্ত্রীও এসময় পুলিশের দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে ইউএনডিপি'র সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধ প্রসঙ্গে আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, "বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন গুজব, অপতথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এগুলো কার্যকরভাবে রোধে আমরা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে আমরা প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দিতে চাই, যাতে কোনো লঙ্ঘন ঘটলে দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা যায়।" মন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, "সাইবার সুরক্ষা আইন ইতোমধ্যে পাস হয়েছে। আপনারা এ আইনের সফল বাস্তবায়নে লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করতে পারেন।"
প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন আইন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬'-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে এবং জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে এটি পাস হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আইনটি প্রণয়নে ইউএনডিপি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিদেশি মিশন, উন্নয়ন অংশীদার, পত্রিকার সম্পাদক ও আইনজীবী-সহ বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সামাজিক মনস্তত্ব ও ধর্মীয় অনুভূতিকে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। আশা করা যায়, এটি একটি যুগোপযোগী ও গ্রহণযোগ্য আইন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।
বৈঠকে মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশে কোনো গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। এসময় নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, 'গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৬'-এর খসড়াও মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন লাভ করেছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের সঠিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সবসময় বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি উদার ও ধর্মীয় সহনশীল দেশ এবং ইউএনডিপি এ ইতিবাচক ভাবমূর্তি বাস্তবায়নেও কাজ করতে আগ্রহী।
সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড পার্টনারশিপ সাপোর্ট স্পেশালিস্ট সাইফ ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নুসরাত হত্যা মামলার আসামি হয়ে জেলহাজতে থাকা অবস্থায় সন্তান জন্ম দেন মনি। আজ সেই সন্তানের বয়স ৬ বছর। যে বয়সে মা-বাবার স্নেহ ও ভালোবাসায় শৈশব কাটানোর কথা, সেই শিশুকে মায়ের সঙ্গে জেলখানার অন্ধকারেই কাটাতে হয়েছে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি বছর।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নুসরাত হত্যা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন মনি। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া শিশুটির শৈশবের এই ছয় বছরের দায় নেবে কে?
আইনের বিচার হয়েছে, কিন্তু এই শিশুর হারানো শৈশবের বিচার হবে কীভাবে?
নুসরাতের বড় ভাই নোমানের ভাষ্যমতে, মনি ছিলেন নুসরাতের সহপাঠী। পরীক্ষার হল থেকে ছাদে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় মনিসহ অন্য সহপাঠীরা সহযোগিতা করেছিলেন। তদন্তে তার নাম আসায় তাকে আসামি করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে নিম্ন আদালতের রায়ে তিনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) উচ্চ আদালতে আপিলের শুনানি শেষে মনি-সহ ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা ও শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত। বাকি চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
যদিও নুসরাতের মা শিরিন আক্তার রায়ে সন্তুষ্ট, তবে দুই ছেলের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি শঙ্কিত। সরকারের কাছে তাদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের রাজৈরে পুকুরে ডুবে দুই জমজ বোনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে রাজৈর পৌর শহরের মোল্লাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ছয় বছর বয়সী নিহত তাবাসুম আক্তার ও তাহমিনা আক্তার মোল্লাকান্দি গ্রামের নাসির শেখের জমজ মেয়ে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যায় তাবাসুম ও তাহমিনা। গোসলের এক পর্যায়ে তারা পুকুরের গভীর পানিতে নেমে যায় তলিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন দুই বোনের কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পুকুর থেকে দুইজনকে উদ্ধার করে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, মোল্লাকান্দি গ্রামে দুই জমজ বোনের মৃত্যুর খবর শুনেছি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ