জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৩:৪৩ পি.এম
সরকারের নির্বাচনী অঙ্গিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে কৃষি পুণর্বাসন সহায়তা খাতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির আওতায় গাছ, বৃক্ষের চারা, সার ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণের উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে, বালিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উপজেলা কৃষি পুণর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান।
এসময় উপজেলা কৃষি অফিসার রতন কুমার ঘোষ, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তানিয়া সুমন, আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু মন্ডল, ফরিদ আহমেদ আশিক সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার, স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ১০০ টি প্রতিষ্ঠানে ২৬৫০ টি গাছের চারা, ২৬৫০ টি বাঁশের খুঁটি ও ৫ টি চারার জন্য ৪০ কেজি ভারমিকম্পোস্ট সার বিতরণ করা হয়।
পরে উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের বারুগ্রাম আবাসন প্রকল্প এলাকায় গাছের চারা রোপন করে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে এক ১৪ বছরের বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অপরাধে মো. আ. মমিন নামের এক যুবককে আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। যদি তিনি অর্থদণ্ডের পরবর্তী নির্দেশ মানতে ব্যর্থ হন তবে তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
অপরদিকে, মামলার অপর আসামী মো. এরশাদকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর এই রায় ঘোষণা করেন। যিনি দণ্ডপ্রাপ্ত আ. মমিন, তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল থানার ভাবনাবাড়ী (বগুড়াপাড়া) গ্রামের মৃত জালাল বৈরাগী ওরফে প্রামাণিকের ছেলে। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানামূলে মমিনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাত আনুমানিক আটটার দিকে ভুক্তভোগী বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরীকে বাড়িতে রেখে তার মা এক প্রতিবেশীর বাড়িতে অনুগ্রহ করেন। রাত নয়টার দিকে বাড়ি ফিরে মা দেখতে পান যে প্রতিবেশী আ. মমিন তার মেয়ের মুখ চেপে ধরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করছেন। এই সময় তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে তিনি ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যান। পরে ওই কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর মা অভিযুক্ত মমিনের ভাই মো. এরশাদের কাছে বিচার চাইতে গেলে তিনি কোনো বিচার করতে বিরত থাকেন এবং উল্টো হুমকি-ধমকি প্রদান করেন। এমনকি মমিনকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন। এরপর আপস-মীমাংসার কথা বলে আসামিপক্ষ সময় ক্ষেপণ করায়, ২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর রাণীশংকৈল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ এই রায় দিয়েছেন আদালত।
রায়ে বিচারক উল্লেখ করেছেন, দণ্ডিত আসামির ওপর আরোপিত দুই লাখ টাকার অর্থদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগী কিশোরীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। আইন অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে দণ্ডিত আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই অর্থ আদালতে জমা দিতে হবে। জমা করা অর্থ পরবর্তীতে ভুক্তভোগীকে প্রদান করা হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারা অনুযায়ী আসামি তদন্ত ও বিচার চলাকালীন যতটুকু সময় হাজতবাস করেছেন, তা তার মূল সাজা থেকে বাদ যাবে।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট মো. এনতাজুল হক বলেন, ‘আজকের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এক অসহায় বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অপরাধ রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছে। এই দৃষ্টান্তমূলক রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘ ১১ বছর পর অবশেষে ন্যায়বিচার পেল।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ ফরিদ বলেন, ‘আমার মক্কেল মমিন সম্পূর্ণ নির্দোষ, রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যের মধ্যে অনেক গরমিল ছিল। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে আপিল করব। আশা করি সেখানে তিনি খালাস পাবেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপজুড়ে নজিরবিহীন দাবদাহে প্রাণহানি বাড়ছে। একের পর এক তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে যাচ্ছে। ফ্রান্সের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, দেশটিতে মাত্র তিন দিনে এক হাজারের বেশি অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। চরম গরমের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অবকাঠামো এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা চাপে রয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া এমন তাপপ্রবাহের ঘটনায় ঘটানো সম্ভব নয়।
২০ জুন থেকে শুরু হওয়া তীব্র তাপপ্রবাহ এখন জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হয়েছে। ফ্রান্সের স্বাস্থ্য সংস্থার প্রদেয় তথ্য অনুযায়ী, বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে এক হাজারেরও বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেছে। প্রতিদিনের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনে, যেখানে এপ্রিল ও মে মাসে গড়ে প্রতিদিন মৃত্যু ছিল ৯০০ থেকে ১ হাজার।
বিশেষত প্যারিস অঞ্চলের ইল-দ্য-ফ্রান্স, ব্রিটানি ও নরম্যান্ডিতে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। হাসপাতাল, নার্সিং হোম এবং বাসা-বাড়িতেও উল্লেখযোগ্যভাবে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে গেছে।
এখন জার্মানিতেও টানা তৃতীয় দিনের মতো জাতীয় তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। ব্রান্ডেনবুর্গে তাপমাত্রার পারদ উঠে গেছে ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্যাক্সনিতে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে রেললাইনের জোড়া প্রসারিত হয়ে যাওয়ার কারণে লাইপজিগে ট্রাম চলাচল সাময়িক বন্ধ করতে হয়েছে। পাশাপাশি, হ্রদ ও নদীতে গোসল করার ফলে কয়েকদিনে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। কিছুটা স্বস্তির সন্ধানে মানুষ ছুটছে ফোয়ারা, ক্যাফে অথবা লেকের ধারে। হাঙ্গেরির বুদাপেস্টেও ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরমে বাসিন্দারা অস্থায়ী কুলিং স্টেশন ও পানির স্প্রে ব্যবহার করছেন।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। ইতালির রাজধানী রোমসহ ২২টি শহরে সর্বোচ্চ 'রেড হিট অ্যালার্ট' জারি রয়েছে, তবুও ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পোপের প্রার্থনায় হাজার হাজার ক্যাথলিক অংশগ্রহণ করছেন। তারা গরমের বিরুদ্ধে মোকাবিলার জন্য ছাতা, টুপি এবং হাতপাখার সাহায্য নিচ্ছেন।
বিজ্ঞানীরা সতর্কবার্তা দিচ্ছেন যে, চলতি তাপপ্রবাহ ইউরোপের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ। বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন, অবকাঠামোর ক্ষতি, দাবানলের ঝুঁকির বৃদ্ধি এবং হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত রোগী নিয়েই হিমশিম খাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের গতির বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এমন তাপপ্রবাহ আরও ঘন ঘন এবং প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুক্তিপণের দাবিতে ভাতিজাকে অপহরণ ও হত্যার দায়ে আদালত আপন চাচার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে, অপহরণ ও মরদেহ গুমের অভিযোগে তাকে আরও দুটি ধারায় কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মো. নুরনবী, যিনি গোপালপুর উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে, সেখানে আদালতে উপস্থিত ছিলেন রায় ঘোষণার সময়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও, অপহরণের দায়ে নুরনবীকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নিহতের মরদেহ গুমের দায়ে বিচারক তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকার জরিমানা করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দিপু জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতি কে এম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজন সহযোগিতায় অপহরণ করেছিলেন তার চাচা নুরনবী। এর ফলে ১১ অক্টোবর নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পরের দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে শিশু আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষে, গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন ভূঁইয়া আদালতে আসামি নুরনবীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
*স্কুল মাঠে মেলা, পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ: বরিশালের দুই কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে*
আগামী ২ জুলাই থেকে দেশব্যাপী একযোগে শুরু হচ্ছে এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) ও আলিম পরীক্ষা। এ অবস্থায় বরিশাল নগরীর পরেশ স্কুল মাঠে চলমান মাসব্যাপী মেলাকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, মেলার কারণে সৃষ্ট শব্দদূষণ ও জনসমাগমের প্রভাব পড়তে পারে পার্শ্ববর্তী পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর পরীক্ষার্থী এবং আশপাশের শিক্ষার্থীদের ওপর।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মেলা প্রাঙ্গণের পাশেই অবস্থিত বরিশাল সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আলেকান্দা সরকারি কলেজ—যেখানে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া আশপাশে আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা থাকায় পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, মেলা চলাকালে উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহার, বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম এবং দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে শিক্ষার্থীরা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে বিঘ্নের মুখে পড়ছে। তাদের আশঙ্কা, পরীক্ষা চলাকালেও একই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে পরীক্ষার্থীদের মনোযোগ ও স্বাভাবিক পরিবেশে পরীক্ষা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
মেলা-সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত মাইকের উচ্চ শব্দ ও কোলাহল চলায় বাসাবাড়িতে অবস্থানরত পরীক্ষার্থীরাও মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে। তারা দ্রুত পরিস্থিতির সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন।
এ বিষয়ে এক অভিভাবক শাহিদা আক্তার সাথী বলেন,
"সামনেই শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই সময়ে স্কুল মাঠে মেলা চালু থাকায় সন্তানদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত মেলা বন্ধ বা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেলা-সংলগ্ন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক বলেন,
"পরীক্ষার সময় শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"
স্থানীয়দের মতে, গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা কেন্দ্রের নিকটবর্তী স্থানে দীর্ঘমেয়াদি মেলা বা উচ্চ শব্দসৃষ্টিকারী অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে যথাযথ পরিকল্পনা ও পরিবেশগত বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বরিশালের জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের বক্তব্য জানতে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে লিখিতভাবে যোগাযোগ করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ