ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাকিস্তান-চীনকে মোকাবিলায় ৬ সাবমেরিন কিনছে ভারত


পাকিস্তান-চীনকে মোকাবিলায় ৬ সাবমেরিন কিনছে ভারত

ভারত পাকিস্তান ও চীনকে মোকাবিলা করার উদ্দেশ্যে জার্মানির কাছ থেকে ৬টি ভয়ংকর সাবমেরিন কিনতে যাচ্ছে। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে কার্যকর থাকার জন্য এই সাবমেরিনগুলো কেনার জন্য প্রাথমিক বাজেট ৭০ হাজার কোটি রুপি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।\n\nএই তথ্যটি রোববার (১৬ আগস্ট) ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রের মাধ্যমে এনডিটিভি প্রচার করেছে।\n\nভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবমেরিন ক্রয় সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এই কমিটির বৈঠক আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে পাস হওয়ার কথা রয়েছে 'প্রোজেক্ট ৭৫ ইন্ডিয়া' বা 'পি ৭৫ ইন্ডিয়া' নামে পরিচিত এই প্রস্তাবনাটি।\n\nযদি 'পি ৭৫ ইন্ডিয়া' প্রস্তাব পাস হয়, তাহলে জার্মানির শীর্ষ সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি প্রস্তুতকারী সংস্থা থাইসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমের (টিকেএমএস) সঙ্গে যৌথভাবে সাবমেরিন নির্মাণ করবে মুম্বাইভিত্তিক মাজাগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড। সূত্র জানাচ্ছে, 'মেইক ইন ইন্ডিয়া' প্রকল্পের আওতায় এই সাবমেরিনগুলো কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নির্মাণ করা হবে।\n\nবিশ্বে দুটি ধরনের সামরিক সাবমেরিন বিদ্যমান— পারমাণবিক সাবমেরিন ও কনভেনশনাল সাবমেরিন। পারমাণবিক সাবমেরিন পরমাণু শক্তি ব্যবহার করে চলে এবং অসংখ্য দিন পানির নিচে থাকতে পারে। অন্যদিকে কনভেনশনাল সাবমেরিন পানির নিচে চলার জন্য ব্যাটারি চালিত বৈদ্যুতিক মোটর ও ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার করে।\n\nনতুন ৬টি সাবমেরিন টাইপ-২১৪ শ্রেণির এবং এগুলোর মধ্যে 'এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন সিস্টেম' বা এআইপিএস প্রযুক্তি রয়েছে, যার কারণে এগুলো অ্যাডভান্সড কনভেনশনাল সাবমেরিন নামে পরিচিত। টাইপ-২০৪ শ্রেণির সাবমেরিনগুলো সাধারণ সাবমেরিনের তুলনায় বেশি সময় পানির নিচে থাকতে সক্ষম।\n\nটিকেএমএস ও মাজাগাঁও ডক বিল্ডার্স লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত সাবমেরিনগুলোর আকার হবে ২১৯ দশমিক ০৫ ফুট (৬৫ মিটার), প্রস্থ ২১ দশমিক ২৩ ফুট এবং উচ্চতা ২০ দশমিক ২২ ফুট।\n\nএই সাবমেরিনগুলো নির্মাণ করতে ব্যবহৃত হবে এইচওয়াই-১০০ ফেরোম্যাগনেটিক ইস্পাত, যা চৌম্বকীয় স্বাক্ষর কম রাখার জন্য পরিচিত। ফলে শত্রু নৌবাহিনীর নজরদারি এড়াতে সক্ষম হবে।\n\nঅস্ত্রসজ্জায় ৬টি ৫৩৩ এমএম টর্পেডো টিউব এবং এসএম-২৯ এক্সোসেট জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, পাশাপাশি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের সাবমেরিনে ব্যবহারের উপযোগী সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।\n\nভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানাচ্ছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তান ও চীনের মোকাবিলা করার জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।\n\n২০১৮ সালে ভারতের নৌবাহিনী কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে অ্যাডভান্সড প্রযুক্তির সাবমেরিনের জন্য আবেদন জানিয়েছিল। সেই সূত্র ধরে ৬টি সাবমেরিন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়, এবং প্রাথমিক বাজেট ছিল ৪৩ হাজার কোটি রুপি।\n\nএর আগে, ভারতীয় নৌবাহিনী ৪টি সাবমেরিন কেনার জন্য জার্মানির সংস্থা হাউন্ডসওয়ার্ক-ডয়শে ওয়েরফ্টের সঙ্গে চুক্তি করেছিল। প্রায় দেড় দশক আগে ফরাসি কোম্পানি ডিসিএনএস-এর সঙ্গে যৌথভাবে ছয়টি কলভরি সিরিজের স্করপেন সাবমেরিন নির্মাণ শুরু করেছিল ভারত। প্রথম সাবমেরিনটি ২০১৫ সালে নৌবাহিনীর হাতে এসেছিল এবং ২০২০ সালে শেষ সাবমেরিন 'কমিশন' পেয়েছিল। এরপর পাঁচ বছরে নতুন কোনো সাবমেরিন ভারতীয় নৌবাহিনীর কাছে আসেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাওর সুরক্ষায় পৃথক মন্ত্রণালয়ের দাবিতে সুনামগঞ্জে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও আত্মপ্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​শাহানুর আলম, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


হাওর সুরক্ষায় পৃথক মন্ত্রণালয়ের দাবিতে সুনামগঞ্জে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও আত্মপ্রকাশ

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোটি হাওরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং বৈরী জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় একটি পৃথক 'হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয়' বাস্তবায়নের আন্দোলনকে বেগবান করতে সুনামগঞ্জে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় সুনামগঞ্জ শহরের উকিলপাড়াস্থ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ সভায় ‘হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর সুনামগঞ্জ জেলা শাখার এ পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ ঘটে।
প্রভাষক ফজলুল করিম সাঈদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় জেলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সামাজিক ও পরিবেশ কর্মী এবং সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নতুন এই শক্তিশালী নেতৃত্ব হাওর এলাকার কৃষক, পরিবেশ, স্থানীয় জীববৈচিত্র্য ও সামগ্রিক টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে একটি স্বতন্ত্র হাওর মন্ত্রণালয় গঠনের যৌক্তিক দাবিকে জাতীয় পর্যায়ে জোরালোভাবে তুলে ধরতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
সংসদ সদস্যদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ:
সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে বিস্তৃত করতে জেলার মান্যবর সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি শক্তিশালী উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এতে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন— সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল এবং সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।
নূরুল হক আফিন্দী সভাপতি ও কুদরত পাশা সাধারণ সম্পাদক:
ঘোষিত নতুন জেলা নির্বাহী কমিটিতে নূরুল হক আফিন্দী-কে সভাপতি এবং এ কে কুদরত পাশা-কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।
কমিটির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিজন সেন রায়, অধ্যক্ষ শেরগুল আহমদ, রওনক আহমদ বখত, অধ্যক্ষ নুরুজ আলী, মোনাজ্জির হোসেন সুজন ও শাহিনা চৌধুরী রুবি।
সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট শাহিনুর রহমান শাহিন, অ্যাডভোকেট মহসিন রেজা মানিক, আফিকুল ইসলাম, মছিহুর রহমান রাসেল, জিয়াউর রহমান ও রিনা আক্তার। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছেন কর্ণ বাবু দাস এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন ইকবাল হোসেন, মুজিবুর রহমান, মদরিছ চৌধুরী ও সামিনা চৌধুরী মনি।
সম্পাদকীয় ও বিষয়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
প্রচার ও প্রকাশনা: সম্পাদক সাংবাদিক আবু সাইদ, সহপ্রচার সম্পাদক সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া।
অর্থ সংক্রান্ত: অর্থ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ওলি, সহঅর্থ সম্পাদক আনিছুল হক চৌধুরী মুন।
দপ্তর সংক্রান্ত: দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান, সহদপ্তর সম্পাদক আকিফুজ্জামান রিপন।
তথ্য ও প্রযুক্তি: তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক আমিনুল হক, সহসম্পাদক শাহনুর আলম।
মহিলা বিষয়ক: মহিলা সম্পাদিকা প্রতিমা রাণী দাস, সহমহিলা সম্পাদিকা ফুল মালা।
শিক্ষা ও সাহিত্য: শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক প্রভাষক দুলাল মিয়া, সহসম্পাদক জহিরুল ইসলাম।
ক্রীড়া ও বিষয়ভিত্তিক: ক্রীড়া সম্পাদক তুর্য দাস, সহসম্পাদক শব্দম দোজা জ্যোতি; হাওর বিষয়ক সম্পাদক অশেষ তালুকদার, সহসম্পাদক এম সাইফুর রহমান; পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল হক, সহসম্পাদক আফসানা।
কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ:
কমিটিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও জ্যেষ্ঠ সমাজকর্মীদের নির্বাহী সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। তাঁরা হলেন— সৈয়দ মহিবুল ইসলাম, বিকাশ রঞ্জন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, সুখেন্দু সেন, এ কে এম আবু নাছার, আবুল কালাম আজাদ, ইয়াকুব বখত বহলুল, শেখ নজরুল ইসলাম, লতিফুর রহমান রাজু, পঙ্কজ কান্তি দে, মাইদুল ইসলাম খান মামুন, আবুল হাসেন, ফজলুল করিম সাঈদ, ফারুক রশিদ, কানিজ সুলতানা, সাংবাদিক জসীম উদ্দিন, নুরুল হাসান আতাহের, ওবায়দুল হক মিলন, কাজী নুরুল আজিজ চৌধুরী, মোজাহিদুল ইসলাম মজনু, জিয়াউর রহমান জিয়া, মিজাজুল হক, মাওলানা ফয়জ নূর ফয়েজ, ডেনিস চক্রবর্তী ও আশরাফ আলী প্রমুখ।
সভায় নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, প্রতি বছর আগাম বন্যা, ফসল রক্ষা বাঁধের অনিয়ম ও নদী-নালা ভরাটের কারণে হাওরবাসী যে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন, তা থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে একটি স্বতন্ত্র বাজেট সমৃদ্ধ হাওর মন্ত্রণালয়ের কোনো বিকল্প নেই। খুব দ্রুতই এই জেলা কমিটি তৃণমূলের জনগণকে সম্পৃক্ত করে স্মারকলিপি প্রদান ও নানা কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্যজীবীদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


মৎস্যজীবীদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, মৎস্য চাষ এবং উৎপাদনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। প্রায় দুই কোটি মানুষ মৎস্য খাতের উপর নির্ভরশীল। সরকার মৎস্য এবং জলজ খাতকে অগ্রাধিকারে রেখেছে। তিনি ঘোষণা করেন, মৎস্যজীবীদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে। জেলেদের জন্য পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই কথাগুলো বলেন।

এই সময় বিদেশে নিত্যনতুন বাজার খুঁজতে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সর্বোচ্চ দিয়ে সহযোগিতা করবে।

তিনি বলেন, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়তে ৫০০ কোটি টাকা স্টার্টআপ বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রবাহমান খালবিল এবং নদীনালার পরিবেশ অসেচতনার কারণে নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীঘিনালায় মাদকবিরোধী র‍্যালিতে পুলিশের কঠোর বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


দীঘিনালায় মাদকবিরোধী র‍্যালিতে পুলিশের কঠোর বার্তা

মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় দীঘিনালা থানা পুলিশের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে র‍্যালিটি বের হয়। পরে র‍্যালিটি দীঘিনালা বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদে ফিরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ। এতে সভাপতিত্ব করেন দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী। এছাড়া এসআই রাজিব শেখ, দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন, থানা পুলিশের সদস্য, বিএনপি নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকেই ধ্বংস করে না; এর প্রভাব পরিবার ও সমাজেও পড়ে। তাই মাদক প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। এর বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসন বা পুলিশের একার পক্ষে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে দীঘিনালা থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক সরবরাহ ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতেও পুলিশ কাজ করছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সবাইকে পুলিশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।

র‍্যালি ও সমাবেশে মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান তুলে ধরা হয়। আয়োজকরা জানান, মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গলাচিপায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে দুই চোরকে ধরল এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


গলাচিপায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে দুই চোরকে ধরল এলাকাবাসী

 

গলাচিপায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করার সময় গ্রামবাসী দুই চোরকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। রবিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে গজালিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ট্রান্সফরমার চুরি করার অভিযোগে মো. হৃদয় ও আব্দুস সালাম নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে গলাচিপা থানায় নিয়ে আসে।

আটক মো. হৃদয় গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের মো. হাসানের ছেলে, অন্যদিকে আব্দুস সালাম বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মো. স্বপন হোসেনের ছেলে। পুলিশ এসে অভিযুক্ত উভয়কে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে, এই তথ্য জানিয়ে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, "অভিযুক্ত দুজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

পুলিশ ও স্থানীয় এলাকার সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে গজালিয়া ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী ওই দুজনকে ধরতে সক্ষম হয়। গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানিয়েছেন, "অভিযুক্ত দুজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%