ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

নরসিংদীতে ১২ লাখ টাকার নকল ব্যান্ডরোল ও বিড়ি জব্দ, দুই জন আটক


নরসিংদীতে ১২ লাখ টাকার নকল ব্যান্ডরোল ও বিড়ি জব্দ, দুই জন আটক

নরসিংদীর শিবপুরে একাধিক বিড়ি কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রায় ১২ লাখ টাকার নকল ব্যান্ডরোল ও নকল বিড়ি জব্দ করেছে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার কামরাবো বাজার এলাকায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি সম্পন্ন হয়।

এ অভিযানে এনএসআইয়ের সঙ্গে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দলও অংশগ্রহণ করে।

আরও পড়ুন: বিচারকের বিরুদ্ধে প্রেস ব্রিফ: ব্যারিস্টার সারোয়ারকে ২৬ নভেম্বর হাইকোর্টে তলব

আটককৃত ব্যক্তিরা হচ্ছেন ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার বাটি কানাইপুর এলাকার মৃত মনিন্দ্র দত্তের ছেলে নেপাল দত্ত (৬৯) এবং শিবপুরের কামরাবো এলাকার জমির উদ্দিনের ছেলে মো. রকিব (২৫)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে ৮৬৬ বান্ডিল নকল ব্যান্ডরোল জব্দ করা হয়েছে। প্রতি বান্ডিলে ২ হাজার ৫০০টি করে মোট ২১ লাখ ৬৫ হাজার পিস ব্যান্ডরোল রয়েছে। জব্দ করা ব্যান্ডরোলের আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ৯০ হাজার পিস নকল বিড়িও জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ১৮ হাজার ৩০০ টাকা।

বিড়ির ব্যান্ডরোল হলো তামাকজাত পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে বিড়ির প্যাকেটের ওপর সাঁটানো সরকারি রাজস্ব বা কর পরিশোধের একটি বিশেষ কাগজ বা ফিতা। এটি নিশ্চিত করে যে ওই বিড়ির প্যাকেটের ওপর সরকার নির্ধারিত মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং সম্পূরক শুল্ক পরিশোধ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, শিবপুরের কামরাবো এলাকার কয়েকটি বিড়ি কারখানায় নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে বিড়ি উৎপাদন করা হচ্ছিল এবং বিপুল পরিমাণ সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছিল। এনএসআই নেপাল দত্তের মাধ্যমে নকল ব্যান্ডরোল সরবরাহের একটি চক্র পরিচালিত হচ্ছে এমন তথ্য পায়। এর ভিত্তিতে কামরাবো বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন: সাভারে শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি ও অর্থায়নের অভিযোগে যুবলীগ নেতা সোহেল গ্রেপ্তার

অভিযানে নকল ব্যান্ডরোল সরবরাহকারী চক্রের মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত নেপাল দত্তসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।

শিবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামিউর রহমান জানান, জব্দ করা নকল ব্যান্ডরোল ও বিড়ি এবং আটক ব্যক্তিদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে সংক্রমণ প্রতিরোধে আইপিসি প্রটোকল অনুসরণের আহ্বান বিএমইউ উপাচার্যের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


হাসপাতালে সংক্রমণ প্রতিরোধে আইপিসি প্রটোকল অনুসরণের আহ্বান বিএমইউ উপাচার্যের

ঢাকা, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ : হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের নতুন করে সংক্রমণের শিকার না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে ইনফেকশন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল (আইপিসি) প্রটোকল নিয়মিতভাবে চর্চা ও অনুসরণ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

তিনি উল্লেখ করেন, আধুনিক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের পাশাপাশি হাসপাতালের কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীদেরও এই বিষয়ে প্রশিক্ষিত হতে হবে।

আজ রোববার সকালে বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে চার দিনব্যাপী ‘ইনফেকশন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি ম্যানুয়াল গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।

উপাচার্য বলেন, বিএমইউতে এই কর্মশালার উদ্বোধনের মাধ্যমে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। একজন চিকিৎসককে রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ও কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হয়। তাই সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নিয়মিত চর্চা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, প্রথম পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি সদস্য ও চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। পরবর্তীতে কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীদেরও এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণের প্রতিটি বিষয় গুরুত্বসহকারে শেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে সবাই আইপিসি প্রটোকল অনুসরণ করবেন বলে তিনি আশা করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিশেষায়িত চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএমইউ হাসপাতালে কার্যকর সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, প্রশিক্ষিত জনবলের অভাব এবং সংক্রমণ নজরদারির চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

হাসপাতালের দীর্ঘদিন ধরে সেন্ট্রাল স্টেরিলাইজেশন বিভাগ (সিএসএসডি) না থাকায় বিভিন্ন বিভাগ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করছে। এ ছাড়া আইসিইউ, এনআইসিইউ ও সাধারণ ওয়ার্ডে অতিরিক্ত দর্শনার্থীর প্রবেশ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে নবজাতকের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) শিশুদের দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে সংক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় স্টেরিলাইজেশন বিভাগ প্রতিষ্ঠা, প্রশিক্ষিত জনবল নিশ্চিত করা, দর্শনার্থী নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও সংক্রমণ নজরদারি জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও পৃথক বাজেট বরাদ্দ, নিয়মিত অডিট এবং বিভাগ ভিত্তিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিএমইউর ইনফেকশন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল কমিটির সভাপতি ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মজিবুর রহমান হাওলাদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল এবং হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ইরতেকা রহমান।

এ সময় বিএমইউর ইনফেকশন প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল কমিটির সদস্য সচিব ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কাজী আলী আফতাব এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুরাদ সুলতান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. খালেদ মাহবুব মুর্শেদ এবং পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারজানা ইসলাম।

চার দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী দিনে বিএমইউর বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসুস্থ বাটলার, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের দায়িত্বে টিটু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


অসুস্থ বাটলার, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের দায়িত্বে টিটু

বাংলাদেশ নারী ফুটবলের সামনে রয়েছে একটি ব্যস্ত সূচি। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে দলের। তবে, গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজে প্রধান কোচ পিটার বাটলারকে ডাগআউটে পাওয়া যাচ্ছে না। অসুস্থতার কারণে তিনি বর্তমানে ইংল্যান্ডে অবস্থান করছেন। এ কারণে ঋতুপর্ণা-আফিদাদের দায়িত্ব কে নেবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বাটলারের লিভারে সমস্যা ধরা পড়েছে। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতর। লিভারের সমস্যা ক্যানসারে রূপ নিয়েছে। অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে, এবং সেখান থেকে সেরে উঠতে সময় লাগবে। তাই সিঙ্গাপুর সফরে তাঁর দলের সঙ্গে থাকার সম্ভাবনা কম।

বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বাটলার অসুস্থতার কারণে ইংল্যান্ডে রয়েছে। বাস্তবিকভাবে সিঙ্গাপুর ম্যাচে তার থাকা সম্ভব নয়। এই সময়ে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর (সাইফুল বারী টিটু) ছাড়া বিকল্প সেভাবে নেই। তিনিই হয়তো সিঙ্গাপুরে দায়িত্বে থাকতে পারেন।’

বাটলারের সঙ্গে বাফুফের চুক্তির মেয়াদ ডিসেম্বর মাসে শেষ হবে। বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের মূল পর্বে তুললেও সাফের শিরোপা ধরে রাখতে পারেননি তিনি। এশিয়ান গেমসেও প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে পারেনি দল। সব মিলিয়ে তাঁর কোচিং নিয়ে আগে থেকেই প্রশ্ন ছিল। এবার অসুস্থতা যোগ হওয়ায় বাংলাদেশে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে কিরণ বলেন, ‘বাটলারের সঙ্গে ফেডারেশনের ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। সিঙ্গাপুর ম্যাচে হয়তো অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এরপর ফেডারেশন পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।’

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ দুটির প্রস্তুতির জন্য বর্তমানে চট্টগ্রামে অনুশীলন করছে বাংলাদেশ দল। আগামী সপ্তাহে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাদের। সাফ টুর্নামেন্ট শেষ হলে জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে পারেন আফিদারা। আপাতত দলের অনুশীলন পরিচালনা করছেন আবুল হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩ বছর ধরে পৌরসভা চত্বরে কোটি টাকার সরকারি মালামাল বিনষ্ট, নাগরিক সেবা নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


৩ বছর ধরে পৌরসভা চত্বরে কোটি টাকার সরকারি মালামাল বিনষ্ট, নাগরিক সেবা নেই

নেত্রকোনার মদনের বাসিন্দারা, যদিও এটি দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভা, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। গত প্রায় তিন বছর ধরে পৌরসভা চত্বরে এলজিইডির একটি প্রকল্পের অধীনে প্রাপ্ত গাড়ি, ডাস্টবিন এবং অন্যান্য সরঞ্জাম পড়ে রয়েছে। এর ফলে কোটি কোটি টাকার প্রকল্পটি এই হাওড়াঞ্চলের জনগণের জন্য কার্যকর হয়নি।

স্থানীয় নাগরিকদের অভিযোগ, হোল্ডিং ট্যাক্স এবং ময়লা পরিস্কারের ফি পরিশোধ করার পরও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না তারা। পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নাজুক হওয়া স্বীকার করেছেন প্রশাসক।

২০০২ সালে নেত্রকোনার হাওড় অঞ্চলের মদন দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। নাগরিক সেবার উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২৩ সালে “নগর উন্নয়ন” কর্মসূচীর আওতায় ২৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ হয়। তবে নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে এলজিইডির আইইউজিআইপি প্রকল্পের অর্থায়নে ৫ বছর মেয়াদে বিভিন্ন প্যাকেজ গ্রহণ করা হয়। প্রথম ধাপে ওই বছর প্রায় চার হাজার ডাস্টবিন, বিশেষায়িত পাঁচটি অটোরিকশা, একটি মিনি ট্রাক, একটি ভ্যাকুয়াম গাড়ি এবং সাতটি ভ্যানসহ সকল সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। কিন্তু এসব যন্ত্রাংশ খোলা আকাশের নিচে, গ্যারেজে এবং স্টোররুমে পড়ে থেকে গত তিন বছর ধরে বিনষ্ট হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে প্রায় ৬৩ কোটি টাকার সরঞ্জাম এভাবে বিনষ্ট হতে দেখা গেলেও নাগরিকদের কিছুই করার নেই।

গেল ২রা সেপ্টেম্বর মদন পৌরসভায় পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি সেখানে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং কর্মকর্তাদের ওপর তার অসন্তোষ ঝাড়েন। কিন্তু তার পরেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি।

কিছুটা তৎপর হয়ে তড়িঘড়ি করে কিছু সংখ্যক ডাস্টবিন বিতরণ করা হলেও এখনো পৌর চত্বরেই বিপুল পরিমাণ ডাস্টবিন অবহেলায় পড়ে রয়েছে। বিতরণ করা ডাস্টবিনগুলোও দায়সারাভাবে দেয়া হয়েছে।

পৌর সভার উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. জামিল হাসান জানান, ২৪ সালের ৫ আগস্ট কিছু ভাঙচুর হয়েছে। বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের এখান থেকে কিছুই হয় না। কেনাকাটা প্রকল্পের কর্মকর্তারা করেন।

এদিকে সদ্য যোগদান করা পৌর প্রশাসক এম এ কাদের বলেন, এখানে বর্জ্যসহ মারাত্মক অব্যবস্থাপনা রয়েছে। পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য তিনি উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং সার্বিক বিষয়ের সমাধান করার চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেতুমন্ত্রী: দেশে আসতে কেউ নিষেধ করেনি, বিচার শুরু হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


সেতুমন্ত্রী: দেশে আসতে কেউ নিষেধ করেনি, বিচার শুরু হয়েছে

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মন্তব্য করেছেন, বিগত ১৭ বছরের অপকর্ম, দুর্নীতি, দুঃশাসন, গণহত্যা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যারা গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন, তাদের উচিত ছিল দেশে থেকেই আইনের মুখোমুখি হওয়া।

রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলা প্রান্তে কুণ্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এবং দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরের বিভিন্ন অপরাধ ও অপকর্মের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এখন বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন। ইতিমধ্যে অনেক মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে এবং কিছু অভিযোগ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। যারা আন্দোলনের মুখে পালিয়ে গেছেন এবং বর্তমানে পলাতক বা ‘ওয়ান্টেড’ আসামি হিসেবে চিহ্নিত, তাদের দেশে ফিরে আসা উচিত।

তিনি বলেন, দেশে আসতে তাদের কেউ নিষেধ করেনি। তাদের উচিত ছিল দেশে থেকেই এই বিচার মোকাবিলা করা। দেশে ফিরলে আদালতের রায় কার্যকর করবে সরকার ও বিচার বিভাগ—এটাই স্বাভাবিক নিয়ম।

টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আসগর রিপন মল্লিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো।

স্থানীয় লোকজনের মতে, কুণ্ডেরবাজার সেতুটি নির্মিত হলে সিরাজদিখান ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং দুই উপজেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%